আজঃ সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3
শিরোনাম

খুলনায় আ.লীগ নেতাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
খুলনা প্রতিনিধি

Image

খুলনায় প্রকাশ্যে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (২৪ মার্চ) নগরীর শিরোমনি এলাকার লিন্ডা ক্লিনিকের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম শেখ আনসার আলী। তিনি খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার আওয়ামী লীগের সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও স্থানীয় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

খানজাহান আলী থানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন খান বলেন, শেখ আনসার আলী জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে লিন্ডা ক্লিনিকের সামনে পৌঁছলে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে এবং তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

তিনি আরও বলেন, নিহত আনসার আলী দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



গুয়াতেমালায় ভূমিধসে নিহত ৬, নিখোঁজ ১২

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারী বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট ভূমিধসে গুয়াতেমালায় কমপক্ষে ছয়জন নিহত হয়েছে। এছাড়া এখনো নিখোঁজ রয়েছে আরও ১২ জন। রাজধানীর একটি নদীর পানিতে বেশ কিছু বাড়ি-ঘর ভেসে গেছে। গুয়াতেমালার ন্যাশনাল কোঅর্ডিনেশন ফর ডিজেস্টার রিডাকশন এজেন্সি (কনরেড) জানিয়েছে, গতকাল সোমবার শুরুর দিকে নারাঞ্জো নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় একটি সেতুর নিচে থাকা অন্তত ছয়টি বাড়ি ভেসে গেছে।

অনুসন্ধান কুকুর এবং উদ্ধারকারী দলগুলো বন্যার পানিতে মারা যাওয়া ছয়জনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। এদের মধ্যে এক শিশুও রয়েছে যার বয়স পাঁচ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার শরীরের অর্ধেক কাঁদামাটিতে আটকা পড়ে ছিল। তবে এখনো পর্যন্ত ১২ জনের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে এদের মধ্যে আটজনই শিশু।

ইসাউ গোঞ্জালেজ (৪২) নামের এক বাসিন্দা বলেন, নদীর পানিতে বাড়ি-ঘর ভেসে গেছে। জিনিসপত্র ভেসে গেছে এবং মানুষজন নিখোঁজ হয়েছে। বৃষ্টির মৌসুমে গুয়াতেমালায় ভূমিধসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষ করে মে মাস থেকে নভেম্বরে এই ঝুঁকি বেশি থাকে। 

আরও পড়ুন>> এবার বিশ্বের ২৮ প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

লোকজন বলছেন, তারা জানেন যেখানে তারা বসবাস করছেন তা নিরাপদ নয়। কিন্তু তাদের কিছুই করার নেই। দেশটিতে দারিদ্র্যের হার ৫৯ শতাংশ। সে কারণে বেশিরভাগ মানুষই ঝুঁকিপূর্ণ বাড়ি-ঘরে বাস করেন।

মারভিন কাবরেরা (৩৬) নামের এক বাসিন্দা ফুড ডেলিভারির কাজ করেন। তিনি বলেন, আমরা এখানে বসবাসের ঝুঁকি সম্পর্কে জানি। কিন্তু প্রয়োজনের কারণেই আমাদের এখানে থাকতে হচ্ছে। তিনি যেখানে থাকেন সেখানে ক্রমেই বন্যার পানি বাড়ছে।

২৭ বছর বয়সী আইরিস লোপেজ (২৭) বলেন, সোমবারের এই বিপর্যয়ের পর তিনি আশা করছেন যে, সরকার তাদেরকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেবে।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ২৯ জন ভূমিধসে প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও প্রায় ২১ লাখ মানুষ। এখন পর্যন্ত ১০ হাজারের মতো বাড়ি-ঘর বৃষ্টির পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া চারটি রাস্তা এবং নয়টি ব্রিজও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।


আরও খবর



চার মাসেও উদঘাটন হয়নি নবাবগঞ্জের শিখার মৃত্যু রহস্য

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নাজনীন শিকদার (দোহার-নবাবগঞ্জ)

Image

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের ছোট গোবিন্দপুর এলাকায় বসত ঘর থেকে স্ত্রী শিখা হালদারের লাশ উদ্ধারের দীর্ঘ  চার মাসেও এ ঘটনায় করা মামলার তদন্ত শেষ হয়নি। যার ফলে ওই গৃহবধুর মৃত্যু রহস্য খোলাসা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে স্বজনদের ও এলাকাবাসীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম হতাশা। আসামী পক্ষ প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকায় সঠিক বিচার পাওয়া নিয়েও সংশয় আর হতাশা প্রকাশ করেছেন নিহত শিখার স্বজনরা। 

নিহত শিখা হালদার ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের ছোট গোবিন্দপুর এলাকায় সৌদিআরব প্রবাসী রতন হালদারে স্ত্রী। লাশ উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলার পর থেকেই পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক বলে অভিযোগ করেন নিহতের স্বজনরা। নিহত ব্যক্তির ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন দিতেও গড়িমসি করছেন বলেও অভিযোগ নিহতের স্বজনদের।

নিহত শিখা হালদারের মা সারথী রানী হালদার বলেন, লাশ উদ্ধারের ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। থানায় মামলা না নেওয়ায় বাধ্য হয়ে আমি মহামান্য আদালতে ৩০২, ১০৯ ও ৩৪ ধারা দণ্ডবিধিতে মামলা করি। মামলা করার পর থেকেই বিবাদী পক্ষ আমার উপর বিভিন্ন হুমকি দিয়ে আসছে। আমরা গরীব মানুষ। আমার মেয়েকে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন মেরে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে চাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, আসামী দীলিপ হালদার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার। প্রভাবশালী ব্যক্তি তাই সঠিক বিচার পাওয়া নিয়ে আমরা সংশয়ে আছি। পুলিশ আমাদের বলছেন ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন বা ভিসেরা প্রতিবেদন তাদের কাছে আছে কিন্তু আমাদের কোনো তথ্য জানাচ্ছেন না। পুলিশ বলছে, আদালতে রিপোর্ট পাঠালে আপনারা আদালতে যোগাযোগ করবেন। অযথা আমাকে বিরক্ত করবেন না। আমরা যেহেতু এগুলো বুঝি না, তাই তাদের ওপরেই নির্ভর করে আছি বলে জানান সারথী রানী হালদার।

এবিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরির্দশক তানভীর শেখ বলেন, মামলার তদন্ত কাজ শেষ। ময়নাতদন্ত বা ভিসেরা প্রতিবেদনও হাতে পেয়েছি। খুব তাড়াতাড়ি তা আদালতে জমা দেওয়া হবে।

এবিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম শেখ বলেন, এ ঘটনায় আমি কোনো বক্তব্য দিবো না। আদালতে এর বিচার হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের গত ৯ জুন নবাবগঞ্জ উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের ছোট গোবিন্দপুর এলাকায় বসত ঘর থেকে গৃহবধূ শিখার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেন নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। পরে শিখার মা আদালতে বাদী হয়ে ৩০২, ১০৯ ও ৩৪ ধারা দণ্ডবিধিতে মামলা করেন।


আরও খবর



ফুলবাড়ীতে ফুলকপি চাষের ধুম

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
দিনাজপুর প্রতিনিধি

Image

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার মৌসুম শুরুর আগেই দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় ফুলকপির চাষ শুরু হয়েছে। এখন কৃষকরা ক্ষেতের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। কৃষকেরা নিড়ানি, কীটনাশক ছিটানো, সেচ দেয়া ও শীতকালীন সবজির চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

দিনাজপুর ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের রাজারামপুর গ্রামের নদীপাড়ের কৃষক সাহেব বাবু এবার ৯৯ শতাংশ জমিতে ফুলকপির চারা রোপণ করেছেন।

তিনি রোববার দুপুরে জানান, ফুলবাড়ী উপজেলার আমডুঙ্গি হাটের পাশের জমিতে ফুলকপি চাষ করছেন। ৯৯ শতাংশ জমিতে এখন সার ও নিড়ানি দিচ্ছেন ৭ জন মজুর। গ্রামে সাধারণত এই সময়ে কৃষি শ্রমিকদের কাজ থাকে না। আগাম কপি চাষ করায় কৃষি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান হয়েছে। পাশাপাশি তিনিও লাভের আশা করছেন।

সাহেব বাবু বলেন, ফুলকপি ৬০ দিনের ফসল। ২০ হাজার চারা রোপণ করেছি। ফলন পাওয়া পর্যন্ত জমি চাষ, সার, কীটনাশক, নিড়ানি, শ্রমিকসহ খরচ হবে ২ লাখ টাকা। একটি কপি ২০ টাকা করে বিক্রি করলে ২০ হাজার কপি ৪ লাখ টাকায় বিক্রি হবে। আশা করছি, খরচ বাদ দিয়ে ২ লাখ টাকা লাভ হবে।

জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার পাটকপাড়া গ্রামের কৃষক শরিফউদ্দিন ৩ বিঘা জমিতে ফুলকপি আর ১০ কাঠা জমিতে বেগুন, পটল, ঝিঙা, বরবটি চাষ করছেন। তিনি বলেন, এবার আবহাওয়া ভালো। রবি ফসলে লাভ হয়ে থাকে।

উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, এরই মধ্যে শিম, বাঁধাকপি, ফুলকপি ঝিঙা, বেগুন, মুলাসহ বেশকিছু শীতের আগাম সবজি বাজারে উঠেছে। অন্য বছরের তুলনায় এসব সবজির দাম বেশি। ভালো দাম পাওয়ায় শীতকালীন সবজি চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের।

জেলার ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. শাহানুর আলম বলেন, এই উপজেলার ওপর দিয়ে ছোট-বড় ৩টি নদী প্রবাহিত। নদী এলাকায় ব্যাপক পলি জমি রয়েছে, যা সবজি চাষের উপযোগী। ফুলবাড়ী উপজেলায় সবজি চাষের উপযোগী ৪৯০ হেক্টর জমি রয়েছে, যার মধ্যে চলতি খরিপ-২ মৌসুমে ৫৫ হেক্টর জমিতে ফুলকপি চাষ হচ্ছে।

সবজি আগাম উঠাতে পারলে লাভ বেশি। এবার বৃষ্টি কম হওয়ায় সবজি আগে চাষ সম্ভব হয়েছে। সাধারণত কার্তিক মাসে শীতকালীন সবজি চাষ শুরু হয়। এ মৌসুমে উপজেলায় ১ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: ফুলকপি চাষ

আরও খবর



জনগণ মেগা প্রকল্পের সুফল পেতে শুরু করেছে: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
Image

পাবনা প্রতিনিধি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ সব মেগা প্রকল্পের কাজ সময়মতো শেষ হয়েছে। জনগণ এর সুফল পেতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, করোনা মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসহ নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশ অর্থনীতির নেতিবাচক পরিস্থিতি মোকাবিলা করে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে অগ্রগতির দিকে, উন্নয়নের দিকে। সব ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করে (আমরা) সেই অগ্রযাত্রায় শামিল হবো।

বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পাবনার সাঁথিয়ায় ইছামতি নদীতে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭তম জন্মদিন উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পৌরসভা সপ্তাহব্যাপী নৌকাবাইচের আয়োজন করে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, নৌকাবাইচ আবহমান বাংলার সমৃদ্ধ সংস্কৃতির একটি অনন্য ঐতিহ্য। বাংলার প্রতিটি আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে আছে লোকসংস্কৃতির অমূল্য উপাদান। এসব লোকসংস্কৃতি সঠিকভাবে লালন করা গেলে এগুলো বিশ্ব সংস্কৃতি ও সাহিত্যেরও অমূল্য সম্পদ হয়ে উঠতে পারে। পাবনা জেলা বাঙালি লোক-সংস্কৃতির উর্বর ক্ষেত্র। নৌকাবাইচ আমাদের এলাকার তেমনই একটি ঐতিহ্যবাহী উৎসব।

পাবনার উন্নয়নে নতুন গতি এসেছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ২০০৮ সালে পাবনায় মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলেও এতোদিনে কোনো হাসপাতাল ছিল না। আজ সকালেই পাবনার ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণকাজের শুভ সূচনা করা হয়েছে। পাবনা থেকে ঢাকা রেল চলাচল এ মাসেই শুরু করার কথা থাকলেও প্রশাসনিক ও কারিগরি কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই তা শুরু হবে। এছাড়া ইছামতি নদী সংস্কার ও পুনঃখননের একটি প্রকল্প চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

তিনি বলেন, বাঙালি বীরের জাতি। আমরা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যুদ্ধ করে এদেশ স্বাধীন করেছি। তিনি বাংলার মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে আমৃত্যু লড়াই-সংগ্রাম করেছেন। জেল-জুলুম ও অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছেন। স্বাধীনতার পর দেশকে এগিয়ে নিতে বঙ্গবন্ধু অসাম্প্রদায়িক বাঙালিকে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ শুরু করেছিলেন। সে লক্ষ্যে তিনি অল্প সময়ের মধ্যে পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি সংবিধানও আমাদেরকে উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতক চক্রের ষড়যন্ত্রের কারণে স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় আমরা জাতির পিতাকে হারাই। এটা ছিল জাতি হিসেবে আমাদের চরম ব্যর্থতা। কারণ আমরা তাকে ধরে রাখতে পারিনি। বঙ্গবন্ধু আমাদের সঙ্গে না থাকলেও তার নীতি-আদর্শই বাঙালির এগিয়ে যাওয়ার পথ-নির্দেশিকা ও অনুপ্রেরণা।

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকুর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন সাঁথিয়া পৌরসভার মেয়র মাহবুবুল আলম বাচ্চু।

এসময় উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণী ড. রেবেকা সুলতানা, পাবনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আ স ম আব্দুর রহিম পাকন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল রহিম লাল, পাবনা পৌরমেয়র শরিফ উদ্দিন প্রধান, বেড়া মেয়র অ্যাডভোকেট আশিফ শামস রঞ্জন, সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন, সাঁথিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান আলী খান প্রমুখ।

নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে ইছামতি নদীর দুই পাড়ে হাজার হাজার দর্শকের সমাগম ঘটে।


আরও খবর



ইউক্রেনের গমের দ্বিতীয় চালান তুরস্কে পৌঁছেছে

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ইউক্রেনীয় গমের দ্বিতীয় চালান রোববার কৃষ্ণ সাগর হয়ে তুরস্কে পৌঁছেছে। সামুদ্রিক ট্র্যাফিক পর্যবেক্ষণ সাইট অনুসারে, রাশিয়ার প্রতিবেশী এবং শত্রুর দিকে যাওয়া বা আসা জাহাজগুলোতে হামলার হুমকি সত্ত্বেও ইউক্রেনীয় গমের দ্বিতীয় চালানটি ইস্তানবুল পৌঁছেছে। পালাউ-পতাকাবাহী বাল্ক ক্যারিয়ার আরোয়াট  ১৭,৬০০ টন গম বোঝাই করে শুক্রবার বন্দর শহর চোরনোমর্স্ক ছেড়ে মিশরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। 

আরও পড়ুন>> ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মিয়ানমার

জাতিসংঘ-সমর্থিত শস্য রপ্তানি চুক্তি থেকে রাশিয়ার প্রত্যাহারের পর আন্তর্জাতিক জলসীমা ব্যবহার এড়িয়ে ন্যাটো সদস্য বুলগেরিয়া এবং রোমানিয়ার নিয়ন্ত্রিত জলপথ অনুসরণ করে ইউক্রেন একটি নতুন সামুদ্রিক রুট পরীক্ষা করছে।

মেরিন ট্র্যাফিক এবং ভেসেল ফাইন্ডার ওয়েবসাইট অনুসারে, রবিবার গ্রীনিচ মান সময় ৩.০০ টায় আরোয়াট বসফরাস প্রণালীর দক্ষিণ প্রান্ত অতিক্রম করছিল। এটি ভূমধ্যসাগরে পৌঁছানোর জন্য ডার্দানেলেস প্রণালীর দিকে অগ্রসর হতে হয়েছে। ৩,০০০ টন গম বোঝাই পালাউয়ের পতাকাবাহী প্রথম জাহাজটি মঙ্গলবার কোন ঘটনা ছাড়াই চোরনোমর্স্ক ছেড়ে বৃহস্পতিবার ইস্তাম্বুলে পৌঁছেছে। 

আরও পড়ুন>> সোমালিয়ায় আত্মঘাতী ট্রাকবোমা হামলায় নিহত ১৮

রাশিয়া এবং ইউক্রেন দুটি প্রধান কৃষি পণ্য সরবরাহকারী দেশ। যা  বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিবেশী ইউক্রেনের ওপর মস্কোর আগ্রাসন এবং পরবর্তী আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা বিশ্বব্যাপী সরবরাহ ও বাজারকে অস্থিতিশীল করেছে।


আরও খবর