আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

মঠবাড়িয়ায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নিরাপদ এর উদ্যোগে শাড়ি লুঙ্গি বিতরণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ আগস্ট ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
মনিরুল ইসলাম, মঠবাড়িয়া

Image

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় শুক্রবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে নিরাপদ সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে কম আয়ের মানুষের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।

নিরাপদ সংগঠনের মঠবাড়িয়া উপজেলা শাখার সভাপতি জনাব ইসমাইল হোসেন হাওলাদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বিদ্যুৎ সাওজালের সঞ্চলনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ। বিশেষ অতিথি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান সিফাত, মঠবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজু, সংগঠনের উপদেষ্টা মেহেদী হাসান, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তফা কামাল বুলেট প্রমুখ। শাড়ি লুঙ্গি বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা সংগঠনের সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করেন। দলমত নির্বিশেষে সবাইকে নিরাপদ সংগঠনের পাশে থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। সংগঠনের সার্বিক উন্নতির জন্য তারা সর্বদা সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

এ সময়ে উপস্থিত ছিলো সংগঠনের ঢাকা মহানগর শাখার সহ-সভাপতি আলআমিন শরীফ, উপজেলা শাখার সহসভাপতি মলিনা আক্তার মৌ, যুগ্ম সম্পাদক মুন্না, যুগ্ম সম্পাদক ফাহিমা আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ-আলম শিকদার, গনসংযোগ সম্পাদক ইয়ামিন আকন, শিক্ষা ও পাঠ্যচক্র বিষয়ক সম্পাদক শুক্লা বিশ্বাস, সদস্য শ্রীতমা, আলভি আলআমিন, আজাদ শিকদার, নজরুল ইসলামসহ অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী সদস্যবৃন্দ।

উল্লেখ্য, নিরাপদ সংগঠনটি মঠবাড়িয়া উপজেলায় দীর্ঘ বছর যাবৎ কম আয়ের মানুষের সহযোগিতায় কাজ করে যাচ্ছে।


আরও খবর



মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেলেন ৫০৪ বীরাঙ্গনা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) সুপারিশে ৫০৪ জন বীরাঙ্গনাকে নারী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য শামীম শাহনেওয়াজের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। এসময় সংসদে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার শিরীন শারমিন।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক বলেন, যুদ্ধকালীন মুক্তিযুদ্ধের সহায়তাকারী সব নারীকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার কার্যক্রম চলমান আছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সুপারিশের আলোকে এরই মধ্যে ৫০৪ জন বীরাঙ্গনাকে নারী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাদের নাম গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে।

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য সৈয়দা জাকিয়া নূরের প্রশ্নের জবাবে আ ক ম মোজাম্মেল হক জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা যাদের নাম এমআইএস এবং সমন্বিত তালিকায় রয়েছে, তাদের অনুকূলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এক লাখ ৯৩ হাজার ৭৮০টি ডিজিটাল সনদ এবং জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এক লাখ ৮০৫টি স্মার্ট আইডি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, তাদের মধ্যে প্রবাসে অবস্থানকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাও রয়েছেন। তবে এমআইএস ও সমন্বিত তালিকায় যেসব বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম রয়েছে, কিন্তু অদ্যাবধি ডিজিটাল সনদ ও স্মার্ট আইডি কার্ড পাননি, তাদের অনুকূলে ডিজিটাল সনদ, স্মার্ট আইডি কার্ড প্রস্তুত ও প্রদানের কার্যক্রম চলমান আছে।


আরও খবর
আজ ভয়াল ২৫ মার্চ, গণহত্যা দিবস

সোমবার ২৫ মার্চ ২০২৪




ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত শত শত পরিবারের মাঝে খাবারের বিতরণ করেছে কোস্ট গার্ড। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত আশ্রয় ও চিকিৎসা সেবাও দিয়েছে কোস্ট গার্ড।

বুধবার (২৯ মে) বিকেলে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড তার দায়িত্বপূর্ণ উপকূল ও চরাঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে অসহায় মানুষের সহায়তায় সবসময় পাশে থাকে। সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় রেমালের পূর্বাভাসের সাথে সাথেই বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সকল উপকূল এলাকায় সাধারণ জনগণ, মৎস্যজীবী ও জলযান সমূহকে সতর্ক করা, প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ, জেলেদের সমুদ্রের গমনে নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি সকলকে আশ্রয় কেন্দ্রে গমনের জন্য অনুপ্রাণিত করেছে।

গত ২৫ মে হতে কোস্টগার্ডের সকল স্টেশন ও আউটপোস্টগুলো উপকূলীয় এলাকার বিপদগ্রস্ত শিশু, বৃদ্ধ, মহিলাসহ শত শত পরিবারকে আশ্রয় ও খাবারের পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছে।

তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমাল শেষে উপকূলীয় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অসহায় দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সহায়তায় পুনরায় ৩ দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

এই কর্মসূচির আওতায় কোস্ট গার্ড ত্রাণ হিসাবে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পরিবার কল্যাণ সংঘ ক্ষতিগ্রস্ত ও সুবিধাবঞ্চিত নারী, শিশু ও বয়স্কদের মাঝে বস্ত্র সামগ্রী এবং ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ি নির্মাণের জন্য বিপুল পরিমাণ ঢেউটিন প্রদান করছে।


আরও খবর



বান্দরবানে কুকি-চিনের দুই সদস্য নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

বান্দরবানে যৌথবাহিনীর সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) দুই সদস্য নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকালে সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড শ্যারণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শ্যারণপাড়া প্রধান তলুয়াং থাং বমের তথ্য অনুযায়ী, নিহতরা হলেন শ্যারণপাড়া এলাকার লাল নু বম ও বেথানি পাড়া এলাকার থাং পুই বম।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে শ্যারণপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। এসময় তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন কেএনএফ সদস্যরা। আত্মরক্ষার্থে যৌথবাহিনী পাল্টা গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই কেএনএফের দুই সদস্য নিহত হন।

দুই কেএনএফ সদস্য নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাই মো. রায়হান কাজেমী বলেন, মরদেহ দুটি উদ্ধার করে বান্দরবান হাসপাতালে আনা হয়েছে। আগামীকাল তাদের ময়নাতদন্ত হবে।

বান্দরবান সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জুয়েল ত্রিপুরা জানান, নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা বিকেল ৫টার দিকে গুলিবিদ্ধ দুটি মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

গত ২ ও ৩ মে বান্দরবানের রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতি, হামলা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১৪টি অস্ত্র লুট ও ব্যাংক ম্যানেজার অপহরণের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৯টি মামলা হয়েছে। থানচিতে চারটি ও রুমায় পাঁচটি। এসব মামলায় কেএনএফ সদস্য সন্দেহে ৮৬ জনকে গ্রেফতার করে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে ২৫ জন নারী রয়েছেন।


আরও খবর



সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি ৫ লাখ ৩৩ হাজার মানুষ

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

ভারত থেকে নেমে আসা উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে সিলেটে বন্যা ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। সীমান্তবর্তী ছয় উপজেলাসহ মোট সাত উপজেলায় পানিবন্দি অবস্থায় আছেন প্রায় ৫ লাখ ৩৩ হাজার ২০২ জন মানুষ।

সিলেটের বন্যাকবলিত উপজেলাগুলো হলো- জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, জকিগঞ্জ ও গোলাপগঞ্জ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সিলেট কার্যালয়ের তথ্যমতে, শুক্রবার (৩১ মে) সকাল ৬টায় সিলেটের কানাইঘাট সুরমা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। জকিগঞ্জ উপজেলার কুশিয়ারা নদীর অমলসিদ পয়েন্টে ২০৯ সেন্টিমিটার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্য দুটি পয়েন্ট গোয়াইনঘাটের জাফলং ডাউকি পয়েন্ট ও সারি গোয়াইন পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রভাবিত হচ্ছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সন্ধ্যা ৬টায় সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৩৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। একই সময়ে কুশিয়ারা নদীর পানি জকিগঞ্জের অমলসিদ পয়েন্টে বিপৎসীমার ২১৩ সেন্টিমিটার এবং শেওলা পয়েন্টে ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এ ছাড়া সারি গোয়াইন পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

জেলা প্রশাসনের সূত্রমতে, সিলেট জেলায় ৫৪৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে সাতটি উপজেলার ৩৪৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যাকবলিত এলাকার ৪ হাজার ৮০২ জন লোক আশ্রয় নিয়েছে। প্লাবিত উপজেলাগুলোর মধ্যে কানাইঘাট, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জকিগঞ্জে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাল, শুকনো খাবার ও অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সিলেট জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও দুর্গত মানুষের খোঁজ নিতে জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান উপজেলাগুলোতে পরিদর্শন করেছেন। সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বন্যার্তদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য ইউনিয়নভিত্তিক মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোবারক হোসেন জানান, বন্যাকবলিত উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে। জেলা ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বৈঠক হয়েছে। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। বন্যাকবলিত মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সবার কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হবে।


আরও খবর



প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় শেখ হাসিনা অনন্য অসাধারণ: শ ম রেজাউল করিম

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মশিউর রহমান রাহাত, পিরোজপুর

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় অন্যন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন শেখ হাসিনা। আইলা, বুলবুল যত দুর্যোগ আসছে সব দুর্যোগ মোকাবেলা করে তিনি রোল মডেলে পরিণত করেছেন। তাই আমরা সংক্ষেপে বলি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় শেখ হাসিনা অনন্য অসাধারণ।

সংসদ সদস্য আজ শনিবার সদর উপজেলা অডিটরিয়ামে অসচ্ছলদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহার  বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, মনে রাখবেন এদেশের স্বাধীনতা দিয়েছে নৌকা, এদেশের মানুষের অধিকার দিয়েছে নৌকা, ভুমিহীন বিপর্যস্ত মানুষদের জমিসহ ঘর দিয়েছেন নৌকা, দুস্থদের খাদ্য উপহার দিয়েছে নৌকা, করোনার সময় যে সাহায্য দিয়েছে নৌকা। অর্থাৎ নৌকা, আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু, শেখ হসিনা অবিচ্ছেদ্য। এই স্রোতের বাইরে কেউ যাবেন না।

এমপি আরও বলেন, অতীতেও তো খালেদা জিয়া, জিয়াউর রহমান, এরশাদ সরকারে ছিলেন। তারা তো এভাবে সহয়তা প্রদান করেননি। আর আওয়ামী লীগ সরকার দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগে একটা মানুষকে না খেয়ে মারা যেতে দেয়নি। করোনার সময় একটা মানুষের কাছ থেকে টিকা দেওয়ার জন্য টাকা নেওয়া হয় নাই। বাড়ি বাড়ি ত্রাণ পৌছে দেওয়া হয়েছে। এ সবই সম্ভব হয়েছে একজনের কারণে। তিনি আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা থাকলে নির্ভয়ে আপনারা দিন যাপন করতে পারেন।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো, আরিফ মোর্শেদ মিশুর সভাপতিত্বে এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম বায়েজীদ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আক্তরুজ্জামান ফুলু প্রমূখ।

এদিন পিরোজপুর সদর উপজেলার ১ হাজার দরিদ্র মানুষকে ঈদ উপহার হিসেবে ৫ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়।


আরও খবর