আজঃ মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২
শিরোনাম

‘ক্যাসিনো সম্রাটের’ অভিযোগ গঠন শুনানি ৬ জুলাই

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ জুন ২০২২ | ২৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিন ও অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ৬ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২১ জুন) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান এ আদেশ দেন।

এ দিন সম্রাটের জামিন শুনানি ও মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। সম্রাট অসুস্থ থাকায় কারা কর্তৃপক্ষ আদালতে না পাঠিয়ে কাস্টডি ওয়ারেন্ট (হাজতি পরোয়ানা) পাঠান। এরপর বিচারক সম্রাটের জামিন ও অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ৬ জুলাই দিন ধার্য করেন।

আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ নিশ্চিত করেছে।

এর আগে, ২৪ মে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে তার আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন সম্রাট। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে জামিন শুনানির জন্য আজ (৯ জুন) দিন ধার্য করেন।

গত ১৮ মে দুর্নীতির এ মামলায় সম্রাটের জামিন বাতিল করেন বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। একই সঙ্গে সাত দিনের মধ্যে তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

এর আগে, ১১ মে ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।

গত ১১ এপ্রিল ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক তেহসিন ইফতেখার মাদক মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। আর গত ১০ এপ্রিল ঢাকা অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালত অর্থপাচার মামলায় ও অস্ত্র মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা সম্রাটের বিরুদ্ধে দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ঘটনায় ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন দুদক উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম।

এরপর দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত বছরের ২৬ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদক উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।


আরও খবর



ছিন্নমূল শিশুদের জন্ম নিবন্ধন সনদ দিতে হাইকোর্টে রিট

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | ৫২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সারাদেশের প্রায় ২ লাখ ছিন্নমূল শিশুকে জন্ম নিবন্ধন দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।  রবিবার (১২ জুন) স্পোর্টস ফর হোপ অ্যান্ড ইনডিপেনডেন্ট নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষে ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল এ রিট দায়ের করেন।

রিটের তথ্য নিশ্চিত করে তিনি বলেন, বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।

রিট আবেদনে নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব, জন্ম নিবন্ধন অধিদফতর কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। রিটে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ সংযুক্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে, সারাদেশে প্রায় ২ লাখের বেশি ছিন্নমূল শিশু রয়েছে। এসব শিশুদের জন্মনিবন্ধন সনদ নেই। সনদ না থাকায় ছিন্নমূল শিশুরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারে না। একই কারণে অনেক নাগরিক সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হয়ে আসছে তারা।

নিউজ ট্যাগ: ছিন্নমূল শিশু

আরও খবর



বৈধ কাগজপত্র না থাকায় টাঙ্গাইলে ১৭টি ক্লিনিক সিলগালা

প্রকাশিত:রবিবার ২৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৯ মে ২০২২ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বৈধ কাগজপত্র না থাকায় টাঙ্গাইলে ১৭টি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। একই সঙ্গে জরিমানা করা হয়েছে আরও কয়েকটি ক্লিনিককে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক শনিবার (২৮ মে) দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে এসব ক্লিনিককে সিলগালা ও জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করে টাঙ্গাইল সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ।

জানা গেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক সুপারভিশন ও মনিটরিং বিষয়ে সভায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা অনিবন্ধিত ক্লিনিক বন্ধে অভিযান শুরুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুসারে এ অভিযান শুরু করে প্রশাসন। অভিযানের প্রথম দিনেই টাঙ্গাইল শহরে চারটি, মধুপুর উপজেলায় দুটি, ভূঞাপুরে দুটি, মির্জাপুরে দুটি, ঘাটাইলে একটি ও গোপালপুরে ছয়টি অনিবন্ধিত ক্লিনিক সিলগালা করা হয়।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রানু আরা খাতুন বলেন, বৈধ কাগজ-পত্র না থাকায় পৌর শহরের স্বদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, পদ্মা ক্লিনিক, আমানত ক্লিনিক অ্যান্ড হসপিটাল ও ডিজিল্যাব সিলগালা করা হয়েছে। এ ছাড়া কমফোর্ট হসপিটালকে ৩০ হাজার, দি সিটি হাসপাতালকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বলেন, বৈধ কাগজপত্র না থাকায় প্রথম দিনের অভিযানে টাঙ্গাইল সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় ১৭টি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে বেশ কয়েকটি ক্লিনিককে জরিমানা করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 


আরও খবর



প্রতিদিন ৭৫ হাজার গাড়ি চলবে পদ্মা সেতুতে

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ জুন ২০২২ | ৩০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পদ্মা সেতু বাঙালির ইতিহাসে একটি মাইলফলক। অর্থনৈতিক মুক্তির পাশাপাশি এই সেতু বাঙালির জীবনের একটি বড় অর্জন। এর সঙ্গে মিশে আছে ১৭ কোটি বাঙালির সুখ-দুঃখ আর আর্থ-সামাজিক মুক্তির সোপান। পদ্মা সেতু এখন আর বাঙালির কাছে স্বপ্ন নয়। সেতুটি এখন বাঙালির কাছে এক গৌরবোজ্জ্বল সোনালী অহংকার। এই সেতুই আবার বিশ্বকে জানান দিলো বাঙালিদের দাবিয়ে রাখা সম্ভব নয়। খরস্রোতা পদ্মার বুকে মাথা উঁচু করে এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে স্বপ্নের সেতুটি।

আগামীকাল শনিবার স্বপ্নের সেই পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদির রোববার থেকে যান চলাচল শুরু হবে এ সেতু দিয়ে। এজন্য সেতু ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়ে এক গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সেতু কর্তৃপক্ষ। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়-

* পদ্মা সেতুর ওপর অনুমোদিত গতিসীমা ৬০ কিলোমিটার/ঘণ্টা।

* পদ্মা সেতুর ওপর যেকোনো ধরনের যানবাহন দাঁড়ানো ও যানবাহন থেকে নেমে সেতুর ওপরে দাঁড়িয়ে ছবি তোলা/হাঁটা সম্পূর্ণ নিষেধ।

* তিন চাকা বিশিষ্ট যানবাহন (রিকশা, ভ্যান, সিএনজি, অটোরিকশা ইত্যাদি), পায়ে হেঁটে, সাইকেল বা নন-মটোরাইজড গাড়িযোগে সেতু পারাপার হওয়া যাবে না।

* গাড়ির বডির চেয়ে বেশি চওড়া এবং ৫.৭ মিটার উচ্চতার চেয়ে বেশি উচ্চতার মালামালসহ যানবাহন সেতুর ওপর দিয়ে পারাপার করা যাবে না।

* সেতুর ওপরে কোনো ধরনের ময়লা ফেলা যাবে না।

সেতুটি নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব রক্ষার্থে ব্যবহারকারীদের জন্য এই নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলেছে কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে ৭৫ হাজার যানবাহন পার হতে পারবে। এই সেতুর উপকারভোগী হবেন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার তিন কোটি মানুষ। সেতুটি দিয়ে ঢাকা থেকে মাওয়া হয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এর মাধ্যমে দেশের প্রধান ১০টি মহাসড়কের ৯টিই ফেরি পারাপারের ভোগান্তিমুক্ত হবে (ঢাকা থেকে পাটুরিয়া হয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াত বাদে)। দেশের যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত নিয়ে আসবে পদ্মা সেতু।

এ বিষয়ে সেতু নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক শফিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পানিপ্রবাহের বিবেচনায় বিশ্বে আমাজন নদীর পরই পদ্মার অবস্থান। মাটির ১২০-১২৭ মিটার গভীরে পাইল বসানো হয়েছে এই সেতুর। পৃথিবীর অন্য কোনো সেতু তৈরিতে এতো গভীরে পাইল বসানো হয়নি। যা বিশ্বে রেকর্ড। পদ্মা সেতুর আরেকটি রেকর্ড হলো ভূমিকম্পের বিয়ারিং সংক্রান্ত রেকর্ড। এই সেতুতে ফ্রিকশন পেন্ডুলাম বিয়ারিং’র সক্ষমতা ১০ হাজার টন। এখন পর্যন্ত কোনো সেতুতে এমন সক্ষমতার বিয়ারিং লাগানো হয়নি। রিখটার স্কেলে নয় মাত্রার ভূমিকম্পেও সেতুটি টিকে থাকতে পারবে।

১৯৭১ সালে ৩০ লাখ শহিদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ যে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল সেই স্বাধীনতার মহানায়ক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় অর্জন বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা। স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও নিজেদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা দেখানোর মতে দুঃসাধ্য কারও ছিল না। নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় বাজেটের প্রকল্প বাস্তবায়ন করে বিশ্বকে অর্থনৈতিক সক্ষমতা দেখানোর সেই দুঃসাধ্য দেখালেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। খরস্রোতা পদ্মার বুকে মাথা উঁচু করে এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে স্বপ্নের সেতুটি। এ প্রকল্পের সঙ্গে মিশে ছিল বাঙালির অস্তিত্ব, টিকে থাকার সংগ্রাম।


আরও খবর



ভারতীয় ভিসা আবেদন করার নিয়ম

প্রকাশিত:রবিবার ২৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৯ মে ২০২২ | ৩৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে ভারত অন্যতম প্রিয় গন্তব্য। বিষয়টি মাথায় রেখে দেশটির সরকার অনলাইনে ভিসা আবেদন করার সুযোগ রেখেছে। তাহলে চলুন জেনে নিই, ভারতীয় ভিসা আবেদন করার নিয়ম-

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইনে সাধারণত ইন্ডিয়ান ট্যুরিস্ট ই-ভিসা, ইন্ডিয়ান বিজনেস ই-ভিসা, ইন্ডিয়ান মেডিকেল ই-ভিসা এবং ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাটেন্ডেন্ট ই-ভিসার জন্য নিবন্ধন করতে হবে। তবে ইন্ডিয়ার ভিসা আবেদন ফরম পূরণ করার আগে আপনার ই-ভিসা (ই-ভিসা ইন্ডিয়া অনলাইন) এর জন্য যোগ্যতার শর্তগুলো জানতে হবে। আপনি যদি এই শর্ত পূরণ করেন তবে আপনি ইন্ডিয়ান ই-ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করতে প্রবেশ করুন https://indianvisa-bangladesh.nic.in/visa/Registration এখানে। নির্ধারিত তথ্য পূরণ সাপেক্ষে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। তার আগে চলুন জেনে নিই আরও কিছু তথ্য-

যেসব ডকুমেন্ট লাগবে

১। মূল পাসপোর্ট, ভিসার আবেদন দাখিল করার তারিখের আগ থেকে সর্বনিন্ম ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে। পাসপোর্টে অন্তত দুটি সাদা পাতা থাকতে হবে। পাসপোর্টের অনুলিপি (দ্বিতীয় পৃষ্ঠা এবং তৃতীয় পৃষ্ঠা এবং বৈধতার মেয়াদ বাড়ানোর এসডোর্সমেন্ট, যদি থাকে) সংযুক্ত করতে হবে।

২। আবেদনপত্রের সঙ্গে সব পুরোনো পাসপোর্ট জমা দিতে হবে।

৩। একটি সদ্য তোলা (৩ মাসের বেশি পুরোনো নয়) ২x২ (৩৫০x৩৫০ পিক্সেল) সাইজের রঙিন ছবি যেনো পুরো মুখমন্ডল দেখা যায় এবং ছবির পিছনের অংশ সাদা হতে হবে।

৪। আবাসস্থলের প্রমাণপত্র: জাতীয় পরিচয়পত্র এবং বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি।

৫। পেশার প্রমাণপত্র : চাকরিদাতার কাছ থেকে সনদ। শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ডের অনুলিপি সংযুক্ত করতে হবে, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তির অবসরপ্রাপ্ত কাগজপত্র, বিজনেস ব্যক্তির বাণিজ্য সনদপত্র লাগবে।

৬। আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণপত্র: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এনডোর্সমেন্ট বা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড অথবা সর্বশেষ ৩ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্টের অনুলিপি দিতে হবে।

৭। আবেদনকারীকে অনলাইন এপ্লিকেশন ফরম এ দেওয়া নির্ধারিত স্থানে ছবি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।

৮। সাক্ষাতের দিন আবেদনপত্রের সঙ্গে অবশ্যই সব পুরোনো পাসপোর্ট জমা দিতে হবে; সব পুরোনো পাসপোর্ট ছাড়া আবেদনপত্র অসম্পূর্ণ বলে বিবেচিত হবে।

৯। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে সব ধরনের ভারতীয় ভিসার সাক্ষাৎ ওয়াক-ইন পদ্ধতিতে গ্রহণ করা হয়।

অনলাইন নিবন্ধনের পর যা করবেন: অনলাইন নিবন্ধনের পর সাক্ষাতে ভিসার আবেদন দাখিল করতে হবে। চট্টগ্রাম, রাজশাহী,  সিলেট, খুলনা বিভাগ ব্যতীত অন্যান্য বিভাগের বসবাসকারীরা আইভ্যাক, ঢাকা (যমুনা ফিউচার পার্ক ) এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে। অন্যরা আইভ্যাক, খুলনা/ আইভ্যাক, ময়মনসিংহ / আইভ্যাক, যশোর / আইভ্যাক, বরিশাল / আইভ্যাক, সিলেট- এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে।  যেসব পাসপোর্টধারী চট্টগ্রাম বিভাগের বাসিন্দা, যেমন- কুমিল্লা, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া তারা আইভ্যাক, চট্টগ্রাম- এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে। যারা রাজশাহী বিভাগে বাস করছে, তারা আইভ্যাক, রাজশাহী/ আইভ্যাক, রংপুর- এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে। যারা সিলেট বিভাগে বাস করছে, তারা আইভ্যাক, সিলেট/ আইভ্যাক এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে।

ভিসা ফি: বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদন করতে কোন ভিসা ফি লাগবে না। তবে ভিসা প্রসেসিং ফি (ভিপিএফ) হিসেবে ৮০০ টাকা প্রদান করতে হবে।

ভিসা প্রসেস ফি প্রদান করবেন যেভাবে: ভিসা প্রসেস ফি প্রদান করতে প্রবেশ করুন https://payment.ivacbd.com এই লিংকে। এখানে প্রবেশ করে আপনার আবেদনের জন্য নির্বাচিত হাইকমিশন নির্বাচন করুন। ওয়েব ফাইল নাম্বার দিন (২বার)। এরপর আবেদনের জন্য নির্ধারিত আইভ্যাক নির্বাচন করুন। আপনার ভিসা আবেদনের টাইপ নির্বাচন করুন। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য দিন (যেমনঃ নাম, নাম্বার, ইমেইল আইডি)।

সব তথ্য পূরণ শেষে অনলাইনেই পেমেন্ট করা যাবে। পেমেন্ট করা যাবে ডেবিট, ক্রেডিট, ভিসা, মাস্টার্স কার্ড, আমেরিকান এক্সপ্রেসম ডিবিএল নেক্সাস, কিউ ক্যাশ, ফাস্ট ক্যাশ, সিটি টাচ, ব্যাংক এশিয়া, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, এসএমএস ব্যাংকিং, রকেট, বিকাশ, মাইক্যাশ, এমক্যাশ ও এবি থেকে টাকা প্রদান করা হবে।

নিউজ ট্যাগ: ভারতীয় ভিসা

আরও খবর



চাল প্যাকেট করে বিক্রি করা যাবে না: খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০১ জুন ২০২২ | ৫৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের বাজারে কোনও প্যাকেটজাত চাল বিক্রি করা যাবে নাএমন আইন করতে যাচ্ছে সরকার। বুধবার (১ জুন) সচিবালয়ে নিজ দফতরে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, যারা চালের ব্যবসা করেন, তারা দেশের অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে চাল কিনতে পারবেন না। নতুন আইনে এ বিধানটা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গত সোমবার দেওয়া নির্দেশনার পর এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অতি দ্রুত এ আইন করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, যারা প্যাকেটে চাল বিক্রি করবে, তারা দেশের বাজার থেকে যাতে চাল কিনতে না পারে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। তাদের নিজেদের মিল থাকলে সেখানে প্যাকেটজাত করতে পারবে। সরকারের বেঁধে দেওয়া পরিমাণের চেয়ে বেশি চাল যাদের গুদামে পাওয়া যাবে, সেগুলো অবৈধ চাল হবে। সেগুলো সিলগালা করা হবে। 

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও বাজার মনিটর করছেন। যারা মজুত করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আওয়ামী লীগের কেউ হলেও তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি জানান, আকিজ সিটি, এসিআই, স্কয়ারসহ ৬টি গ্রুপের চালের মজুত পাওয়া গেছে। স্কুলের শিক্ষকদের কাছেও চালের মজুত পাওয়া গেছে। আমি কোনও চালের ব্যবসা করি না, এটা স্পষ্ট।’ মজুতদারেরা আওয়ামী লীগের লোক কিনা এমন প্রশ্ন উঠলে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, তাদের কোনও দল হতে পারে না। মজুতদাররাই আলাদা একটা দল।

তিনি বলেন, দেশে চালের কোনও সংকট হবে না। যদি হয় তাহলে আমদানি করতে হতে পারে।   

খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ভরা মৌসুমে চালের সরবরাহে কোনও ঘাটতি নেই, কিন্তু কেন চালের দাম বাড়ছে? এটা ব্যবসায়ীদের কারসাজি। এটা প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়েছিল। কিছু ব্যবসায়ী যে এটা করছে, সেটিও প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়েছে।


আরও খবর