আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

কতদিন পর পর ফেসিয়াল করলে উপকার পাবেন?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

ত্বক ভালো রাখার জন্য স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি কিছু যত্নও নেওয়া প্রয়োজন। ত্বকে যদি ফেসিয়াল করেন তবে তা ত্বককে সুন্দর করতে কাজ করে। সেইসঙ্গে ত্বক কিছু প্রয়োজনীয় পুষ্টিও পায়। ফেসিয়াল করার চর্চা নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। তবে ফেসিয়াল কতদিন পর পর করতে হয় সে সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা নেই। কেউ হয়তো ঘন ঘন ফেসিয়াল করেন, কেউ আবার অনিয়মিত। চলুন জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত-

ফেসিয়াল ত্বকে উজ্জ্বলতা আনে: আপনি যদি মাসে দুইবার অর্থাৎ প্রতি ১৫ দিন পর পর ফেসিয়াল করেন তবে ত্বক পরিষ্কার থাকবে। সেইসঙ্গে ত্বকের মৃত কোষ দূর করে বাড়াবে উজ্জ্বলতা। আমাদের ত্বকের পোরস পরিষ্কার রাখতে কাজ করে এই পদ্ধতি। দূর করে হোয়াইটহেডস ও ব্ল্যাকহেডসও। তাই মাসে দুইবার ফেসিয়ালের সাহায্য নিতে পারেন। এতে ত্বকের শুষ্কতা দূর হবে এবং আর্দ্রতা বজায় থাকবে। তবে আপনার ত্বক যদি খুবই সেনসেটিভ হয়, সেক্ষেত্রে ফেসিয়াল করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন।

ফেসিয়াল যে কারণে প্রয়োজন: ফেসিয়াল হলো এক ধরনের স্কিনকেয়ার ট্রিটমেন্ট। এটি সম্পন্ন করতে আধ ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টার মতো সময় লাগে। ত্বক ভালো রাখতে এই ট্রিটমেন্ট করানো হয়। এক্সফোলিয়েশনের সাহায্যে ত্বকের মৃত কোষ সরিয়ে ফেলা হয়। সুদিং মাস্ক এবং ক্রিমের সাহায্যে সঠিক আর্দ্রতার জোগান দেওয়া হয়। ফেসিয়াল মাসাজ ত্বক টানটান রাখতে সাহায্য করে।

যেভাবে ফেসিয়াল করা হয়: ক্লিনজারের সাহায্যে মুখ পরিষ্কার করে নেওয়া হয়। স্ক্রাব ব্যবহার করে ত্বক এক্সফোলিয়েট করা হয়। ট্যান তোলার জন্যে একটি মাস্ক লাগানো হয়। ফেস মাসাজ করা হয়। এই সময়ে ত্বকের রিল্যাক্সেশনের দিকে নজর দেওয়া হয়। মালিশের পদ্ধতিতে ফেস কন্টোরিং করা হয়। ২০ মিনিট ধরে এই মাসাজ করা হয়। এবার মুখ পরিষ্কার করে ফেস প্যাক লাগানো হয়। মুখ আবার পরিষ্কার করে নেওয়া হয় এবং ক্রিম ও সানস্ক্রিন লাগানো হয়।

বাড়িতে ফেসিয়াল করবেন যেভাবে: ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন। তারপর স্ক্রাব ব্যবহার করে এক্সফোলিয়েট করে নিন। এরপর ফেস স্টিম নিন। অ্যালোভেরা জেলের সাহায্যে ভালো করে মুখ মাসাজ করে নিন। অন্তত ১০ মিনিট মাসাজ করবেন। এবার মুখ পরিষ্কার করে নিন এবং ফেসপ্যাক লাগান। ১০ মিনিট অপেক্ষা করে মুখ ধুয়ে ফেলুন এবং টোনার ও ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।

নিউজ ট্যাগ: ফেসিয়াল

আরও খবর



কোটা বাতিলের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কোটা বাতিলের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা। শনিবার (৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন -এর ব্যানারে ঢাবি ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগে আসেন শিক্ষার্থীরা। এরপর তারা শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন। এ সময় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে, জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে, কোটা প্রথা, বাতিল চাই বাতিল চাই এমন বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, এই কোটা পদ্ধতির ফলে চাষার ছেলে চাষা, রাজমিস্ত্রীর ছেলে রাজমিস্ত্রী, মজুরের ছেলে মজুর থেকে যাবে। আমরা একই প্রশ্নে পরীক্ষা দেবো, একই প্রশ্নে লিখব, একই প্রশ্নে ভাইভার মুখোমুখি হবো। কিন্তু তারা কোটা সুবিধার কারণে একাই এক শ সুবিধা পাবে, সেটা মেনে নেবো না।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা প্রচলিত ছিল। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা, ১০ শতাংশ নারী কোটা, অনগ্রসর জেলার বাসিন্দাদের জন্য ১০ শতাংশ কোটা, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষদের জন্য ৫ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল।

ওই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোটা সংস্কারের দাবিতে বড় বিক্ষোভ হয়। কোটাব্যবস্থার সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ কোটা থেকে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। পরে সে বছরের ৪ অক্টোবর কোটাপদ্ধতি বাতিলবিষয়ক পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এর মাধ্যমে ৪৬ বছর ধরে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে যে কোটাব্যবস্থা ছিল, তা বাতিল হয়ে যায়। পরে ২০২১ সালে সেই পরিপত্রের মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের অংশটিকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান উচ্চ আদালতে রিট করেন। সেই রিটের রায়ে চলতি বছরের ৫ জুন পরিপত্রের ওই অংশ অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই চাকরিপ্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীরা মাঠে নামছেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ব্যানারে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা পরিপত্র পুনর্বহালের পাশাপাশি আরও কিছু দাবি জানাচ্ছেন। এগুলো হলো, পরবর্তী সময়ে সরকার কোটাব্যবস্থা নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে চাইলে ২০১৮ সালের পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠন করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরিতে সব গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দেওয়া, সংবিধান অনুযায়ী অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করা, চাকরির নিয়োগের পরীক্ষায় কোটাসুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করার সুযোগ বন্ধ করা ও কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোয় মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া এবং দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া।


আরও খবর
যে কারণে চাকরি ছাড়লেন জাবি শিক্ষক

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




বন্যার শঙ্কায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বন্যার বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বন্যা হতে পারে, পূর্বাভাস সে রকম পাওয়া যাচ্ছে। কাজেই আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে, সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এসব নির্দেশ দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (২ জুলাই) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এসব বিষয় তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুস সালাম। পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, প্রকল্প পরিচালকদের প্রশিক্ষণে জোর দিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে এক প্রকল্পের জন্য যেন একজন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয় সেই কথা বলেছেন তিনি। এছাড়া ঢাকা অঞ্চলের আশে পাশে যেখানে জমি আছে সেগুলোতে চাষাবাদ ত্বরান্বিত করার কথাও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জমি অধিকাংশ চলে যাচ্ছে আবাসন প্রকল্পের জন্য। তবে যেসব জমি এখনও আছে সেগুলো যাতে ফাঁকা পড়ে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যেসব এলাকায় তিন ফসলি বা দো ফসলি জমিতে ফসল ভাল হয় সেসব এলাকায় প্রকল্প নেওয়া যাবে না।

পাশাপাশি জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

পরিকল্পনামন্ত্রী আরও জানান, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ৪১ এর বাস্তবায়ন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া সদ্য সমাপ্ত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের শেষ সময়ে যেসব প্রকল্পের অনুকূলে অর্থবরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সেই টাকা কীভাবে খরচ হয়েছে সেটি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সারাদেশের যেসব থানা জরাজীর্ণ আছে সেগুলো সংস্কারের নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তারাই যদি নিরাপদ না থাকে তাহলে কীভাবে হবে?

প্রধানমন্ত্রী চলতি অর্থবছরে প্রথম তিন মাসে প্রকল্পের প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, যেহেতু বৃষ্টির কারণে মাঠে প্রকল্পের কাজ করা যায় না সেজন্য কাগুজে প্রস্তুতি শেষ করতে হবে।

ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, কাজের মান নিশ্চিত করতে সবারই দায়িত্ব আছে। আগামী ৪ জুন সব মন্ত্রণালয়ের সচিবদের নিয়ে বৈঠক করা হবে। যাতে প্রকল্পের কাজ দ্রুত হয়। এ বিষয়গুলো লক্ষ্য রেখে কাজ করতে হবে। ২০৪১ সালের দিকে উন্নয়নশীল দেশে চলে আসব আমরা। এজন্য আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন, পরিকল্পনা সচিব সত্যজিত কর্মকার, ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) ড. এমদাদউল্লাহ মিয়ান, কৃষি, পানি পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য (সচিব) আব্দুল বাকী এবং তথ্য ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন।


আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার ধসের মামলায় ৮ জনের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাটে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার ধসে ১৩ জনের প্রাণহানির ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এতে গাফেলতির মাধ্যমে অবহেলাজনিত মৃত্যু ঘটানোর অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ৮ কর্মকর্তাকে একই সাজা দেওয়া হয়েছে।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের তৎকালীন প্রকল্প ব্যবস্থাপক গিয়াস উদ্দিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনজুরুল ইসলাম, প্রকল্প প্রকৌশলী আব্দুল জলিল, আমিনুর রহমান, আব্দুল হাই, মো. মোশাররফ হোসেন রিয়াজ, মান নিয়ন্ত্রণ প্রকৌশলী শাহজান আলী ও রফিকুল ইসলাম।

২০১০ সালে এম এ মান্নান (বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার) ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ শুরু করেছিল চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। নির্মাণ কাজ শেষে ২০১৭ সালে সেটি চালু করা হয়।

বুধবার (১০ জুলাই) চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞা এ রায় দিয়েছেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারি ওমর ফুয়াদ বলেন, দন্ডবিধির ৩৩৪(এ) ধারায় ৮ আসামিকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা করে জরিমানা করেছে আদালত। অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদন্ড ভোগ করতে হবে। এসব জরিমানার টাকা ফ্লাইওভার ধসে হতাহতের পরিবারের কাছে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার জন্য আদালত নির্দেশনা দিয়েছেন।

এছাড়া একই রায়ে দন্ডবিধির ৩৩৮ ধারায় আসামিকে দুই বছরের কারাদন্ড। পাশাপাশি উভয় সাজায় একটির পর আরেকটি কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে আদালত। রায় ঘোষণার সময় জামিনে থাকা আট আসামিরা আদালতে হাজির ছিলেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর বিকালে চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট এলাকায় নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের তিনটি গার্ডার ধসে ১৩ জন নিহত, আহত হন অর্ধশতাধিক। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজে তখন চেয়ারম্যান ছিলেন বর্তমান সংসদ সদস্য আবদুচ ছালাম। পরে ২৬ নভেম্বর চান্দগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। মামলা করেছিলেন চান্দগাঁও থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ। মামলায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) তিন কর্মকর্তাসহ মোট ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছিল। তারা হলেন- প্রকল্প পরিচালক সিডিএর তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান, সহকারি প্রকৌশলী তানজিব হোসেন ও উপসহকারী প্রকৌশলী সালাহ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। এছাড়া ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মীর আক্তার অ্যান্ড পারিশা ট্রেড সিস্টেমসের ১০ জন এবং বেসরকারি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এসএআরএম অ্যাসোসিয়েটস অ্যান্ড ডিপিএমের ১২ জনকে আসামি করা হয়।

এরপর তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২৪ অক্টোবর চান্দগাঁও থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম শহীদুল ইসলাম আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

২০১৪ সালের ১৮ জুন অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন তৎকালীন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ এস এম মজিবুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। গত ২৫ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষ হয়। এরপর রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত।


আরও খবর



জামালপুরে বন্যার পানিতে গোসলে নেমে চারজনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বালুচর এলাকায় বন্যার পানিতে গোসল করতে নেমে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৪ জুলাই) বিকেল ৫টায় এ ঘটনা ঘটে।

মেলান্দহ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন- দক্ষিণ বালুচর এলাকার বাবুলের স্ত্রী রোকশানা (২৫), দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে দিশা আক্তার (১৭), সবুজ মিয়ার মেয়ে সাদিয়া (১০) ও গোলাপ আলির মেয়ে খাদিজা (১০)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে দক্ষিণ বালুচর এলাকার পাশাপাশি বাড়ির তিন শিশু, এক কিশোরী ও এক গৃহবধূ ফসলি জমিতে বন্যার পানিতে গোসল করতে যান। গোসল করার একপর্যায়ে হঠাৎ করেই চারজন পানিতে তলিয়ে যেতে থাকেন। এ সময় দূরে থাকা এক কিশোরী তাদের তলিয়ে যাওয়া দেখে দৌড়ে বাড়িতে এসে ডাক-চিৎকার করে খবর দেন। খবর পেয়ে লোকজন গিয়ে দেখেন মরদেহ পানিতে ভেসে উঠেছে। এ সময় বেঁচে ফেরেন মারিয়া (১২) নামের এক শিশু।

স্থানীয়রা জানান, অল্প পানিতেই সবাই গোসল করতে গিয়েছিল। এই পানিতে ডুবে মারা যাওয়ার ঘটনা একেবারে আশ্চর্যজনক। এর মধ্যে আগামী শুক্রবার দিশার বিয়ে হওয়ার কথা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আজাদ আলী বলেন, দুপুরে এমন খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। এমন ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিউজ ট্যাগ: জামালপুর

আরও খবর



আদানির প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ভারতের আদানি গ্রুপের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রর একটি ইউনিট উৎপাদনে এসেছে৷ আজ সোমবার ভোরে একটি ইউনিট চালু হয়৷ এতে প্রথমে সকাল ১০টায় ৫১০, পরে ১১টা থেকে ৭০০ মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয় বলে জানা গেছে।

এর আগে গত শুক্রবার কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ঝাড়খণ্ডে নির্মিত এই কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে প্রায় দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হয়। কয়েক দিন থেকে কেন্দ্রটিতে আংশিক উৎপাদন হচ্ছিল।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ঈদের ছুটিতে কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটটির উৎপাদন বন্ধ করা হয়। এটি ৫ জুলাই উৎপাদনে ফিরতে পারে।

কারিগরি ত্রুটির কারণে ২৫ জুন থেকে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছিল। ধীরে ধীরে উৎপাদন বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছিল। কিন্তু শুক্রবার সকাল পৌনে ১০টায় উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

দেশের কয়েকটি বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন কমে যাওয়ায় এবং প্রচন্ড গ্যাস সংকটের কারণে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় দেশে প্রচন্ড লোডশেডিং চলছে। দেশীয় উৎপাদিত গ্যাসের সঙ্গে বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানি করে গ্যাসের যোগান মেটানো হয়। তবে সামিট গ্রুপের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বিকল হয়ে প্রায় এলএনজি সরবরাহ অর্থেকে নেমে আসে। ফলে গ্যাস সংকট চলছে।


আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪