আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

লিচুতে রঙিন ঈশ্বরদী, তবুও কৃষকের মুখে নেই হাসি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি

Image

লিচুর রাজধানী খ্যাত পাবনার ঈশ্বরদীর লিচু বাজারগুলো লাল টস টসে লিচুতে রঙিন হতে শুরু করেছে। তবুও কৃষকের মুখে নেই হাসি।

মঙ্গলবার (২১ মে) ঈশ্বরদীর সবচেয়ে বড় লিচু বেচাকেনার হাট জয়নগর শিমুলতলাসহ আওতাপাড়া, দাশুড়িয়া, সিলিমপুর লিচু বাজার ঘুরে দেখা যায় ভোর থেকেই বেড়েছে ক্রেতা-বিক্রেতা, আড়তদার ও ফড়িয়া লিচু ব্যবসায়ীদের আনাগোনা। তাছাড়া লোকাল ক্রেতা তো আছেই। পাইকারী ব্যবসায়ীরা ঈশ্বরদীর লিচু পৌঁছে দিচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। দেশি জাতের পাশাপাশি বোম্বাই জাতের লিচুও উঠতে শুরু করেছে বাজারে।

চরমিরকামারী গ্রামের লিচু চাষী ইমদাদুল সরদার এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার নিজস্ব কয়েকটি লিচু বাগান রয়েছে। তাছাড়া আরো ৩টি লিচু বাগান মুকুলসহ কিনেছি। লিচুর গুটি আসার পর থেকেই টানা একমাস ঈশ্বরদীতে তীব্র তাপপ্রবাহ ছিল। তাপমাত্রা অধিক হওয়ায় লিচু পাকার এক সপ্তাহ আগে হলুদ ও লালচে রং ধারণের সময় লিচুর ওপরের আবরণ কালচে হয়ে ফেটে যেতে শুরু করে। এবার আকারও ছোট হয়েছে।

নওদাপাড়া গ্রামের লিচু চাষী ও ব্যবসায়ী সজিব হোসেন বলেন, অনাবৃষ্টি এবং নিম্নমানের সার কীটনাশক প্রয়োগের কারণে লিচুর মান ঠিক পর্যায়ে আসেনি। এবার লিচু চাষীদের লোকসান গুনতে হবে।

আওতাপাড়া এলাকার কয়েকজন লিচু চাষীর সাথে কথা হলে তারা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা বা উপসহকারী কৃষিকর্মকর্তাদের কোন প্রকার পরামর্শ বা সহযোগীতা আমরা পাইনি। সারের ডিলাররা যে পরামর্শ দেয় সেই ভাবেই আমরা চাষ করি। নিম্নমানের সার ও কীটনাশক বাজারে থাকায় আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি।

জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত লিচু চাষী আব্দুল জলিল কিতাব বলেন, এবার অনাবৃষ্টির কারণে লিচুর ফলন বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। রং বিবর্ণ হয়ে গেছে। বেশ কিছু লিচু নষ্ট হয়ে ফেটে যাচ্ছে। ৫০ হাজার লিচু বাগান থেকে সংগ্রহ করেছি। এর মধ্যে ১০ হাজার লিচু ফেটে নষ্ট হয়ে গেছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এবছর ঈশ্বরদীতে তিন হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ হয়েছে। লিচুর জাতের মধ্যে রয়েছে মোজাফ্ফর (দেশি), বোম্বাই ও চায়না।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মিতা সরকার জানান, প্রচন্ড তাপপ্রবাহ থেকে লিচুকে রক্ষা করতে চাষীদের সেচ ও কীটনাশক ব্যবহার বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন আমাদের উপ-সহকারী কর্মকর্তাগণ। যারা নিয়মিত সেচ দিয়েছেন তাদের লিচুর ক্ষতি কিছুটা কম হয়েছে। অসাধু কীটনাশক ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে। আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি।

নিউজ ট্যাগ: ঈশ্বরদী লিচু

আরও খবর



মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে জাবি শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

একাত্তরের বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই, সারাবাংলায় খবর দে, কোটাপ্রথার কবর দে স্লোগান নিয়ে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা ব্যবস্থা পুনর্বহালের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও ঢাকা আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় দুইশত শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সকাল এগারোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে একটি মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি শহীদ মিনার হয়ে প্রধান ফটকে অবস্থান নেয়। এরপর ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক পাঁচ মিনিট প্রতিকী অবরোধ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন তারা।

বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা বলেন, সরকারি চাকরিতে ৩০% কোটা আমরা কখনো মানব না। ২০১৮ সালে আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার সে সময় কোটা পদ্ধতি বাতিল করে। কিন্তু আজকে হাইকোর্ট সেই কোটা পুনর্বহাল করেছেন, এটা আমাদের সাথে বৈষম্য। এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে আমরা লড়াই চালিয়ে যাবো।

এসময় পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহফুজ ইসলাম মেঘ বলেন, ১৮ সনের কোটা আন্দোলনের পর পুনরায় কোটা বহাল করার যেই পায়তারা চলছে তা দেশের মেধাবী, যোগ্য চাকুরি প্রার্থীদের সাথে বৈষম্য। এই অন্যায় সিদ্ধান্ত কখনোই মেনে নেয়া যায়না। একটি স্বাধীন দেশে এরকম বৈষম্য থাকবে, তা কখনোই আমাদের কাম্য নয়। এর জন্য যতো কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার প্রয়োজন সে পর্যন্ত যাবে এদেশের আপামর জনতা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করায় আমরা আজ প্রতীকী অবরোধ কর্মসূচি পালন করছি। কোটাব্যবস্থা পুনর্বহাল হলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবো।

উল্লেখ্য, গতকাল এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সরকারি চাকরিতে ৩০% কোটা বহালের রায় দেন।


আরও খবর



বিশ্ব স্বীকৃতি পেলো বিএসএমএমইউ জার্নাল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জার্নালের এই স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ের জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমন চিকিৎসা সেবা, উচ্চতর মেডিকেল শিক্ষা ও স্বাস্থ্য গবেষণার জন্যও এটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।

এদিকে বিশ্ব স্বীকৃতি মেলায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসজুড়ে বইছে আনন্দের বন্যা। শিক্ষক, চিকিৎসক ও রেসিডেন্টদের মাঝে বইছে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবের আমেজ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার মজুমদার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্কোপাস বিশ্বব্যাপী একটি মানসম্মত জার্নাল ইনডেক্সিং কর্তৃপক্ষ, যা এলসেভিয়ার (Elsevier) নেদারল্যান্ড দ্বারা পরিচালিত। আন্তর্জাতিক স্কোপাস স্বতন্ত্র রিভিউ কমিটি ১৪টি মানদণ্ডের উপর ভিত্তি করে বিএসএমএমইউ জার্নাল পর্যালোচনা করে গত ১৯ মে অনুমোদন দিয়েছে।

এই মানদণ্ডগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো প্রকাশিত পেপারের মান, পেপারের বৈচিত্র্যতা, সম্পাদকীয় বোর্ড মেম্বারদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও বৈচিত্র্যতা, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল রিভিউ প্রক্রিয়া এবং প্রকাশিত ম্যানুস্ক্রিপ্টের সাইটেশন ইত্যাদি।

এতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইনস্টিটিশনাল রিভিউ বোর্ড (আইআরবি) আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণসহ বিএসএমএমইউ জার্নালের উন্নয়নে নানামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনের আমলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় বিশ্বমানের গবেষণা কার্যক্রম সম্পন্ন করা ও বিশ্বমানের জার্নাল প্রকাশ করার লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো ডব্লিউএইচও কস্ট সেন্টার চালু করা হয়েছে।

এমনকি সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গবেষক ডা. মঞ্জু রাণী বিএসএমএমইউয়ে এসে ফ্যাকাল্টিদের গবেষণাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেছেন।

এসব কার্যক্রমের কারণেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় জার্নালের এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্কোপাস ইনডেক্সের স্বীকৃতি লাভের এই অর্জন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ সমগ্র দেশের জন্য অত্যন্ত গৌরব, গর্ব ও সম্মানের, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।

এদিকে জার্নালের বিশ্ব স্বীকৃতি মেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিএসএমএমইউ জার্নালের মুখ্য সম্পাদক অধ্যাপক ডা. দীন মো. নূরুল হক সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বিশেষ করে ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, জাতির পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের বুকে সুনাম ও মর্যাদার সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত করতে, এমনকি এই বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় ইতোমধ্যে সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর গবেষণাসহ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তাঁর আগ্রহ, গুরুত্ব ও অব্যাহত উৎসাহ প্রদান ও সহযোগিতার ফলে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।

উপাচার্য বলেন, স্কোপাসের এই স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার প্রতি আগ্রহ রয়েছে এমন গুণী শিক্ষক, চিকিৎসক ও রেসিডেন্ট ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিরাজ করছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। এই স্বীকৃতি শিক্ষক, চিকিৎসক ও রেসিডেন্টদের বিশ্বমানের গবেষণা কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বড় ধরণের অবদান রাখবে।

উচ্চতর মেডিকেল শিক্ষা ক্ষেত্রে ইতিবাচক ফল নিয়ে আসবে। আরও উন্নত মানের চিকিৎসাসেবা প্রদানে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রাখবে।

এই স্বীকৃতি শিক্ষক, চিকিৎসক ও রেসিডেন্টদের মাঝে নবজাগরণের সৃষ্টি করবে, চিকিৎসাসেবা, উচ্চতর শিক্ষা প্রদান ও স্বাস্থ্য বিষয়ক গবেষণার ক্ষেত্রে হৃদয়ে সৃষ্টি হবে নতুন অনুরণন। ফলে চিকিৎসাসেবাসহ দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যখাতে আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন।

দীন নূরুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হবে, দেশের রোগীরা চিকিৎসার জন্য বাইরে যাবে না, বিশ্বমানের গবেষণা হবে।

বিশ্বমানের উচ্চতর মেডিকেল শিক্ষা অর্জন করে এখানের শিক্ষার্থীরা দেশে বিদেশে মর্যাদার আসনে নিজেদেরকে সুপ্রতিষ্ঠিত করবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ও বিএসএমএমইউ জার্নালের অতিরিক্ত মুখ্য সম্পাদক (অ্যাডিশনাল এডিটর ইন চিফ) অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, বিএসএমএমইউ জার্নালে দেশি বিদেশি বিভিন্ন গবেষণা কর্ম নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে।

বিভিন্ন রোগ নিয়ে গবেষণা হচ্ছে, রোগ প্রতিরোধের উপায়সমূহ নিয়ে গবেষণা হচ্ছে, ওষুধ নিয়ে গবেষণা হচ্ছে, চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতি, নিত্যনতুন পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা হচ্ছে। এর ফলে মানুষের রোগ মুক্তি লাভ ও স্বাস্থ্যকর জীবন-যাপন তরান্বিত হচ্ছে।

বিএসএমএমইউ জার্নাল স্কোপাসের স্বীকৃতি লাভ করায় তরুণ চিকিৎসক, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ভবিষ্যৎ রেসিডেন্ট ছাত্রছাত্রীসহ শিক্ষকদেরকে তাদের চিকিৎসাসেবা, অধ্যয়ন ও অধ্যাপনা ও গবেষণায় বেশি করে মনোনিবেশ ও আত্মনিয়োগে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত করবে।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমালে বাগেরহাটে যত ক্ষতি

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের মানুষ প্রবল ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা ও আম্পানের পর আরো একবার ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব দেখল। প্রতিবার ঘূর্ণিঝড় এসে লণ্ডভণ্ড করে দেয় উপকূলবাসীর ঘরবাড়ি, জলোচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে নেয় মাছের ঘের ও ফসলের ক্ষেত। রক্ষা পায় না বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন। এবারও তার ব্যতিক্রম । ঘূর্ণিঝড় রেমাল উপকূল অতিক্রম করার পর যতই সময় গড়াচ্ছে ততই স্পষ্ট হচ্ছে  ধ্বংসলীলার ক্ষত চিহ্ন।

রবিবার বিকাল থেকে শুরু হয়ে সোমবার মধ্যরাত পর্যন্ত তান্ডব চালিয়ে উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের মোংলা, শরণখোলা, রামপাল, মোরেলগঞ্জ, কচুয়া ও বাগেরহাট সদরসহ প্রায় সব কটি উপজেলায় ক্ষতচিহ্ন রেখে গেছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল অতিক্রমের একদিন পেরিয়ে গেলেও বহু মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে এখনো। গাছ পড়ে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে এ জেলায়।

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের ধানসাগর গ্রামে ঘূর্ণিঝড় চলাকালীন সময়ে গাছ চাপায় ফজিলা বেগম (৫০) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়।

শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন জানান, প্রতিবছর আমাদের উপকূলে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। জেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হই আমরা। রবিবার বিকাল থেকে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত হয়ে সোমবার পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। ফলে আমাদের এলাকায় বহু মানুষের ক্ষতি হয়েছে। প্রায় প্রতিটা বাড়িতেই গাছপালা ভেঙে পড়েছে। গাছ চাপায় এক নারীর মৃত্যুও হয়েছে। গাছ পড়ে বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এখনো বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে আমরা। শুধু আমার ইউনিয়ন নয় আশপাশের প্রায় সব এলাকাতেই কিছু না কিছু ক্ষতি হয়েছে।

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভাইজোড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায় প্রতিটা বাড়িতে প্রায় তিন থেকে চার ফিট পানি জমে আছে। পার্শ্ববর্তী পানগুছি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে এসব এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা বিউটি বেগম বলেন, ঘূর্ণিঝড় সিডরের সময়ও আমাদের এলাকায় প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। এবারও ঘূর্ণিঝড় হয়ে আমার সব শেষ হয়ে গেছে। কদিন আগে ধান কেটে ঘরে রেখেছিলাম। সোমবার রাতে হঠাৎ পানগুছি নদীর পানি এসে আমাদের এলাকা ডুবে যায়। আমার ঘরের ভেতরেও কোমর সমান পানি উঠে গিয়েছিল। ঘরে রাখা চার-পাঁচ বস্তা ধান নষ্ট হয়ে গেছে। চুলার ভেতরে পানি উঠে গেছে। এলাকা থেকে পানি নামার সুব্যবস্থা না থাকায় এখনো উঠানে হাঁটু সমান পানি। কি খাব কে আমাদের সাহায্য করবে, কিছুই বুঝতে পারছি না।

বাগেরহাট সদর উপজেলার কুলিয়াধাইড় গ্রামের এস এম জাহাঙ্গির কবির জানান, হঠাৎ করেই বলেশ্বর নদীর পানি বেড়ে ঘরের ভিতর কোমর পানি হয়ে যায়। সব কিছু ভিজে একাকার হয়ে গেছে। ঘরের ভিতর যা কিছু ছিল সব শেষ। এখন চলাই কষ্টকর হবে।

বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান মোহাম্মদ আল বিরুনী বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে বাগেরহাটের বেশ কিছু বাধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বুধবার দুপুর পর্যন্ত জেলার মোট ১২ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধ মেরামতের কাজ চলছে। অন্য ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামতের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাঃ খালিদ হোসেন বলেন, এই ঝড়ে ৫ লক্ষ মানুষ পানিবন্ধি হয়ে পড়েছিলেন। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ৪৫ হাজার ঘর বাড়ি। আমরা ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তা দেওয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে ৭৫ মেট্রিক টন চাল, নগদ ১৯ লক্ষ টাকা ১১ হাজার কেজি চিড়া, ৭শ কেজি গুড় ও ২০ হাজার প্যাকেট বিস্কুট দিয়েছি।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল অতিক্রম করার ২দিন পরও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে বাগেরহাট উপকূলের ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত এলাকার প্রায় ২ লক্ষ গ্রাহক।

বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার সুশান্ত কুমার মজুমদার বুধবার দুপুরে বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ভৌগোলিক এলাকায় ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর ফলে অনেক ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমরা পুরো এলাকা পরিদর্শন করতে পারিনি। তবে যেসব এলাকা আমরা পরিদর্শন করেছি সেসব এলাকায় মোট ১৫১ টি পোল ভেঙে গেছে, হেলে পড়েছে ২১৭২ টি পোল, ১৫৮৩ টি তার ছিঁড়ে গেছে, ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়েছে ৩৭ টি, মিটার ভেঙেছে ৫২৭ টি, ক্রস আর্ম ভেঙেছে ৭৩ টি, সার্ভিস ড্রপ তার ছিঁড়েছে ৪৭২ টি এবং ইন্সুলেটর ভেঙেছে ১১৩ টি।

সকল লাইনম্যান, ঠিকাদারের লোকবল এবং স্থানীয় লেবার একযোগে লাইন পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিয়েছে। ঝড়ে লাইনে পতিত শত শত গাছ কেটে অপসারণ করার পাশাপাশি ছেড়া তার মেরামত করে অনেক স্থানে সংযোগ দেয়া হয়েছে। তবে এখনো প্রায় ২ লক্ষ গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পেতে পারে এবং  মাঠ পর্যায় থেকে এই বিষয়ে আরো তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি লাইন রক্ষণাবেক্ষণ কাজ অব্যাহত রয়েছে। সম্পূর্ণ লাইন মেরামত করতে আরো ২-৩ দিন সময় লাগতে পারে।

এদিকে জলোচ্ছ্বাসের প্রভাবে বাগেরহাটের প্রায় ৪০ হাজার মাছের ঘের ভেসে গেছে। এতে প্রায় একশ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রামপাল উপজেলার মাছ চাষীরা।

রামপাল উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামের চিংড়ি চাষী শেখ আব্দুল্লাহ বলেন,  প্রতিবার ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে আমাদের মাছের ঘের গুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ঘূর্ণিঝড়ের রাতে অতিরিক্ত জোয়ারের পানির চাপে আমার ঘেরের বাঁধ ভেঙে যায় এতে প্রায় প্রায় এক লক্ষ টাকার চিংড়ি মাছ ভেসে গেছে। এছাড়া আশপাশের অনেকের ঘের তলিয়ে গেছে।

একই এলাকার চিয়ড়ি চাষী হোসনেয়ারা বেগম বলেন, ব্যাংক ও বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে তিনি মাছের ঘেরে করেছিলেন। মাছ ধরার মাত্র এক সপ্তাহ আগে সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।

বাগেরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এ এস এম রাসেল বলেন, প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমলের প্রভাবে বাগেরহাটের প্রায় ৪০ হাজার মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে চাষীদের প্রায় শত কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এখনো বিভিন্ন স্থানে ঘেরগুলো পানিতে প্লাবিত রয়েছে, যার ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। পুনরায় মাছ চাষের জন্য আমরা চাষীদের বিভিন্ন রকম পরামর্শ দিচ্ছি।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড়গুলোর হাত থেকে স্থলভাগকে রক্ষা করতে ঢাল হয়ে দাঁড়ায় সুন্দরবন। প্রতিবারের মতো এবারও ঢাল হয়েছিল বঙ্গোপসাগরের নিকটবর্তী এ ম্যানগ্রোভ বনটি। ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে সুন্দরবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জানিয়েছে বন বিভাগ। ঘূর্ণিঝড়ের পরদিন সকাল থেকে বনের অভ্যন্তরে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ শুরু করে বন কর্মীরা। একদিনে বনের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় ৩৯ টি মৃত হরিণ, একটি বন্য শুকর এবং অর্ধশতাধিক আহত হরি হরিণ উদ্ধার করেছে তারা। এছাড়া বন বিভাগের বিভিন্ন অফিস, নৌযান ও গাছগাছালির ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জানিয়েছে সুন্দরবন বিভাগের খুলনার বনসংরক্ষক মিহির কুমার দো।

তিনি বলেন, সুন্দরবনে এ পর্যন্ত ৩৯ টি হরিণ ও একটি বন্য শুকরের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আর ১৭টি হরিণ জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া বন বিভাগের টহল অফিসগুলোতে টিনের চালা, জানালা-দরজা, সোলার প্যানেল, ওয়ারলেস সিস্টেম ও অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে। পূর্ব বন বিভাগের কটকা অভয়ারণ্যের অফিস ঘাটের জেটি ও পুকুর বঙ্গোপসাগর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। দুবলা, কটকা, কচিখালি, বগিসহ বিভিন্ন বন অফিসসহ ২৫টি টহল ফাঁড়ির রান্নাঘরসহ অবকাঠামোর টিনের চালা উড়িয়ে নিয়ে গেছে। সুন্দরবনের ৮০টি মিঠাপানির উৎস পুকুরে ৮-১০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে লোনা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বনকর্মীদের পাশাপাশি প্রাণীরাও সুপেয় পানির সংকটে পড়েছে।


আরও খবর



আরও ৩ উপজেলার ভোট স্থগিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

আগামী ২৯ মে (বুধবার) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উপজেলা পরিষদের তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে আরও তিনটি উপজেলার নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার (২৮ মে) ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. শরিফুল আলম এ তথ্য জানান।

উপজেলাগুলো হচ্ছে- নেত্রকোণা জেলার খালিয়াজুরী এবং চাঁদপুর জেলার কচুয়া ও ফরিদগঞ্জ উপজেলা।

ইসি জানিয়েছে, খালিয়াজুরী উপজেলায় সড়ক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় এবং কচুয়া ও ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ইভিএমের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে উপজেলা নির্বাচনে তৃতীয় ধাপের ১৯টি উপজেলা নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

উপজেলাগুলো হলো- বাগেরহাট জেলার শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, মোংলা, খুলনা জেলার কয়রা, পাইকগাছা, ডুমুরিয়া, বরিশাল জেলার গৌরনদী, আগুনঝারা, পটুয়াখালী জেলার পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ, দুমকি, পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া, ভোলা জেলার তজুমদ্দিন, লালমোহন, ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর, কাঁঠালিয়া, বরগুনা জেলার বামনা, পাথরঘাটা এবং রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলা।

এর মাধ্যমে তৃতীয় ধাপে সর্বমোট ২২ উপজেলার ভোট স্থগিত করলো ইসি। ফলে আগামী ২৯ মে ৮৭ উপজেলায় ভোট হবে।


আরও খবর



রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠীর হাব তৈরি হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠীর হাব তৈরি হতে পারে। মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের নিয়ে আগে থেকে করা আশঙ্কার কিছু কিছু আলামত দেখা যাচ্ছে।

শুক্রবার (৩১ মে) দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে যারা যুদ্ধ করছে তাদের কয়েকজনের আনাগোনা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দেখা যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় ভয়ের বিষয় হচ্ছে আমাদের দেশ কোনো মাদক উৎপাদন করে না। কিন্তু মিয়ানমার থেকে মাদক আসছে অনেক আগে থেকে। এখন ক্যাম্পের কিছু সংখ্যক লোক মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। আমরা তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। একই সঙ্গে অস্ত্র ও খুনে জড়িতদেরও চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। এদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নেওয়াই আমাদের মূল কাজ।

তিনি বলেন, আজ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এসে নিরাপত্তায় নিয়োজিত এপিবিএনের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে তাদের চ্যালেঞ্জগুলো জেনেছি। জেনেছি তাদের সুবিধা-অসুবিধাগুলো। তাদের বলেছি বাংলাদেশ একটি ইতিহাস সৃষ্টি করেছে জঙ্গি-সন্ত্রাস দমন