আজঃ রবিবার ২১ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

খাতনা করার আগে-পরে যেসব বিষয় জানা জরুরি

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান টানা কয়েকদিন বন্ধ থাকলে ছেলে সন্তানদের খাতনা বা মুসলমানি করিয়ে থাকেন অধিকাংশ পরিবারের অভিভাবকরা। আমাদের দেশে গ্রাম অঞ্চলে অনেকেই হাজাম দিয়ে খাতনা করান সন্তানদের। কিন্তু এই আধুনিক সময় অনেকেই সন্তান যেন ব্যথা বা ভয় না পায়, সে জন্য ডাক্তার দিয়েও করিয়ে থাকেন খাতনা।

শহরাঞ্চলের বা শিক্ষিত মানুষরা সাধারণত শিশুর নিরাপত্তার কথা ভেবে চিকিৎসক দিয়ে খাতনা করিয়ে থাকেন। আর এই খাতনা বা সারকামসিশনের আগে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সিলেটের ইবনে সিনা হাসপাতালের কনসালট্যান্ট সার্জন ডা. রেজা আহমদ। সম্প্রতি এ ব্যাপারে দেশের একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। এবার তাহলে এ ব্যাপারে জেনে নেয়া যাক।

খাতনা করানোর কারণ : ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী মুসলিম ছেলে শিশুদের খাতনা করানো হয়। আবার জন্মগতভাবে কিছু কিছু রোগের ক্ষেত্রেও খাতনা করানোর নির্দেশ দেয়া হয়। যেমন লিঙ্গের অগ্রভাগের ছিদ্র ছোট থাকলে, বারবার প্রস্রাবে সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা থেকে। অনেকের চামড়া গ্লান্স লিঙ্গের পেছনে আটকা পড়ে ব্যথা হয়, তাদেরও খাতনা করানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা।

মেডিকেলের ভাষায় এই দুটি অবস্থাকে বলা হয় ফাইমোসিস ও প্যারাফাইমোসিস। এছাড়া কারও কারও জন্য আবার খাতনা করা নিষেধ। অনেকেরই হিমোফিলিয়া নামক রক্তরোগ থাকে, তাদের খাতনা করতে নিষেধ করা হয়। কেননা, এই রোগীর কাটাছেঁড়া করলে রক্তপাত সহজে বন্ধ হতে চায় না। এছাড়া অনেকের প্রস্রাবের নালির ছিদ্র ভিন্ন জায়গায় হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে এ ধরনের রোগীদের নালি ঠিক করার জন্য অস্ত্রোপচারের সময় লিঙ্গের অগ্রভাগের চামড়া পুনরায় নালি তৈরিতে প্রয়োজন হয়। এ জন্য তাদের খাতনা করতে নিষেধ করা হয়।

কোন বয়সে সন্তানের খাতনা করাবেন : বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিন্ন সময় বেছে নেয়া হয় খাতনার জন্য। কোনো কোনো দেশে সন্তান জন্মের পরই খাতনা করানো হয়। আর এ সময় সন্তান ব্যথাবোধ খুব একটা করতে পারেন না। এতে অল্প সময়ের মধ্যে ক্ষত শুকিয়ে যায় শিশুর। তবে সন্তানের খাতনার জন্য ৪ থেকে ১২ বছর বয়স ভালো। এ সময় খাতনা করলে শিশুর খুব বেশি সমস্যা হয় না।

বেশি ছোট শিশুদের খাতনা না করানো ভালো। তারা ভয় পায় ও কান্নাকাটি করে। আবার বয়স বেশি হলে তাদের অস্ত্রোপচার-পরবর্তী ইরেকশনের জন্য রক্তপাত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। আর সন্তানের খাতনার আগে তাকে বাড়ি থেকে সবার সাহস দিতে হবে। কখনোই সন্তানকে না বলে, তার ইচ্ছার বিপরীতে খাতনা করাতে যাবেন না। দেখা যাবে জোর করে খাতনা করাতে গিয়ে সার্জারির সময় সন্তান আঘাত পেতে পারে বা সমস্যা হতে পারে।

এছাড়া আধুনিক এই সময় কিছু ডিভাইস রয়েছে। যা লেজারের মাধ্যমে খাতনার সার্জারি করে থাকে। তবে ডিভাইস দিয়ে খাতনা করানোর আগে জানতে হবে, ব্যবহারকারী চিকিৎসক এ ব্যাপারে কতটা প্রশিক্ষিত। আবার লোকাল অ্যানেসথেসিয়া বা জেনারেল অ্যানেসথেসিয়ার মাধ্যমেও অস্ত্রোপচার করা যেতে পারে। যদি জেনারেল অ্যানেসথেসিয়ার মাধ্যমে অস্ত্রোপচার করা হয় তাহলে সন্তানকে ৬ ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে হবে। কিন্তু দেশে অবেদনবিদ ও এনআইসিইউ সুবিধা নেই বলে অনেক সময় সন্তানের মৃত্যু হয়। এ জন্য সন্তানের খাতনা বা অস্ত্রোপচারের আগে অ্যানেসথেসিয়া কোন ধরবের ব্যবহার করা হবে, এ সম্পর্কে ভালো করে জেনে নেয়া উচিত।

খাতনার পর জটিলতা এড়াতে করণীয় : খাতনার ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারে যে জটিলতা বেশি হয়ে থাকে তা হচ্ছে রক্তপাতজনিত সমস্যা। অনেক সময় দেখা যায় সন্তানকে বাড়ি আনার পর পুনরায় রক্তপাত শুরু হয়। রক্তপাত বেশি হলে কাপড় দিয়ে প্রথমে চেপে ধরে রাখতে হয়। তারপরও যদি রক্তপাত না কমে তাহলে চিকিৎসকের কাছে যান।

সন্তানের খাতনার পর লিঙ্গে কোনো ধরনের ইনফেকশন কিংবা অগ্রভাবে ক্ষত হয় কিনা, সেটি খেয়াল রাখতে হবে। এ জন্য সঠিক ড্রেসিং ও ওষুধ খেতে হবে। এতে ঠিক হয়ে যায়। সন্তানের যদি লোকাল অ্যানেসথেসিয়ার মাধ্যমে অস্ত্রোপচার করা হয়, তাহলে কখনো কখনো লিঙ্গের গোড়া তিন-চারদিন ফোলা থাকার সম্ভাবনা তাকে। এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

এছাড়া খাতনার সপ্তাহখানেক পর (এক সপ্তাহ) ক্ষত জায়গা থেকে সামান্য রক্তমিশ্রিত পানির মতো তরল বের হতে পারে। এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ঠিক হয়ে যায়। সন্তানকে নিয়মিত হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করাতে হবে। এতে ক্ষতস্থান দ্রুত সেরে যায়। খাতনার পর ঢিলে কাপড় বা লুঙ্গি পরান সন্তানকে, এতে ব্যথা কম অনুভব হবে। আর এক সপ্তাহের মধ্যে যদি ক্ষত সেরে যায়, তাহলে আগের মতো স্বাভাবিক পোশাক পরতে পারবে শিশু।


আরও খবর



খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শারীরিকভাবে অসুস্থতার কারণে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। রোববার (৩১ মার্চ) রাত পৌনে ৩টার দিকে তাকে সেখানে নেয়া হয়।

এদিন হঠাৎ স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ায় খালেদা জিয়াকে দেখতে গুলশানের বাসা ফিরোজায় যান চিকিৎসক দল। বাসায় জরুরি কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন চিকিৎসকেরা। পরে মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তাকে হাসপাতালে নেয়া হয় । সেখানে তার আরো কিছু পরীক্ষা করা হবে।

গত বুধবার খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কিছুটা খারাপ হয়। এরপর চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা গুলশানে তার বাসভবনে গিয়ে স্বাস্থ্যের কিছু পরীক্ষা করেন।

গত ১৩ মার্চ এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের কিছু পরীক্ষা করা হয়েছিল। সেসময় একদিন সেখানে ছিলেন তিনি। গত বছরের ৯ আগস্ট তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

তখন সেখানে ৫ মাসের বেশি সময় চিকিৎসা নেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী। পরে গত ১১ জানুয়ারি গুলশানের বাসায় ফেরেন বিএনপির চেয়ারপারসন।


আরও খবর



রাজধানীতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৬

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর মিরপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে এক পরিবারের ছয়জন দগ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার (১২ এপ্রিল) ভোর ৪টার দিকে মিরপুরের ভাসানটেক ১৩ নম্বর কালবার্ট রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

দগ্ধরা হলেন মেহরুন্নেছা (৬৫), সূর্য বানু (৩০), লিজা (১৮), লামিয়া (৭), সুজন (৯) ও মো. লিটন (৫২)। এরমধ্যে মেহরুন্নেসার ৪৭ শতাংশ, সূর্য বানু ৮২ শতাংশ, লামিয়া ৫৫ শতাংশ, মো. লিটন ৬৭ শতাংশ, লিজার ৩০ শতাংশ এবং সুজনের ৪৩ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

জানা গেছে, পরিবার নিয়ে ওই বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকেন ফার্নিচার ব্যবসায়ী লিটন মিয়া। শুক্রবার ভোরে মশার কয়েল জ্বালাতে গেলে ঘরের মধ্যে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণ হয়। এতে নারী-শিশুসহ ওই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ হয়। পরে তাদেরকে দ্রুত উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. তরিকুল ইসলাম জানান, দগ্ধদের জরুরি বিভাগের অবজারভেশনে রাখা হয়েছে। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।


আরও খবর



ঈদে ১৭২ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ঢামেকে ভর্তি ৮২, মৃত্যু ৩

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঈদুল ফিতরের ছুটিতে রাজধানী ও আশেপাশের এলাকায় ১৭২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮২ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজন মারা গেছেন। গত বুধবার (১০ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত রাজধানী ও আশেপাশের এলাকায় এসব মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) রাতে বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া।

তিনি জানান, ঈদের ছুটিতে বন্ধ থাকায় রাস্তাঘাট এমনিতেই ফাঁকা হয়ে যায়। এই সুযোগে মোটরসাইকেল চালকরা বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে এই দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, গতকাল (বুধবার) রাত ১২টা থেকে আজ (বৃহস্পতিবার) রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত দুর্ঘটনায় আহতদের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হলে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এরমধ্যে ৮২ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আরো অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা আমাদের জানিয়েছেন।

এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আমরা ঢাকা মেডিকেলের পক্ষ থেকে প্রতিটি দুর্ঘটনার খবর সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানিয়েছি। তারাই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন। তিনজনের মরদেহ ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে।


আরও খবর



বিএনপির আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি: রিজভী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিএনপির আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, আমাদের আন্দোলনে এখনো আমরা রয়েছি। আমাদের লক্ষ্যে এখনো আমরা পৌঁছাতে পারিনি।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাত থানার কারা-নির্যাতিত নেতাকর্মীদের সম্মানে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে বা আওয়ামী সন্ত্রাসীদের আঘাতে আমাদের ২০ জন নেতাকর্মী মারা গেছেন গত আড়াই মাসে। পঙ্গু হয়েছেন অনেকেই, কারও পা চলে গেছে, কারও হাত চলে গেছে আর কারও পৃথিবীর আলো চলে গেছেদুই চোখ অন্ধ হয়ে গেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ছোড়া গুলিতে আজকে অনেক নেতাকর্মী অন্ধ।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ঈর্ষা থেকে হুমকি দিচ্ছেন উল্লেখ করে বিএনপির এ শীর্ষ নেতা বলেন, ওবায়দুল কাদের এখন বলছেন, এবার আমরা বিএনপিসহ সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রতিরোধ করব। লজ্জা করল না বলতে? পৃথিবী মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকরতম সাম্প্রদায়িক শক্তি এখন পার্শ্ববর্তী দেশে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। সেই সাম্প্রদায়িক শক্তি, যারা ভারতে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে, একমাত্র তারাই আপনাদের সমর্থন জানিয়েছে।

এত বড় সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সখ্যতা মন্তব্য করে রিজভী বলেন, তাদের সঙ্গে আপনাদের বন্ধুত্ব। আপনাদের মন্ত্রী বলেছেন, তাদের সঙ্গে আপনাদের নাকি স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক। আর আপনারা বলেন, সাম্প্রদায়িক শক্তিকে নাকি তাড়াবেন।


আরও খবর



রাজধানীর শিশু হাসপাতালে আগুন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ এপ্রিল ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর শিশু হাসপাতালের কার্ডিওলজি ওয়ার্ডে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বেলা ১টা ৪৭ মিনিটে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস পাঁচটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার লিমা খানম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এখনো আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।

তিনি বলেন, আজ শুক্রবার ১টা ৪৭ মিনিটে শিশু হাসপাতালে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়ে দ্রুত প্রথমে দুই ইউনিট ও পরে আরও তিন ইউনিট হাসপাতালে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করছে। এখন পর্যন্ত পাঁচটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।


আরও খবর