আজঃ রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

খালেদার অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি না করার অনুরোধ ড. হাছানের

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বেগম জিয়ার বিষয়ে বিএনপির ভূমিকাই রহস্যজনক। আর সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত স্পষ্ট। বাংলাদেশে যাতে বেগম জিয়া সর্বোচ্চ চিকিৎসা পান সেটা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে অসুস্থ রাজনীতি না করতে বিএনপিকে অনুরোধ জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সভাকক্ষ চট্টগ্রাম জার্নালিস্ট ফোরামের নবনির্বাচিত পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, বেগম জিয়াকে অসুস্থ রেখে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায় বিএনপি। এতে করে বেগম জিয়াকে অসম্মান জানানো হচ্ছে। খালেদা জিয়ার জীবন সংকটাপন্ন এটি কে বলেছেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, রিজভীসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। কোনো ডাক্তার এখনও বলেনি বেগম খালেদা জিয়ার জীবন সংকটাপন্ন। এখন বিএনপির নেতারা চিকিৎসক হয়ে গেছেন। এখন বিএনপি নেতাদের প্রেসক্রিপশনে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে কি না সেটাও ভেবে দেখার বিষয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতেও আমরা দেখেছি, বেগম জিয়া যখন অসুস্থ হয়েছেন তখন তারা দাবি তুলেছে বেগম জিয়াকে বিদেশ পাঠাতে হবে। হাঁটু ও গাঁয়ের তাপমাত্রা বেড়ে গেলেও তাকে বিদেশ পাঠাতে হবে। কিছু হলেই বিদেশ পাঠাতে হবে এই জিকির তোলার কারণ কি? কারণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা বেগম জিয়াকে বিদেশে পাঠিয়ে দিতে চান। তারা বিশেষত বেগম জিয়াকে পাঠাতে চান লন্ডনে যেখানে তারেক জিয়া আছে।

তিনি বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হয়েও বেগম জিয়া যাতে সেখান থেকে আবার রাজনীতি করতে পারেন। তারেক রহমানও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হয়ে সেখান থেকে রাজনীতি করছেন। বেগম জিয়াকে পাঠিয়ে দিয়ে তারা সেই কাজটি করতে চান। আসলে বেগম জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর দাবি, তার স্বাস্থ্যগত কারণে নয়, রাজনৈতিক কারণে এ দাবি উত্থাপন হচ্ছে। ডাক্তাররা এই দাবি করছে না, এ দাবি করছেন বিএনপি নেতারা। তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এ দাবি করছে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বেগম জিয়ার যাতে সঠিক চিকিৎসা হয় সেজন্য সরকার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা করে দিতে বদ্ধপরিকর। দেশের অভ্যন্তরে যেকোনো ব্যবস্থা নিতে চায় সরকার। দেশের অনেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আছে, তারা কি বলেছেন? তারা কি সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন? দেশের সর্বোচ্চ চিকিৎসক দিয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে বেগম জিয়ার আসলে কি হয়েছে সেটা পরীক্ষা করার কথা সেটা তো তারা বলছেন না। তারা বলছেন, বিদেশ পাঠিয়ে দিতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপি শুধু নানা কথাবার্তা বলছেন, সভা-সেমিনার করছেন। আর এই সভা-সেমিনার করার একটি প্রতিযোগিতাও দেখা দিয়েছে তাদের মধ্যে। কারণ তাদের আবার পদ রক্ষা করতে হয়। দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হয় বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের। সেজন্য তারা আবার অনশনও করছেন। এটি হচ্ছে বাস্তবতা। আমি বিএনপিকে অনুরোধ জানাবো, বেগম জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে অসুস্থ রাজনীতি না করার জন্য। বেগম জিয়াকে অসুস্থ রেখে তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়। এতে করে বেগম জিয়াকে অসম্মান জানানো হচ্ছে।

বেগম জিয়ার বিদেশ যাওয়া নিয়ে সরকার রহস্যজনক আচরণ করছে- বিএনপির এমন মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বেগম জিয়ার বিষয়ে বিএনপির ভূমিকাই রহস্যজনক। আর সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত স্পষ্ট। বাংলাদেশে যাতে বেগম জিয়া সর্বোচ্চ চিকিৎসা পান সেটা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। দেশের সব বড় বড় চিকিৎসকদের নিয়ে বেগম জিয়ার চিকিৎসা করাতে চাইলে সেটাও করতে চায় সরকার। কিন্তু বেগম জিয়া অসুস্থ হলে বিদেশ নিতে চায় এটিই আসলে রহস্যজনক।

দিন দিন হাতির মৃত্যু বেড়ে যাচ্ছে এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আসলে দিন দিন যেভাবে হাতির মৃত্যু বেড়ে যাচ্ছে গত কয়েক বছরে ১৩৭টি হাতির মৃত্যু হয়েছে। এটি সত্যিই উদ্বেগজনক। এর অনেকগুলো কারণ আছে। যেমন- নানা কারণে বনভূমি কমে গেছে, হাতির আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জন্য হাতির আবাসস্থল ধ্বংস হয়েছে। আবাসস্থলগুলোতে মানুষ বসবাস করছে, চাষাবাদ করছে। হাতি যাতে আসতে না পারে সেজন্য ফাঁদ পাতা হচ্ছে। এগুলো সত্যিই উদ্বেগজনক। এক্ষেত্রে খুব দ্রুত আমাদের ব্যবস্থা নিতে হবে। সবাইকে বিনীত অনুরোধ জানাবো পৃথিবী শুধু মানুষের জন্য নয়, মহান স্রষ্টার সব সৃষ্টির বিষয়টি আমাদের মাথায় রাখতে হবে।


আরও খবর



রাজধানীর গুলশানে স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ নভেম্বর ২০২১ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর গুলশানে সানা রেজওয়ান (১৪) নামের এক স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার ভোরে গুলশান-২-এর ৪১ নম্বর রোডের একটি বাড়ির সামনে থেকে সানার লাশ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের বরাত দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির বাচ্চু মিয়া বলেন, মা-বাবার সঙ্গে অভিমান করে রাত আড়াইটার দিকে ১০ তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছে সানা। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।’ বাচ্চু মিয়া আরও বলেন, তবে সত্যিই সে আত্মহত্যা করেছে, না-কি অন্য কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, সেটি তদন্ত করা হচ্ছে।

জানা গেছে, ১২ তলা বাড়ির দশম তলায় মা-বাবার সঙ্গে থাকত সানা। তার বাবা একজন পোশাক ব্যবসায়ী। উত্তরার সানবিমস স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত সানা।

এ বিষয়ে গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শিল্পী আক্তার বলেন, সানা আত্মহত্যা করেছে বলে পরিবার জানিয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



সেন্টমার্টিনে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১ | ১৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আজ যেসব জাহাজ সেন্টমার্টিন গেছে, সেগুলো ফিরে আসছে। মূলত রোববার (৫ ডিসেম্বর) থেকে আর কোনো জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে না। সেটা টেকনাফ বা কক্সবাজার যেখান থেকেই হোক

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে কক্সবাজারে। জেলার সর্বত্র আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। উত্তাল রয়েছে সমুদ্র।

সমুদ্রবন্দরগুলোকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া বিভাগ। তাই দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন। রোববার সকাল থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আজ যেসব জাহাজ সেন্টমার্টিন গেছে, সেগুলো ফিরে আসছে। মূলত রোববার (৫ ডিসেম্বর) থেকে আর কোনো জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে না। সেটা টেকনাফ বা কক্সবাজার যেখান থেকেই হোক। আবাহাওয়া পরিস্থিতি যতদিন ভালো হচ্ছে না ততদিন এ নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর উত্তাল রয়েছে। সমুদ্রবন্দরগুলোকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: সেন্টমার্টিন

আরও খবর



পৌর মেয়র আব্বাসকে আ.লীগ থেকে বহিষ্কার

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৭৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নির্মাণ নিয়ে কটূক্তি ও বিতর্কিত বক্তব্য দেয়ায় কাটাখালি পৌরসভার মেয়র এবং পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আব্বাস আলীকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের জরুরি বৈঠকে আব্বাসকে পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়কের পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাজদার রহমান সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন আলীর সভাপতিত্বে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আব্বাস আলীকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। একইসঙ্গে কেন দলীয় সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে এ নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব পাওয়ার পর আব্বাসের ব্যাপারে শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের জন্য জেলা কমিটিতে সুপারিশ পাঠানো হবে।

প্রসঙ্গত, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নির্মাণকে কেন্দ্র করে কটূক্তি এবং সেটি নির্মাণে প্রতিহতের ঘোষণা দিয়ে বক্তব্য দেন নৌকা প্রতীকে দুই বারের নির্বাচিত মেয়র আব্বাস আলী। এরপর তার ফাঁস হওয়া অডিও ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সোমবার রাত থেকে অডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ইসলামের দৃষ্টিতে পাপ সে জন্য রাজশাহী সিটি গেটে বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যাল না বসানোর নির্দেশ দেন এই মেয়র; যা জীবন দিয়ে হলেও প্রতিহত করার ঘোষণাও দেন তিনি। তার এমন বক্তব্যে রাজশাহীজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। যদিও পুরো ঘটনাটি অস্বীকার করেছেন মেয়র আব্বাস।

তবে এ ঘটনায় মেয়র আব্বাসের বিরুদ্ধে রাজশাহী মহানগরীর পৃথক তিন থানায় তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে দল থেকে বহিষ্কার এবং মেয়র পদ থেকে অপসারণের দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।


আরও খবর



‘অতীত ভুলে’ তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে চায় আরব আমিরাত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ শেখ মুহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান (এমবিজেড) বর্তমানে তুরস্ক সফর করছেন। তার এ সফরে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্ক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মেরামত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে আলোচনা করবে বলে জানা গেছে। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ এ তথ্য জানায়। খবরে বলা হয়, তাকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান।

২০১২ সালের পর থেকে এই প্রথম সরকারি সফরে তুরস্ক এলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ। যাকে আমিরাতের ডি ফ্যাক্টো নেতা ও দেশটির পররাষ্ট্র নীতির নির্ধারক মনে করা হয়।

আঞ্চলিক পর্যায়ে দেশ দুটি নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের সংঘাতে বিভিন্ন গোষ্ঠীকে সমর্থন দিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনার পর এটিই প্রথম আমিরাতের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কোনো কর্মকর্তার আঙ্কারা সফর।

এর আগে যুবরাজের ভাই, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা তাহনুন বিন জায়েদ আল নাহিয়ান আগস্টে তুরস্কে সফর করেন। সেটি ছিল সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে প্রথম কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করবেন। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিও তাদের আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।

তুরস্কের কর্মকর্তারা এমবিজেডের সফরকে নতুন যুগের শুরু হিসেবে অভিহিত করেছেন। লিবিয়ায় আঙ্কারার স্বার্থ ক্ষুণ্ন করা এবং ২০১৬ সালে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে অর্থায়নের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতকে দায়ী করে তুরস্ক। এর পর থেকে দুই দেশের সম্পর্কে চিড় ধরে। এ ছাড়া সিরিয়া ও কাতার নিয়ে দেশ দুটির মধ্যে মতপার্থক্য বিদ্যমান।

সম্প্রতি তুরস্কের প্রতিরক্ষা খাত যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তা নজর কেড়েছে আমিরাতের। বিশেষ করে দেশীয় প্রযুক্তিতে তুরস্ক ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যুদ্ধাজাহাজ ও মনুষ্যবিহীন সামরিক যান তৈরি করেছে। দেশটির তৈরি করা বিভিন্ন অস্ত্র ইতোমধ্যে সাফল্য দেখিয়েছে। এসব কারণে আরব আমিরাত চাইছে তুরস্কের সঙ্গে দূরত্ব কমিয়ে আনতে। এমন পরিস্থিতিতে এমবিজেডের এ সফরকে ঘিরে আবারও সম্পর্কোন্নয়নের স্বপ্ন দেখছে আঙ্কারা ও আবুধাবি।


আরও খবর
করোনায় আরও ৭ হাজারের বেশি মৃত্যু

শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১




সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৮৩ বার পেছালো

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ায় তারিখ এ পর্যন্ত ৮৩ বার পেছালো। পরবর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৬ ডিসেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালত নতুন তারিখ ধার্য করেন।

আলোচিত এ হত্যা মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আটজন। অন্য আসামিরা হলেনবাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজেদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।



আরও খবর