আজঃ মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২
শিরোনাম

মানিকগঞ্জে পদ্মার বুকে হারিয়ে গেল চারতলা স্কুল ভবন

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ জুন 20২২ | ৩৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের চরাঞ্চলের একমাত্র এমপিওভুক্ত আজিমনগর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের চারতলা ভবনটি পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। মঙ্গলবার (২০ জুন) দুপুর ১টা ৩৩ মিনিটে বিদ্যালয় ভবনটি পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে বলে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দিলীপ রায় জানিয়েছেন।

দিলীপ রায় মুঠোফোনে জানান, হরিরামপুর উপজেলার চরাঞ্চলের তিনটি ইউনিয়নের একমাত্র এমপিওভুক্ত বিদ্যালয় আজিমনগর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়। চার শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে বিদ্যালয়টিতে। গত দেড় বছর আগে থেকে বিদ্যালয়টির তিন ও চারতলার কাজ বন্ধ রয়েছে। যদিও ভবনটির চারতলা পর্যন্ত ছাদ দেওয়া ছিল। স্কুলের কাছাকাছি হাতিঘাটা এলাকায় পদ্মা ভাঙনে গত এক সপ্তাহে পূর্ব পাড়ার আশ্রয় প্রকল্পের ১০টি ঘরসহ পাঁচটি বাড়িও পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে।

আজিমনগর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. বিল্লাল হোসেন জানান, স্কুল ভবনটি পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। আপাতত হাতিঘাটা এলাকায় স্কুলের ক্লাস হবে। তবে বসন্তপুর এলাকায় স্থায়ীভাবে স্কুল তোলা হবে। কয়েকদিন আগে হাতিঘাটা আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১০টি ঘর ভেঙে গেছে। চরাঞ্চলের মানুষেরা পদ্মা ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পরেছে।

হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, স্কুল ভবনটি দুপুরে পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাইন উদ্দিন বলেন, ভাঙন এলাকায় দুদিন আগে আমাদের প্রতিনিধি পরিদর্শন করেছেন । স্কুলটি ভাঙন ঝুঁকিতে থাকায় আমরা দেড় বছর আগেই স্কুল ভবনের নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরকে রিপোর্ট দিয়েছিলাম। স্কুল ভবনের নির্মাণ কাজ বন্ধও ছিল।


আরও খবর



কাগজশিল্প ধ্বংসে মরিয়া আমদানিকারক চক্র

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ জুন ২০২২ | ১৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কাগজ উৎপাদনে দেশ অনেক আগেই স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও নানা অজুহাতে আমদানি থেমে নেই। বন্ড সুবিধার অপব্যবহার করে দেশে অবাধে ঢুকছে আমদানীকৃত কাগজ। রপ্তানি পণ্যের কাঁচামাল হিসেবে বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্ত আমদানি হওয়া কাগজ, বোর্ড, বস্ত্রসহ নানা পণ্য খোলাবাজারে দেদার বিক্রি হওয়ায় টিকতে পারছে না দেশীয় শিল্প। ৭০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে গড়ে ওঠা শিল্প খাতটিতে উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে না পেরে লোকসান গুনছেন উদ্যোক্তারা। ১০৬টি কাগজকলের মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে ৭৯টির বেশি।

এমন প্রেক্ষাপটে কাগজ আমদানির ওপর শুল্ক বৃদ্ধির দাবি উঠেছে। বাংলাদেশ পেপার মিলস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে দেওয়া এক চিঠিতে আশঙ্কা করা হয়েছে, বন্ডের অপব্যবহার বন্ধ ও কাগজ আমদানিতে শুল্ক না বাড়ানো হলে দেশীয় কাগজশিল্প অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ধ্বংস হয়ে যাবে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চেয়ারম্যানকে দেওয়া এক চিঠিতে বলা হয়েছে, কিছু ভুঁইফোড় ও স্বার্থান্বেষী আমদানিকারক এবং মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠান দেশীয় মিল থেকে কাগজ সংগ্রহ না করে রেয়াতি শুল্কে কাগজ আমদানির পাঁয়তারা করছে। এ অপতৎপরতার একমাত্র উদ্দেশ্য অমিত সম্ভাবনাময় দেশীয় কাগজশিল্প ধ্বংস করা। যেখানে দেশীয় কাগজকলকে উৎপাদিত কাগজ বাজারজাতকরণের জন্য ভ্যাট ও অগ্রিম আয়কর প্রদান করতে হয়, সেখানে রেয়াতি শুল্কে কাগজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হলে স্থানীয় ও আমদানীকৃত কাগজের মধ্যে তীব্র বৈষম্যের সৃষ্টি হবে। তাই রেয়াতি শুল্কে কাগজ আমদানির প্রস্তাব বিবেচনা না করার জন্য আহবান জানিয়েছে পেপার মিলস অ্যাসোসিয়েশন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১০৬টি কাগজকলে ৩১টি বাণিজ্যিক ব্যাংক ছয় হাজার ১১২ কোটি টাকা অর্থায়ন করেছে। এ অবস্থায় দেশীয় কাগজশিল্পকে প্রায় বিনা শুল্কে আমদানীকৃত বিদেশি কাগজের সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতার মধ্যে ঠেলে দেওয়াটা এই শিল্পের জন্য হুমকি।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ পেপার মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএমএ) মহাসচিব ও মাগুরা পেপার মিলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল মহীউদ্দিন বলেন, সব ধরনের কাগজ তৈরির সক্ষমতা আমাদের আছে। অতএব কোনো ধরনের কাগজ আমদানির প্রয়োজন নেই। বরং বাংলাদেশ থেকে ৪০টির বেশি দেশে কাগজ রপ্তানিও হচ্ছে। যেখানে রপ্তানি করার যোগ্যতা রাখে বাংলাদেশ, সেখানে আমদানি করা যথার্থ নয়। তাই দেশীয় শিল্পের বিকাশে আমদানি শুল্ক দু-তিন গুণ বাড়ানো উচিত।

ভারতসহ বিভিন্ন দেশের উদাহরণ দিয়ে এই শিল্পোদ্যোক্তা বলেন, প্রতিবেশী দেশে আমদানীকৃত কাগজ থাকলেও খুব উচ্চ শুল্ক দিয়ে তা আমদানি করতে হয়। তাই আমাদের দেশেও একই নীতি গ্রহণ না করলে দেশীয় কাগজশিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে।

কাগজশিল্পের উদ্যোক্তারা বলছেন, আশির দশকে দেশীয় এ শিল্পের বিকাশ শুরু হলেও নব্বইয়ের দশকে বড় বড় শিল্প গ্ৰুপ এই খাতে বিনিয়োগে আসায় কাগজশিল্প স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়। আমদানিনির্ভর এই খাতটি রপ্তানিতেও পা বাড়ায়। দেশের ১০৬টি কাগজকল স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণ করে ৪০টির বেশি দেশে কাগজ রপ্তানি করছে। কাগজকলগুলোতে প্রত্যক্ষভাবে কাজ করছে ১৫ লাখ মানুষ, পরোক্ষভাবে এই শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৬০ লাখ। এ শিল্পে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৭০ হাজার কোটি টাকা। সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্বও পাচ্ছে এই শিল্প থেকে।

চাহিদার চেয়ে বেশি উৎপাদন: দেশের কাগজকলগুলো অফসেট, নিউজপ্রিন্ট, লেখা ও ছাপার কাগজ, প্যাকেজিং পেপার, ডুপ্লেক্স বোর্ড, মিডিয়া পেপার, লাইনার, স্টিকার পেপার, সিকিউরিটি পেপার ও বিভিন্ন গ্রেডের টিস্যু পেপার উৎপাদন করে। তবে উৎপাদিত পণ্যের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই লেখা এবং ছাপার কাগজ, যা শিক্ষার অন্যতম উপকরণ। বর্তমানে অভ্যন্তরীণ চাহিদার চেয়ে প্রায় দেড় থেকে দুই গুণ বেশি পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে কাগজকলগুলোর। দেশে বিভিন্ন ধরনের কাগজের চাহিদা প্রায় ৯ লাখ টন। তবে দেশীয় কাগজকলগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে ১৬ লাখ মেট্রিক টন। কাগজকলগুলোর মধ্যে ২০ থেকে ৩০টি মিল বড়। বাকিগুলো ছোট কারখানা। দেশের পেপার মার্কেটের আকার প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে মোট বাজারের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ লেখা ও ছাপার কাগজ পণ্য। আর অবশিষ্ট ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ অন্যান্য পণ্য।

বিপিএমএর তথ্য মতে, দেশের কাগজশিল্প খাতে উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ৭০ হাজার কোটি টাকা, যার সঙ্গে ৩০০ উপশিল্প তথা সহায়ক শিল্প যেমন মুদ্রণ, প্রকাশনা, কালি প্রস্তুত, ডেকোরেশন, প্যাকেজিং ও বাঁধাই শিল্প জড়িত।

বন্ড সুবিধার অপব্যবহার : দেশীয় কাগজশিল্প উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া সত্বেও  বন্ড সুবিধার অপব্যবহার করে দেশে অবাধে ঢুকছে আমদানীকৃত কাগজ। প্রায় বিনা শুল্কে আনা এসব কাগজ খোলাবাজারে দেদার বিক্রি হওয়ায় দেশীয় কাগজশিল্প মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। আমদানীকৃত কোটেড পেপার, গ্রাফিক পেপার, ডুপ্লেক্স বোর্ড, আর্ট কার্ড, মিডিয়া পেপার, শেলফ অ্যাডহেসিভ পেপারে রাজধানীর বাজার সয়লাব। যাদের সহায়তায় এসব কাগজ বিক্রি হচ্ছে, তাদের নিয়মিত মাসোহারা দিয়ে অব্যাহত রাখা হচ্ছে এ বাণিজ্য। কাগজ আমদানির বেশির ভাগ বন্ড আবার ভুয়া। অসাধু কর্মকর্তাদের ছত্রচ্ছায়ায় কাগজ আমদানিকারকরা এত শক্তিশালী যে কয়েক দিন আগে পুরান ঢাকায় কাগজের মার্কেটে অভিযান চালাতে গেলে তাঁদের হাতে কাস্টমস কর্মকর্তাদের নাজেহাল হতে হয়।

তাই দেশীয় কাগজশিল্পকে বাঁচাতে হলে আমদানীকৃত কাগজের ওপর শুল্ক বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন বিপিএমএর বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান মো. মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, বিগত দিনে পাঠ্যপুস্তকে ব্যবহারের জন্য দেশের কাগজকলগুলো গুণগত মানসম্পন্ন কাগজ সরবরাহ করে এসেছে। কাগজশিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ শিল্প খাত। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কাগজশিল্প আমদানি বিকল্প, রপ্তানিমুখী ও পরিবেশবান্ধব শিল্প খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। তাই রেয়াতি সুবিধায় কাগজ আমদানির সুযোগ দেওয়া হবে আত্মঘাতি। বরং ডলার সংকটের এই সময়ে যেখানে আমদানি নিরুৎসাহ করা হচ্ছে, সেখানে আমদানির ওপর আরো শুল্ক আরোপ করতে হবে এবং আরো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, এরই মধ্যে তৈরি পোশাক শিল্প ও এর সহযোগী অন্যান্য শিল্পে বিনা শুল্কে বন্ড সুবিধার নামে কাঁচামাল হিসেবে কাগজ ও কাগজজাতীয় পণ্য আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সরকারের দেওয়া বন্ড সুবিধা ব্যবহার করে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী কারখানায় ব্যবহারের কথা বলে কাগজ ও কাগজজাতীয় পণ্য আমদানি করে খোলাবাজারে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এতে সরকার প্রতিবছর বড় অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে। অন্যদিকে দেশীয় কাগজশিল্প অসম প্রতিযোগিতায় পড়ে লোকসানে ধ্বংস হয়ে যাবে। দেশের অর্থ বিদেশে চলে যাবে। অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সবেক চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ বলেন, তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য বিনা শুল্কে আমদানীকৃত কাগজজাতীয় পণ্য খোলাবাজারে বিক্রি করে এরই মধ্যে হাজার কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়েছে। এর সঙ্গে বিনা শুল্কে পাঠ্যপুস্তকের জন্য ব্যবহৃত কাগজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হলে আর্থিক ক্ষতি আরো বাড়বে। দেশের কাগজশিল্প লোকসানে শেষ হয়ে যাবে।

বাজেট প্রস্তাব : দেশীয় কাগজকলগুলোতে বর্তমানে আমদানি বিকল্প পণ্য সেলস কপি পেপার উৎপাদিত হচ্ছে, যা দীর্ঘদিন ধরে আমদানি করে দেশের চাহিদা মেটানো হতো। দেশের বাজারে থার্মাল পেপারের প্রচুর চাহিদা থাকায় এবং বর্তমান সরকারের উদার শিল্পনীতির সুযোগে এ যাবৎ আমদানীকৃত এই পণ্যের বিকল্প হিসেবে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করছে। আমদানীকৃত শেলফ কপি পেপারের চেয়ে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মান ভালো। এ ছাড়া এই উন্নত মানের কাগজ তৈরি হওয়ায় আমদানিনির্ভরতা কমছে এবং বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হচ্ছে। বাজেটে কাগজশিল্পে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের কাঁচামালের রাসায়নিকের আমদানি পর্যায়ে শুল্কহার হ্রাসের প্রস্তাব এবং আমদানীকৃত ফিনিশড পণ্যের ওপর উচ্চহারে শুল্ক আরোপেরও দাবি করেছেন বিপিএমএর নেতারা। এ ছাড়া পরিবেশ সহায়ক শিল্পকে উৎসাহ দিতে মাইক্রো ক্যাপসুলের আমদানি পর্যায়ে কাস্টম ডিউটি (সিডি) ২৫ শতাংশ সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: কাগজ শিল্প

আরও খবর



তীব্র স্রোতে ভে‌সে গেল সেতু

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ জুন ২০২২ | ২৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পানির তীব্র স্রোতে আদাবা‌ড়ির সেতু ভে‌ঙে ভে‌সে গে‌ছে। এ‌তে ১৫টি গ্রা‌মের সঙ্গে যোগা‌যোগ ব্যবস্থা বি‌চ্ছিন্ন হ‌য়ে গে‌ছে। এ‌তে চরম বিপা‌কে প‌ড়ে‌ছেন ১৫টি গ্রামের মানুষ। বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) উপজেলার কড়াইল-আদাবাড়ি সড়কের আদাবাড়ি এলাকায় ব্রিজটি ভেঙে যায়।

জানা যায়, প্রায় ৩০ বছর আগে উপজেলার কড়াইল-আদাবাড়ি সড়কের আদাবাড়ি এলাকায় ২৫ ফুট দৈর্ঘ্যর সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এই সড়কটি দিয়ে উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের হিলড়া, গোড়াকী, আদাবাড়ি, কড়াইল, বানিয়ারা, ডোকলাহাটি গ্রামের লোকজন ছাড়াও উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের থলপাড়া, বৈল্যানপুর, ফতেপুর ও তরফপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের লোকজন নিয়মিত যাতায়াত করে আসছিলেন।

গত বছর বর্ষায় পানির স্রো‌তে সেতুর নীচ থেকে মাটি সরে গিয়ে‌ছিল। এ ছাড়া সেতুর অ্যাপ্রোচ অংশও ভে‌ঙেছিল। এরপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেতুটির সংস্কার কাজ না ক‌রে সেতুর ওপর দি‌য়ে যাতায়াতে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড সাঁটিয়ে দেয়।

স্থানীয় আওয়ামী লী‌গ নেতা রা‌জিব তালুকদার জানান, মহেড়া ইউনিয়নের হিলড়া-আদাবাড়ি সেতু‌টি কর্তৃপ‌ক্ষের চরম অবহেলার কারণে সম্পূর্ণ ভেঙে গে‌ছে। সেতু‌টি রক্ষা‌র্থে পূ‌র্বেই এর সংস্কার কাজ করা হ‌লে এ‌টি ভাঙনের হাত থে‌কে রক্ষা পেত।

উপ‌জেলার মহেড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিভাস সরকার নুপুর বলেন, সেতু‌টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এ‌টি ভেঙে যাওয়ায় প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষের সড়ক পথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, গত বছর বন্যার পানির স্রো‌তে সেতু‌টির কিছু অংশ ধসে পড়ে। এ বছর পা‌নির তীব্র স্রো‌তে সে‌টি সম্পূর্ণ ভে‌ঙে ভে‌সে গে‌ছে। এ‌তে মানুষের যাতায়াতের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে সেখানে বাঁশের সাকো তৈরি করা হবে।


আরও খবর



ঢাকাসহ চার বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ জুন ২০২২ | ১৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আবহাওয়া অধিদ্প্তরের এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকাসহ দেশের চারটি বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস রয়েছে। তবে ঝড়ের কোনো শঙ্কা নেই। রবিবার (২৬ জুন) রাতে এমন পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, আগামীকাল সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

এছাড়া সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। ঢাকায় দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকবে ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার। আগামী মঙ্গলবার নাগাদ আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হবে। বর্ধিত পাঁচদিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।


আরও খবর



১২৮ জনের করোনা শনাক্ত, নেই মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | ৩২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশে ১২ জুন সকাল ৮টা থেকে ১৩ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত করোনাভাইরাসে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। ফলে, করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ১৩১ অপরিবর্তিত আছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১২৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে মোট ১৯ লাখ ৫৪ হাজার ২৪৩ জন।

সোমবার (১৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

উল্লিখিত সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৭১ জন করোনা রোগী। এ পর্যন্ত করোনামুক্ত হয়েছেন ১৯ লাখ ৫ হাজার ৩৩৭ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ১ দশমিক ৯১ শতাংশ। এ পর্যন্ত করোনা শনাক্তের গড় হার ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ। সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। করোনায় মৃত‌্যুর হার ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ।


আরও খবর



‘কৃত্রিম সংকট তৈরি না হলে দেশে খাদ্য সংকট হবে না’

প্রকাশিত:সোমবার ৩০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ৩০ মে ২০২২ | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের মাটিতে সোনা ফলে। কৃষকের ঘরে ধারাবাহিকভাবে এখানে বোরো, আউশ ও আমন ধান ওঠে। কৃত্রিম সংকট তৈরি করা না হলে এদেশে খাদ্য সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

সোমবার (৩০ মে) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বোরো ২০২২ মৌসুমে অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ ও বাজার মনিটরিং সংক্রান্ত অনলাইন মতবিনিময় সভায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যা করণীয় তার সবই করা হবে। প্রয়োজনে ট্যাক্স কমিয়ে চাল আমদানি করে ভোক্তাকে স্বস্তিতে রাখা হবে। ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত প্রফিট না করে ভোক্তাদের প্রতি মানবিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, বোরো সংগ্রহ সফল খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের দুর্নীতিমুক্ত থেকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। জুনের মধ্যে ৭০ শতাংশ সংগ্রহ সম্পন্ন করতে হবে। যেসব মিল মালিক চুক্তিবদ্ধ চাল আগে পরিশোধ করবে প্রয়োজনে তাদের আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন করপোরেট হাউস বাজার থেকে ধান চাল কেনায় লিপ্ত হয়েছে। তারা কৃত্রিম কোনো সংকট তৈরি করছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। ভোক্তা যেন আতঙ্কিত না হয় সেজন্য সচেতনতা তৈরি করার পাশাপাশি ধান-চালের বাজারে নজরদারি বাড়াতে প্রশাসনকে নির্দেশনা দেন খাদ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ধান ও চাল সংগ্রহকালে কোনো কৃষক কিংবা মিল মালিক যেন কোনোভাবে হয়রানি না হন সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ময়েশ্চার মিটার দিয়ে কৃষকের ধানের ময়েশ্চার পরীক্ষা করে কৃষককে সহযোগিতা করতে পারেন। কৃষকের বাড়িতে গিয়ে ময়েশ্চার পরীক্ষা করে ধানসহ কৃষককে গুদামে পাঠালে তাদের ভোগান্তি কমবে। বেশি ময়েশ্চার বা ভেজা ধান ফেরত নিয়ে গুদাম থেকে মন খারাপ করে ফিরতে হবে না।

মিল মালিকদের উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কোয়ালিটির মানদণ্ডে উত্তীর্ণ না হলে সে চাল গুদামে পাঠাবেন না। চালের কোয়ালিটির সঙ্গে কোনো আপস হবে না।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মো. মজিবর রহমানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন, খুলনা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. ইসমাইল হোসেন, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের জেলা প্রশাসকণ, কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক, খাদ্য বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও মিল মালিকরা সভায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত ছিলেন।


আরও খবর