আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

মেয়ের বিয়ের বাজার নিয়ে ফিরলেন ঠিকই, তবে লাশ হয়ে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | ৬৪০জন দেখেছেন
আব্দুল্লাহ আল মামুন

Image

ভোলার লালমোহনে মেয়ের বিয়ের বাজার করতে এসে সড়ক দুর্ঘটনায় লাশ হয়ে ফিরলেন বাবা। শুক্রবার (০৬ মে) বিকালে উপজেলার ইসলামপুর বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ভোলার লালমোহনে ইজিবাইকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী আবদুল রশিদ মাল(৪৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়।

নিহত আবদুল রশিদ লালমোহন উপজেলা বদরপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের সরদার বাড়ির মৃতঃ আবদুল ওহাদ আলী মালের ছোট ছেলে। আবদুল রশিদ চট্টগ্রামে সিএনজি চালক। সেই ঈদের ছুটিতে মেজো মেয়ের বিয়ের উদ্দেশ্য বাড়িতে আসেন।

আবদুল রশিদ মালের বড় ভাই শাজাহান মাল জানান, তার ছোট ভাই জুম্মা নামাজ শেষে মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য দুই কিনতে বাড়ি থেকে নাজিরপুর বাজার উদ্দেশ্য মোটরসাইকেল নিয়ে রওয়ানা দেন ইসলামপুর বাজারে উত্তর পাশে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ইজি বাইকের সাথে সংঘর্ষ হয়।

এতে ঘটনাস্থলেই তার ভাই মারা যান। মেয়ের বিয়ের বাজার করতে গিয়ে এভাবে লাশ হয়ে ফিরবেন তার বাবা এটা বুঝতে পারিনি’ বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

লালমোহন থানার ওসি (তদন্ত) এনায়েত হোসেন বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনও অভিযোগ না থাকায় পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর
হুমকির মুখে ভোলার শতকোটি টাকার শহর রক্ষা বাঁধ

বৃহস্পতিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২




বাংলাদেশ চীনা ঋণের ফাঁদে নেই: রাষ্ট্রদূত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৩৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশে চীনের কোনো ঋণের ফাঁদে নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। বুধবার (১১ মে) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেন চীনা রাষ্ট্রদূত। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা জানান তিনি।

লি জিমিং বলেন, আমি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের সঙ্গে অন্য দেশের ঋণের ফাঁদ নিয়ে আলোচনা করেছি। কিন্তু আমি নিশ্চিতভাবে বলতে চাই, বাংলাদেশে চীনের কোনো ঋণের ফাঁদ নেই।’

‘চীন থেকে নেওয়া ঋণের ফাঁদে পড়বে বাংলাদেশ’, বিশেষজ্ঞদের এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি সাংবাদিকদের কাছে আক্ষেপ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, আমরা চীন থেকেও বেশি ঋণ জাপান থেকে নিয়েছি, অথচ এটা কেউ বলে না।

বাংলাদেশ ঋণ নেওয়ার বিষয়ে সজাগ জানিয়ে ড. মোমেন সেদিন বলেছিলেন, বাংলাদেশ ঋণ নিতে খুব সজাগ। যাচাই-বাছাই না করে প্রধানমন্ত্রী কোনো ঋণ নেন না। এ ব্যাপারে একেবারে সতর্ক আমরা। আমাদের ঋণের ফাঁদে পড়ার সম্ভাবনা নেই। চীন থেকে ৫ থেকে ৬ পারসেন্টের মতো নিই আমরা। ওটা নিয়ে মাথা ঘামায় সবাই।’

চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিংয়ের সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান ড. মোমেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা নিয়ে আলাপ হয়েছে। যে প্রসেসটা ওনারা শুরু করেছিলেন, ত্রিপক্ষীয় এটা অনেক দিন ধরে আটক আছে। এখনতো মিয়ানমার মোর একোমোডেটিভ। সো আমরা দেখি কীভাবে কী করা যায়। আমরা চাই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াটা শুরু হোক।’

এছাড়া বৈঠকে বহুপাক্ষিক ফোরামে সহযোগিতা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন সহযোগিতা এবং চীনে আটকে পড়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রত্যাবর্তনসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।


আরও খবর



লক্ষ্মীপুরে নিখোঁজ সেই চার কিশোরীকে উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ৫২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লক্ষ্মীপুরে নিখোঁজ হওয়ার ৩২ ঘণ্টা পর সেই চার কিশোরীকে এক পুলিশ সদস্যের বাসা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৮ মে) রাত ৯টার দিকে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি জানান পুলিশ সুপার ড. এএইচএম কামরুজ্জামান। এর আগে জেলা কারাগারের পাশে এক পুলিশ সদস্যের বাসায় চার কিশোরীকে পাওয়া যায়। সন্ধ্যায় আরেক পুলিশ সদস্য তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেন।

লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার ড. এইচ এম কামরুজ্জামান জানান, এই চার কিশোরী অভাব অনটন ও কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হয়। তারা কাজ করে পরিবারের অভাব অনটন দূর করতে বাবা-মার অগোচরে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরে একটি সিএনজি যোগে জেলা শহরের উত্তর তেমুহনীতে আসে। এরপর নুরুল ইসলাম নামের এক পুলিশ সদস্যের বাড়িতে আশ্রিত থাকেন তারা। তাদের অবস্থান পরিবারের সদস্যদের জানাতে নিষেধ করায় সন্দেহ হলে কৌশলে মুঠোফোনে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে বিষয়টি কমলনগর থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।

পুলিশ সুপার আরো জানান, অন্য কারও প্ররোচনা কিংবা তাদের কেউ অপহরণ করেনি। তারা স্বেচ্ছায় কাজের সন্ধানে বাড়ি ছাড়ে। তারপরও বিষয়টি নিয়ে আরো তদন্ত করা হচ্ছে। চার কিশোরীকে তাদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) পলাশ কান্তি নাথ, সহকারী পুলিশ সুপার মিমতানুর রহমান, ডিএসবির ওসি একেএম আজিজুর রহমান মিয়া ও কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান হোসেনসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তবে চার কিশোরী উদ্ধার হওয়ায় পরিবারের সবাই খুশি।

উল্লেখ্য, শনিবার (৭ মে) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের বাদামতলী এলাকা থেকে সামিয়া আক্তার, জোবায়দা আক্তার, সিমু আক্তার ও মিতু আক্তার নামে (চাচাতো ও খালাতো বোন) চার কিশোরী একসঙ্গে সামিয়ার নানার বাড়ির (নোয়াখালী) উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর তাদের খোঁজ না পাওয়ায় নানী পরিচয়ে আকলিমা নামের এক নারী কমলনগর থানায় নিখোঁজ হওয়ার সাধারণ ডায়েরি করেন। এনিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

নিউজ ট্যাগ: কিশোরী উদ্ধার

আরও খবর



পি কে হালদার ভারতে গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ৪৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত আলোচিত সেই পি কে হালদার ওরফে প্রশান্ত কুমার হালদার ভারতে শিবশঙ্কর হালদার নামে বিপুল সম্পত্তি গড়েছেন।

শুক্রবার (১৩ মে) ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়ের ডিরেক্টরেট অব এনফোর্সমেন্ট শাখা পশ্চিমবঙ্গের দমদম, ২৪ পরগণাসহ দশটি এলাকায় অভিযান চালিয়েছে। এই অভিযানের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে তিন জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে, তাদের মধ্যে পি কে হালদারও রয়েছেন কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে অভিযানিক দল বলেছে, পি কে হালদার পশ্চিমবঙ্গে শিবশঙ্কর হালদার পরিচয়ে পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন কাগজপত্র তৈরি করেছিলেন।

ভারতের প্রভাবশালী গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস ও ডিরেক্টরেট অব এনফোর্সমেন্টের (ইডি) অভিযানের খবর দিয়ে তিন জনের আটকের তথ্য দিয়েছে। যেখানে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে প্রশান্ত কুমার হালদার, প্রিতীশ কুমার হালদার ও প্রাণেশ কুমার হালদারের কথা বলা হয়েছে। তবে এই তিন জনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। প্রীতিশ হালদার পিকে হালদারের আপন ছোট ভাই।

ইডি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, প্রশান্ত কুমার হালদার পশ্চিমবঙ্গে নিজেকে শিবশঙ্কর হালদার নামে পরিচয় দিয়ে ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়েছেন। তিনি জালিয়াতি করে রেশন কার্ড, ভারতীয় ভোটার আইডি কার্ড, প্যান কার্ড ও আঁধার কার্ড নিয়েছিলেন। তার সহযোগীরাও সেখানে জালিয়াতি করে ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০১৯ সালে কানাডায় পালিয়ে গেলেও পি কে হালদার ভারতে নিয়মিত যাতায়াত করতেন বলে তারা ধারণা করছেন। স্থায়ীভাবে আত্মগোপন করে থাকার জন্যই তিনি জালিয়াতি করে ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়েছিলেন। যাতে কেউ তার কোনও খোঁজ না পায়।

বাংলাদেশের বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্তত এগার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের পর কানাডায় পালিয়ে যান প্রশান্ত কুমার হালদার। দেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ৩৪টি মামলা দায়ের করেছে। এসব মামলায় এক ডজনেরও বেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে ১১ জন নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীও দিয়েছে।

দুদকে পিকে হালদার সম্পর্কিত মামলাগুলোর অনুসন্ধান করছেন এমন একজন কর্মকর্তা বলেছেন, তারা অভিযানের বিষয়টি জানতেন। ভারতের সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে তাদের তথ্য আদান-প্রদান হয়েছে। কিন্তু কাদের গ্রেফতার বা আটক করা হয়েছে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের এখনো জানানো হয়নি।

ভারতে ৩০০ কোটি টাকা পাচার

ডিরেক্টরেট অব এনফোর্সমেন্ট-ইডির বরাত দিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, প্রশান্ত কুমার হালদার তার সহযোগীদের মাধ্যমে ভারতে অন্তত ৩০০ কোটি টাকা পাচার করেছে। পুরো টাকাই হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণার অশোকনগরে সম্পত্তি কেনার পাশাপাশি আশেপাশের বিভিন্ন এলাকাসহ কোলকাতার অভিজাত এলাকাতেও বিনিয়োগ করা হয়েছে। অশোকনগরে পি কে হালদারের অন্যতম প্রধান সহযোগী সুকুমার মৃধার নামে চার বিঘে জমির ওপর একটি প্রাসাদোপম বাড়িরও সন্ধান পাওয়া গেছে। গত বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে সুকুমার মৃধা ও তার মেয়ে অনিন্দিতা মৃধাকে দুদক গ্রেফতারের পর থেকে তারা এখনো বাংলাদেশের কারাগারে রয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পি কে হালদার ও তার পরিবারের সদস্যদের কর আইনজীবী হিসেবে কাজ করতেন সুকুমার অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের মালিক সুকুমার মৃধা। সেই সূত্র ধরেই সুকুমার মৃধা ও তার মেয়ে অনিন্দিতা মৃধার মাধ্যমে ভারতে অর্থ পাচার করেছেন তিনি। ভারতে সুকুমার মৃধা মাছ ব্যবসায়ী ও একাধিক মাছের ঘেরের মালিক হিসেবে পরিচয় দিতেন। সুকুমার মৃধার মেয়ে জামাই সঞ্জীব ভারতের সম্পত্তি দেখভাল করতেন। ডিরেক্টরেট অব এনফোর্সমেন্ট-ইডির কর্মকর্তারা শুক্রবার সঞ্জীবকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

ইডির সূত্রে পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, পি কে হালদার ও তার সহযোগীরা ভারতে একাধিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছিলেন। যার পুরো অর্থই বাংলাদেশ থেকে পাচার করে নিয়ে যান। এসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান শুরু করেছে ডিরেক্টরেট অব এনফোর্সমেন্ট।

বাংলাদেশের দুদকের কর্মকর্তারা জানান, ২০১৮ সালে পি কে হালদার এবং তার ভাই প্রীতিশ কুমার হালদার কানাডার পাশাপাশি ভারতেও হাল ট্রিপ টেকনোলজি নামে একটি প্রতিষ্ঠান খোলেন। সেই প্রতিষ্ঠানের সূত্র ধরেই পিকে হালদার ও তার সহযোগীরা ভারতে অবৈধভাবে অর্থ পাচার করে বিপুল সম্পত্তি গড়ে তোলেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণার অশোকনগরে স্বপন মিত্র নামে এক ব্যক্তির বাড়িতেও অভিযান চালিয়েছেন ইডির কর্মকর্তারা। ধারণা করা হচ্ছে, এই স্বপন মিত্রও বাংলাদেশি নাগরিক স্বপন কুমার মিস্ত্রি। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট- বিআইএফআইইউর অনুসন্ধানে পি কে হালদারের অর্থ পাচারের সঙ্গে পিরোজপুরের বাসিন্দা স্বপন কুমার মিস্ত্রি ও তার স্ত্রী পূর্ণীমা রানী হালদার, স্বপনের ভাই উত্তম কুমার মিস্ত্রী ও উত্তমের স্ত্রী অতসী মৃধার সম্পৃক্ততা পেয়েছিল।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পি কে হালদারের অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত ঘনিষ্ঠ হিসেবে অন্তত ৭০ জনের একটি তালিকা করেছিল বিএফআইইউ ও দুদক। এর মধ্যে অনেকেই ভারতে গিয়ে নামের আংশিক পরিবর্তন করে জালিয়াতি করে ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়ে বসবাস করছেন।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট-বিআইএফআইইউর একটি সূত্র বলছে, অর্থ পাচারের মাধ্যমে পি কে হালদার ভারতে যে বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন, তা কিভাবে ফিরিয়ে আনা যায় তা নিয়ে এখন তারা চিন্তা-ভাবনা করছেন। ভারতে তার আরও অনেক সম্পত্তি রয়েছে বলে তাদের ধারণা।


আরও খবর



টিটিইর বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রেলমন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয় দিয়ে টিকিট ছাড়া ট্রেনে ভ্রমণ করায় তিন যাত্রীকে জরিমানা করার ঘটনায় টিটিই শফিকুল ইসলামকে বরখাস্তের অভিযোগ উঠে। এঘটনায় দেশজুড়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। এমন পরিস্থিতিতে টিটিই শফিকুল ইসলামের বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

রোববার (৮ মে) রেল ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন এ কথা জানান। এছাড়া, পাক‌শীর বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (‌ডি‌সিও) না‌সির উদ্দিনকে শোকজ করা হবে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের আত্মীয় পরিচয়ে বিনা টিকিটে ভ্রমণকারী তিন ট্রেনযাত্রীকে জরিমানা করায় ওই ট্রেনের ভ্রাম্যমাণ টিকিট পরীক্ষককে (টিটিই) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। গত বুধবার (৪ মে) দিবাগত রাতে খুলনা থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনে জরিমানার ঘটনা ঘটে। পরে বৃহস্পতিবার (৫ মে) বিকেলে ঈশ্বরদীর পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও) নাসির উদ্দিনের নির্দেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্ত হওয়া টিটিই মো. শফিকুল ইসলাম রেলওয়ে জংশন ঈশ্বরদীর টিটিই হেডকোয়ার্টারের সঙ্গে যুক্ত।


আরও খবর



বেশি বাড়াবাড়ি ভালো না, বিএনপিকে কাদের

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৩৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগকে এখন থেকেই সুসংগঠিত, স্মার্ট রাজনৈতিক দল হিসেবে গড়ে তুলে আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিতে হবে। এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাড়াবাড়ি করবেন না, বেশি বাড়াবাড়ি ভালো নয়। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আজ সোমবার (১৬ মে) সকালে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে তাঁর রাজধানীর বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এ কথা বলেন।

‘অর্থ পাচারকারী আওয়ামী লীগনেতাদের নামের তালিকা প্রচার’ করার বিষয়ে সম্প্রতি বিএনপির মহাসচিবের বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, অর্থ পাচারকারীর নামের তালিকা যদি প্রচার করতেই হয়, তাহলে সবার আগে আপনাদের দলের দণ্ডিত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম চলে আসবে।’

এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে তথ্য-প্রমাণ দিয়ে কথা বলার আহ্বান জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের৷ তিনি বলেন, বাড়াবাড়ি করবেন না, বেশি বাড়াবাড়ি ভালো নয়। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিন।’

পি কে হালদারের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি আওয়ামী লীগের কেউ নন, তবুও তিনি অর্থ পাচারকারী হিসেবে চিহ্নিত। তাঁর বিচার প্রক্রিয়া আইনের মাধ্যমে হবে।’

আওয়ামী লীগের মধ্যে যারা চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, চোরা কারবারি এবং সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত, তাদের স্থান কোনোভাবেই আওয়ামী লীগে হবে না জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ভালো লোক ও ত্যাগীদের দলে মূল্যায়ন করতে হবে।’ পকেট ভারী করার জন্য খারাপ লোকদের দলে না টানতে নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেরপুরের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে বলেন, ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না, ক্ষমতা চিরকাল থাকবে না।’

শেখ হাসিনা দেশে এসেছিলেন বলেই অবরুদ্ধ গণতন্ত্র শৃঙ্খলামুক্ত হয়েছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, শেখ হাসিনা এসেছিলেন বলেই বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে জাতিকে কলঙ্ক মুক্ত করেছেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা বাংলাদেশে এসেছিলেন বলেই পদ্মাসেতু আজ দৃশ্যমান, আগামী মাসেই এ সেতুর উদ্বোধন করা হবে।

মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ফরহাদ হোসেনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আমিরুল আলম মিলন, অ্যাডভোকেট গ্লোরিয়া সরকার ঝর্ণা, পারভীন জামান কল্পনা এবং মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেকসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা।


আরও খবর