আজঃ মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২
শিরোনাম

কোরবানি ঘিরে ব্যস্ত রাজবাড়ীর খামারিরা

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ জুন 20২২ | ২৫০জন দেখেছেন

Image

পাংশা (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি:

পবিত্র ঈদুল আজহা অর্থাৎ কোরবানির ঈদ সামনে রেখে গবাদিপশুর পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন রাজবাড়ীর খামারিরা। ক্রেতা পর্যায়ে এই অঞ্চলে মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি থাকায় বেশিরভাগ খামারেই বড় আকৃতির গরুর দেখা তেমন মিলছে না।

এদিকে জেলায় এখন পর্যন্ত কোরবানিযোগ্য পশুর চূড়ান্ত সংখ্যা জানাতে পারেনি প্রাণিসম্পদ দপ্তর। তবে বিগত বছরগুলোর মতো এবারেও কোরবানির চাহিদা পূরণে পাশের জেলাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে গবাদিপশুর আমদানি ঘটাতে হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

এছাড়া কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা পশুর চাহিদা না থাকায়, প্রাকৃতিক ও নির্ভেজাল পদ্বতিতে মোটাতাজাকরণ পদ্বতির পশুর চাহিদা বেশি থাকবে বলে জানিয়েছেন খামারিরা। আর এতে করে খামারিরা ভালো দর পাবেন বলেও মনে করা হচ্ছে।

হিসাব বলছে, শুধু রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে শতাধিক খামারে কয়েক হাজার গবাদিপশু মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে।

উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের সাঁজুরিয়া গ্রামের খামারি আজিজ মোল্লা বলেন, ২০১৪ সালে ২০টি দেশি প্রজাতির ষাঁড় কিনে সেগুলোকে মোটাতাজাকরণ শুরু করি। তবে এখন আমার এ খামারে ৪০টির মতো ষাঁড় রয়েছে। যার মধ্যে অনেকেগুলো দেখতে বেশ ভালো আকারের হয়েছে। সামনে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে কিছু গরু বিক্রির চিন্তাও করছি।

তিনি বলেন, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে খড়, খৈল, ভুষি ও কাঁচা ঘাস খাইয়ে গরুগুলো মোটাতাজা করা হয়েছে। এই পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করার খরচ একটু বেশি হলেও কোন রকমের ঝুঁকি নেই। আর ক্রেতারাও এ ধরনের গরুর প্রতি আগ্রহী। 

উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের বাঘারচর গ্রামের দুলাল মাস্টার জানান, তিনি এ বছর ১২টি গরু মোটাতাজা করছেন। গরুর কোন সমস্যা মনে হলেই উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের লোকজনদের কাছ থেকে চিকিৎসা ও পরামর্শ নিয়ে থাকেন। তবে গো-খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় মোটাতাজাকরণ ব্যয় অনেকটা বেড়েছে। কোরবানিতে তিনি গরুগুলো বিক্রি করতে চাচ্ছেন এবং আশা করছেন ভালো দরও পাবেন।

একই গ্রামের খামারি রেজাউল মন্ডল বলেন, ভারতীয় গরু আসা কমে যাওয়ায় এখন খামার ব্যবসায় জোড় দিয়েছি। বর্তমানে আমার খামারেও ২০টি গরু রয়েছে। যেগুলোকে সন্তানের মতই লালন-পালন করা হচ্ছে। আর ভালো দর পেলে আগামীতে পশুর সংখ্যা আরো বাড়ানোর চিন্তাভাবনা রয়েছে।

তিনি জানান, গ্রাম থেকে গরু কিনে পরে প্রায় ৮ মাস ধরে নিজ খামারে রেখে সেগুলোকে লালন-পালন করছেন। আর গোটা পদ্বতিটা একবার রপ্ত করতে পারলে এবং পশু বিক্রি করে ভালো অর্থ পেলে এ পেশায় আসতে উৎসাহিত হবেন অনেকে। সেইসাথে খামার ব্যবসায় সরকারি পৃষ্ঠপোষকতাও দরকার বলে জানান।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ প্রভাস চন্দ্র সেন বলেন, উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে প্রায় শতাধিক ছোট-বড় গরুর খামার রয়েছে। যেগুলোর খোঁজ-খবর প্রতিনিয়ত রাখা হচ্ছে। আমাদের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একেবারেই প্রাকৃতিক ও নির্ভেজাল পদ্ধতিতে গরু লালন-পালন করেছেন বিভিন্ন খামারি। সেইসাথে গরু মোটাতাজাকরণের ক্ষেত্রে কোন রকম ক্ষতিকারক ওষুধ কিংবা ইনজেকশন ব্যবহার না করার পরামর্শও প্রতিনিয়ত খামারিদের দিয়ে থাকি।

আর গরু মোটাতাজাকরণের বিষয়ে খামারিদের সবধরনের সহযোগিতা ও পরামর্শ দিতে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা মাঠে পর্যায়ে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।


আরও খবর



বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ জুন ২০২২ | ২৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বন্যার সময় নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে এবং বন্যা সৃষ্ট কিছু দুর্ঘটনায় সারা দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ জনে। এর মধ্যে শুধু পানিতে ডুবেই ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত ১৭ মে থেকে আজ পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার (২৪ জুন) বিকেলে সারা দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশের ১০ জেলায় গত ৩৮ দিনে ৭৩ জন মারা গেছে। এর মধ্যে সিলেট বিভাগে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় এ পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুনামগঞ্জে ২৬ জন, মৌলভীবাজারে ৩ জন এবং হবিগঞ্জে ২ জন মারা গেছেন।

ময়মনসিংহ বিভাগে বন্যাজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। এর মধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় ৫ জন, নেত্রকোণা জেলায় ৮ জন, জামালপুর জেলায় ৬ জন এবং শেরপুর জেলায় প্রাণহানি হয়েছে ৩ জনের।

রংপুর বিভাগে এখন পর্যন্ত বন্যায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে রংপুর জেলায় কারো মৃত্যু হয়নি। কুড়িগ্রামে ৩ জন এবং লালমনিরহাটে ১ জন মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, বন্যায় সারা দেশে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। গতকাল পর্যন্ত বন্যায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬১৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ১৭ মে থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত দেশে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৭৬ জন। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ডায়রিয়ায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। আরটিআই (চোখের রোগ) রোগে আক্রান্ত হয়েছে ১৪৫ জন, এ রোগে কারো মৃত্যু হয়নি।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বন্যাকবলিত এলাকায় বজ্রপাতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ জন, তাদের মধ্যে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সাপের দংশনে চারজন আক্রান্ত হয়েছেন, একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে পানিতে ডুবে মোট ৪৯ জনের মৃত্যু হয়।

চর্ম রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩৬ জন, চোখের প্রদাহজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছে ৭৮ জন, নানাভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে ৮০ জন। এছাড়া অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়েছে মোট ৭৩৫ জন, মারা গেছেন ৮ জন।


আরও খবর



রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | ৪০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কক্সবাজারের উখিয়া ক্যাম্পে গুলি করে রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৩ জুন) সকালে আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম।

চার্জশিটে ২৯ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জন কারাগারে রয়েছেন।

২০২১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে উখিয়ার লাম্বাশিয়া আশ্রয় শিবিরের ডি ব্লকের আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ) সংগঠনের কার্যালয়ে বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হন মুহিবুল্লাহ। তিনি ওই সংগঠনের চেয়ারম্যান ছিলেন।

হামলার জন্য মিয়ানমারের সশস্ত্র গ্রুপ আরসার কয়েকজন অস্ত্রধারীর নাম প্রচার করা হয়। পরদিন ৩০ সেপ্টেম্বর মুহিবুল্লাহর ছোট ভাই হাবিবুল্লাহ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন।

এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪ জন ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।


আরও খবর



চীনের সাংহাইয়ে লকডাউন শিথিল

প্রকাশিত:বুধবার ০১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০১ জুন ২০২২ | ৩১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চীনের অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র এবং বিশ্বের অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্রে সাংহাইয়ে দুই মাসের টানা লকডাউনের পর কোভিড বিধিনিষেধ শিথিল হয়েছে। আড়াই কোটি বাসিন্দার শহরটিতে স্থানীয় সময় বুধবার প্রথম প্রহর থেকে লকডাউনের নিয়মকানুন শিথিল হওয়ায় বেশির ভাগ মানুষ এখন অবাধে চলাচলের সুযোগ পাচ্ছেন। তবে, শহরটির সাড়ে ছয় লাখ বাসিন্দাকে আরও কিছুদিন ঘরবন্দি থাকতে হবে।

বিধিনিষেধ শিথিল হলেও চীনের শূন্য কোভিড নীতি বজায় আছে এবং যাদের দেহে কোভিড শনাক্ত হচ্ছে, তাদের হয় কোয়ারেন্টিনে নয়তো হাসপাতালে যেতে হচ্ছে। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের।

আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিনে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি আক্রান্তরা যেখানে থাকতেন, সেখানে ফের লকডাউন দেওয়ার নিয়মও চালু থাকছে।

দীর্ঘদিন ধরে আমরা এ দিনটির স্বপ্ন দেখেছিলাম। অনেক কষ্টে এ দিন এসেছে। আমাদের এটিকে সযত্নে লালন ও রক্ষা করতে হবে। যে শহরের সঙ্গে আমরা পরিচিত এবং মিস করছিলাম, সেই সাংহাইয়ে ফের স্বাগতম, সাংবাদিকদের বলেন সাংহাই সরকারের মুখপাত্র ইন জিন।

লকডাউনে শহরটির অনেক বাসিন্দার আয় কমেছে। অনেককেই খাবার সংগ্রহে এবং দীর্ঘ বিচ্ছিন্নবাসের সঙ্গে মানসিকভাবে মানিয়ে নিতে হিমশিম খেতে হয়েছে।

কর্মীরা কারখানা থেকে দূরে থাকায় কিংবা কারখানায় অবস্থান করলেও কোভিড ও শনাক্তকরণ প্রটোকল মেনে ক্লোজ লুপে কাজ করায় পশ্চিমা গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের ওপর টানা বিধিনিষেধের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।


আরও খবর



নেপালে বিমান বিধ্বস্ত: ২১ মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩১ মে ২০২২ | ৩৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নেপালে বিধ্বস্ত উড়োজাহাজটির ২২ আরোহীর মধ্যে একজনকে ছাড়া সবার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে বলে এএফপির খবরে বলা হয়।

সোমবার মোসতাং জেলার পাহাড়ের ধারে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা যাত্রীবাহী উড়োজাহাজটির ধ্বংসাবশেষ থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

রোববার সকালে নেপালের পশ্চিমাঞ্চলীয় পোখারা থেকে বেসরকারি সংস্থা তারা এয়ারের উড়োজাহাজটি জমসন শহরে যাচ্ছিল। এ যাত্রা ছিল ২০ মিনিটের। অবতরণের পাঁচ মিনিট আগে উড়োজাহাজটি নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

নেপালের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র নারায়ণ শিলওয়াল এএফপিকে বলেন, ২১টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি একজনের মরদেহও উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

উড়োজাহাজের আরোহীদের মধ্যে চারজন ভারতীয় ও দুজন জার্মান ছিলেন। বাকিরা নেপালি। তাঁদের মধ্যে একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার, তাঁর স্ত্রী ও তাঁদের দুই মেয়ে ছিলেন। তাঁরা কেবলই যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরেছেন।

প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে সেনাবাহিনী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হেলিকপ্টার প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলে রোববার দিনভর অনুসন্ধান চালায়। কয়েকটি দল পায়ে হেঁটে এই অনুসন্ধানের কাজে সহায়তা করে। কিন্তু রাত নামলে নিষ্ফল এই তল্লাশি অভিযান বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

বিবিসির খবরে বলা হয় নেপাল সরকার এ ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছে।

২০১৮ সালে ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইট ৭১ জন আরোহী নিয়ে কাঠমান্ডুতে অবতরণ করার সময় উড়োহাজাহটিতে আগুন ধরে যায়। এতে ৫১ জন নিহত হয়।

নেপালে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার রেকর্ড আছে। সেখানে আবহাওয়ার বেশ ঘন ঘন পরিবর্তন হয়। বিমানবন্দরগুলো পাহাড়ি এলাকায়, যেগুলোতে ওঠানামা করা বেশ কঠিন।


আরও খবর



ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে মডেলের আত্মহত্যার চেষ্টা

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ জুন ২০২২ | ২৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সম্প্রতি কলকাতায় বেশ কয়েকজন মডেল-অভিনেত্রী আত্মহত্যা করেছেন। তার মধ্যে পল্লবী দে, বিদিশা মজুমদার ও মঞ্জুষা নিয়োগী অন্যতম। তাদের আত্মহত্যার রেশ কাটতে না কাটতেই খবর এল কলকাতার এক উঠতি মডেলের আত্মহননের চেষ্টার।

এই মডেলের নাম দেবলীনা দে। ২৭ বছর বয়সী এই তরুণী বিভিন্ন সিরিয়াল ও মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেন। শুক্রবার রাতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বেশ কয়েকটি ঘুমের ওষুধ খেয়ে নেন তিনি। তবে পূর্ব যাদবপুর থানার পুলিশের তৎপরতায় প্রাণে বাঁচলেন ওই তরুণী। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি।

শুক্রবার রাতে একটি ফেসবুক পোস্টে দেবলীনা লেখেন, আমি বেঁচে থাকার জন্য অনেক লড়াই করেছি। আমার পরিবার সব কিছুর জন্য দায়ী, এখন আমি শান্তি চাই। বিদায়।

মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টটি নজরে আসে তার বন্ধু-বান্ধবদের। নজরে আসে পুলিশেরও। তড়িঘড়ি করে পূর্ব যাদবপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ গিয়ে দেখে, ঘরে অচেতন অবস্থায় পড়ে রয়েছেন তিনি। তাকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি পাশের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানান, অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে নিয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, দেবলীনা দে আদতে কালনার বাসিন্দা। তবে কর্মসূত্রে যাদবপুরের আবাসনে থাকতেন। শুক্রবার কালনার বাড়িতে গিয়েছিলেন উঠতি মডেল। সেই সময় পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একপ্রকার তর্কাতর্কিও হয় তার। ফিরে আসেন যাদবপুরের আবাসনে। ফিরে রাতেই চূড়ান্ত অবসাদে ভরা ফেসবুক পোস্ট করেন ওই উঠতি মডেল। তবে কী কারণে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তর্কাতর্কি হলো তার, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি।

জানা যায়, আত্মহত্যার চেষ্টা করার আগে নিজের ডায়েরির পাতায় একটি নোট লিখেছিলেন দেবলীনা। যেটি অভিনেত্রী ফেসবুকে পোস্টও করেছিলেন। পরে অবশ্য সেই পোস্টটি মুছে দেন তিনি। পরে তদন্তে নেমে চিরকুটটি অভিনেত্রীর ঘর থেকে পুলিশ উদ্ধার করে। যেখানে অভিনেত্রী নিজের পরিবারকে দায়ী করার পাশাপাশি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত বেশকিছু ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন।


আরও খবর