আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

খোয়াই নদীর বেড়িবাঁধ কেটে নিল মাটিখেকোরা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যর বাজার কালীগঞ্জ নামক স্থানে খোয়াই নদীর বেড়িবাধঁ কেটে নিয়ে গেছে স্থানীয় মাটিখোকোরা।এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোর স্থানীয় বাসিন্দারা।

তারা মনে করেন হঠাৎ করে এভাবে অপরিকল্পিতভাবে নদীর বেড়িবাঁধ কেটে নেওয়ার ফলে অতিবৃষ্টির সময় ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা বন্যার পানিতে আশেপাশের গ্রামগুলো প্লাবিত হয়ে যাবে। এতে দুর্ভোগে পড়বেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দ্রুততম সময়ের মধ্যে কেটে নিয়ে যাওয়া নদীর বেড়িবাঁধটি মেরামত করে এর সাথে সংশ্লিষ্ট চক্রটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে, একসময় হয়তো পুরো বেড়িবাঁধই কেটে নিয়ে যাবে মাটিখোকোরা বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কোন ধরণের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে খোয়াই নদীর বেড়িবাঁধ সংলগ্ন চরের মাটি এক্সাভেটর দিয়ে কেটে ড্রাম ট্রাক ও ট্রাক্টর যোগে পাচার করছে মাটিখেকোরা।

এছাড়াও ইজারার শর্ত ভঙ্গ করে শ্যালো মেশিন দিয়ে দিনরাত বালু উত্তোলন করছে একটি বড় ধরনের চক্র। এতে করে নদীর গতিপথ পরিবর্তনের পাশাপাশি পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধন হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম তান্ত্রিকভাবে মাটি-বালু উত্তোলনকারী চক্রটি এবার সবকিছুর সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এতদিন নদীর চরের মাটি এবং নদীর বালু তুললেও এবার কেটে নিয়ে গেছে নদীর বেড়িবাঁধ।

স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বৈদ্যর বাজার কালীগঞ্জ নামক স্থানের খোয়াই নদীর বেড়িবাধেঁর প্রায় ২০ ফুট জায়গার মাটি কেটে নিয়ে গেছে মাটিখেকো চক্রটি। এসময় স্থানীয় বাসিন্দা রমজান আলী নামের এক ব্যক্তি বলেন, এতদিন ধরে নদীর চরের মাটি-বালু কাটতে দেখলেও কোন সময় বেড়িবাঁধ কাটতে দেখেননি, হঠাৎ করে বেড়িবাধেঁর এত জায়গার মাটি কেটে নেওয়ায় আমরা খুবই আতঙ্কে আছি। বৃষ্টির সময় আমাদের গ্রামগুলো বন্যার পানিতে ভেসে যাবে।

এ বিষয়ে ইজারাদার ফারুক মিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে, তিনি বলেন, বেড়িবাঁধ কেটে নেওয়ার বিষয়টি আমি অবগত নয় খোঁজ নিয়ে আপনার সাথে যোগাযোগ করব।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীম হাসনাইন মাহমুদ বলেন, আমি কিছুক্ষণের মধ্যে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।

নিউজ ট্যাগ: হবিগঞ্জ

আরও খবর



কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দী ২ লাখ মানুষ

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। টানা ৬ দিন স্থায়ী বন্যায় মানুষজন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বিশেষ করে ধরলা ও ব্রহ্মপূত্র নদী তীরবর্তী মানুষের কষ্টের শেষ নেই। এখানকার হাজার হাজার বন্যা কবলিত মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের রোববার (৭ জুলাই) সকাল ৯টায় পাওয়া তথ্য মতে, ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টের পানি কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি।

তথ্য অনুযায়ী, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ২৬.৫৮ সেন্টিমিটার, ধরলা ২৬.৩৬ সেন্টিমিটার, দুধকুমার ৩০.১১ সেন্টিমিটার ও তিস্তা নদীর পানি ২৯.২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলার ৯টি উপজেলার দুটি পৌরসভাসহ প্রায় ৬০টি ইউনিয়নের দুই লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। প্রাথমিকভাবে মানুষ যেসব উঁচু স্থানে গবাদিপশু রেখেছেন গত দুদিন ধরে সেসব স্থানে পানি ওঠায় গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। জীবন বাঁচাতে অনেকে নিজস্ব নৌকা, উঁচু রাস্তা, ফ্লাড শেল্টার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উঁচু ভূমিতে কিংবা আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

এদিকে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে দুধকুমার নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। এতে নতুন করে আরও প্রায় ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মিয়াপাড়া এলাকার পুরাতন বেড়িবাঁধটির দুটি স্থানে প্রায় ১শ মিটার এলাকা ভেঙে যায়। ফলে ভাঙা অংশ দিয়ে প্রবল স্রোতে প্রবেশ করে একের পর এক গ্রাম প্লাবিত হতে থাকে। পানি আরও বৃদ্ধি পেলে নাগেশ্বরী পৌর শহর পানিতে নিমজ্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাঁধ ভাঙায় এরইমধ্যে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মিয়া পাড়া, মালিয়ানি, সেনপাড়া, তেলিয়ানী, পাটেশ্বরী, বোয়ালেরডারা, অন্তাইপাড়, ধনিটারী, বিধবাটারী, বড়মানী, বামনডাঙ্গা, নাগেশ্বরী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের সাঞ্জুয়ার ভিটা, ভুষিটারী, ফকিরটারী গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিব্বির আহমেদ জানান, বাঁধ ভাঙার বিষয়টি আমি জেনেছি, সরেজমিন পরিদর্শন ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না।

কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. মঞ্জুর-এ-মুর্শেদ, ইউনিয়ন পর্যায়ে ৮৩টি মেডিকেল টিম বন্যা কবলিত এলাকায় কাজ করছে।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৬৬০ হেক্টর ফসলি জমি, বীজতলা ও শাকসবজি বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। পানি নেমে গেলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া যাবে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নবেজ উদ্দিন সরকার জানান, ২৬৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হওয়ায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, দুধকুমার নদীর তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণ চলমান আছে। সেগুলো বা পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভাঙার কোনো খবর তাদের কাছে নেই।


আরও খবর



কুড়িগ্রামে ভয়াবহ বন্যা, ২ লাখ মানুষ পানিবন্দী

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ মাসুদ রানা, কুড়িগ্রাম

Image

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। টানা ৬ দিন স্থায়ী বন্যায় মানুষজন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বিশেষ করে ধরলা ও ব্রহ্মপূত্র নদী তীরবর্তী মানুষের কষ্টের শেষ নেই। এখানকার হাজার হাজার বন্যা কবলিত মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের আজ রোববার সকাল ৯টায় পাওয়া তথ্য মতে, ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টের পানি কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি।

তথ্য অনুযায়ী, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ২৬.৫৮ সেন্টিমিটার, ধরলা ২৬.৩৬ সেন্টিমিটার, দুধকুমার ৩০.১১ সেন্টিমিটার ও তিস্তা নদীর পানি ২৯.২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলার ৯টি উপজেলার দুটি পৌরসভাসহ প্রায় ৬০টি ইউনিয়নের দুই লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। প্রাথমিকভাবে মানুষ যেসব উঁচু স্থানে গবাদিপশু রেখেছেন গত দুদিন ধরে সেসব স্থানে পানি ওঠায় গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। জীবন বাঁচাতে অনেকে নিজস্ব নৌকা, উঁচু রাস্তা, ফ্লাড শেল্টার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উঁচু ভূমিতে কিংবা আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

এদিকে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে দুধকুমার নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। এতে নতুন করে আরও প্রায় ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মিয়াপাড়া এলাকার পুরাতন বেড়িবাঁধটির দুটি স্থানে প্রায় ১শ মিটার এলাকা ভেঙে যায়। ফলে ভাঙা অংশ দিয়ে প্রবল স্রোতে প্রবেশ করে একের পর এক গ্রাম প্লাবিত হতে থাকে। পানি আরও বৃদ্ধি পেলে নাগেশ্বরী পৌর শহর পানিতে নিমজ্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাঁধ ভাঙায় এরইমধ্যে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মিয়া পাড়া, মালিয়ানি, সেনপাড়া, তেলিয়ানী, পাটেশ্বরী, বোয়ালেরডারা, অন্তাইপাড়, ধনিটারী, বিধবাটারী, বড়মানী, বামনডাঙ্গা, নাগেশ্বরী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের সাঞ্জুয়ার ভিটা, ভুষিটারী, ফকিরটারী গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিব্বির আহমেদ জানান, বাঁধ ভাঙার বিষয়টি আমি জেনেছি, সরেজমিন পরিদর্শন ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না।

কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. মঞ্জুর-এ-মুর্শেদ, ইউনিয়ন পর্যায়ে ৮৩টি মেডিকেল টিম বন্যা কবলিত এলাকায় কাজ করছে।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৬৬০ হেক্টর ফসলি জমি, বীজতলা ও শাকসবজি বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। পানি নেমে গেলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া যাবে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নবেজ উদ্দিন সরকার জানান, ২৬৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হওয়ায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, দুধকুমার নদীর তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণ চলমান আছে। সেগুলো বা পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভাঙার কোনো খবর তাদের কাছে নেই।


আরও খবর



এবার কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করল সিবিআই

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

আবগারি দুর্নীতি মামলায় এবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করেছে সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)।

বুধবার (২৬ জুন) দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টের ভেতর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বুধবার দিল্লির একটি আদালত সিবিআইকে আবগারি দুর্নীতি মামলায় মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতারের অনুমতি দেয়। বিশেষ বিচারক অমিতাভ রাওয়াতের নির্দেশে কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে সিবিআই।

এর আগে মঙ্গলবার (২৬ জুন) তদন্ত সংস্থাটি তিহার জেলে আম আদমি পার্টির এই নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার বয়ান রেকর্ড করে।

আবগারি দুর্নীতি মামলায় চলতি বছরের ২১ মার্চ অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। গত ১০ মে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ২১ দিনের জামিন পান তিনি। লোকসভা নির্বাচনের জন্য এই তিন সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছিলেন আদালত। সেই জামিনের সময় শেষ হলে কেজরিওয়ালকে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। তবে কেজরিওয়ালের জামিন ৪৮ ঘণ্টা পিছিয়ে দেয়ার আবেদন করেছিল ইডি; যা গ্রাহ্য হয়নি। বিচারক ন্যায় বিন্দু কেজরিওয়ালকে জামিন দেন সেদিন।

পরদিন শুক্রবার সকালে সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। ইডির আবেদনে সাড়া দিয়ে কেজরিওয়ালের জামিন স্থগিত রাখে দিল্লি হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের জামিনের নির্দেশ স্থগিতের আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। জামিনের নির্দেশ স্থগিতের আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।


আরও খবর



ঈদযাত্রার ১৩ দিনে সড়কে ঝরেছে ২৬২ প্রাণ

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পবিত্র ঈদুল আজহা ঘিরে ১৩ দিনে সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৬২ জন নিহত এবং ৫৪৩ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৪ জুন) রোড সেফটি ফাউন্ডেশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, ঈদযাত্রার ১১ থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত ২৫১টি সড়ক দুর্ঘটনায় এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১০৪ জন, যা মোট নিহতের ৩৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

এ ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে নারী ৩২ জন, শিশু ৪৪ জন, পথচারী ৪৯ জন, যানবাহনের চালক ও সহকারী ২৮ জন রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই সময়ে সাতটি নৌ-দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত এবং ১৬টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনায় ৯৯৮ কোটি ৫৫ লাখ ৩৭ হাজার টাকার মানবসম্পদের ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা, কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট না থাকা, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকে উল্লেখ্যযোগ্য বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

নয়টি জাতীয় দৈনিক, সাতটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।


আরও খবর



কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে। বন্যায় জেলার ৯টি উপজেলার প্রায় লক্ষাধিকের বেশি মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে গৃহপালিত পশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন তারা। উপায়ন্তর না পেয়ে গরু-ছাগলের সঙ্গে থাকতে হচ্ছে পরিবারগুলোকে। অনেকে খোলা আকাশের নীচে নৌকায় রাত যাপন করছেন।

যোগাযোগে একমাত্র নৌকা ছাড়া চলাচলের কোনো উপায় নেই এসব উপজেলায়। ঘরে চাল-ডাল থাকলেও রান্না করে খেতে পারছেন অনেকে। বিশুদ্ধ খাবার পানি ও স্যানিটেশনের অভাবে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। জেলা প্রশাসন থেকে ত্রাণ দেওয়া হলেও যা চাহিদার তুলনায় কম।

উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের আঞ্জুমান আরা বলেন, গত চারদিন ধরে পানিতে ভাসছি। ঘরে এক গলা পানি। আশপাশে কোথাও যাওয়ার উপায় নাই। বৃষ্টির মধ্যে নৌকার মধ্যে দিন-রাত পার করছি।

হকের চরের মো. আব্দুল কাদের বলেন, আজ পাঁচদিন ধরে আমাদের এলাকার মানুষ পানিতে। অথচ কোনো চেয়ারম্যান-মেম্বার কেউ দেখতে আসেনি। আমরা সবাই খুব কষ্টে আছি।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, বন্যা ও নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে। এছাড়া ত্রাণের পাশাপাশি ৪০০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে।


আরও খবর