আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

মোদির বাড়িতে আপ্যায়িত হবেন শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আগামীকাল শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) নয়া দিল্লি যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈঠকে বসবেন বলে আগেই জানিয়েছিলেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন।

আজ কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা এক প্রতিবেদনে লিখেছে হায়দ্রাবাদ হাউস অথবা সাউথ ব্লকে নয়, বঙ্গবন্ধু কন্যার সঙ্গে মোদি আলাপচারিতা করবেন নিজের বাসভবন, ৭ লোককল্যাণ মার্গে।

আন্তরিকতার বার্তা দিতেই এই গৃহঅভ্যর্থনার আয়োজন করা হয়েছে বলেও লেখা হয়েছে প্রতিবেদনে। 

শনিবার সকাল থেকে শুরু হবে জি২০ দেশগুলোর শীর্ষ সম্মেলন। বাংলাদেশ ওই গোষ্ঠীর সদস্য নয়। কিন্তু ভারত জি২০ গোষ্ঠীর সভাপতিত্ব পাওয়ার পরই মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অতিথি হিসাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশকেই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত, যা দুই দেশের সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছানোর দৃষ্টান্ত বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

আনন্দবাজারের ওই প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে শেখ হাসিনা হাসিনা দক্ষিণ কোরিয়া, আর্জেন্টিনা ও সৌদি আরবের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। নৈশভোজ এবং সম্মেলন কক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে শেখ হাসিনার দেখা হওয়ার একটা সম্ভাবনার কথাও লিখেছে আনন্দবাজার।


আরও খবর



মেট্রোরেলের ২য় চালান নিয়ে মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে জাহাজ

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আবু বকর সিদ্দিক, মোংলা প্রতিনিধি

Image

মেট্রোরেলের ২য় চালান নিয়ে মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে পানামা পতাকাবাহী জাহাজ এমভি কিয়ো কোরাল।

মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় জাহাজটি বন্দরের ৮নম্বর জেটিতে নোঙর করেছে।

জাহাজটিতে মেট্রোরেলের ৪৯১ পিচ সিমেন্টের পাইল রয়েছে। এর আগে ভিয়েতনাম বন্দর থেকে গত ৬ ফেব্রুয়ারি মেট্রোরেলের মালামাল নিয়ে মোংলা বন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে এমভি কিয়ো কোরাল।

এম ভি কিয়ো কোরাল জাহাজের স্থানীয় শিপিং এজেন্ট এনশিয়েন্ট স্টিম শীপ কোম্পানীর ব্যবস্থাপক মো: ওয়াহিদুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, জাহাজটি মোংলা বন্দরের ৮ নম্বর জেটিতে ভিড়েছে।

মেট্রোরেলের এ সকল মালামাল খালাসের সঙ্গে সঙ্গেই নদী পথে বিশেষ নৌযানে (বার্জ) করে তা নেওয়া হবে ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ী মেট্রোরেলের ডিপোতে।

নিউজ ট্যাগ: মেট্রোরেল

আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সেফটি দিতে না পারলে ফ্লাইওভার-মেট্রোরেলে কোনো লাভ নেই : ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এতো ফ্লাইওভার, মেট্রোরেল, সেতু, রাস্তা করেছি। এসব যতই করি যদি রোডের সেফটি না থাকে তাহলে জনগণ এসব উন্নয়নের সুফল পাবে না।

বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানীর সেতু ভবনের সভাকক্ষে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টরের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প- সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প নিয়ে কথা হয়েছে। সড়কে যেভাবে দুর্ঘটনা ঘটছে। সেটি আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সচেতনতার অভাব রয়েছে।

প্রকল্প বিষয়ে তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা যেভাবে বাড়ছে, নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। ৪ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকার মোট ব্যয়ে সরকারি ১ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা ও ঋণ ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকায় প্রকল্পে ধরা হয়েছে। ৩০ জুন ২০২৮ সালে শেষ হবে প্রকল্পের মেয়াদ।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় রয়েছে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, কল সেন্টার, অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, পেট্রোল মোটরসাইকেল, ইন্ট্রিগ্রেটেড ট্রাফিক ম্যানেজম্যান্ট, রেস্কিউ টিম, বিআরটিএ। বাংলাদেশ পুলিশ, তারা প্রকল্পের সহযোগিতায় থাকবে।

নিরাপত্তা প্রকল্পে কী ধরনের নিরাপত্তা দেয়া হবে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা আছে। তারা পুলিশ সেন্টার করবে। অ্যাম্বুলেন্স ও মেডিকেল সার্ভিস করা হবে। ইমারজেন্সি রেসকিউ অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও খবর



তুমব্রু সীমান্তে ফের গোলাগুলি, সতর্ক বিজিবি

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্ত এলাকা ও মিয়ানমারের ঢেকিবুনিয়া এলাকা থেকে কয়েক দফায় বিকট শব্দ শোনা গেছে। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টা ৪০ মিনিট থেকে এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এর আগে শনিবার রাত সোয়া ২টা থেকে টানা শত রাউন্ড গুলির আওয়াজ শুনেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য দিল মোহাম্মদ ভুট্টো।

বাইশফাড়ি সীমান্তের বাসিন্দা মো. এরশাদ বলেন, দু'দিন ধরে মিয়ানমার সীমান্তে ব্যাপক গোলাগুলিতে আমরা আতঙ্কের মধ্যে আছি। সীমান্ত এলাকায় কাজকর্ম করতে ভয় লাগছে।

তবে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া সাতটি স্কুল এখনও খোলেনি। পরিস্থিতি পুরো স্বাভাবিক হলে কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদনের মাধ্যমে বন্ধ স্কুলগুলো খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফরিদুল আলম হুসাইনি।

সূত্রে জানা গেছে, মিয়ানমার জান্তা বাহিনীর হাতছাড়া হওয়া আরকান আর্মি নিয়ন্ত্রিত তুমব্রু রাইট ক্যাম্প থেকে গুলি ছোড়া হলে প্রতিপক্ষ অপর বিদ্রোহীরা তাদের ওপর পাল্টা গুলি চালায়।

ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, আবরও গোলাগুলির শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে তার এলাকার হাজারও মানুষ। তবে লোকজন কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন।


আরও খবর



দেশের প্রতিটি সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর অবদান রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে গিয়ে বাঙালিরা রক্ত দিয়েছে, রক্তের অক্ষরে ভাষার অধিকারের কথা লিখে গিয়েছে। পাকিস্তানি শাসকরা যখন আমাদের মায়ের ভাষার অধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছিল, সংখ্যাগরিষ্ঠতায় আমরাই ছিলাম বেশি। আর যে ভাষাটা আমাদের ওপর চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল, উর্দু, সেটা কারও মাতৃভাষা নয়, পুরো পাকিস্তানের ৭ ভাগ লোকও এটা ব্যবহার করত কি না, সেটাই প্রশ্ন। অথচ আমরা বাঙালিরা ছিলাম প্রায় ৫৫ ভাগ। আমাদের ভাষা কেড়ে নিয়ে দ্বিজাতীয় একটা ভাষা যখন চাপিয়ে দিতে চায়, তখন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র। তিনি উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তমদ্দুন মজলিশসহ আরও কয়েকটি সংগঠন নিয়ে বাংলা ভাষাকে রক্ষার জন্য সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলেন এবং আন্দোলন শুরু করেন। সেই আন্দোলনের পথ ধরেই আমরা আমাদের স্বাধিকার আদায় করেছি স্বাধীনতা পেয়েছি।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অমর একুশে পদক বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, সবচেয়ে দুঃখের কথা হলো ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে অবদান, সেই আন্দোলনের যে ইতিহাস, সেখান থেকেও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নামটা মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। 

আরও পড়ুন>> একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভাষা আন্দোলনে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে সারা বাংলাদেশ সফর করে মানুষকে যখন সংগঠিত করছিলেন তখনই তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ দেশের প্রতিটি সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর অবদান রয়ে গেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বলে গেছেন, ১৯৫২ সালের আন্দোলন কেবল ভাষা আন্দোলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, এ আন্দোলন ছিল সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন। কাজেই জাতির পিতা কিন্তু বলে গেলেন আমাদের সামাজিক সাংস্কৃতিক রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন হচ্ছে ৫২র মাতৃভাষা রক্ষার আন্দোলন।


আরও খবর



মানব পাচারে বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জড়িত : ডিবি হারুন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মানব পাচার চক্রের পাঁচজনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ভুয়া ভিসা, বোডিং পাস, বিমানের টিকিট উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) মিন্টু রোডে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হারুন অর রশীদ এ তথ্য জানান।

তিনি জানায়, মধ্যপ্রাচ্য, লিবিয়াসহ বেশকিছু নৌকাডুবিতে মৃত্যুর কারণে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। যার কারণে দালাল চক্র ইউরোপ এবং সেনজেনভুক্ত দেশে লোক পাঠিয়ে আসছিলো চক্রটি। এ পর্যন্ত ২৫০ জনের বেশি লোক বিভিন্ন দেশে পাঠিয়েছে দালাল চক্রটি। চক্রের মধ্যে বাংলাদেশ বিমানের নিরাপত্তাকর্মী, কুয়েত এয়ারওয়েজের কর্মী রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দরে বিভিন্ন বিভিন্ন জায়গায় চক্রের লোক থাকে যারা বিমানের টিকিট, ভুয়া ভিসা এবং বোডিং পাস ম্যানেজ করে দেয় এবং বিমান পর্যন্ত উঠতে সহায়তা করে থাকে। বেশিরভাগ যাত্রীকে তারা টুরিস্ট ভিসা বা ভুয়া ভিসায় পাঠায়। নির্দিষ্ট একটা সময় পর তারা বুঝতে পারে তারা জালিয়াতি চক্রের খপ্পরে পরেছে। কারও ভাগ্য ভালো থাকলে তারা দেশে ফিরে আসতে পারে, না হলে কারাগারে যেতে হয়। ১৬-১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে জাল ভিসা দিয়ে থাকে চক্রটি।

ডিবির দাবি, চক্রের সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জড়িত আছে। তা না হলে কিভাবে বোডিং পাস, বিমানের টিকিট ম্যানেজ সম্ভব হয়।


আরও খবর