আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

মাগুরার শ্রীপুর থানার ওসির নাম ভাঙিয়ে অর্থ আদায়, দুইজন আটক

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ অক্টোবর ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মাগুরা থেকে নওয়াব আলী:

মাগুরার শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম ভাঙিয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগে ২ জনকে আটক করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে তাদের সোনাতুন্দী বাজার থেকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, সব্দালপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবুল কাশেম (৪০) ও অলেঙ্কাপুর গ্রামের আলমগীর হোসেন (৩৫)।

এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে একটি মোবাইল নাম্বার থেকে নিজেকে শ্রীপুর থানার ওসি পরিচয় দিয়ে একই অভিযোগের দুই পক্ষকে ফোন করে। এ সময় মিন্টুর কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করে। অসহায় পরিবার বাধ্য হয়ে মিন্টু বিশ্বাসের স্ত্রী সালেহা বেগম সোনাতুন্দী বাজারে নাজমুলের দোকান থেকে ৩ হাজার টাকা দেই। কিছু সময় পর অপরপক্ষের লিমনের নিকট ফোন করে ১০ হাজার টাকা দাবি করে। পরে লিমন বাধ্য হয়ে বউয়ের কানের দুল বন্ধক রেখে একই দোকান থেকে একই নাম্বারে ৫ হাজার টাকা দেই। পরে ভুক্তভোগী মিন্টু বিশ্বাস ওই এলাকার বিট অফিসার জাহিদুল ইসলামকে বিষয়টি জানাই। এ সময় বিট অফিসার জাহিদুল ইসলাম তাদের ২ জনকে আটক করেন।

এ বিষয়ে মিন্টুর স্ত্রী সালেহা বেগম বলেন, লিমন ও আমাদের মধ্যে শ্রীপুর থানায় একটি অভিযোগ ছিল। এ সুযোগে শ্রীপুর থানার ওসির নাম ভাঙিয়ে আমাদের নিকট টাকা দাবি করে কাশেম ও আলমগীর। পরে বাধ্য হয়ে টাকা ধার করে ওই নাম্বারে টাকা পাঠাই। পরে জানতে পারি এটা ওসির ফোন ছিল না। আমরা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জাব্বারুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে শ্রীপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে। সকালে তাদের ২ জনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বশেফমুবিপ্রবিতে অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জামালপুর প্রতিনিধি

Image

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেফমুবিপ্রবি) জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী সুশাসন প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপাচার্যের সভাকক্ষে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির (এপিএ) কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শুদ্ধাচার ও নৈতিকতা কমিটির উদ্যোগে এ সভা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কামরুল আলম খান ।

এপিএ ফোকাল পয়েন্ট সহকারী রেজিস্ট্রার মো. আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার সৈয়দ ফারুক হোসেন, প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) এস.এম. ইউসুফ আলী, ফিশারিজ বিভাগের প্রভাষক রুনা আক্তার জ্যোতি, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি এসএম মোদাব্বির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. সাব্বির হোসেন, কর্মচারী পরিষদের সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান, সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান, সাংবাদিক প্রতিনিধি মো. আল ফাহাদ ও মিরাজুল ইসলাম, অভিভাবক প্রতিনিধি মো. নুরুল আমিন, শান্তা, লায়লা জান্নাত নাহিন, ছাত্র প্রতিনিধি কাওচার আহমেদ স্বাধীন, তাইফুল ইসলাম পলাশ প্রমুখ ।

অংশীজন সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ/দপ্তরের সেবার মান উন্নয়নকল্পে আলোচনা হয়।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পণ্যের দাম বাড়ালে প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হবে: খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

Image

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন অবৈধভাবে খাদ্য পণ্য মজুদ করে খাদ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পণ্যের দাম বাড়ালে প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হবে। ভরা মৌসুমেও খাদ্যপণ্যের দাম কেন বৃদ্ধি পেল সেটি খতিয়ে দেখতেই মাঠে মাঠে ঘুরে বেড়াচ্ছি।

আজ রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫ টায় বগুড়ার শেরপুরের শেরুয়া বটতলা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার সময় তিনি এই সব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের কল্যাণে সব সময় কাজ করে যাচ্ছেন। এ দেশের মানুষ যেন সব সময় সঠিক দামে খাদ্যপণ্য পায় সে বিষয়ে তিনি বদ্ধ পরিকর। 

এ সময় অবৈধভাবে পণ্য মজুদ ও নিবন্ধন না থাকায় তুষি সেমি অটো রাইস মিল সিলগালা করার নির্দেশ দেন খাদ্যমন্ত্রী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার দাস, প্রশাসন-২ অধিশাখার(অতিরিক্ত দায়িত্ব) যুগ্ম সচিব কে এম মামুনুর রশিদ, খাদ্য অধিদপ্তরের মহা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত মহা পরিচালক মোহাম্মদ ইমদাদুল হক, বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোছা. আফসানা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেরপুর সার্কেল মো. সজিব শাহরিন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী সাইফুদ্দিন, শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সুমন জিহাদী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম রেজাউল করিম, শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রেজাউল করিম রেজা, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মামুন এ কাইয়ুম। এছাড়াও ভ্রাম্যমাণ আদালতকে র‌্যাব বগুড়া ও শেরপুর থানা পুলিশের সদস্য সহযোগিতা করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সুমন জিহাদী বলেন, কেউ অবৈধভাবে খাদ্যপণ্য মজুদ করতে পারবে না। নিবন্ধন না থাকলেতো নয়ই। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




স্মার্টফোন ছাড়া থাকতে পারলেই ১১ লাখ টাকা!

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

ডিজিটাল এই যুগে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মধ্যে অন্যতম হল স্মার্টফোন। স্মার্টফোনের স্ক্রিনে ব্যয় হচ্ছে জীবনের লম্বা একটা সময়, জীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে মূল্যবান অনেক মূহুর্ত। শুধু কথা বলা বা মেসেজ আদান প্রদান নয়, দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজের জন্য ভরসা করতে হয় মোবাইলের উপর। এক মুহূর্তের জন্য চোখের আড়াল করার উপায় থাকে না।

তবে যদি কেউ একটি মাস স্মার্টফোন ছাড়া থাকতে পারেন, তাকে ১০ হাজার ডলার (প্রায় ১১ লাখ টাকা) পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে আমেরিকার একটি সংস্থা। এই প্রতিযোগিতার নাম দেওয়া হয়েছে, ডিজিটাল ডিটক্স চ্যালেঞ্জ

আমেরিকার বিখ্যাত দইয়ের ব্র্যান্ড সিগি ডেইরী এমনই অবাক করা একটি প্রোগ্রাম নিয়ে এসেছে, যা মানুষকে ডিজিটাল দুনিয়া থেকে দূরে থাকতে চ্যালেঞ্জ করছে। এতে নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীদের স্মার্টফোন নিয়ে নেওয়া হবে এবং এক মাস তারা মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না।

তবে, এই সময়ের মধ্যে প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারীরা একটি প্রিপেইড সিম কার্ড এবং বেসিক ফিচার ফোন পাবেন। অংশগ্রহণকারীরা এই ফোনের মাধ্যমে জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারবেন। ১০ জন সৌভাগ্যবান ব্যক্তি যারা এই এক মাসব্যাপী ডিজিটাল ব্রেক চ্যালেঞ্জ জিতবেন তারা সিগির কাছ থেকে ১০ হাজার মার্কিন ডলার করে পাবেন। একইসঙ্গে চ্যালেঞ্জে জয়ীদের তিন মাসের জন্য সিগির দই সরবরাহ করা হবে।

সিগি ডেইরি বলছে, অ্যালকোহল ছাড়তে বলার বদলে আমরা এবার বলছি, এক মাসের জন্য নিজের স্মার্টফোনটাকে ছেড়ে দেখান। আমাদের এই প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য হচ্ছে মানুষকে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলে সুস্থ জীবনে ফিরে আসার জন্য মানুষকে উৎসাহিত করা। উল্লেখ্য, সিগি ডেইরীর এ ব্যতিক্রমী প্রোগ্রামে আবেদনের সময় শেষ হয়েছে গত ৩১ জানুয়ারি।


আরও খবর
খাতনা করার আগে-পরে যেসব বিষয় জানা জরুরি

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নারীর জন্য প্রয়োজনীয় পাঁচ ভিটামিন

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কলাগাছ ও বাঁশের অস্থায়ী মিনারেই শ্রদ্ধা নিবেদনের ভরসা!

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
উপজেলা প্রতিনিধি

Image

আমতলী উপজেলার ২২৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২০০ প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নেই। ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কলাগাছ ও বাঁশ দিয়ে অস্থায়ী মিনার নির্মাণ করে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করবে। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের ৭২ বছরেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ না করায় ক্ষুব্ধ শিক্ষাথীরা। দ্রুত উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণের দাবী জানিয়েছেন তারা।

জানাগেছে, আমতলী উপজেলায় ২২৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ১৫৩ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৩ টি নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৭ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ২৯ টি ও ৭টি কলেজ রয়েছে। উপজেলার ১২ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দুইটি কলেজ ও ১৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার রয়েছে। অবশিষ্ট বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার নেই।

অপর দিকে উপজেলার কোন মাদ্রাসায়ই শহিদ মিনার নেই। শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর কলাগাছ ও বাঁশ দিয়ে অস্থায়ী শহিদ মিনার নির্মাণ করে আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করছে। এছাড়া যেগুলোতে শহিদ মিনার রয়েছে সেগুলো অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে থাকে। এগুলো সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেই। প্রতি বছর আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসের দুএক দিন পূর্বে আমতলী কেন্দ্রিয় শহিদ মিনারসহ অন্যান্য শহিদ মিনার ঘষা মাজা করা হয়। দিবস শেষ হয়ে গেলে কেউ ওই মিনারের আর খবর রাখে না।

সরেজমিন দেখা গেছে, কাউনিয়া ইব্রাহিম একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গুরুদল বঙ্গবন্ধু নিন্মমাধ্যমিক বিদ্যালয়, এমইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বন্দর হোসাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, তারিকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গাজীপুর সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা, মানিকঝুঁড়ি মাহমুদিয়া দাখিল মাদ্রাসা, পচাঁকোড়ালিয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কড়াইবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসাসহ অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নেই।  

আমতলী এমইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাবাচ্ছুম, মুগ্ধ, ফারাবি ও আনিন বলেন, বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার নেই, কলেজের শহিদ মিনারে গিয়ে ফুল দিতে হয়। এতে খুব খারাপ লাগে। আমরা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে শহিদ মিনার নির্মাণের দাবী জানাই।

তারিকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইউনুচ মিয়া বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার না থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, কলাগাছ ও বাঁশ দিয়ে অস্থায়ী শহিদ মিনার নির্মাণ করে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে।

আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সফিউল আলম বলেন, উপজেলার ১৫টি বিদ্যালয় ছাড়া অবশিষ্ট বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার নেই। সরকারিভাবে উদ্যোগ নিলে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

আমতলী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মাহমুদ সেলিম বলেন, উপজেলার ১২ টি বিদ্যালয় ও দুইটি কলেজে শহিদ মিনার আছে। কিন্তু কোন মাদ্রাসায় শহিদ মিনার নেই। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নির্মাণ করা প্রায়োজন।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, ভাষা শহিদদের পরিচয় জানতে ও তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার থাকা আবশ্যক। মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নির্মাণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তারা স্থানীয় পর্যায়ে অর্থ সংগ্রহ করে শহিদ মিনার নির্মাণ করবেন। তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে উপজেলা প্রাঙ্গণে শহিদ মিনার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বইমেলায় এবার ডা. সাবরিনাকে দুয়োধ্বনি

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কয়েক দিন আগে আলোচিত-সমালোচিত মুশতাক আহমেদ ও তার স্ত্রী তিশাকে দুয়োধ্বনি দিয়ে বইমেলা প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে যেতে বাধ্য করেন মেলায় আসা শতাধিক দর্শনার্থী। এবার আরেক আলোচিত ডা. সাবরিনা হুসেন মিষ্টিকেও ভুয়া ভুয়া বলে দুয়োধ্বনি দিলেন দর্শনার্থীরা।

সামজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় ডা. সাবরিনা বইয়ের স্টলে অনেকটাই মন খারাপ করে বসে আছেন। আর তার চারপাশে ক্রেতা-দর্শনার্থীরা ভুয়া ভুয়া বলে চিৎকার করছেন।

এ সময় দর্শকদের বলতে শোনা যায়, এই সেই সাবরিনা যে করোনার সময় জনগণকে ঠকিয়েছে। তার বই কেউ কিনছে না। দেখতে একটু সুন্দর তাই সবাই দেখতে ভিড় করছে।

তিন বছর বন্দিনী জীবনের কথা নিয়ে বই লিখেছেন আলোচিত-সমালোচিত এই ডাক্তার। এরই সুবাদে বইমেলায় দেখা যায় তাকে। করোনাকালে ডা. সাবরিনা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের জন্য টক অব দ্য কান্ট্রি ছিলেন।

গত শুক্রবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) বইমেলার নবম দিনে তিশার ভালোবাসা বইয়ের লেখক মুশতাক আহমেদকে ও তার স্ত্রী তিশাকে ভুয়া ভুয়া ছি ছি দুয়োধ্বনি দিয়ে বইমেলা প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে যেতে বাধ্য করেন মেলায় আসা শতাধিক দর্শনার্থী। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদেরকে নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের গেট দিয়ে মেলা প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে যেতে সাহায্য করেন।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই জাল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। সেই মামলায় তিনি তিন বছর কারাগারে ছিলেন।


আরও খবর