আজঃ মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২
শিরোনাম

কবে থেকে বন্ধ হচ্ছে ইন্টারনেট এক্সপ্লোর

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | ৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দীর্ঘ ২৭ বছর পর বন্ধ হচ্ছে মাইক্রোসফ্টের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার। ২০০৩ সালে বিশ্বব্যাপী প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করতে শুরু করেন। মাইক্রোসফ্টের প্রতিদ্বন্দ্বী সংস্থাগুলি অন্যান্য ব্রাউজার তৈরি করায় ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার-এর জনপ্রিয়তা কমতে শুরু করে।

২০২১ সালের অগাস্ট থেকেই মাইক্রোসফট ৩৬৫ থেকে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা চলছিল। অবশেষে মাইক্রোসফ্ট সংস্থা ঘোষণা করল আগামী ১৫ জুন থেকে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার পুরোপুরি বন্ধ হতে চলেছে। ২০০৩ সাল নাগাদ এই ব্রাউজারটি জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও এর পথচলা শুরু হয়েছে ১৯৯৫ সাল থেকে। উইন্ডোজ ৯৫ অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে বাড়তি সুবিধা হিসাবে বাজারে আনা হয়েছিল এই ওয়েব ব্রাউজারটি।

২০১৬ সাল থেকেই এই ব্রাউজার বন্ধ করার পরিকল্পনা শুরু করে মাইক্রোসফ্ট সংস্থা। সেই সময়ে এর পরিবর্তে বাজারে আসে এর নতুন ব্রাউজার এজ। তখন থেকেই ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার বন্ধ করে দিয়ে নতুন ব্রাউজারটির উপর বাড়তি মনোযোগ দিতে শুরু করেছিল আমেরিকার এই সংস্থাটি।

 


আরও খবর



মহাসড়কে মোটরসাইকেল নিষিদ্ধের সুপারিশ : বিআরটিএ

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ জুন ২০22 | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতীয় মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করেছে সড়ক পরিবহণ (বিআরটিএ)। রোববার রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএ সদর কার্যালয়ে এক কর্মশালায় এ সুপারিশ করা হয়েছে। তবে যেসব জাতীয় মহাসড়কের পাশে সার্ভিস রোড রয়েছে, সেসব মহাসড়কের সার্ভিস রোডে মোটরসাইকেল চলতে দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে সংস্থাটি।

এর আগের তিনবারের তুলনায় গত ঈদুল ফিতরের সময় সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বেশি হওয়ার জন্য মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচল বৃদ্ধিকে দায়ী করা হয় কর্মশালায়। এ দাবিতে বিআরটিএ তথ্য দেয়, ২০২১ সালের ঈদুল ফিতরে ৫৬ সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৮ জনের মৃত্যু হয়। প্রতিদিন গড়ে ৭ জন নিহত হয়েছে। গত ঈদের আট দিনে ১০৬ দুর্ঘটনায় ১০৬ জনের প্রাণ গেছে। গড়ে প্রতিদিন ১৩ জন নিহত হয়েছেন।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, গত ঈদযাত্রা তুলনামূলক নির্বিঘ্ন ছিল। যানজটের ভোগান্তি ছিল না। কিন্তু দুর্ঘটনা বেড়েছে। বেশিরভাগ দুর্ঘটনার কারণ মোটরসাইকেল। সাধারণ সময়েও মোটরসাইকেলে দুর্ঘটনা বেশি ঘটছে।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন সড়ক পরিবহণ সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নুরী। অংশ নেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার, বিআরটিসির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) প্রধান প্রকৌশলী একেএম মনির হোসেন পাঠানসহ সরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা।

নিউজ ট্যাগ: বিআরটিএ

আরও খবর



করোনায় পরবর্তী বিলম্ব ফি হ্রাস করলো জবি

প্রকাশিত:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | ৩০৫জন দেখেছেন

Image

জবি প্রতিনিধি:

করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফি সংক্রান্ত বিলম্বজনিত জরিমানা তিনশত টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যাদের জন্য বিলম্ব ফি প্রযোজ্য শুধু তারাই এই সুবিধা পাবে। ভর্তি ও পরীক্ষার ফি যথাসময়ে না দেয়া শিক্ষার্থীদের তিনশত টাকা জরিমানা দিতে হবে।

শনিবার (১১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বিষয়টি জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে একটি বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

রেজিস্ট্রার জানান, করোনা পরিস্থিতির কারণে যাদের জন্য জরিমানা প্রযোজ্য তাদের মানবিক দিক বিবেচনায় ৩০ জুন পর্যন্ত শুধুমাত্র তিনশত টাকা জরিমানা প্রদানপূর্বক স্নাতক (সম্মান) এবং স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ভর্তি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবে।

ওহিদুজ্জামান আরও জানান, পহেলা জুলাই হতে পূর্বের ন্যায় যথারীতি বিলম্ব ফি'র নিয়ম বলবৎ থাকবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হয়েছে।

নির্ধারিত সময় পরবর্তী প্রথম মাসে বিলম্ব ফি বাবদ ৩০০ টাকা করে নেয়া হয়। পরবর্তী মাসগুলোতে ১০০০ টাকা হারে বিলম্ব ফি যোগ হতে থাকে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন সঠিক সময়ে ফি পরিশোধ করে এজন্যই এই জরিমানা ফি। শিক্ষার্থীদের মোবাইলের খরচ মাসে অনেক টাকা আসে। আর সেমিষ্টার ফি অল্প টাকা সঠিক সময়ে দিলেই হয়।

এর আগে করোনা পরবর্তী সময়ে অসহনীয় বিলম্ব ফি দিতে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সেমিষ্টার ফি দিতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থীর বিলম্ব ফি দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ গুণতে হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের অসচ্ছল শিক্ষার্থীরা রেজিষ্ট্রারের নিকট জরিমানা মওকুফের আবেদন করলে সেটি নাকচ করে দেন এবং উপাচার্য বরাবর আবেদন করার পরামর্শ দেন। শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নূন্যতম একটি ফি নির্ধারণ করে দেন।


আরও খবর



সেন্টমার্টিনে পর্যটক সীমিত করার সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী: টোয়াব

প্রকাশিত:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সেন্টমার্টিনে পর্যটক প্রবেশ সীমিত করা কোনো প্রতিকার নয়, বরং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিংয়ের মাধ্যমে এই দ্বীপকে আরও পর্যটকবান্ধব করে দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন করা সম্ভব বলে মনে করে ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)। সেন্টমার্টিনে পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের মাধ্যমে দ্বীপের স্থানীয় অধিবাসীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব বলেও উল্লেখ করেছেন টোয়াব নেতৃবৃন্দ।

এক সংবাদ সম্মেলনে টোয়াব জানায়, দেশী-বিদেশী পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই স্থানে যাতায়াত সীমিত করণের উদ্যোগটি করোনা মহামারির পর আরেক বড় বিপর্যয় ও আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত। তাই সেন্টমার্টিন তথা দেশের ট্যুরিজমকে বাঁচাতে  এমন সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জোর দাবি জানিয়েছে ট্যুর অপারেটরদের শীর্ষস্থানীয় সংগঠনের নেতারা। শনিবার (১১ জুন) সকালে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে পর্যটন বাঁচান, সেন্ট মার্টিন বাঁচান’  শিরোনামে সংবাদ সম্মেলন করে টোয়াব।

এসময় টোয়াব নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশে সমুদ্র ভ্রমণের সুযোগ সংকুচিত হলে পর্যটকরা বিদেশ মুখী হবে এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে চলে যাবে। তাই এমন সিদ্ধান্ত চরম আত্মঘাতি বলে মন্তব্য করেন টোয়াব নেতৃবৃন্দ। পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের স্বার্থে সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ সীমিত না করে বরং সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা ও নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে জীব-বৈচিত্র ও প্রাকৃতিক পরিবেশ অক্ষুন্ন রেখে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের ভ্রমণ নিশ্চিতেরও জোর দাবি জানান টোয়াব নেতারা। সেন্ট-মার্টিন দ্বীপটিতে অতিরিক্ত পর্যটক গমণ পরিবেশের জন্য হুমকি বিবেচনা করে সেখানে পর্যটন সীমিত করণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। এতে সেন্টমার্টিনকে ঘিরে ট্যুর সংশ্লিষ্টদের মধ্যে একধরনের আতংক বিরাজ করছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টোয়াবের সদ্য বিদায়ী সভাপতি ও বাংলাদেশে ট্যুরিজম বোর্ডের গভর্নিং বডির সদস্য মোঃ রাফেউজ্জামান। হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশন অব সেন্টমার্টিন্স (হোস্ট) এর সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর পাটোয়ারী, সী ক্রুজ অপারেটর ওনার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (স্কোয়াব) সভাপতি তোফায়েল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর, টোয়াবের সহসভাপতি মোঃ সাহেদ উল্লাহ্, টোয়াবের পরিচালক, টোয়াবের সদস্য, ট্যুরিজম স্টেকহোল্ডারসহ অন্যান্য অতিথিরা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টোয়াবের সভাপতি শিবলুল আজম কোরেশী।

এতে বলা হয়, সেন্টমার্টিনের জীববৈচিত্র তথা পরিবেশ রক্ষায় পর্যটক সীমিত করণই একমাত্র সমাধান নয়। অনেক বিজ্ঞানসম্মত উপায়ও আছে, যার মাধ্যমে সেন্টমার্টিনের জীব বৈচিত্র তথা ঐতিহ্য রক্ষা করা সম্ভব। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে; মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন সেন্টমার্টিনের অসহায় মানুষগুলো এবং পর্যটন সংশ্লিষ্ট তরুণ উদ্যোক্তাদের উপার্জনের এই মাধ্যমকে সীমিত করণের উদ্যোগের ফলে যে মানাবিক বিপর্যয় নেমে আসবে সেটাই বরং পরিবেশের জন্য চরম হুমকি।


আরও খবর



২৮ জুন থেকে ১৯ দিন প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ জুন ২০২২ | ২৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গ্রীষ্মকালীন, ঈদুল আজহা ও আষাঢ়ি পূর্ণিমা উপলক্ষে ২৮ জুন থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত মোট ১৯ দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে সরাসরি পাঠদান বন্ধ থাকবে।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০২২ খ্রিস্টাব্দের ছুটি তালিকায় গ্রীষ্মকালীন ছুটি ১৬-২৩ মে নির্ধারিত ছিল। শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ছুটি প্রদানের সুবিধার্থে পূর্বে নির্ধারিত গ্রীষ্মকালীন ছুটি ১৬-২৩ মে'র পরিবর্তে ২৮ জুন থেকে ৫ জুলাই সমন্বয়পূর্বক নির্ধারণ করা হলো।

আগামী ২৮ জুন থেকে ৫ জুলাই গ্রীষ্মকালীন ছুটি ও ৬ থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত ঈদুল আযহা এবং আষাঢ়ী পূর্ণিমা উপলক্ষে বিদ্যালয়ে সরাসরি পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।


আরও খবর



তিন বিশ্বরেকর্ড করল পদ্মা সেতু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ জুন 2০২2 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০২ জুন 2০২2 | ৬১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পদ্মা সেতু দেশের দীর্ঘতম সেতু। পানিপ্রবাহের দিক থেকে অ্যামাজনের পর পদ্মা নদীই বিশ্বে বৃহত্তম। প্রমত্তা পদ্মায় সেতু তৈরিতে তিন-তিনটি বিশ্বরেকর্ড হয়েছে। কারিগরি ও প্রাকৃতিক বাধা জয় করে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মা সেতু শুধু বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতার প্রতীক নয়, সেতুটি অভূতপূর্ব।

পদ্মা সেতুতে পিলারের (খুঁটি) সংখ্যা ৪২। দুটি পিলার নদীর দুই তীরে। বাকি ৪০টি নদীর পানিতে। পিলার নির্মাণে ৯৮ থেকে ১২২ মিটার গভীর পাইলিং করা হয়েছে, যা বিশ্বরেকর্ড। কোনো সেতু নির্মাণে এত গভীর পাইলিং করতে হয়নি। পদ্মা সেতুর পাইলগুলো তিন মিটার ব্যাসার্ধের। অন্য কোনো সেতুর পাইলের ব্যাসার্ধও এত নয়। পদ্মা সেতুর প্রতিটি পাইল ৫০ মিলিমিটার পুরু স্টিলের পাইপে মোড়া। হাইড্রোলিক হ্যামারের মাধ্যমে পিটিয়ে পাইল পাইপগুলো নদীতে পোঁতা হয়েছে। বিশ্বে কোনো সেতু নির্মাণে এত গভীরে স্টিল পাইপ পুঁততে হয়নি।

সেতুর দুই তীরে পিলারে পাইলের সংখ্যা ১২টি করে। নদীতে ৪০টি পিলার নির্মাণে প্রতিটিতে ছয়টি করে পাইল করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ১০০ মিটার গভীরেও পাথরের স্তর না পাওয়ায় ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ২৬, ২৭, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২ ও ৩৫ নম্বর পিলারে একটি করে বাড়তি পাইল করতে হয়েছে। ফলে পদ্মা সেতুর জন্য সব মিলিয়ে ২৮০টি পাইল করতে হয়েছে।

পদ্মা সেতু আরেক বিশ্বরেকর্ড গড়েছে বিয়ারিংয়ের ক্ষমতায়। পিলার ও সেতুর নিচের অংশের (লোয়ার ডেক) পাটাতনের মাঝে রয়েছে ১০ হাজার টনের 'ফ্রিকশন পেন্ডুলাম বিয়ারিং'। এত শক্তিশালী বিয়ারিং পৃথিবীর আর কোনো সেতুতে নেই। বিয়ারিংয়ের সক্ষমতার কারণে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পেও টিকে থাকবে পদ্মা সেতু।

পদ্মা সেতু নির্মাণে নদীর দুই তীরে ১৪ কিলোমিটার তীর বাঁধানো হয়েছে। প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে নদীশাসনে। এত বেশি ব্যয় আর কোনো সেতু তৈরির নদীশাসনে করতে হয়নি। নদীশাসনে ১ কোটি ৩৩ লাখ কংক্রিট ব্লক ব্যবহার করা হয়েছে। সাড়ে চার কোটি জিও ব্যাগভর্তি বালু ফেলা হয়েছে।

আগামী ২৫ জুন বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতুতে যান চলাচলের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে ২৪ বছর আগে ১৯৯৮ সালে সেতুর পরিকল্পনা করে প্রাক-সমীক্ষা করা হয়। দুই যুগে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে স্বপ্নের পদ্মা সেতু এখন বাস্তব।

নিউজ ট্যাগ: পদ্মা সেতু

আরও খবর