আজঃ বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম
প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষা

কুড়িগ্রামে ৯ পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা, বহিষ্কার ৩

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ মাসুদ রানা, কুড়িগ্রাম

Image

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতি করে পরীক্ষা দেয়ার অভিযোগে কুড়িগ্রামে ৯ পরিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। এছাড়াও ৩ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আটক পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এদের মধ্যে বেশির ভাগই নারী পরিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ তথ্য জানিয়েছেন কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাসুদুর রহমান।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় কুড়িগ্রামে ৪৫টি কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৬ হাজার ৮০৫ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ২০ হাজার ৭১ জন এবং অনুপস্থিত ছিলো ৬ হাজার ৭৩৪ জন।

কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান,  ৯ পরিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে পাবলিক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। আগামীকাল শনিবার আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানো হবে।

কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ নবেজ উদ্দিন সরকার বলেন, পরিক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৯ পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া ৩ জন পরিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

 


আরও খবর



আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজে আন্তঃহাউজ বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

ঢাকা সেনানিবাসস্থ আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের আন্তঃহাউস বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আজ বুধবার অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সারাহনাজ কমলিকা জামান।

একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত স্কুল কলেজ সমূহে খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নৈতিক মনোবল বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়ে থাকে। সপ্তাহব্যাপী চলমান এ প্রতিযোগিতায় আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ২৬টি ইভেন্টে প্রায় ২৫০০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। উল্লেখ্য, সমাপনী দিবসের প্রতিযোগিতার মূল আকর্ষণ ছিল বিএনসিসি ক্যাডেটসহ বিভিন্ন প্লাটুনের আকর্ষণীয় কুচকাওয়াজ, কারাতে ও তায়কোয়ানডো প্রদর্শন। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের মনোজ্ঞ ও আড়ম্বরপূর্ণ ডিসপ্লে ছিল অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন ও প্রশংসনীয়।

প্রধান অতিথি তাঁর সমাপনী বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ, চারিত্রিক বিকাশ এবং মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি শিক্ষার্থীদেরকে আলোকিত মানুষ ও প্রকৃত দেশপ্রেমিক হওয়ার পাশাপাশি প্রযুক্তির সর্বশেষ জ্ঞান সম্পন্ন আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার পরামর্শ দেন। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির একাডেমিক ফলাফল ও শৃঙ্খলার মানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষাগত দক্ষতা ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখা এবং উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির বিষয়েও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও এরিয়া কমান্ডার লজিস্টিক্স এরিয়া মেজর জেনারেল শেখ মোঃ সরওয়ার হোসেন, এসইউপি, এনডিসি, পিএসসি, প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাগণ, শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ, অভিভাবকমন্ডলী, আমন্ত্রিত ব্যক্তিবর্গ, গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



মাদারীপুরে ভাতিজার ৫১ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, কারাগারে চাচা

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মীর ইমরান, মাদারীপুর

Image

মাদারীপুরে ভূমি অধিগ্রহ‌ণে ক্ষতিপূরণের ৫১ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছে চাচা মো. হাবিবুর রহমান। বিষয়টি বুঝতে পেরে মাদারীপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতারণার মামলা করেছেন ভাতিজা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

এ মামলায় মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ আসামি হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার ১০৬ নম্বর মহিষেরচর মৌজায় এস.এ ১৬৫১ নং খতিয়ানে ২৬২৩ ও ২৬২৪ দাগের রেকর্ডের মালিক আব্দুল মোতালেব। পড়ে আব্দুল মোতালেব মারা গেলে এই সম্পত্তির মালিক হয় তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে। এছাড়া একই দাগে দুই দলিলে ১৮.৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন আব্দুল মোতালেবের ছেলে মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। পৈতৃক সম্পত্তি ও ক্রয় ক‌রে জমি মিলে এই দুই দাগের মোট ৪৭.৫০ শতাংশ জমির মালিক হন মিজানুর রহমান। মাদারীপুর বিসিক শিল্পনগরের জন্য জমি অধিগ্রহণ করলে সেখানে মিজানুর রহমানের ওই দুই দাগের ২৮ শতাংশ জমির অধিগ্রহণ হয়।

অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণের টাকা কীভাবে তুলতে হবে বিষয়টি না জানায় চাচা হাবিবুর রহমানের সহযোগিতা চায় এতিম ভাতিজা মিজানুর রহমান। আর এই সুযোগে মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান অধিগ্রহণকৃত নিজের জমির সঙ্গে মিজানুর রহমানের অধিগ্রহণকৃত জমির বিল একসঙ্গে উঠানোর কথা বলে চাচা হাবিবুর রহমান। এতে মিজান রাজি হয়ে জমির টাকা উঠানের জন্য ক্ষমতাপত্র তার চাচার কাছে দেন। নিজের জমির সঙ্গে ক্ষমতাপত্রের বলে ভাতিজার ৫১ লাখ টাকার বিল তুলে নেয় চাচা হাবিবুর রহমান। ভাতিজাকে কোনো টাকা না দিয়ে সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করেন চাচা হাবিব।

টাকার জন্য চাচার পেছনে দীর্ঘদিন ঘুরেও টাকা না পেয়ে মাদারীপুর চিপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ভাতিজা মিজানুর রহমান। মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর জেলা পুলিশ শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকালে হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পরে আদালতে প্রেরণ করেন।

মাদারীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম সালাউদ্দিন হোসেন বলেন, এনআই অ্যাট একটি মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পেয়ে হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর



ইঁদুর মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদে প্রাণ গেল দুই সহোদরের

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
হযরত আলী হিরু, স্বরূপকাঠি

Image

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে ধানের জমিতে ইঁদুর মারার জন্য পাতা তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারালেন নাদিম (২৪) ও এমাম (২১) নামের দুই সহোদর। মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের উড়িবুনিয়া গ্রামে।

ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো.মিজান হাওলাদার জানান, ওই গ্রামের কৃষক রিপন হাওলাদার তার ধানের জমিতে ইঁদুর মারার জন্য বিদ্যুৎ দিয়ে ফাঁদ পেতে রাখেন। শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে ওই ওয়ার্ডের আয়নাল হকের ছেলে নাদিম ও এমাম পাখি শিকারের জন্য বের হয়ে ওই জমিতে গেলে সেখানে পেতে রাখা ফাঁদের তারে জড়িয়ে তারা দুজনেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। সারারাত দুই ভাই বাসায় না ফিরলে শনিবার সকালে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা তাদেরকে খুজতে বের হন। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে তারা নাদিম ও এমামের নিথর দেহ ওই জমির পাশে খালের পাড়ে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তারা থানা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসে।

নেছারাবাদ থানার ওসি মো. গোলাম ছরোয়ার জানান, লাশ দুটি ময়না তদন্তের জন্য পিরোজপুর মর্গে প্রেরণ করার জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে, এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আরও খবর



জয়পুরহাটে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সুজন কুমার মন্ডল, জয়পুরহাট

Image

জয়পুরহাটে আবু হোসেন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আমিনা বেগমকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বুধবার দুপুরে জয়পুরহাট র‍্যাব ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়। এর আগে ভোররাতে সদর উপজেলার পুরানাপৈল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আমিনা বেগম জেলার পাঁচবিবি উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামের আবু রায়হানের স্ত্রী।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১০ সালের ২৫ মার্চ সকালে পাঁচবিবি উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামের আবু হোসাইনের বাবা আবু তাহের নিজের খড়ের পালায় কাজ করছিলেন। সে সময় আসামিরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সেখানে এসে আবু তাহেরকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারপিট করেন। তখন তার ছেলে আবু হোসাইন বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি মারপিট করে আসামিরা। এসময় মুমূর্ষ অবস্থায় আবু হোসাইনকে প্রথমে পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

সেখানে তার অবস্থার আরও অবনতি হলে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারপর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

জয়পুরহাট র‍্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মো: শেখ সাদিক জানান, এ মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি জয়পুরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক নুরুল ইসলাম ৫ জনের ফাঁসির রায় দেন।

একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। এ মামলার আসামি আমিনা বেগম পলাতক ছিলেন। এরপর সদর উপজেলার পুরানাপৈল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তাকে পাঁচবিবি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



এবার প্রেমের টানে নারায়ণগঞ্জে ছুটে এলেন দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণী

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

প্রেমের কোনো দেশ-কাল-পাত্র নেই। প্রেমের কারণে সাত সমুদ্র তের নদী পার হয়ে যুগে যুগে অনেকেই ছুটে এসেছে তার প্রিয় মানুষটির কাছে। প্রেমের টানে সমাজ-সংসারের সব প্রতিবন্ধকতাকে অতিক্রম করে প্রেমিক-প্রেমিকার মিলনের গল্প নতুন নয়। এবার এমনই এক ঘটনা ঘটেছে নারায়ণগঞ্জে। কোনো বাঁধাই আটকাতে পারেনি তাদের। প্রেমের টানে সুদূর দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন ফ্রান্সিসকো নামে এক তরুণী।

ফ্রান্সিসকো দক্ষিণ আফ্রিকার বাসিন্দা। বিয়ে করেছেন নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ত্রিবেণী এলাকার বিল্লাল হোসেন সাজ্জাদকে। বর্তমানে তারা এখানেই সংসার শুরু করেছেন।

সুদূর দক্ষিণ আফ্রিকায় ৮ বছর পূর্বে কাজের জন্য যান বিল্লাল হোসেন। সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন তিনি। তাকে চমকে দিতে কিছুদিন পরেই বাংলাদেশে এসেছেন ফ্রান্সিসকো। পরে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করলে নাম রাখা হয় মনি হোসাইন। বিল্লাল হোসেন পরিবারের সম্মতিতে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ফ্রান্সিসকোকে বিয়ে করেন।

বিল্লাল হোসেন বলেন, আমার সঙ্গে কখনো ঝগড়া হয়নি। আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, আমি বাংলাদেশে এসে পরলে সেও বাংলাদেশে চলে আসবে। সম্প্রতি আমি চলে আসলে ফ্রান্সিসকো চলে আসে।

এখন বিল্লাল হোসেন সাজ্জাদ তার বিদেশী বউকে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পরিচিত করে দিচ্ছেন বাংলাদেশের গ্রাম, সংস্কৃতি আর পরিবেশের সঙ্গে। তার পরিবারের পাশাপাশি প্রতিবেশীরাও ফ্রান্সিসকোকে সাদরে গ্রহণ করে নিয়েছেন।

বিল্লাল সম্পর্কে তার স্ত্রী ফ্রান্সিসকো বলেন, সে খুবই ভালো ছেলে। তার পরিবারও খুব মিশুক। বাংলাদেশের আথিতেয়তায় আমি মুগ্ধ।


আরও খবর