আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

মাদারীপুরে যাত্রীবাহী বাস খাদে, নিহত বেড়ে ২০

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
মাদারীপুর প্রতিনিধি

Image

মাদারীপুরের শিবচরের কুতুবপুর এলাকায় হওয়া বাস দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। রোববার (১৯ মার্চ) সকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

শিবচর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাঈম মো. মোফাজ্জেল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, রোববার সকালে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ইমাদ পরিবহনের একটি বাস পদ্মা সেতুর আগে এক্সপ্রেসওয়ের শিবচরের কুতুবপুর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিচে পড়ে যায়। এ সময় বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ১৬ জন যাত্রী নিহত হন।

শিবচর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাঈম মো. মোফাজ্জেল হক বলেন, দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২০ জন নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে ১৪ জন যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনের মৃত্যু হয়। এছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুইজন মারা যান।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




হাত-পায়ের তালু ঘামলে যা করবেন

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

ঘাম হওয়া মানুষের জীবনে স্বাভাবিক ব্যাপার। এটি কোনো অসুখ নয়। তবে অতিরিক্ত ঘাম নিয়ে অনেকেই অস্বস্তিতে ভোগেন। দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় ঘাম হওয়াকে চিকিৎসা-বিজ্ঞানে হাইপারহাইড্রোসিস বলা হয়।

শরীরের পাশাপাশি দেহের নির্দিষ্ট জায়গাতেও এরকম হতে পারে। যেমন- হাত ও পায়ের তালু। এতে করে প্রতিদিনের বিভিন্ন কাজ যেমন লেখালেখি, মোবাইল-কম্পিউটার চালানোতে অসুবিধা হয়। কেডস, বুট বা স্নিকার্স পরলে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। এই সমস্যাটি শীতকালে বেশি দেখা যায়। তবে গরমেও হতে পারে। এই ধরনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণের কিছু ঘরোয়া উপায় আছে:

পানি

পানি শরীর ঠাণ্ডা রাখে। ফলে ঘাম নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই হাত ও পায়ের তালুর ঘাম রোধে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন। নিয়মিত বিরতিতে হাত ও পা ধোয়ার চেষ্টা করুন।

গোলাপজল

ঘাম প্রতিরোধে গোলাপজল অত্যন্ত কার্যকর। এ ক্ষেত্রে বাজার থেকে কেনা কিংবা ঘরে বানানো উভয় গোলাপজলই ব্যবহার করা যাবে। প্রতিদিন অন্তত তিনবার তুলা বা সুতি কাপড়ের সাহায্যে হাত ও পায়ের তালুতে গোলাপজল ম্যাসাজ করতে পারেন।

ব্ল্যাক টিতে হাত ও পা ভিজিয়ে রাখা

প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় নিয়ে ব্ল্যাক টিতে হাত ও পা ডুবিয়ে রাখা ঘাম কমাতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে, এতে থাকা ট্যানিন প্রাকৃতিক অ্যাস্ট্রিজান্টয়ের প্রভাব রাখে যা ঘাম কমাতে সহায়তা করে।

বেকিং সোডা

হাত ও পায়ের তালুর অতিরিক্ত ঘাম প্রতিরোধে অন্যতম ঘরোয়া উপায় হলো বেকিং সোডা। প্রথমে এক বোল কুসুম গরম পানি নিন। এতে দুই থেকে তিন চামচ বেকিং সোডা মেশান। সোডা মিশ্রিত পানিতে অন্তত ৩০ মিনিট হাত ও পা ডুবিয়ে রাখুন। পরে শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। এতে ঘামের সমস্যায় উপকার পাওয়া যাবে।

লেবুর রস

অ্যাস্ট্রিজান্ট উপাদান সমৃদ্ধ যা অতিরিক্ত ঘাম কমাতে সহায়তা করে। তাজা লেবুর রস হাতের তালুতে ঘষে শুকানোর জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। নিয়মিত ব্যবহারে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

কর্পূর

সামান্য গরম পানিতে কর্পূর গুলে হাত ও পা ১৫ থেকে ২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখতে হবে। কর্পূর শীতলকারক উপাদান যা ঘাম কমাতে সহায়তা করে। এছাড়াও কর্পূরের গুঁড়ার সাথে ট্যালকম পাউডার বা নারিকেল তেল মিশিয়ে হাত ও পায়ের তালুতে ব্যবহার করা যায়। সপ্তাহে কয়েকবার ব্যবহারে ভালো ফলাফল আসে। ক্রমাগত হাত ও পা ঘামা খুবই বিরক্তিকর বিষয়। তবে সঠিকভাবে খেয়াল রাখলে আর সতর্ক হলে এর প্রকোপ অনেকটাই কমিয়ে আনা যায়।


আরও খবর
খাতনা করার আগে-পরে যেসব বিষয় জানা জরুরি

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নারীর জন্য প্রয়োজনীয় পাঁচ ভিটামিন

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




শেষ ছুটির দিনে জমজমাট বইমেলা

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

শনিবার ছিল এবারের বইমেলার শেষ ছুটির দিন। এদিন জমজমাট বইমেলায় শিশু প্রহর ছিল আগ্রহের অন্যতম কেন্দ্র। সিসিমপুরের পরিবেশনা শেষে বিভিন্ন স্টল ঘুরে বই কেনে ক্ষুদে পাঠকরা। অভিভাবকরা বলছেন, প্রযুক্তিনির্ভর সময়ে শিশুদের বই পড়ায় আগ্রহী করে তুলতে বইয়ে নতুনত্ব আনা প্রয়োজন।

কয়েক বছর ধরেই বইমেলায় শিশু প্রহর নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ শিশুদের। সিসিমপুরের জনপ্রিয় চরিত্র হালুম, ইকরি, শিকু ও টুকটুকির সাথে হৈ-হুল্লোড়ে মাতে শিশুরা। এবারের মেলার শেষ শিশুপ্রহরেও ব্যতিক্রম দেখা যায়নি।

শিশু চত্বরে নানা রঙের বইয়ের পসরা সাজিয়েছেন প্রকাশকেরা। হাজারো রঙিন বইয়ের মধ্যে সন্তানকে কী বই পড়তে দেবেন, তা নিয়েও কিছুটা বিভ্রান্তিতে অভিভাবকরা।

কোনো কোনো অভিভাবক প্রশ্ন তুলছেন বইয়ের মান নিয়ে। তারা বলছেন, চমকপ্রদ মলাটে বই ছাপালেও খুব একটা বৈচিত্র্য নেই, বইয়ের বিষয়বস্তুতেও নেই নতুনত্ব।

তাদের মতে, বর্তমানে শিশুরা দৃশ্যনির্ভর জগতে বাস করে। তাই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বৈচিত্র্যপূর্ণ বই প্রকাশ করতে প্রকাশকদের প্রতি আহ্বান তাদের।

বেশিরভাগ স্টলেই দেখা গেছে কমিকস বই, বর্ণমালা, ধারাপাত, রূপকথা বা গোয়েন্দা গল্পের বইয়ের প্রাধান্য। এদিকে প্রতিবারের মতো এবারও তরুণ লেখকদের গল্প, কবিতা, উপন্যাস, বিজ্ঞান, অনুবাদ সাহিত্যসহ বিভিন্ন বইমেলায় সাড়া ফেলেছে।

জমে উঠেছে বাঙালির প্রাণের মেলা অমর একুশে বইমেলা। যেখানে একটা বড় অংশ জুড়েই থাকেন তরুণ পাঠক ও সাহিত্যিকরা। বরাবরের মতোই এবারও তরুণ লেখকদের উল্ল্যেখযোগ্য বই এসেছে।

প্রকাশকরা বলছেন, তরুণদের বইও ভালো বিক্রি হচ্ছে। তবে লেখার মান উন্নয়নে তাগিদ দিচ্ছেন তারা। তরুণ লেখকদের অভিযোগ-অনেক ক্ষেত্রে সুযোগ পাচ্ছেন তারা। লেখার গুনগন মান যাচাইয়ে প্রকাশকদের কাছে সহাযোগিতা চান নবীনরা।

এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও টানাপোড়েনের পর উদ্বোধন করা হয় ৩৮তম অমর একুশে বইমেলার। ওই দিন বিকেলে গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি বইমেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২১ প্রদান করেন।

এবারের অমর একুশে বইমেলা২০২২ এর মূল প্রতিপাদ্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় মেলাকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে।


আরও খবর
একুশে বইমেলার সময় বাড়লো ২ দিন

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এলেন আরও ৬৩ জন

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে রাষ্ট্রীয় জান্তা বাহিনীর সঙ্গে জাতিগত বিদ্রোহীদের চলমান সংঘর্ষে জীবন বাঁচাতে আরও ৬৩ জন বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছেন। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে আসার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২৭ জনে।

তাদের মধ্যে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) সদস্য, সেনা সদস্য, পুলিশ সদস্য, ইমিগ্রেশন সদস্য ও বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন।

বিজিবি বলছে, যারা অস্ত্রসহ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন তাদের নিরস্ত্রীকরণ করে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিজিবি সদরদপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বিজিপিসহ অন্য ৩২৭ সদস্যকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়েছে বিজিবি। নতুন করে আরও এসেছে ৬৩ জন। এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত টহল ও চেকপোস্ট বাড়ানো হয়েছে। কোনো রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। দেশের স্বার্থে সীমান্তে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে বিজিবি।

এদিকে, বুধবার বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়নের আওতাধীন বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিজিবির নিয়ন্ত্রণে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে ধৈর্য ধারণ করে, মানবিক থেকে এবং আন্তর্জাতিক সুসম্পর্ক বজায় রেখে পরিস্থিতি মোকাবিলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, অবৈধভাবে আর একজনকেও বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না। দেশ মাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্তে উদ্ভূত যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মহাপরিচালক সকালে বিজিবির কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু ও ঘুমধুম সীমান্ত এবং তৎসংলগ্ন বিওপি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় বিজিবি মহাপরিচালক সীমান্তে দায়িত্বরত সব পর্যায়ের বিজিবি সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি দেশ মাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে সর্বোচ্চ পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সীমান্তে উদ্ভূত যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সদা তৎপর থাকার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তিনি অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য দায়িত্বরত সব বিজিবি সদস্যের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

বিজিবি মহাপরিচালক মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘর্ষের জেরে প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি), মিয়ানমার সেনাবাহিনী, ইমিগ্রেশন সদস্য, পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার সব সদস্য খোঁজ খবর নেন এবং আহত অবস্থায় আসা ও হাসপাতালে চিকিৎসারত বিজিপি সদস্যদের দেখতে যান।

নিউজ ট্যাগ: বিজিপি

আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




লালমোহনে ট্রলির চাপায় বৃদ্ধা নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আশরাফুল আলম সজিব, ভোলা

Image

ভোলার লালমোহনে ট্রলির চাপায় এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন এক বৃদ্ধ। বৃহস্পতিবার সকালে লালমোহন পৌর শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের লঞ্চঘাট রাস্তার মাথায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মনছুরা (৬০) উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আসুলি গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের স্ত্রী।

এছাড়া, আহত জাফর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আব্দুল হালিমের ছেলে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলায় পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি এস এম মাহবুব উল আলম বলেন, সকালে লঞ্চঘাট সড়ক থেকে একটি ট্রলি লালমোহন বাজারে আসছিল। এ সময় মনছুরা ও জাফর সড়ক পার হতে গেলে ওই ট্রলির চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের চাপা দেয়। স্থানীয়রা তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বৃদ্ধা মনছুরাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, বৃদ্ধার মরদেহ থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় ট্রলি ও চালককে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




দেশে এলএনজি সরবরাহে কাতার এনার্জির সঙ্গে মার্কিন কোম্পানির চুক্তি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

বাংলাদেশে বছরে ১০ লাখ টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের জন্য কাতার এনার্জির সঙ্গে চুক্তি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জির। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) চুক্তির বিষয়টি এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে কাতার।

চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ১৫ বছর মেয়াদে এক্সিলারেট কাতারের প্রতিষ্ঠানটি থেকে এলএনজি কিনে বাংলাদেশকে সরবরাহ করবে। বিষয়টি নিয়ে এক্সিলারেটের সঙ্গে পেট্রোবাংলার চুক্তি রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, কাতারের নর্থ ফিল্ড সম্প্রসারণ প্রকল্পে ইউরোপীয় ও এশীয় অংশীদারদের সঙ্গে কাতার এনার্জির করা সিরিজ চুক্তির মধ্যে সর্বশেষ চুক্তি এটি। ২০২৭ সালের মধ্যে কাতারের এলএনজি উৎপাদন বর্তমানের বছরে ৭৭ মিলিয়ন টন (এমটিপিএ) থেকে ১২৬ এমটিপিএতে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাতার বাংলাদেশেরও সবচেয়ে বড় এলএনজি সরবরাহকারী।

কাতার এনার্জির প্রধান নির্বাহী সাদ আল-কাবি এক বিবৃতিতে বলেন, এই নতুন চুক্তি এক্সিলারেটের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও জোরদারের পাশাপাশি বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদা এবং বৃহত্তর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে অগ্রযাত্রাকে সমর্থন করবে।

এছাড়া, এক্সিলারেট এনার্জি ২০২৬ ও ২০২৭ সালে ৮ লাখ ৫০ হাজার এমটিপিএ এবং ২০২৮ থেকে ২০৪০ সালের মধ্যে ১ এমটিপিএ এলএনজি কিনবে। এটি বাংলাদেশের ভাসমান স্টোরেজ এবং রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটে পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছে কাতার এনার্জি।


আরও খবর
কোম্পানির রিটার্ন জমার সময় বাড়ল দুই মাস

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪