আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

লিবিয়া থেকে প্রত্যাবাসন হবেন আরও ২৬৩ বাংলাদেশি

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়া থেকে আরও ২৬৩ অনিয়মিত বাংলাদেশিকে ফেরত আনা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিকল্প মুখপাত্র মোহাম্মদ রফিকুল আলম। তিনি বলেন, মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) তাদের প্রত্যাবাসন করা হবে।

রোববার (৩ ডিসেম্বর) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন ভবনে সাপ্তাহিক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি এমন তথ্য দেন।

এই কূটনীতিক বলেন, বাংলাদেশ দূতাবাস, ত্রিপোলির সর্বাত্মক প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ত্রিপোলির আইনজেরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ১৪৩ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিকের মধ্যে গত ২৮ ও ৩০ নভেম্বর ১১০ জনকে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।

ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইওএমের কর্মকর্তারা তাদের অভ্যর্থনা জানান। এ সময় আইওএমের তরফ থেকে তাদের প্রত্যেককে পকেটমানি হিসেবে ৫ হাজার ৮৯৬ টাকা এবং কিছু খাদ্যসামগ্রী উপহার দেয়া হয়।

আরও পড়ুন>> মালয়েশিয়ায় স্থানীয়দের অভিযোগে ২০৩ বাংলাদেশি আটক

এর ধারাবাহিকতায় আগামী ৫ ডিসেম্বর আরও ২৬৩ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিককে লিবিয়া থেকে বাংলাদেশে প্রত্যাবাসন করা হবে বলে জানান রফিকুল আলম।

লিবিয়া থেকে নিয়ে আসা এসব বাংলাদেশি মানবপাচারের শিকার কি না, প্রশ্নে তিনি বলেন, এটা আসলে ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করে। অনেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে লিবিয়ায় যাচ্ছেন, তাদের জোর করে নেয়া হচ্ছে না। আসলে তাদের যেখানে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে, সেই জায়গায় তারা শেষ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারছেন না। কাজেই এটা ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করে।

তিনি বলেন, আমি যেটা বুঝি, যদি কেউ আইন লঙ্ঘন করে যেতেন, তাহলে তাদের ইমিগ্রেশন ক্রস করার কথা না। বাংলাদেশে থেকে ইমিগ্রেশন পার হওয়া পর্যন্ত হয়তো সে আইনটা ঠিকঠাক অনুসরণ করেই যাচ্ছেন, পরে ট্রানজিট পয়েন্ট কিংবা ল্যান্ডিং পয়েন্ট যেটিই থাকুক না কেন, সেখানে পৌঁছানোর পর ভিকটিম হয়ে যাচ্ছেন। এখানে প্রতিটি ক্ষেত্রে নিজস্ব ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর একটা সুযোগ আছে।


আরও খবর



সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ

অনেক নাটকের পর বাংলাদেশ-ভারত যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

অনেক নাটকের পর বহুল আলোচিত সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় আসরে বাংলাদেশ ও ভারতকে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করেছে আয়োজক সাফ। রাত সোয়া ৮ টায় শেষ হওয়া ফাইনালের ভাগ্য জানতে প্রায় আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে দর্শকদের। রাতে সাড়ে ১০ টায় মঞ্চে ওঠেন ফাইনালের প্রধান অতিথি যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। তখন আনুষ্ঠানিকভাবে দুই দলকে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়।

ভারত মাঠের বাইরে চলে গেলেও পরে তারা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। দুই দলের অধিনায়ক ও সহকারী অধিনায়ক মঞ্চে উঠে প্রধান অতিথির হাত থেকে এক সঙ্গে ট্রফি গ্রহণ করেন।

রাত সোয়া ৮ টায় টাইব্রেকারের সাডেনডেথের স্কোর যখন ১১-১১ তখন হঠাৎ করেই শ্রীলংকান ম্যাচ কমিশনার ডি সিলভা জয়াসুরিয়া রেফারিকে ডেকে এনে টসের মাধ্যমে ফাইনাল নিস্পত্তি করতে বলেন। রেফারি তাড়াহুড়া করে দুই অধিনায়ককে ডেকে টস করতেই শিরোপা জয়ের উদযাপন করতে থাকে ভারতের মেয়েরা। এত বিস্মিত হন বাংলাদেশ অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার। কারণ, টসের তো কোনো নিয়ম নেই। পুরো বাংলাদেশ দল প্রতিবাদ করতে থাকে। অন্যদিকে শিরোপা জয়ের আনন্দ করতে থাকে ভারতের মেয়েরা।

কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়াম বয়সভিত্তিক নারী সাফের এই ফাইনাল উপহার দিয়েছে চরম নাটকীয়তা। ম্যাচ কমিশনার বাইলজ ঘেঁটে দেখেন টসের নিয়ম নেই, সাডেনডেথপর্ব চলমান থাকবে যতক্ষণ কোনো দল টাইব্রেকারের শট মিস না করে। ম্যাচ কমিশনার ভুল শিকার করে টাইব্রেকার চলমান রাখার সিদ্ধান্ত দেন এবং ভারতকে মেনে নিতে অনুরোধ করেন। কিন্তু ভারত রেফারির সিদ্ধান্ত না মেনে মাঠের বাইরে চলে যায়। রেফারি তখন তাদের মাঠে ফিরতে ৩০ মিনিট সময় দেয়।

ভারত রিফিউজ টু প্লে করায় বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনাই উজ্জ্বল ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত কি সিদ্ধান্ত হয় তা দেখতে শীতের রাতে অনেক দর্শকও গ্যালারিতে অপেক্ষা করতে থাকেন। যদিও পুলিশ আস্তে আস্তে দর্শকদের গ্যালারি থেকে বের করে দিতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত দুই দলকে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন দেখেই ঘরে ফেরে দর্শক।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ম্যাচের স্কোর ছিল ১-১। ভারত ৮ মিনিটে গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল। ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে গোল করে নাটকীয়ভাবে ফাইনাল টাইব্রেকারে নিয়ে যান সাগরিকা। টাইব্রেকারে দুই দলই ৫ টি করে গোল করলে ভাগ্য নির্ধারণের জন্য শুরু হয় সাডেনডেথ। দুই দলের ১১ জন করে খেলোয়াড়ই গোল করেন। নিয়ম অনুযায়ী টাইব্রেকার চলমান থাকার কথা ছিল। রেফারি সে প্রস্তুতিই নিচ্ছিলেন। হঠাৎ করে সব মাটি করে দেন ম্যাচ কমিশনারের ভুল সিদ্ধান্ত।


আরও খবর
হাথুরুসিংহেকে ‘শোকজ’ করবেন পাপন!

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মিয়ানমারের ১৪ সীমান্তরক্ষী পালিয়ে বাংলাদেশে

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বান্দরবান প্রতিনিধি

Image

মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় শনিবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে আবারও তুমুল সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। দায়িত্বশীল কোনো পক্ষ এ বিষয়ে বিস্তারিত না জানালেও বিভিন্ন সূত্র বলেছে, মিয়ানমারের সরকারি সেনাবাহিনী ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সঙ্গে সরকারবিরোধী সশস্ত্র গ্রুপ আরাকান আর্মির (এএ) এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলছে।

এদিকে সূত্র জানায়, সশস্ত্র হামলার মুখে টিকতে না পেরে সেখান থেকে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির ১৪ জন সদস্য বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ঢুকে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) একটি বর্ডার অবজারভেশন পোস্টে আশ্রয় নেন।

তবে এ বিষয়ে বিজিবি বা স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ওপার (মিয়ানমার) থেকে নিক্ষিপ্ত গুলিতে এপারের একজন নারী ও একজন পুরুষ আহত হয়েছেন। যদিও এ বিষয়েও বিস্তারিত জানা যায়নি।

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সীমান্তের ওপারের উত্তেজনা সম্পর্কে তারা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।

মোজাহিদ উদ্দিন জানান, ঝুঁকিপূর্ণ বসতিগুলো থেকে লোকজনকে সরিয়ে তাদের স্বজনদের বাড়িতে নিয়ে আসতে ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদকে বলা হয়েছে। এ ছাড়া প্রয়োজন হলে সীমান্ত লাগোয়া স্কুলগুলোকে সাময়িক বন্ধ রাখার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ময়মনসিংহ স্টেশনে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যাত্রী নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

Image

ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশন স্টেশন এলাকায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্টেশনের ৩ নম্বর প্লাটফর্মের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম গোপাল পাল। তিনি নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। তিনি মোহনগঞ্জ থেকে ঢাকায় যাচ্ছিলেন।

রেলওয়ে থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক দীপক পাল জানান, ঢাকাগামী মহুয়া কমিউটার ট্রেনটি সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ জংশনে প্রবেশ করে। এসময় ট্রেনের যাত্রী গোপাল পাল প্রস্রাব করতে ৩ নম্বর প্লাটফর্মের বিপরীতে পরিত্যক্ত বগির পেছনে যান। ফেরার পথে তিনি ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন। এসময় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে গোপাল গুরুতর আহত হন।

তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কুবিতে উপাচার্য হিসেবে দুই বছর পূর্ণ করেছেন অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দুই বছর পূর্ণ করেছেন অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষে কমনওয়েলথ বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাজ্যের র্স্টার্লিং বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি এবং অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে পোষ্ট ডক্টরাল ডিগ্রি লাভ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়টি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক সফলতা অর্জন করেছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার ইমেজ বৃদ্ধি করতে সমর্থ হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং অর্জনগুলো:

এক. গবেষণা ও আন্তর্জাতিক জার্নাল এ মানসম্পন্ন প্রবন্ধ প্রকাশনায় উদ্বুদ্ধ করার জন্য মর্যাদাসম্পন্ন ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড ও স্বীকৃতি চালু করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আয় থেকে অর্জিত তহবিলের অর্থ দিয়ে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। ২০২২-২৩ অর্থবছরে এই অ্যাওয়ার্ড ১৭ জন শিক্ষককে প্রদানের মাধ্যমে শুরু হয়। এর ফলে শিক্ষকদের মধ্যে, বিশেষ করে প্রারম্ভিক ও মধ্যম পর্যায়ের শিক্ষকদের মধ্যে মানসম্পন্ন গবেষণা ও প্রকাশনার প্রতি উৎসাহ ও অর্জন বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বছর ৫২ জন শিক্ষক ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড এর জন্য আবেদন করেন। এখানে উল্লেখ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ২৬২ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন।

দুই. মানসম্পন্ন গবেষণা ও প্রকাশনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মানের বিদেশি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

তিন. প্রথমবারের মত মর্যাদাপূর্ণ ভাইস চ্যান্সেলর বৃত্তি চালু করা হয়। বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আমরাই প্রথম এই ধরনের বৃত্তির উদ্যোগ গ্রহণ। দুই বছরে ৭০৩ শিক্ষার্থীকে এই বৃত্তি প্রদান করা হয়।

চার. শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ২০২৩ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আয় থেকে স্পোর্টস বৃত্তি প্রচলন করা হয়। ষোল জন খেলোয়াড়কে বৃত্তি প্রদান করে এই বৃত্তি প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হয়।

পাঁচ. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতোপূর্বের দীর্ঘ সেশনজট হ্রাস করতে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। কেন্দ্রীয়ভাবে একটি একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রবর্তন করা হয়।

ছয়. যে সকল শিক্ষক উচ্চতর ডিগ্রি করার পরেও দেশে ফিরে আসেননি, কিন্তু বিদেশে থেকে পদ ধরে রাখার কারণে এখানে শিক্ষক সঙ্কট তৈরি হয়েছে তাদের ৮ জনের কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা বাবদ ১.৫৮ কোটি টাকা ফিরিয়ে এনে পদগুলো শূন্য করা হয়েছে।

সাত. স্বাস্থ্যকর ক্যাম্পাস নিশ্চিত করার জন্য তিন ধরনের বর্জ্যের জন্য তিন রঙের (লাল সাধারণ বর্জ্যরে জন্য, হলুদ রিসাইকেল বর্জ্যরে জন্য, এবং সবুজ কম্পোস্ট এর জন্য) অপসারণযোগ্য বিন স্থাপন করা হয়। শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে নিয়মিতভাবে কাউন্সেলিং প্রদানসহ র‌্যাগিং এর বিরুদ্ধে সচেতনতা ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

আট. সর্বক্ষেত্রে অটোমেশন (ডি-নথি, ওয়েবসাইট, অ্যাপ, ইআরপি, ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক, পেমেন্ট গেটওয়ে) সেবার ব্যবস্থা শুরু করেছি।

নয়. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্নীতিমুক্ত প্রকিউরমেন্ট ও অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ ও টেন্ডার বাণিজ্যের সংস্কৃতি বন্ধ করা হয়। ৯০-৯৫% প্রকিউরমেন্ট টেন্ডার প্রক্রিয়া ইজিপি-এর মাধ্যমে সম্পাদনের ব্যবস্থা করা হয়।

দশ. দায়িত্ব গ্রহণের পরে ৬ মাসের মধ্যে দুর্নীতির কারণে ২০১৪ সাল থেকে চলমান স্থবির একটি উন্নয়ন প্রকল্প কঠোর পরিশ্রম করে সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করা।

এগারো. এপিএতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৪২তম থেকে ১০ম স্থানে উন্নীত করা।

বারো. স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বিজয় দিবস ও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে এলাকার দরিদ্র জনগণের জন্য বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসকদের সহায়তায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প গঠন করে  ১,০০০  প্রান্তিক লোককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান।

এ বিষয়ে উপাচার্য ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, যোগদানের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি লিডিং ও মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করছি। বিশ্ববিদ্যালয়টি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক সফলতা অর্জন করেছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার ইমেজ বৃদ্ধি করতে সমর্থ হয়েছি।

নিউজ ট্যাগ: ড. আবদুল মঈন

আরও খবর



জান্তার বাধ্যতামূলক নিয়োগ আইন আতঙ্ক ছড়াচ্ছে মিয়ানমারে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

মিয়ানমারের জান্তা সরকার তরুণ-তরুণীদের সেনাবাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করেছে। ১০ ফেব্রুয়ারি নতুন এ আইন ঘোষণা করার পর ইতোমধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গেছে। প্রতি মাসে ৫ হাজার করে আগামী ১২ মাসে প্রায় ৬০ হাজার তরুণ-তরুণীকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্প ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

কিন্তু জান্তা সরকারের এ পরিকল্পনা গৃহযুদ্ধ কবলিত দেশটির তরুণ-তরুণী এবং তাদের অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। সমাজমাধ্যম এবং ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় তারা হতাশা ও উদ্বেগের কথা প্রকাশ করছেন। অনেকে দেশ ছেড়ে যাওয়ার কথা বিবেচনা করছেন।

মান্দালের বাসিন্দা ২০ বছর বয়সি অ্যালিন ইরাবতিকে বলেন, জান্তা প্রশাসনের জন্য আমি জীবন দিতে চাই না। আমি গোপনে দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা করছি।

জাতিগত সংখ্যালঘুরা যেসব এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে সীমান্ত অতিক্রম করে সেসব এলাকায় চলে যেতে চাইছেন কেউ কেউ। আবার প্রতিরোধ যুদ্ধে যোগ দিতে চাইছেন কেউ কেউ। কিন্তু এক্ষেত্রে কড়া শাস্তির বিধান রেখেছে সামরিক জান্তা।

এদিকে কেউ সেনাবাহিনীতে যোগ না দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তার শাস্তি তিন থেকে পাঁচ বছরের জেল এবং জরিমানা। তবে ধর্মীয় বিষয়টি এক্ষেত্রে বাইরে রাখা হবে। সরকারি চাকরিজীবী এবং ছাত্রছাত্রীরা অস্থায়ী সময়ের জন্য নিস্তার পাবেন।  কিন্তু সামরিক জান্তা রিজার্ভ ফোর্সেস ল নামে একটি আইন সক্রিয় করেছে। এর অধীনে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত ৫ বছর দায়িত্ব পালন করতে হবে তাদের পদত্যাগ বা অবসরের সময়ের পর।

নতুন আইনের অধীনে ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যকার পুরুষ এবং ১৮ থেকে ২৭ বছরের মধ্যকার বয়সি নারীদের সেনাবাহিনীতে দুবছরের প্রশিক্ষণ নিতে হবে। তবে সুনির্দিষ্ট কিছু পেশাগত ক্যাটাগরিতে, যেমন ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য এই বয়সসীমা যথাক্রমে ৪৫ এবং ৩৫ বছর হতে পারে। এক্ষেত্রে তাদের প্রশিক্ষণের সময় হবে তিন বছর।

সেনাবাহিনী মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে জানায়, প্রতি মাসে ৫০০০ যুবক ও যুবতীকে ডাকা হবে। তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। যুবতীদের পঞ্চম ব্যাচ থেকে ডাকা হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের ৫ কোটি ৬০ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ সামরিক দায়িত্বের জন্য যোগ্য। এর মধ্যে ৬৩ লাখ যুবক এবং ৭৭ লাখ যুবতী।

এদিকে বিদ্রোহীদের হামলায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও অন্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা কমছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক ইউএস ইনস্টিটিউট অব পিস বলছে, ২০২১ সালে ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্য প্রায় ২১ হাজার কমেছে। এর মধ্যে আছে হতাহত হওয়া, চাকরি ছেড়ে যাওয়া অথবা পক্ষত্যাগ করা।

নিউজ ট্যাগ: মিয়ানমার

আরও খবর