আজঃ রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

কমেছে তিস্তার পানি, বাড়ছে ভাঙন

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সপ্তম দফায় তিস্তার পানি বৃদ্ধিতে লালমনিরহাটের ৫ উপজেলার গত তিনদিন ধরে বন্যার পর কমতে শুরু করেছে তিস্তার পানি। পাশাপাশি দেখা দিয়েছে তিস্তার তীব্র ভাঙন। এদিকে বন্যা আর ভাঙনে দিশাহারা হয়ে পড়েছে তিস্তাপারের হাজারো কৃষক। বন্যা কবলিত এলাকায় এখনও কোন ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছায়নি। পাশাপাশি দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট।

শনিবার  (০৩ সেপ্টেম্বর ) লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানী তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি প্রবাহ ৫২.০৫ সেন্টিমিটার (স্বাভাবিক ৫২.৬০) যা বিপদসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার রেকর্ড করা হয়।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলায় তিস্তা নদীর গর্ভে ৪২টি ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। পরিবারগুলো ঘরবাড়ি হারিয়ে বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন।

জানা গেছে, এ বছরের কয়েক দফা বন্যা ও নদীর ভাঙনে  লালমনিহাটের পাঁচ উপজেলার ২০টি পয়েন্টে তিস্তা নদীর ভয়াবহ  ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনে বিলীন হয়েছে ঘরবাড়ি, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান, ফসলী জমি, স্কুলসহ বিভিন্ন স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনা। তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনে সহায় সম্বল হাড়িয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে প্রায় হাজারও পরিবার।

এ দিকে তিস্তার পানি কমা বাড়ার ফলে লালমনিরহাটের সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, দিঘলটারি, কালমাটি, চোংগাডারা, গোকুন্ডা, মোগলহাট আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা, হাতীবান্ধা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী, পাটিকাপাড়া, সিন্দুর্না, গড্ডিমারী ও পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রামসহ জেলার প্রায় ১০টি পয়েন্টের দেখা দিয়েছে ভয়াভয় ভাঙন। এসব এলাকায় তিস্তার ভাঙন থেকে রক্ষা পায়নি বসতভিটে, গাছ পালা ফসলী জমি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

তিস্তা পারের বন্যাকবলিত জাহানারা বলেন, গত দুইদিন ধরে পানির নিচে ডুবে আছি। এখনও কোন সরকার থেকে সাহায্য সহযোগিতা পাইনি। সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের  চোংগাডারা গ্রামের শফিকুল মিয়া বলেন, গত তিনদিন ধরে বন্যার পানিতে কষ্ট ভোগ করলাম। এখন নদীর পানি নেমে যাচ্ছে এখন ভাঙনের আতঙ্কে পড়ছি।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, তিস্তার পানি কমার পাশাপাশি নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ করছে।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর জানান, বন্যা কবলিত মানুষদের তালিকা করা হয়েছে খুব দ্রুত খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি যারা ঘরবাড়ি হারিয়েছেন তাদের পুনর্বাসন করা হবে।


আরও খবর
কপালের বলিরেখা দূর করার উপায়!

শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

অভিযানেও স্বস্তি ফেরেনি চালের বাজারে

শুক্রবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৪




ইজতেমার আখেরি মোনাজাত আজ

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে তাবলিগ জামাত আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমা আজ রবিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে। গতকাল শনিবার ইজতেমার ময়দানে সমবেত ধর্মপ্রাণ মুসল্লির উদ্দেশে ইজতেমার শীর্ষ মুরুব্বিরা ইমান আমল ও দ্বীনের দাওয়াতে তাবলিগের ওপর গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করেন।

এর আগে শুক্রবার থেকে টঙ্গীর ইজতেমার ময়দান মুসল্লিদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। আজ আখেরি মোনাজাতে শরিক হতে বিভিন্ন স্থান থেকে মুসল্লিরা ইজতেমার ময়দানে ছুটে আসছেন। শুক্রবার বাদ ফজর থেকে লাখো মুসল্লি জিকির আসকার ও ইবাদত বন্দেগিতে সময় পার করছেন। এ ধারা শনিবারও অব্যাহত ছিল। তারা মহান আল্লাহতায়ালার সন্তষ্টি লাভের জন্য নিজের ইমানকে মজবুত করতে এবং দ্বীনের পথে থাকার জন্য পরম করুণাময়ের কাছে আকুতি জানাচ্ছেন।

আজ রবিবার সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে যে কোনো সময়ে বহু প্রত্যাশিত আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব বিদেশিনিবাসের পূর্ব পাশে বিশেষভাবে স্থাপিত মঞ্চ থেকে আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করা হবে।

দ্বিতীয় পর্বের মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম জানান, দিল্লির মাওলানা সাদের বড় ছেলে ইউসুফ বিন সাত কান্ধালীভ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এ আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন। আখেরি মোনাজাতে নিজনিজ গুনাহ মাফ এবং আত্মশুদ্ধির জন্য মহান আল্লাহতায়ালার প্রার্থনা কামনা করা হবে।


আরও খবর



মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এলেন আরও ৬৩ জন

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে রাষ্ট্রীয় জান্তা বাহিনীর সঙ্গে জাতিগত বিদ্রোহীদের চলমান সংঘর্ষে জীবন বাঁচাতে আরও ৬৩ জন বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছেন। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে আসার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২৭ জনে।

তাদের মধ্যে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) সদস্য, সেনা সদস্য, পুলিশ সদস্য, ইমিগ্রেশন সদস্য ও বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন।

বিজিবি বলছে, যারা অস্ত্রসহ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন তাদের নিরস্ত্রীকরণ করে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিজিবি সদরদপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বিজিপিসহ অন্য ৩২৭ সদস্যকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়েছে বিজিবি। নতুন করে আরও এসেছে ৬৩ জন। এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত টহল ও চেকপোস্ট বাড়ানো হয়েছে। কোনো রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। দেশের স্বার্থে সীমান্তে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে বিজিবি।

এদিকে, বুধবার বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়নের আওতাধীন বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিজিবির নিয়ন্ত্রণে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে ধৈর্য ধারণ করে, মানবিক থেকে এবং আন্তর্জাতিক সুসম্পর্ক বজায় রেখে পরিস্থিতি মোকাবিলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, অবৈধভাবে আর একজনকেও বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না। দেশ মাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্তে উদ্ভূত যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মহাপরিচালক সকালে বিজিবির কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু ও ঘুমধুম সীমান্ত এবং তৎসংলগ্ন বিওপি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় বিজিবি মহাপরিচালক সীমান্তে দায়িত্বরত সব পর্যায়ের বিজিবি সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি দেশ মাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে সর্বোচ্চ পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সীমান্তে উদ্ভূত যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সদা তৎপর থাকার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তিনি অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য দায়িত্বরত সব বিজিবি সদস্যের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

বিজিবি মহাপরিচালক মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘর্ষের জেরে প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি), মিয়ানমার সেনাবাহিনী, ইমিগ্রেশন সদস্য, পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার সব সদস্য খোঁজ খবর নেন এবং আহত অবস্থায় আসা ও হাসপাতালে চিকিৎসারত বিজিপি সদস্যদের দেখতে যান।

নিউজ ট্যাগ: বিজিপি

আরও খবর



গাঁজা বৈধ করল জার্মান পার্লামেন্ট

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গাঁজাকে বিনোদনের উদ্দেশ্যে ব্যবহারের বৈধতা দিয়ে আইন পাস করেছে জার্মানির পার্লামেন্ট। এ আইনের আওতায় ১৮ বছরের বেশি বয়সী জার্মান নাগরিকেরা নির্দিষ্ট পরিমাণ গাঁজা রাখতে পারবেন। তবে যত্রতত্র গাঁজা সহজলভ্য হবে না, বরং গাঁজা কেনা আরও কঠিন হবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, আগামী ১ এপ্রিল থেকে জার্মানিতে ধূমপানের মতো প্রকাশ্যে গাঁজাসেবন বৈধ হয়ে যাবে। গত শুক্রবার পার্লামেন্টে ৪০৭-২২৬ ভোটে গাঁজাকে বৈধতা দেওয়ার আইন পাশ হয়।

নতুন এ আইনে একজন প্রাপ্ত বয়ষ্ক নাগরিক নিজের কাছে ২৫ গ্রাম গাঁজা রাখতে পারবেন অথবা বহন করতে পারবেন। এ ছাড়া নিজের বাড়িতে সর্বোচ্চ ৫০ গ্রাম গাঁজা রাখতে পারবেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী কার্ল লটারবাখ বলছেন, নতুন এই আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য, কালোবাজারকে দমানো, ধূমপায়ীদের ভেজাল গাঁজা থেকে রক্ষা করা এবং সঙ্ঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের আয়ের উৎস কমানো।

তবে এ আইন পাসের পর আইনটির পক্ষেবিপক্ষে আলোচনা শুরু হয়েছে। চিকিৎসকেরা বলছেন, এতে তরুণদের মধ্যে স্বাস্থ্যঝুকি তৈরি হবে। অন্যদিকে প্রবীণ নাগরিকদের আশঙ্কা, গাঁজা বৈধ করার ফলে মাদকের ব্যবহার বাড়বে।

নতুন আইনে আরও বলা হয়েছে, স্কুল ও খেলার মাঠের মতো এলাকায় গাঁজাসেবন আগের মতোই অবৈধই থাকবে। বিশেষ করে কঠোরভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা হবে। কাজেই গাঁজা কেনা সহজ হবে না।


আরও খবর



ইউক্রেনে সৈন্য পাঠানোর প্রশ্নে কোণঠাসা ম্যাক্রোঁ

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট সোমবার ইউক্রেনে পশ্চিমা সৈন্য পাঠানোর সম্ভাবনার উল্লেখ করলেও জার্মানি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক দেশ তার বিরোধিতা করেছে। এদিকে যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেন আরও জমি হারাচ্ছে।

সোমবার ইউক্রেন সংক্রান্ত সম্মেলন আয়োজনের পর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছিলেন, প্রয়োজনে ইউক্রেনে পশ্চিমা দেশের সৈন্য পাঠানো যেতে পারে।

তিনি রাশিয়ার হামলা মোকাবিলায় ইউক্রেনের জন্য কোনো ধরনের সহায়তার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিতে চাননি। কিন্তু তাঁর এমন বেলাগাম মন্তব্যের পর ন্যাটোর একাধিক দেশ ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে। মঙ্গলবার প্রথমে জার্মানি ও পোল্যান্ড স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল, যে সেই দুই দেশ ইউক্রেনে সেনা পাঠাচ্ছে না। 

আরও পড়ুন>> সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

জার্মান চ্যান্সেলর শলৎস বলেন, প্যারিস সম্মেলনের অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে ইউক্রেনের ভূখণ্ডে ইউরোপ বা ন্যাটোর স্থলবাহিনী বা সৈন্য না পাঠানোর বিষয়ে ঐকমত্য রয়েছে। মধ্য ইউরোপের একাধিক দেশও সেই অবস্থান নিচ্ছে। ন্যাটোর মহাসচিব ইয়েন্স স্টলটেনবার্গও বলেন, সামরিক জোটের  এমন কোনো পরিকল্পনা নেই। রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি সংঘাত এড়াতে এখনো পর্যন্ত এমন নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। একমাত্র ৩১টি সদস্য দেশ সম্মিলিতভাবে সেই সিদ্ধান্ত নিলে তবেই ইউক্রেনে সৈন্য পাঠানো সম্ভব। সংবাদ সংস্থা এপিকে স্টলটেনবার্গ আরও বলেন, ন্যাটো সদস্যরা ২০১৪ সাল থেকে ইউক্রেনকে অভূতপূর্ব সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র এড্রিয়েন ওয়াটসন বলেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সংগ্রামের জন্য ইউক্রেনে মার্কিন সৈন্য না পাঠানোর বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নিয়ে আসছেন।

রাশিয়া ম্যাক্রোঁর মন্তব্য সম্পর্কে পশ্চিমা জগতকে সতর্ক করে দিয়েছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেকসভ বলেন, ন্যাটো ইউক্রেনে যুদ্ধের জন্য সৈন্য পাঠালে রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি সংঘাত অপরিহার্য। তাঁর মতে, এমনটা ঘটলে ন্যাটো ও রাশিয়ার সংঘাতের সম্ভাবনা দেখা দেবে না, সেই সংঘাত অবশ্যম্ভাবী হবে। ঘরে-বাইরে এমন তীব্র প্রতিক্রিয়ার মাঝে ফ্রান্স ম্যাক্রোঁর মন্তব্যের সঠিক প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছে।

সে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী সেবাস্তিয়ঁ লোকোমু বলেন, প্যারিস সম্মেলনে এ বিষয়ে আলোচনা হলেও কোনো ঐকমত্য অর্জিত হয়নি। তাছাড়া রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য ইউক্রেনে সৈন্য পাঠানোর কথা হয়নি। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টেফান সেজুর্ন বলেছেন, মাইন অপসারণ, অস্ত্র উৎপাদন বা সাইবার অপারেশনের মতো কাজের জন্য পশ্চিমা সৈন্য পাঠানো যেতে পারে। 

আরও পড়ুন>> দুর্ভিক্ষ থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে গাজার ৬ লাখ মানুষ: জাতিসংঘ

চলতি মাসের শুরুতে রাশিয়ার প্রবল হামলার মুখে আভদিভকা শহর থেকে ইউক্রেনের সৈন্যরা সরে আসার পর মঙ্গলবার আরও দুটি গ্রাম থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হয়েছে। পশ্চিমা সহায়তায় টান পড়ার কারণে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর গোলাবারুদ কমে আসছে। ফলে বাধ্য হয়ে বাস্তবসম্মত প্রতিরক্ষার পথ বেছে নিচ্ছেন সেনা কর্মকর্তারা। মার্কিন সংসদে ইউক্রেনের জন্য ৬,০০০ কোটি ডলার অংকের সামরিক সহায়তার প্রস্তাবের জট ছাড়াতে প্রেসিডেন্ট বাইডেন মঙ্গলবার দুই দলের উচ্চপদস্থ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।


আরও খবর



বরিশালের বিপক্ষে ১৩৫ রানে থামল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

ফরচুন বরিশালের হয়ে ৪ ওভার করে বল করলেন ৫ জন বোলার। উইকেট পেয়েছেন সবাই। এর মধ্যে প্রত্যেক বোলার রান দিয়েছেন ত্রিশের নিচে। বিপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচে বরিশালের বোলারদের সম্মিলিত এমন আক্রমণে ১৩৫ রানেই থামল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে এই রান তোলে তারা।

হারলেই বাদ; এমন বাস্তবতার ম্যাচে টস জিতে চট্টগ্রামকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বরিশাল অধিনায়ক তামিম ইকবাল। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই চট্টগ্রামকে চেপে ধরে বরিশাল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৪০ রান তোলে দলটি। রান পাননি তানজিদ হাসান তামিম ও ইমরানুজ্জামানরা। ৮৪ রান তুলতেই ফেরেন আরও ৩ ব্যাটার। জশ ব্রাউন ২২ বলে ৩৪ রান করে আউট হন। তবে টম ব্রুস (১৭) ও সৈকত আলী (১১) উইকেটে সেট হয়েও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি।

ছয়ে নামা অধিনায়ক শুভাগত হোম ২৪ রান করলেও বাকিদের ব্যর্থতায় শেষ দিকেও রান করতে পারেনি চট্টগ্রাম। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রানে থামে চট্টগ্রাম।

বরিশালের ৩ পেসার কাইল মেয়ার্স, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও ওবেড ম্যাককয় ২টি করে উইকেট তুলে নিয়েছেন। এর মধ্যে মেয়ার্স ও সাইফউদ্দিন ২৮ রান আর ম্যাককয় ২৯ রান দেন। তাইজুল ইসলাম নির্ধারিত ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান দিয়ে ১ উইকেট ও জেমস ফুলার সমান ওভারে ২৬ রান দিয়ে একটি উইকেটই নেন।


আরও খবর