আজঃ রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

কুষ্টিয়ায় একসঙ্গে জন্ম নেয়া ৫ শিশুর দুটির মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ নভেম্বর ২০২১ | ৭১৫জন দেখেছেন

Image

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়ার জেনারেল হাসপাতালে একসঙ্গে জন্ম নেয়া ৫ শিশুর মধ্যে মারা গেছে ১ মেয়ে ও ১ ছেলে শিশু। অন্য ৩ শিশুর অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে বুধবার সকাল ১০ টার দিকে এক ছেলে শিশু ও দুপুর আড়াইটার দিকে মেয়ে শিশুর মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আশরাফুল আলম।

হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ নাজিম উদ্দিন বলেন, বাচ্চাগুলো কম ওজনের। এ কারণে তাদের সার্ভাইভ করা কঠিন। তাদের রাখার জন্য হাসপাতলে সে রকমের আইসিইউ সাপোর্ট নেই। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা নিয়ে যাওয়ার দরকার।’ বাচ্চাটির বাবা আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় তারা এখানে রেখেই চিকিৎসা দিতে চাচ্ছেন। কিন্তু এত কম ওজনের বাচ্চাকে আইসিইউ সাপোর্ট ছাড়া বাঁচিয়ে রাখা কঠিন হবে।’

তিনি বলেন, শিশুগুলোকে এখনো স্ক্যানো ওয়ার্ডে আলোর তাপে রাখা হয়েছে। তাদের অক্সিজেন দেয়া আছে ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে জন্মে নেয় পাঁচ শিশু।

চিকিৎসকরা জানান, অস্ত্রপচার ছাড়া গর্ভধারণের পাঁচ মাসের মাথায় জন্ম হওয়ায় শিশুদের ওজন কম হয়েছে। মা সুস্থ আছেন।

ডাক্তার নাজিম এই বাচ্চাগুলোকে ঢাকায় নিয়ে উন্নত চিকিৎসায় সহযোগিতা করার জন্য সামর্থ্যবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

একই আহ্বান জানিয়েছেন শিশুটির বাবা সোহেল রানা। তিনি বলেন, আমার সামান্য চায়ের দোকান আছে, শ্রমিকের কাজ করি। আল্লাহ একসঙ্গে পাঁচটি বাচ্চা দিয়েছে তাদের বাঁচিয়ে রাখতে ঢাকা নিয়ে যাওয়ার মত টাকা আমার নেই।’


আরও খবর



ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল সৌদি আরব

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | ৩৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ছয় দেশের নাগরিকদের ওপর থেকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিয়েছে সৌদি আরব।  কোভিড-১৯ মহামারি ছড়িয়ে পড়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।  ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, ব্রাজিল, ভিয়েতনাম, মিসর, ও ভারতের নাগরিকদের মধ্যে যারা করোনার টিকার পূর্ণ ডোজ নিয়েছেন তারা সৌদি ভ্রমণ করতে পারবেন।  তাদের ক্ষেত্রে এখন থেকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিন করা লাগবে না।  ১ ডিসেম্বর থেকে এই নীতি কার্যকর হবে।  


আরও খবর
করোনায় আরও ৭ হাজারের বেশি মৃত্যু

শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১




কুয়েতে মানবপাচার মামলায় পাপুলের ৭ বছর কারাদণ্ড

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে মানবপাচার মামলায় ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন কুয়েতের একটি আদালত। এর আগে কুয়েতের বহুল আলোচিত অর্থ ও ঘুষের মামলায় তাকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

একটি হাই প্রোফাইল মানব পাচার মামলায় সাবেক এই বাংলাদেশি এমপিকে সাত বছরের কারাদণ্ড এবং ২৭ লাখ কুয়েতি দিনার জরিমানা প্রদানের আদেশ দিয়েছেন কুয়েতের শীর্ষ আপিল আদালত।

পাপুল ছাড়াও কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডারসেক্রেটারি মেজর জেনারেল মাজেন আল-জাররাহ, জনশক্তি পরিচালক হাসান আল খিদরকেও ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কুয়েতের ওই সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষের মামলায় নিজ নিজ পদ থেকে বহিষ্কারেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কুয়েতের সাবেক এমপি সালাহ খুরশিদকেও সাত বছরের কারাদণ্ড এবং প্রায় সাড়ে সাত লাখ কুয়েতি দিনার জরিমানা করা হয়েছে।

গত ৬ জুন কুয়েতের অপরাধ তদন্ত বিভাগ পাপলুকে গ্রেফতার করে। সে সময় গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, পাপুলের বিরুদ্ধে কুয়েতের সরকারি কৌঁসুলিরা তিনটি অভিযোগ তুলেছেন। অভিযোগগুলো হলো- মানবপাচার, অবৈধ মুদ্রাপাচার এবং স্বদেশী কর্মীদের কাছে রেসিডেন্ট পারমিট বিক্রি।

পাঁচ বাংলাদেশি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পর পাপুলকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বাংলাদেশিরা জানান, পাপুল তাদের কুয়েতে পাঠানোর জন্য প্রত্যেকের কাছে সোয়া আট লাখেরও বেশি করে টাকা নিয়েছেন। এছাড়া রেসিডেন্সি ভিসা নবায়নের জন্য প্রতি বছর পাপুলকে নতুন করে অর্থ প্রদান করতে হতো তাদের।

পাপুলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি কুয়েতে সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ হিসেবে পাঁচটি বিলাসবহুল গাড়ি সরবরাহ করেছিলেন, যাতে তিনি সেখানে যে সংস্থাটি চালাচ্ছিলেন তার চুক্তি পেতে পারেন।


আরও খবর



প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি বাংলাদেশ-পাকিস্তান

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | ৩০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আজ দুপুর দুইটায় পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

মিরপুরের হোম অফ ক্রিকেটে আজকের ম্যাচে অভিষেকের অপেক্ষায় সাইফ হাসান ও ইয়াসির রাব্বি।

শুক্রবার প্রথম টি-টোয়েন্টির পর একই ভেন্যুতে ২০ ও ২২শে নভেম্বর হবে বাকি দুই ম্যাচ। পরে চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ২৬শে নভেম্বর শুরু প্রথম টেস্ট। আর ৪ ডিসেম্বর দ্বিতীয় টেস্ট হবে মিরপুরে।


আরও খবর



হাতি হত্যা বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

প্রকাশিত:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | ৩৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বন্য হাতির চলাচলের জায়গায় মানুষজন বাড়ি-ঘর বানাচ্ছে। এতে হাতির চলাচলের বিঘ্ন ঘটায় হাতি সেগুলো ভাঙচুর করে

হাতি হত্যা বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। জনস্বার্থে আনা এক রিটের শুনানি নিয়ে আজ সোমবার (২২ নভেম্বর) বিচারপতি এম, ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

একইসঙ্গে আদালত হাতি হত্যা বন্ধে জনসচেতনতা বাড়াতে তথ্য মন্ত্রণালয়কে পদক্ষেপ নিতে বলেছেন। পাশাপাশি রুলও জারি করেছেন আদালত। রুলে বন্যপ্রাণি (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ অনুসারে ১২টি এলিফ্যান্ট করিডোরকে সংরক্ষিত করিডোর হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং হাতি হত্যা বন্ধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। পরিবেশ সচিব, তথ্য সচিব, আইন সচিব, বন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট ২১ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রিট আবেদনের পক্ষে আইনজীবী খান খালিদ আদনান সাংবাদিকদের আদালতের আদেশের বিষয়টি জানান। তিনি আরো বলেন, বন অধিদপ্তর থেকে জরিপ করে বন্য হাতি চলাচলের জন্য ১২টি করিডোর নির্ধারণ করেছে। কিন্তু ওই সব করিডোর এখনও বন্যপ্রাণি (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ অনুসারে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয়নি। যে কারণে বন্য হাতির চলাচলের জায়গায় মানুষজন বাড়ি-ঘর বানাচ্ছে। এতে হাতির চলাচলের বিঘ্ন ঘটায় হাতি সেগুলো ভাঙচুর করে। অন্যদিকে মানুষ বন্য হাতিকে বিভিন্নভাবে হত্যা করছে। এভাবেই হাতি ও মানুষের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।

গতকাল রবিবার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্য হাতি হত্যা বন্ধে নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন ওয়াইল্ড লাইফ অ্যাক্টিভিস্ট আদনান আজাদ, ফারজানা ইয়াসমিন ও খান ফাতিম হাসান হাইকোর্টে রিট করেন।

নিউজ ট্যাগ: হাতি হত্যা

আরও খবর



পাকিস্তানের জন্য যুদ্ধজাহাজ বানাচ্ছে তুরস্ক

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২১ | ৪৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পাকিস্তানের জন্য মিলগেম প্রকল্পের অধীনে এডিএ ক্লাস যুদ্ধজাহাজ তৈরি করছে তুরস্ক।

শুক্রবার পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচিতে যুদ্ধজাহাজ তৈরির কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এক বিবৃতিতে বলা হয়, করাচি শিপইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসের (কেএসইডব্লিউ) এ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আমজাদ খান নিয়াজি, নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ও তুরস্কের রাষ্ট্রপরিচালিত প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান এএসএফএটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নিয়াজি অনুষ্ঠানে বলেন, তুরস্কের সহযোগিতায় অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ তৈরি পাকিস্তানের জন্য একটি গৌরবময় মুহূর্ত। যৌথ এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা খাতে আঙ্কারা ও ইসলামাবাদের মধ্যে সহযোগিতার নতুন পথ খুলে দেবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মিলগেম ক্লাসের এ যুদ্ধজাহাজ পাকিস্তানের নৌবাহিনীর অভিযানের সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। ২০১৮ সালের জুলাইয়ে পাকিস্তানের নৌবাহিনী তুরস্কের এএসএফএটির সঙ্গে চারটি মিলগেম ক্লাস শিপের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, দুটি যুদ্ধজাহাজ তৈরি হবে তুরস্কে এবং বাকি দুটি তৈরি হবে পাকিস্তানে। এতে প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়টিও রয়েছে। মিলগেম যুদ্ধজাহাজ লম্বায় ৯৯ মিটার (৩২৫ ফিট) এবং স্থানচ্যুতির সক্ষমতা ২৪ হাজার টন পর্যন্ত। যা ২৯ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলতে পারে। বিশ্বের ১০ দেশের মধ্যে তুরস্ক একটি, যারা নিজস্ব সক্ষমতার মাধ্যমে যুদ্ধজাহাজ নকশা, তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণে সক্ষম।


আরও খবর
করোনায় আরও ৭ হাজারের বেশি মৃত্যু

শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১