আজঃ বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪
শিরোনাম

কাঁচা মরিচ ৩০০, আলু-পেঁয়াজ-মুরগিতেও নেই স্বস্তি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঈদের ছুটি শেষ হলেও নিত্যপণ্যের বাজারগুলোতে এখনো ভালোভাবে বেচাকেনা শুরু হয়নি। তবে কুরবানির ঈদের মৌসুমে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে আলু-পেঁয়াজ-মুরগির দাম। এছাড়া কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে ৩০০ টাকা ছাড়িয়েছে। শুক্রবার (২১ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বিক্রেতারা জানান, বাজারে সরবরাহ কম থাকায় কাঁচা মরিচের দাম অনেক বেড়ে গেছে। বিভিন্ন বাজারে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি। এক সপ্তাহ আগেও কাঁচা মরিচের কেজি ছিল ২০০ থেকে ২২০ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচে ১০০ টাকার বেশি দাম বেড়েছে।

পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ঈদের বন্ধের মধ্যে বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহ কম। এ কারণে কাঁচা মরিচসহ বেশ কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। তবে দু-এক দিনের মধ্যে বাজারে পণ্য সরবরাহ আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে বলে জানান তারা।

এদিকে ঈদের আগে পাইকারিতে ৭৫-৮০ টাকা কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল। কিন্তু সপ্তাহিক ছুটির দিনে পাইকারিতে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকা। আলুর ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। ঈদের আগপর্যন্ত খুচরা বাজারে আলুর কেজি ছিল ৬০ টাকা। তবে দু-এক দিনের মধ্যে খুচরা পর্যায়ে আলুর কেজি ৬০ টাকা ছাড়াতে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, বাজারে সরবরাহ বাড়লে পেঁয়াজ, আলুর দাম কমবে।

এছাড়া বাজারে ব্রয়লার মুরগির বাদামি ডিমের দাম ডজনপ্রতি ১০ টাকা কমেছে। কারওয়ান বাজারে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হয় ১৫০ টাকা। তবে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এখনো ঈদের আগের দাম, অর্থাৎ প্রতি ডজন ডিম ১৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

তবে ডিমের দাম কমলেও ঈদের পর তিনদিনের ব্যবধানে ফের বাড়ছে মুরগির দাম। কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০-২০০ টাকা, দেশি মুরগি ৭০০-৭৩০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকায়। আর প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩২০ টাকায়।

এদিকে বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি বেগুন ৬০-৮০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৩০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, শসা ৫০-৬০ টাকা ও লতি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, প্রতি কেজি পেঁপে ৪০-৫০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, টমেটো ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ টাকা ও পটোল বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। আর ধনেপাতা ২০০ টাকা, কহি ৩০ টাকা, আর চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। এছাড়া প্রতি পিস লাউয়ের জন্য গুনতে হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা। আর বাজারে লালশাকের আঁটি ১৫ টাকা, পাটশাক ১৫ টাকা, পুঁইশাক ২০ টাকা, লাউশাক ৩০ টাকা, কলমি ১৫ টাকা ও পালংশাক ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতাদের দাবি, কমতে শুরু করেছে সবজির দাম। সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিপ্রতি সবজির দাম ১০-২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। কোনো কোনো সবজিতে আরও বেশি কমেছে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আনিস জানান, বাজারে একদম ক্রেতা নেই। তবে কমছে সবজির দাম। ঈদের আগে চড়া হওয়া শসার দাম এখন নেমে এসেছে ৫০ টাকায়। ঈদের সময় যেটি ১২০-১৪০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দাম আরও কমবে।

এছাড়া স্বস্তির খবর নেই মাছের বাজারেও। প্রায় সব ধরনের মাছে কেজিতে দাম বেড়েছে ২০-৫০ টাকার মতো। বিক্রেতাদের অজুহাত, ঈদের কারণে মাছ কম আসায় বাড়ছে দাম।

বাজারে প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২০০-২৩০ টাকা, চাষের পাঙাশ ২০০-২৪০ টাকা, চাষের শিং ৫৫০ টাকা, চাষের মাগুর ৬৫০ টাকা ও চাষের কৈ বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩২০ টাকায়। এছাড়া, আকারভেদে প্রতি কেজি রুই ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, কাতলা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, কোরাল ৭০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, বোয়াল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা ও আইড় ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।


আরও খবর



ক্যাম্পাসে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের জবাব দিতে ছাত্রলীগ প্রস্তুত: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গতকাল রোববার রাতে ক্যাম্পাসে যে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ হয়েছে, তার জবাব দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগ প্রস্তুত। আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ছাত্রদের বিষয় ক্যাম্পাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকত। কিন্তু তারা ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ দেখিয়েছে। আমরা দেখি, কারা রাজনৈতিকভাবে প্রকাশ্যে আসে। আমরাও মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, কোটাবিরোধী কতিপয় নেতা যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, এর জবাব দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগ প্রস্তুত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে ভ্রান্ত পথে পরিচালিত শিক্ষার্থীদের রাজাকার পরিচয়-সংশ্লিষ্ট স্লোগান আমাদের জাতীয় মৌলিক চেতনার সঙ্গে ধৃষ্টতার শামিল।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, কোটা সংস্কারের চলমান আন্দোলন নিয়ে আমাদের অবস্থান জানিয়েছি। গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একই মতামত ব্যক্ত করেছেন। যে বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন, সে বিষয় নিয়ে এই মুহূর্তে কিছু বলা সমীচীন নয়। বারবার আন্দোলনকারীদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছি। আন্দোলনের নামে শিক্ষার্থীদের অনেকের রাজনৈতিক বক্তব্য ও কুৎসিত স্লোগান আমরা শুনেছি। এত দিন আমরা যে আশঙ্কা ব্যক্ত করেছিলাম, কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে তারা আসলে সরকারবিরোধী আন্দোলনই করতে যাচ্ছে। এর সঙ্গে বিএনপি-জামায়াতসহ সরকারবিরোধী বিভিন্ন দলের অংশগ্রহণ আছে। সমর্থন তারা প্রকাশ্যেই করেছে। কাজেই আমাদের যে আশঙ্কা, সেটা গতকাল রাতেই আরও স্পষ্ট হয়েছে, তাদের মুক্তিযুদ্ধবিরোধী স্লোগানে সত্য বলেই প্রমাণিত হয়েছে।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ভুলে গেলে চলবে না, বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিসংবাদিত নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগ করেছে সর্বোচ্চ। মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে আমরা অত্যন্ত সংবেদনশীল। আমরা মনে করি, ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলনকে চিহ্নিত অপশক্তি সরকারবিরোধী আন্দোলনে পরিণত করতে চায়। তাদের কারসাজিতে তাদের ক্রীড়নকেরা গতকাল রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের অস্তিত্বকে আঘাত করে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী স্লোগান উচ্চারণ করেছে। তারা সমগ্র ছাত্রসমাজকে সরকারের বিপক্ষ শক্তি হিসেবে দাঁড় করানোর অপচেষ্টা করেছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য আন্দোলনের নেপথ্যে থাকা মতলববাজ কুশীলবেরা নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য বিক্রীত করেছে।

সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধার নাতি-পুতিরা পাবে না তো কি রাজাকারের নাতিপুতিরা পাবেএ কথা তিনি যথার্থই বলেছেন। ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তস্নাত বাংলাদেশের পবিত্র মাটিতে রাজাকারের ঠাঁই দেব না। আমরা অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কোনো অপমান বাঙালি জাতি সহ্য করবে না। পরাজিত অপশক্তির কোনো প্রকার আস্ফালন আমরা মেনে নেব না। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা কিংবা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মী বেঁচে থাকতে শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে স্বাধীনতার পরাজিত অপশক্তির অপতৎপরতা প্রতিরোধ করব।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকদের মহান আত্মত্যাগ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। কিন্তু যারা নিজেদের রাজাকার পরিচয় দিতে গৌরব বোধ করে, তাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দিতে লজ্জা বোধ করে না? যারা রাষ্ট্রের মূল চেতনাকে অবজ্ঞা করে, তারা কীভাবে মেধাবী ছাত্র হয়? তারা কীভাবে জাতি কিংবা ছাত্রসমাজের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে?

ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দেশীয় আলবদর-রাজাকারদের সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নির্বিচার হত্যা করেছে। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কীভাবে নিজেদের রাজাকার বলে স্লোগান দেয়? এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু পরিবারের অধিকাংশ সদস্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালনা করছি। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপরীতে যেকোনো অপশক্তিকে আমরা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করবএটাই আমাদের অঙ্গীকার।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, কোটা সংস্কারের বিষয়টি দেশের সর্বোচ্চ আদালতে বিচারাধীন। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত ব্যতিরেকে অন্য কোনো উপায়ে কিংবা বল প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ নেই। আন্দোলনের নামে জনজীবনে কোনো ধরনের দুর্ভোগ তাঁরা মেনে নেবেন না। রাস্তা বন্ধ করে সভা-সমাবেশ জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে। এমন সভা-সমাবেশ তাঁরা মেনে নিতে পারেন না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আন্দোলনের কুশীলব বিএনপি-জামায়াতসহ অপশক্তিগুলোর স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সব শক্তিকে স্বাধীন বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী অপশক্তির আস্ফালনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক ও শাজাহান খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।


আরও খবর
ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




শাশুড়িকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল পুত্রবধূরও

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
শহীদুল ইসলাম, ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

Image

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় হাওরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে শাশুড়ি ও অন্তঃসত্ত্বা পুত্রবধূর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার মুগরাইন হাওরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার সদর ইউনিয়নের জানিয়ারচর গ্রামের ফিরোজ আলীর স্ত্রী রেজিয়া আক্তার ও ছেলে হক মিয়ার স্ত্রী পিপাসা আক্তার (২১)।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরে রেজিয়া আক্তার ও পিপাসা আক্তার দুজনেই বাড়ির পেছনে মুগরাইন হাওরের পানিতে গোসল করতে যান। গোসল করতে গিয়ে রেজিয়া আক্তার পা পিছলে হাওরের পানিতে পড়ে স্রোতে ভেসে যান। এ সময় শাশুড়িকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা পুত্রবধূ পিপাসা আক্তার। তখন পিপাসাও স্রোতে ভেসে যান। পরে পরিবারের লোকজন খোঁজ পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় জাল ফেলে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। 

ধর্মপাশা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুদ্দোহা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


আরও খবর



সেন্টমার্টিনে ২ সেনা ও ৩১ রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডুতে বিদ্রোহীদের সঙ্গে দেশটির সেনা সদস্যদের যুদ্ধ চলছে। এ অবস্থায় জীবন বাঁচাতে আজ শুক্রবার ভোরে দেশটি থেকে ৩৩ জন বাংলাদেশের সেন্টমার্টিন দ্বীপে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের মধ্যে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) দুই সশস্ত্র সদস্য ও ৩১ জন রোহিঙ্গা রয়েছেন।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, কয়েক দিন ধরে টেকনাফ সীমান্তের ওপারে মংডুতে সংঘর্ষ চলছে। সেখানকার বিস্ফোরণের বিকট শব্দে কেঁপে উঠছে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো। এমন পরিস্থিতিতে প্রাণ বাঁচাতে আজ ভোরে ৩৩ জন যাত্রীবোঝাই একটি ট্রলার মংডু থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভিড়েছে। বিষয়টি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) জানানো হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আদনান চৌধুরী বলেন, ৩৩ জন রোহিঙ্গা সেন্টমার্টিনে আশ্রয় নিয়েছে শুনেছি। বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তবে নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্ত ও নাফ নদীতে অবস্থান জোরদার করেছে বিজিবি ও কোস্ট গার্ড।

তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



ঠাকুরগাঁওয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বর্জন

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও

Image

ঠাকুরগাঁওয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: নজরুল ইসলাম চৌধুরীর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে বাধা, কক্ষে প্রবেশ করতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিকেরা। এ সময় শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বর্জন করেন জেলার সাংবাদিকরা।

রোববার (১৪ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর একটি অনুষ্ঠানে পেশাগত কাজে জেলার সাংবাদিকেরা উপস্থিত হন। এসময় সাংবাদিকদের অনুষ্ঠান কক্ষে প্রবেশের বাঁধা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় উপস্থিত সকল সাংবাদিকেরা এর প্রতিবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। এবং প্রতিবাদস্বরূপ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচে অনুষ্ঠান বর্জন করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

এসময় সাংবাদিকরা বলেন, আমাদেরকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে না দেওয়ার প্রতিবাদে আমরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি।

এবিষয়ে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আমীন সরকার বলেন, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানের সকল সাংবাদিকদের দাওয়াত দেওয়া হয়। দাওয়াত দেওয়ার পরও তাদেরকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এবং তাদেরকে বসার কোন জায়গা দেওয়া হয়নি। আমরা সকল সাংবাদিকেরা জেলা প্রশাসকের সকল অনুষ্ঠান বর্জন করলাম।

ঠাকুরগাঁও সময় টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার ও গণমাধ্যমকর্মী কল্যাণ ট্রাষ্টের সভাপতি জিয়াউর রহমান বকুল বলেন, আজকে শ্রম ও কর্মসংস্থার প্রতিমন্ত্রীর একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এটি গণমাধ্যমের জন্য একটি হুমকিস্বরূপ এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ইত্তেফাক'র জেলা প্রতিনিধি তানভীর হাসান তানু বলেন, আজকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থানের প্রতিবন্ধী অনুষ্ঠানে আমার সংবাদকর্মীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাঁধা দেওয়া হয়। আমি তারপরও সে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করি এবং দেখি যে আমার প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুনসুর আলী অনুষ্ঠানে পিছনে। তার জন্য কোন ধরনের চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়নি এরই প্রতিবাদে আমরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

নিউজ ট্যাগ: ঠাকুরগাঁও

আরও খবর



টিউলিপ সিদ্দিকের জন্য সিলেটে দোয়া মাহফিল

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে টানা চতুর্থবারের মতো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি ও শেখ রেহানার কন্যা টিউলিপ রেজওয়ানা সিদ্দিক নির্বাচিত হওয়ায় বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুলাই) বাদ জুম্মা হযরত শাহজালাল (র: ) জামে মসজিদে এ বিশেষ দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় দরগাহ মসজিদে উপস্থিত মুসল্লিগণ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহন করেন। এছাড়াও সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, তাতী লীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তরাজ্যের হ্যাম্পস্টেড এবং হাইগেট থেকে চতুর্থবারের মতো এমপি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ২৩ হাজার ৪৩২। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভের ডন উইলিয়ামস পেয়েছেন ৮ হাজার ৪৬২ ভোট। ২০১৯ সালের নির্বাচনের ভোটের চেয়ে টিউলিপের এবছরের ভোটের সংখ্যা দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। লেবার দলের এমপি হিসাবে নানা শ্যাডো দায়িত্ব পালনকারী টিউলিপ এবার লেবার সরকারের মন্ত্রী হতে পারেন।

এর আগে ২০১৫ সালে শক্তিশালী ৭ প্রার্থীকে হারিয়ে প্রথমবার এমপি হয়েছিলেন টিউলিপ সিদ্দিক। এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অন্তত ৩৪ ব্রিটিশ নাগরিক। এর মধ্যে লেবার পার্টির হয়ে আটজন ও কনজারভেটিভ পার্টির হয়ে লড়েছেন দুজন বাংলাদেশি।


আরও খবর