আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

কাপ্তাই হ্রদে সব ধরনের নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৫ আগস্ট ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি

Image

রাঙামাটিতে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে কাপ্তাই হ্রদে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। শনিবার (৫ আগস্ট) থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকবে।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের এক জরুরি সতর্কীরণ বিজ্ঞপ্তিতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান এ নির্দেশনা দেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জরুরি সরকারি কাজে নিয়োজিত নৌযানগুলো নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুমে (মোবাইল নম্বর ০১৮২০৩০৮৮৬৯, টেলিফোন নম্বর ০২৩৩৩৩৭১৬২৩) যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হলো।

এদিকে ভারি বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কা থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সতর্কতা ও নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে জেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিস থেকে মাইকিং করা হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: রাঙামাটি

আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রাজাপুরে নির্মাণের ৮ মাসেও সেতুর নেই সংযোগ সড়ক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মো. নাঈম, রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি

Image

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সদরের (পুরাতন বাজার) তরকারি বাজার সংলগ্ন খালের উপর ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি সেতু নির্মাণের কাজ সমাপ্ত হয় প্রায় ৮ মাস আগে। কিন্তু শেষ হলেও এই সেতুটি কোন উপকারে আসছেনা সাধারণ জনগণের।

সেতুর উভয় পাশের সংযোগ সড়ক (অ্যাপ্রচ সড়ক) নির্মাণ না করায় বাজারের ব্যবসায়ী, ক্রেতাসহ প্রতিদিন হাজারো মানুষকে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ফলে সেতু নির্মাণের পরও যাতায়াতে দুর্ভোগ কাটেনি এলাকাবাসীর।

সেতু নির্মাণ হওয়ায় তাদের আশা ছিল জনভোগান্তি দূর হবে বরং এখন উল্টো তাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। সিঁড়ি বেয়ে সেতুতে উঠতে গিয়ে কোমলমতি শিশুরা প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। বয়স্ক মানুষ কারো সাহায্য ছাড়া সেতুতে উঠতে পারচ্ছে না। আবার কারো সাহায্য নিয়ে পার হতে খুব কষ্ট হয়। সেতুর দুই পাড়েই রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন অফিস।

বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও পথচারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পৌনে দুই কোটি টাকায় সেতু নির্মাণ করা হলেও এর সুফল পাচ্ছে না এলাকাবাসী। ফলে কাঁচাবাজারে মালামাল নিয়ে অনেক দূরের পথ ঘুরে কষ্ট করে আসতে হচ্ছে। ফলে সময় ও অর্থ দুটোই অপচয় হচ্ছে। খালটির উভয় পাশে রয়েছে পিচঢালা পাকা রাস্তা কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় ক্রেতারা বাজার করে রিকশা বা ভ্যানে চড়ে বাড়ি যেতে পারছেন না। চলাচলের যোগ্য পুরাতন সেতু ভেঙে ওই সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। সেতুটি নির্মাণের শুরু থেকে প্রায় দুই বছর ধরে এ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে এলাকাবাসী।

স্থানীয় ভুক্তভোগী শিক্ষক ছগির মৃধা বলেন, সেতুটির দক্ষিণ পাড়ে কাঁচাবাজারসহ উভয় পাড়ে স্থায়ী মার্কেট থাকায় এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ সেতুটি পারাপার হচ্ছেন। কিন্তু সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দেয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান।

বাজারে আসা উপজেলা সদরের বাসিন্দা মনোয়ারা বেগম বলেন, সেতু নির্মাণের দুই বছর পার হলেও এখনো তৈরি হয়নি সেতুর দুপাশে চলাচলের রাস্তা। এতে সেতুর সুবিধা পাচ্ছেন না দুইপারের কয়েক হাজার মানুষ।

ভ্যান চালক জমিরউদ্দীন বলেন, এ রাস্তা দিয়ে কোনো যানবাহন চলাচল করে না। মানুষের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আনা-নেওয়া করতে খুবই কষ্ট হয়। এত টাকার সেতু এখন অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

এ বিষয়ে সেতুটির ঠিকাদার (ঝালকাঠি জেলা যুবলীগ আহবায়ক) জিএস জাকির বলেন, সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলীর ডিজাইনের প্রয়োজন রয়েছে। ডিজাইন পেলেই সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দেয়া হবে।

এ বিষয়ে রাজাপুর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী অভিজিৎ মজুমদার বলেন, সেতুটির সংযোগ সড়ক শীঘ্রই নির্মাণ করে দেয়া হবে।

নিউজ ট্যাগ: ঝালকাঠি

আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




শিক্ষার্থীদের সতর্ক করে যে নির্দেশনা দিলো ঢাকা সিটি কলেজ

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর ধানমন্ডির ঢাকা সিটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সতর্ক করে জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে কলেজ প্রশাসন। এতে প্রতিবেশী কোনো কলেজের শিক্ষার্থীর সঙ্গে মারামারি বা ঝামেলায় না জড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সতর্ক করা হয়েছে ফেসবুকে বুলিংয়ের বিষয়েও।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে আটটার দিকে এমন নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়।

কলেজটির অধ্যক্ষ অধ্যাপক বেদার উদ্দিন আহমেদের বরাতে ওই জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, মাত্র ১ মাস পরেই (মার্চ মাসে) তাদের ২য় সেমিস্টার ফাইনাল (টেস্ট) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই পরীক্ষায় সব বিষয়ে উত্তীর্ণ না হলে ফরম ফিলাপের সুযোগ থাকবে না। তাই এখন ক্লাস এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি ছাড়া অন্য কোনো দিকে মনোযোগ না দেওয়ার জন্য বলা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, সিটি কলেজ শিক্ষার্থীরা যেন প্রতিবেশী কোনো কলেজের শিক্ষার্থীর সঙ্গে মারামারি বা ঝামেলায় না জড়ায়। এমনকি কোনোরূপ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ (সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে) উসকানিও না দেয়। কেউ যদি এই নির্দেশ অমান্য করে ঝামেলায় জড়ায় তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে সিটি কলেজ শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শন করার কথা উল্লেখ করে আরো বলা হয়েছে, ঢাকা সিটি কলেজের কষ্টার্জিত সুনাম ও ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রাখার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদেরকে ধৈর্য ধারণ ও সংযম প্রদর্শন করতে হবে। উদ্ভূত পরিস্থিতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন যথাযথভাবে অবগত আছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকা কলেজ এবং ঢাকা সিটি কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর জেরে আজও রোববার (২৮ জানুয়ারি) সংঘর্ষের শঙ্কা বিবেচনায় পুরো এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে আমরা অ্যালার্ট রয়েছি। যেকোনো ধরনের সংঘর্ষ কিংবা এ জাতীয় পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কেউ যেন কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে সেজন্য পুলিশ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বলেও জানান তিনি।

নিউজ ট্যাগ: সিটি কলেজ

আরও খবর



চিৎকার করে ওঠায় গৃহবধূর চোখে-মুখে আঠা লাগায় চোর: পুলিশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

চুরি করতে দেখে চিৎকার করে ওঠায় খুলনার পাইকগাছার গৃহবধূকে (৪৫) নির্যাতন এবং চোখে ও মুখে আঠা লাগিয়ে দিয়েছিল চোর ইমামুল ওরফে এনামুল। গ্রেপ্তারের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এনামুল এই তথ্য জানিয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে খুলনা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুশান্ত সরকার। তিনি দাবি করেন, ইমামুল সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সদস্য ও গৃহবধূকে নির্যাতনের ঘটনার মূল হোতা।

গত সোমবার খুলনার পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলি গ্রাম থেকে চোখ-মুখে আঠা লাগানো এবং অচেতন অবস্থায় এক গৃহবধুকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা। ঘরের মালামাল লুট ও ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে চিকিৎসকদের জানিয়েছিলেন ওই নারীর স্বামী। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ওই গৃহবধূর স্বামী বাদি হয়ে পাইকগাছা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি, সবাই অজ্ঞাত আসামি।

এ মামলায় পুলিশ এ পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা হলেন- ইমামুল জোয়াদ্দার ওরফে এনামুল, আবদুস সামাদ, সুমন হালদার ও রাশিদা বেগম।

পুলিশের দাবি, এনামুল ধর্ষণ ও লুটের সঙ্গে জড়িত। তার মা রাশিদা বেগম লুট করা স্বর্ণ বিক্রি করেছিলেন। সুমন হালদার লুট করা স্বর্ণের ক্রেতা। এই তিন জনকে বৃহস্পতিবার রাতে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া গত বুধবার ভোর রাতে আবদুস সামাদকে সন্দেহজনক ব্যক্তি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুশান্ত সরকার এনামুল জদ্দারের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে বলেন, গত রোববার সন্ধ্যায় ওই গৃহবধূর বাড়ির পাশের বাগানে এনামুল নেশা করতে গিয়েছিলেন। বাড়িতে গৃহবধূকে একা দেখে এনামুল ঘরের সানসেট বেয়ে ছাদের উঠে সিড়ি দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে। পরে খাবারে চেতনানাশক মিশিয়ে দিয়ে চলে যায়। পরবর্তীতে রাত ২ টার দিকে একইভাবে পুনরায় ঘরে প্রবেশ করে মূল্যবান জিনিসপত্র খোঁজাখুজি শুরু করে। তখন গৃহবধুর ঘুম ভেঙ্গে গেলে তাঁর পকেটে থাকা সুপারগ্লু বের করে গৃহবধুর চোখে এবং মুখে লাগিয়ে দেয়। এ সময় ওই গৃহবধূর সঙ্গে ইমামুলের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে  গৃহবধুর গোঙরানিতে পাশের বাড়ি থেকে সাড়া দেওয়ায় এনামুল কানের দুল ও মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায়।

 অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, পরবর্তীতে লুট করা কানের দুলটি ইমামুলের মা রাশিদা বেগমের মাধ্যমে চুকনগর স্বর্ণপট্টিতে মা জুয়েলার্স নামক দোকানে ৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। যে কারণে এনামুলের মা ও দোকান মালিক সুমন হালদারকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

তিনি জানান, এনামুলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় এ পর্যন্ত ৯টি মামলা দায়ের হয়েছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার রাত ১১ টার দিকে তাকে পাইকগাছা পূর্বকাশিমনগর থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড তাজা গুলিসহ আটক করা হয়ে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ধর্ষণের ঘটনার কথা স্বীকার করেননি।

সুশান্ত সরকার বলেন, চূড়ান্ত মেডিকেল রিপোর্টে বোঝা যাবে ওই গৃহবধূ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কিনা। ধর্ষণ ও লুটের ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি-না সে বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। 


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




চসিকের অভিযানে পুলিশ-হকার সংঘর্ষ

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

চট্টগ্রামের নিউমার্কেট মোড় থেকে ফলমন্ডিতে পুনর্দখল ঠেকাতে অভিযানে চালিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক হকার। এছাড়া অসংখ্য হকার, পুলিশ সদস্য এবং সিটি করপোরেশনের কয়েকজন কর্মকর্তা আহত হয়েছেন।

সোমবার দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত চালানো অভিযানে নেতৃত্ব দেন চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরীন ফেরদৌসী, চৈতী সর্ববিদ্যা, মো: সাব্বির রহমান সানি।

অভিযান সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা জানান, রাস্তা, নালা ও ফুটপাত দখল করা প্রায় তিনশ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছি আমরা। অবৈধ দখলদাররা বাধা দিলে আমরা পুলিশের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। পুনর্দখল ঠেকাতে মনিটরিং চলমান থাকবে।

পথচারীরা জানায়, ফুটপাত ও সড়ক দখল হয়ে যাওয়ায় সেগুলো উচ্ছেদ করে চসিকের গাড়িতে তোলা হচ্ছিল। অভিযান তদারকিতে সিটি কর্পোরেশনের টিমকে বাধা দেন হকাররা। পুলিশ এগিয়ে এলে তাদের লক্ষ্য করেও হকাররা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় পুলিশও তাদের ওপর কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।

উচ্ছেদকালে অবৈধ দখলদারদের আকস্মিক হামলায় ৩ পুলিশ ও চসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগের ৪ কর্মী আহত হন। দখলদাররা ২টি ডাম্প ট্রাক, ১টি পিকআপ ও চসিকের বিদ্যুৎ উপ-বিভাগের ১টি এরিয়াল লিফট ভাংচুর করে।  এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে চসিক।

অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটদের সহায়তা প্রদান করেন।


আরও খবর



পঞ্চগড়ে ফের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৮ ডিগ্রি

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

উত্তর থেকে বয়ে আসা হিমেল হাওয়া, রাতভর বৃষ্টির মতো ঝড়তে থাকা ঘন কুয়াশায় পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৮ ডিগ্রির ঘরে। পাশাপাশি রাতে অনবরত ঠান্ডা বাতাসের কারণে শীতার্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে দুর্ভোগে পড়েছেন অসহায় ছিন্নমূল মানুষ।

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শুক্রবার ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকালে তাপমাত্রা রেকর্ডের তথ্যটি জানান জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যাবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ। 

আরও পড়ুন>> বিশ্ব ইজতেমায় দ্বিতীয় দিনের বয়ান চলছে

জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যাবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ বলেন, গতকালের পর আবার তাপমাত্রা নিম্নমুখী হয়েছে। দুইদিন ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ডের পর শনিবার ভোর ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মাঘ মাস পর্যন্ত তাপমাত্রা উঠানামা করতে পারে বলে জানান তিনি।


আরও খবর
সারা দেশে কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪