আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

খলিস্তানি হামলার পাল্টা শান্তি মিছিল আমেরিকায়

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

কয়েক দিন আগেই সেখানে তাণ্ডব চালিয়েছিল খলিস্তানপন্থীরা। এ বার আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকো-র সেই ভারতীয় কনসুলেটের সামনে ভারতের সমর্থনে শান্তি মিছিলে হাঁটলেন বিপুল সংখ্যক ইন্দো-আমেরিকান।

গত রবিবার খলিস্তানপন্থীরা সান ফ্রান্সিসকোর ভারতীয় কনসুলেটে হামলা চালানোর পাশাপাশি খলিস্তানের সমর্থনে স্লোগান দেয়। পুলিশি নিরাপত্তা ভেদ করে কনসুলেট চত্বরে খলিস্তানি পতাকা লাগিয়ে দিয়েছিল। যদিও দ্রুত সেই পতাকা খুলে ফেলেন কনসুলেটের দুই কর্মী।

সেই ঘটনারই পাল্টা শুক্রবার শান্তি মিছিলের আয়োজন করে ইন্দো-আমেরিকান গোষ্ঠীর একটা বড় অংশ। বিপুল জমায়েতে কারও হাতে ছিল ভারতের পতাকা, কেউ নিয়েছিলেন আমেরিকার পতাকা। বিপুল মানুষের আওয়াজে কার্যত উৎসবের রূপ নেয় গোটা চত্বর। খলিস্তানি হামলার কড়া নিন্দাও জানানো হয়। উপস্থিত ছিলেন কিছু খলিস্তানি সমর্থকও। 


আরও খবর



সন্ধ্যায় মালয়েশিয়ায় যাবে বিমানের বিশেষ ফ্লাইট

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রবাসী কর্মীদের মালয়েশিয়ায় পাঠাতে শুক্রবার (৩১ মে) সন্ধ্যায় একটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বিমানের জনসংযোগ বিভাগের ব্যবস্থাপক মো. আল মাসুদ খানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের চিঠির প্রেক্ষিতে শুক্রবার (৩১ মে) সন্ধ্যা ৭ টা ১৫ মিনিটে বিমানের ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটে একটি বিশেষ অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।

ওই ফ্লাইটে মোট ২৭১ জন যাত্রী পরিবহন করা হবে। ফ্লাইটটির যাত্রীদের নামের তালিকা, পাসপোর্ট নম্বরসহ প্রয়োজনীয় অঙ্গীকারনামা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ (বায়রা) প্রতিনিধি বিমান জেলা বিক্রয় অফিস মতিঝিলে প্রদান করবে।

বায়রা প্রদত্ত তালিকা অনুসারে বায়রা প্রতিনিধি বিমান জেলা বিক্রয় অফিস মতিঝিল থেকে নগদ অর্থে উক্ত ফ্লাইটের টিকিট ক্রয় করতে পারবেন।

ওই ফ্লাইটে মোট ২৭১ জন যাত্রী পরিবহন করা হবে। ফ্লাইটটির যাত্রীদের নামের তালিকা, পাসপোর্ট নম্বরসহ প্রয়োজনীয় অঙ্গীকারনামা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ (বায়রা) প্রতিনিধি  বিমান জেলা বিক্রয় অফিস মতিঝিলে প্রদান করবে।

বায়রা প্রদত্ত তালিকা অনুসারে বায়রা প্রতিনিধি বিমান জেলা বিক্রয় অফিস মতিঝিল থেকে নগদ অর্থে উক্ত ফ্লাইটের টিকিট ক্রয় করতে পারবেন।

মালয়েশিয়া সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে শুক্রবারের পর বাংলা‌দেশসহ ১৫‌টি দেশ থে‌কে কোনো কর্মীকে দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না। গত জানুয়ারি মালয়েশিয়ার মন্ত্রিপরিষদ এ সিদ্ধান্ত নেয়। একই সাথে বাংলাদেশসহ  ১৫টি দেশের সঙ্গে এ সংক্রান্ত সমঝোতা চুক্তি পুনরায় করার অনুমোদন দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ছাড়াও থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, নেপাল, মিয়ানমার, লাওস, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, তুর্কমেনিস্তান, উজবেকিস্তান, কাজাখস্তান, ভারত ও ইন্দোনেশিয়া থেকে কর্মী যায় মালয়েশিয়ায়।

গত ২৯ মে মালয়েশিয়ায় হাইকমিশনার হাসনা মোহাম্মদ হাসিম সাংবাদিকদের জানান, বিদেশি কর্মীদের প্রবেশের সময়সীমা বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।

এ পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছেন ছুটিতে বাংলাদেশে আসা প্রবাসী কর্মীরা। অন্যদিকে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মালয়েশিয়াগামী ফ্লাইটগুলোর টিকিটের দামও বেড়েছে কয়েকগুণ। লাখ টাকা দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না একটি টিকিট।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে বিমানমন্ত্রী ফারুক খান সাংবাদিকদের বলেন, যারা মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর সাথে জড়িত, তারা ১ মাস আগেই জানত যে ৩১ মে শ্রমিক পাঠানোর শেষ তারিখ। কিন্তু, এটা নিয়ে রিক্রুটিং এজেন্সি বা অন্য সাপ্লাইয়াররা ব্যবস্থা নেয়নি। এখন বিমান প্রতিদিন মালয়েশিয়ায় তিন থেকে ৪টা করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। আর, গতকাল মালয়েশিয়ার কিছু লোক ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ায় এয়ার কম্বোডিয়ার একটা এয়ারক্রাফট দিয়ে একটি চার্টাড ফ্লাইট পরিচালনার পারমিশন চেয়েছে, গতকালকেই আমরা তাদের পারমিশন দিয়ে দিয়েছি। বিমান যদি আরও আগে জানত, তাহলে ব্যবস্থা নিতে পারত। বর্তমানে বিমানের হজ ফ্লাইট চলছে, তবুও আমরা চেষ্টা করেছি সুযোগ দিতে।


আরও খবর



নিবন্ধিত সব সোনার দোকানে ইএফডি যন্ত্র বসাতে চিঠি

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিক্রয়মূল্যের তারতম্য রোধে নিবন্ধিত সব সোনার দোকান বা জুয়েলারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দ্রুত ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) যন্ত্র বসাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে ট্যারিফ কমিশন।

সম্প্রতি আসন্ন নতুন অর্থবছরের বাজেটে শুল্ক সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তাব পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ সম্বলিত এ চিঠি এনবিআরকে দিয়েছে কমিশন। যেখানে বাংলাদেশ জুয়েলারি অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) বিভিন্ন বাজেট প্রস্তাবনাও পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

ইএফডি বিষয়ে কমিশনের পর্যবেক্ষণ হলো, অধিকাংশ জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে ইএফডি না থাকায় বিক্রয়মূল্যে তারতম্য দেখা দিচ্ছে। নিবন্ধনকৃত সব প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত ইএফডি সরবরাহ করা হলে ভ্যাট আদায় বাড়বে।

নিজস্ব প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে স্বর্ণ পরিশোধন শুরুর আগে অপরিশোধিত স্বর্ণে আকরিক ও আমদানি শুল্ক যৌক্তিক করা এবং জুয়েলারি শিল্পে ব্যবহৃত মূলধনী যন্ত্রপাতিতে আমদানি শুল্ক কমানোর সুপারিশ করেছে কমিশন।

এর আগে প্রাক-বাজেট আলোচনায় এনবিআরকে একই প্রস্তাব দেয় বাজুস। তারা জানায়, নিজস্ব প্ল্যান্ট স্থাপন করে সোনা পরিশোধন করা হলে বাংলাদেশ শিল্পায়নের নতুন সেক্টরে প্রবেশ করবে।

বাজেটে বাজুস অপরিশোধিত স্বর্ণ আকরিক কাস্টমস ডিউটি ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ ও আংশিক পরিশোধিত স্বর্ণের কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেয়।


আরও খবর



২০০৯ সালের পর সর্বোচ্চ আসনে এগিয়ে কংগ্রেস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

এবারের লোকসভা নির্বাচনে ভারতীয় কংগ্রেস ১০০টি আসন জিততে চলেছে। ২০০৯ সালের পরে এবারই দলটি এত বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে। তাই বিষয়টিকে কংগ্রেসের উত্থান হিসেবে দাবি করছেন অনেকে।

আবার কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট এগিয়ে রয়েছে ২৩০টি আসনে। জয় নিশ্চিত হয়েছে আরও একটি আসনে। এর মধ্যে কংগ্রেস এগিয়ে ৯৯ আসনে, জয়ী হওয়া আসনটিও তাদের। এছাড়া, সমাজবাদী পার্টি ৩৫, তৃণমূল কংগ্রেস ২৯, ডিএমকে ২২, আম আদমি পার্টি তিনটি আসনে এগিয়ে রয়েছে।

অন্যদিকে, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট এগিয়ে রয়েছে ২৯০টি আসনে। এগুলো মধ্যে মোদীর দল এককভাবে ২৩৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৫২টি ও ২০১৪ সালে মাত্র ৪৪টি আসনে জয়লাভ করেছিল কংগ্রেস উপমহাদেশের প্রাচীন দলটি। অথচ ২০০৯ সালে দলটি ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্সের নেতৃত্বে ২০৬টি আসনে জিতেছিল।

২০১৪ সালে যা ঘটেছিল: ২০১৪ সালে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস নরেন্দ্র মোদীর বিজেপির মুখোমুখি হয়েছিল। ওই নির্বাচনে বিশাল পরাজয়ের মুখে পড়ে দলটি। সেবার তারা ১৬২টি আসন হারায় ও প্রায় ৯ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট হারায়। সেই সময় মোদির হাত ধরে হিন্দুত্ববাদের উত্থান ঘটে।

গুজরাট, রাজস্থান বিহার, ঝাড়খণ্ড ও মধ্যপ্রদেশে ব্যাপক ব্যবধানে জয়লাভ করে বিজেপি। ১০ বছর আগে ওই ভোটে দেশের ৫৪৩টি আসনের মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ৩৩৬টিতে জয় পায়। আর এককভাবে বিজেপি পেয়েছিল ২৮২টি আসন।

এনডিএ জোট উত্তর প্রদেশে ৭৩টি, মহারাষ্ট্রে ৪১টি, বিহারে ৩১টি ও মধ্যপ্রদেশে ২৭টি আসন পায়। তাছাড়া গুজরাটের ২৬টি, রাজস্থানের ২৫টি, দিল্লির সাতটি, হিমাচল প্রদেশের চারটি ও উত্তরাখন্ডের পাঁচটি আসনে জেতে। সেই সঙ্গে ঝাড়খণ্ডের ১৪টির মধ্যে ১২টি, ছত্তিশগড়ের ১১টির মধ্যে ১০টি ও হরিয়ানার ১০টি আসনের মধ্যে সাতটিতে জয় লাভ করেছিল। সেবার কংগ্রেস উত্তর প্রদেশের মাত্র দুটি আসন আমেঠি ও রায়বরেলিতে জিতেছিল।

২০১৯ সালে কংগ্রেসের অবস্থা: ২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজেপি এককভাবে আরও বেশি আসনে জয় পায়। সেবার মোদীর দল এককভাবে ৩০৩টি ও জোটবদ্ধভাবে ৩৫৩টি আসনে জয় লাভ করে। ওই বছর দলটি উত্তর প্রদেশে ৭৪টি, বিহারে ৩৯টি ও মধ্যপ্রদেশে ২৮টি আসন পেয়েছিল। সেই সঙ্গে গুজরাট, রাজস্থান, হরিয়ানা, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ ও দিল্লিতেও জয়লাভ করে। এসব রাজ্য থেকে বিজেপি ৭৭টি আসন পায়। অন্যদিকে, ছত্তিশগড়ের ৯টি ও ঝাড়খণ্ডের ১১টিসহ এই অঞ্চল থেকে ২৩৮টি আসনে জয়লাভ করে বিজেপি।

সেবারের নির্বাচনে কংগ্রেস রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নেয়। রাহুল গান্ধী আমেঠি আসনে বিজেপির স্মৃতি ইরানির কাছে বাজাভাবে পরাজিত হন। ওই পরাজয়ের পরেই কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন রাহুল।


আরও খবর



বাজেট: বরাদ্দ কমল বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের গুরুত্ব বিবেচনায় আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ খাতে মোট ৩০ হাজার ৩১৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে ২৯ হাজার ২৩০ কোটি টাকা এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতে ১ হাজার ৮৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জন্য বরাদ্দ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দ রাখা হয় ৩৪ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা। সে হিসেবে আগামী অর্থবছরে এ খাতে মোট ৪ হাজার ৫০২ কোটি টাকা কম বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। যদিও সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ কমিয়ে ২৮ হাজার ৩১৮ কোটি টাকা করা হয়।

আজ বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এ বাজেট প্রস্তাব পেশ করেন।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এরই মধ্যে শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২০০৯ সালে ছিল মাত্র ৪ হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট, যা বর্তমানে ৩০ হাজার ২৭৭ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াটে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উন্নয়ন ও ব্যবহার বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করতে ১০০ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাব করেন তিনি।

জ্বালানি খাতে অগ্রগতির কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে আমাদের গ্যাসের উৎপাদন ছিল দৈনিক ১ হাজার ৭৪৪ মিলিয়ন ঘনফুট, যা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে প্রায় ২ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে। পাশাপাশি দৈনিক প্রায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট আমদানিকৃত এলএনজি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি হতে জানুয়ারি ২০২৪ সময় পর্যন্ত প্রায় ১৪ মিলিয়ন টন কয়লা উত্তোলন করা হয়েছে। দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে অনশোর এলাকায় তেল/গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের জন্য ৪৮টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সামুদ্রিক খনিজ ও অন্যান্য সম্পদের আহরণ এবং এর সুষ্ঠু ব্যবহারের গুরুত্ব বিবেচনায় সুনীল অর্থনীতি খাতে গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।


আরও খবর



চলচ্চিত্র নির্মাণে ১৪ কোটি টাকা অনুদান দিল সরকার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের জন্য চলচ্চিত্রে সরকারি অনুদান প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়। এবার পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে ২০ জনকে ১৪ কোটি টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে। বুধবার (১২ জুন) ঘোষণা করা হয়েছে অনুদান পাওয়া এ বছর ২০টি সিনেমা ও ৬টি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমার নাম। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে অনুদানপ্রাপ্ত সিনেমার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

২০২৩-২৪ অর্থবছরে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শাখায় দুটি সিনেমা অনুদান পেয়েছে। একটি পাকিস্তানে বন্দিজীবন’। এটি পরিচালনা ও প্রযোজক সাজেদুল ইসলাম। অন্যটি ছোঁয়া’, এর পরিচালক ও প্রযোজক রাকিবুল হাসান। দুটি সিনেমাই ৭৫ লাখ টাকা করে অনুদান পাবে।

শিশুতোষ শাখায়ও একইভাবে দুটি সিনেমা অনুদান পেয়েছে। অদ–ভুত’ নামে সিনেমাটির প্রযোজক রাইদ মোরশেদ। সিনেমাটি পরিচালনা করবেন তাওকীর ইসলাম। প্রযোজক ও পরিচালক হিসেবে চলনবিলের মানিক’ সিনেমার জন্য অনুদান পেয়েছেন নিয়ামুল মুক্তা। দুটি সিনেমাই ৫০ লাখ টাকা করে অনুদান পাবে।

প্রামাণ্যচিত্র শাখায় ৫০ লাখ টাকা করে অনুদান পেয়েছে নো ম্যাডস অব দ্য নর্থ’। এর পরিচালনা ও প্রযোজক হিসেবে রয়েছেন পিপলু আর খান। অন্যটি কালের যাত্রা’। তথ্যচিত্রটির প্রযোজক ও পরিচালক হিসেবে রয়েছেন রাসেল রানা দোজা।

এবার সাধারণ শাখায় অনুদান পেয়েছে ১৪টি সিনেমা। প্রতিটি সিনেমা ৭৫ লাখ টাকা করে অনুদান পাবে। পরিচালনা ও প্রযোজক হিসেবে মিহিন গাথা’ সিনেমার জন্য অনুদান পেয়েছে মির্জা শবনব ফেরদৌসী। ঠিকানা’ সিনেমার জন্য পরিচালনা ও প্রযোজক হিসেবে অনুদান পেয়েছেন জাহাঙ্গীর হোসেন বাবর। অন্যদিকে ফজলে হাসান শিশির সুরাইয়া’ সিনেমার জন্য অনুদান পেয়েছেন। সিনেমাটি পরিচালনা করবেন রবিউল আলম রবি।

‘জয়া’ সিনেমার জন্য পরিচালনা ও প্রযোজক হিসেবে অনুদান পেয়েছেন গোলাম মোস্তফা। লোভ’ সিনেমার প্রযোজক পিংকি আক্তার, সিনেমাটি পরিচালনা করবেন সঞ্জয় সমাদ্দার। এটির প্রযোজক হিসেবে অনুদান পেয়েছেন পিংকি আক্তার। পরিচালনা ও প্রযোজক হিসেবে সখী রঙ্গমালা’ সিনেমার জন্য অনুদান পেয়েছেন এন রাশেদ চৌধুরী।

সাধারণ শাখায় আরও অনুদান পেয়েছে শেলী কাদের প্রযোজিত জাত’। এটি নির্মাণ করবেন নারগিস আক্তার। আরেকটি সিনেমা ময়নার চার’–এর প্রযাজক সুমন পারভেজ, পরিচালক এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, কালবেলা’ নামে নির্মিতব্য আরেকটি সিনেমার প্রযোজক ও পরিচালক ইব্রাহীম খলিল মিশুক (মিশুক মনি)।

এই তালিকায় আরও আছে মনোজ প্রামাণিক প্রযোজিত সেয়ানা’, এটি পরিচালনা করার কথা ইকবাল হাসান খানের। আছে আজিরন’ নামে আরও একটি সিনেমা, এটির প্রযোজক ও পরিচালক গীতালি হাসান। এ ছাড়া আছে পোস্টমর্টেম’। ছবিটির প্রযোজক মো. নিজাম উদ্দিন, পরিচালক, আরিফ সিদ্দিকী, হা ঘরে’ নামে আরেকটি সিনেমাও আছে তালিকায়। ছবিটির প্রযোজক নূর মনির, পরিচালনা করবেন নাসরুল্লাহ মানসুর।সাধারণ শাখায় মনোনীত আরেকটি সিনেমা হলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’। সিনেমাটির প্রযোজক ও পরিচালক দেওয়ান নজরুল।

এ ছাড়া ৬টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রযোজককে অনুদান প্রদানের জন্য সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শাখায় অনুদান পেয়েছে দুটি সিনেমা। এগুলো হলো অপরাজিত ৭১’। এরপর প্রযোজক ও পরিচালক মঈন উদ্দিন পাঠান। আরেকটি সিনেমা হলো জলদাসী’। এটির প্রযোজক ও পরিচালক মো. আবদুল খালেক (খালেক সাদমান)। দুটি সিনেমাই ২০ লাখ টাকা করে অনুদান পাচ্ছে।

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগের শিশুতোষ শাখায় ২০ টাকা অনুদান পাচ্ছে ডালিমকুমার ও তালপুকুরের কিচ্ছা’। এটি প্রযোজক ও পরিচালক সামির আহমেদ।

এ ছাড়া স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগের সাধারণ শাখায় অনুদান পেয়েছে তিনটি সিনেমা। এগুলো হলো জুয়েইরিযাহ মউ–এর মৌতালি পিঠার ঘ্রাণ’, এস এম কামরুল আহসানের ফিনিক্স পাখি’ ও মোহাম্মদ মামুন ছোবহানীর আবু ইব্রাহিমের মৃত্যু’। তিনটি সিনেমাই ২০ লাখ করে টাকা অনুদান পাচ্ছে।


আরও খবর