আজঃ রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

জনপ্রিয় মডেল থেকে দেহব্যবসা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর ২০২১ | ৯১৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এক সময়ে জনপ্রিয় মডেল ছিলেন গীতাঞ্জলি। কেরিয়ারের মধ্যগগনে থাকার সময়ই মাদকের নেশা ভর করে তাঁর উপর। তারপর ক্রমে তলিয়ে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মাদক শুধু তাঁর জনপ্রিয়তাই কেড়ে নেয়নি। নিজের ছেলে, স্বামীকেও তাঁর থেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছিল। র‌্যাম্প থেকে রাস্তায় নিয়ে এনে ফেলেছিল তাঁকে।

গীতাঞ্জলি দিল্লির মেয়ে। দিল্লিতে কলেজে পড়ার সময়ই তিনি মডেলিংয়ে আসেন। সে সময় কলেজ পড়ুয়াদের কাছে মডেলিং ছিল খুবই জনপ্রিয় পেশা। হাত খরচের টাকার জন্য অনেকেই টুকটাক মডেলিং করে থাকতেন। গীতাঞ্জলিও তাই ছিলেন।

কলেজ জীবনে তাঁর সবচেয়ে কাছের বন্ধু ছিলেন সন্দেলি সিন্‌হা। ২০০১ সালের ছবি তুম বিন-এর জন্যই পরিচিত মুখ সন্দেলি। তিনি তখন মডেলিং এবং বলিউড দুজায়গাতেই কাজ পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। বন্ধুকে দেখেই মূলত মডেলিংয়ে আসা তাঁর। যাতে ইন্ধন জুগিয়েছিলেন আমির রাজপাল নামে এক চিত্রগ্রাহক।

ওই চিত্রগ্রাহকই গীতাঞ্জলির ব্যক্তিত্ব, চেহারা দেখে তাঁকে মডেলিংয়ে আসার উপদেশ দিয়েছিলেন। খুব অল্প সময়ে জনপ্রিয় মডেল হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। দিল্লি থেকে ব্যাগ গুছিয়ে মুম্বই চলে আসেন গীতাঞ্জলি। বলিউডে ছবির প্রস্তাবও পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সে দিকে না গিয়ে মডেলিং করছিলেন।

কিন্তু সময় যত এগিয়েছে, মডেলিং এবং গ্ল্যামারের পিছনে অন্ধকার জগতের মধ্যে ডুবে যেতে শুরু করেছিলেন তিনি। ক্রমে মাদকের নেশা তাঁকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেছিল। অত্যন্ত পেশাদার এই মডেল ক্যামেরা চালু হওয়ার পরও অনেক সময় মাদকের জন্য ছটফট করতেন। মাদক নিয়ে তবে তিনি শ্যুট করতেন।

ইতিমধ্যেই জার্মানির এক ব্যক্তির সঙ্গে কর্মসূত্রে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। তাঁর সঙ্গে কয়েক বছর ডেট করার পর দুজনে বিয়ে করেন। তাঁদের এক ছেলেও হয়। কিন্তু এই সম্পর্ক বেশি দিন টেকেনি। মাদকের নেশা তাঁর কাছ থেকে স্বামী-সন্তানকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। তাঁর স্বামী গীতাঞ্জলির উপর বিরক্ত হয়েই ছেলেকে নিয়ে জার্মানি ফিরে যান। সে সময় ভীষণ একা হয়ে পড়েছিলেন তিনি।

আর বেশি করে মাদক সেবন করতে শুরু করেছিলেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যে, মডেলিং কেরিয়ারও হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল। এ দিকে মাদকের নেশায় অর্থাভাবও প্রকট হয়ে উঠতে শুরু করেছিল।

বাধ্য হয়েই গীতাঞ্জলি তখন দেহব্যবসায় নামেন। কিছু দিন পরিচারিকার কাজও করেছিলেন। তাঁর পাশে নিজের বলতে কেউ ছিলেন না। গীতাঞ্জলির একমাত্র সঙ্গী হয়ে উঠেছিল মাদক। মাথার উপর ছাদটুকুও খুইয়ে ফেলেছিলেন তিনি।

কখনও রাস্তায়, কখনও কোনও মন্দিরে আশ্রয় নিতেন তিনি। পরিস্থিতি এতটাই করুণ হয়ে উঠেছিল যে তাঁকে দেখে ভিখারি ছাড়া আর কিছু ভাবতেই পারতেন না পথচলতি মানুষ। মাদক কিনতে ভিক্ষাও করতে হয়েছে তাঁকে।

এক সাংবাদিকের সূত্রেই গীতাঞ্জলির এই পরিস্থিতির কথা জানাজানি হয়। তারপর তাঁকে একটি মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়। বহু দিন চিকিৎসার পর সুস্থ হন তিনি।

সুস্থ হওয়ার পর বেশ কিছু সময় মায়ের সঙ্গে হরিদ্বারে কাটিয়েছিলেন। তাঁর সেই জার্মান স্বামী তাঁকে ফেরাতে চাইলেও গীতাঞ্জলি সেই সম্পর্কে ফিরতে চাননি। ২০০৮ সালে ফ্যাশন নামে একটি ছবি মুক্তি পায়। শোনা যায়, গীতাঞ্জলিকে মাথায় রেখেই এই ছবিতে কঙ্গনা রানওয়াতের চরিত্র এঁকেছিলেন পরিচালক। যদিও পরিচালক মধুর ভান্ডারকর কখনও তা মানতে চাননি।


আরও খবর



বাংলাদেশের জনগণই ‘এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড’র প্রকৃত অংশীদার

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের জনগণই এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড-এর প্রকৃত অংশীদার বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, এ পুরস্কার শত প্রতিকূলতার মাঝেও বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে যেমন বিশ্ব দরবারে তুলে ধরছে, তেমনি বাংলাদেশের সক্ষমতার ওপর বিশ্ববাসীর আস্থাকে দৃঢ়তর করছে। আমি মনে করি, বাংলাদেশের জনগণই এ পুরস্কারের প্রকৃত অংশীদার।

প্রধানমন্ত্রী বুধবার (১৭ নভেম্বর) সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনা মহামারিতে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকোচন, ভ্যাকসিন বৈষম্য প্রভৃতি বিশ্বের অনেক দেশেরই উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করেছে। এ মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশ যে অবিচলভাবে টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট অর্জনে এগিয়ে যাচ্ছে, এ পুরস্কার তারই বিশ্ব স্বীকৃতি।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা অর্জন থেকে আজকের যতো অর্জন, সবই হয়েছে দেশের মানুষের সমর্থন ও ভালোবাসার জন্য। আমি দেশের জনগণকে এ পুরস্কার উৎসর্গ করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসডিএসএনের প্রেসিডেন্ট প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ প্রফেসর জেফ্রি স্যাক্সের নিকট হতে বাংলাদেশের পক্ষে আমি এ সম্মাননাটি গ্রহণ করি। সম্মাননা প্রদানকালে করোনা মহামারির এ কঠিন সময়ে বাংলাদেশ ও বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার জন্য আমাকে জুয়েল ইন দ্য ক্রাউন বলে অভিহিত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, পৃথিবীর সুরক্ষা এবং সবার জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণের সর্বজনীন আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের সঠিক পথে অগ্রসরের জন্য এ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বলিষ্ঠ নেতৃত্বের জন্য এ পুরস্কারপ্রাপ্তি বাংলাদেশের এক অনন্য অর্জন।


আরও খবর



দুই প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, সীতাকুণ্ডে সড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর ২০২১ | ৫৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়িতে সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থকরা। সংঘর্ষের পর একটি পক্ষের সমর্থকরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে।

উভয়পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করে নিয়ে গেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে সংঘর্ষে জড়ান দুই প্রার্থীর সমর্থকরা।

চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) কবির হোসেন বলেন, সোনাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু হওয়ার কিছু আগে দুই প্রার্থীর সমর্থকের মধ্যে ঝামেলা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

সীতাকুণ্ড থানার ওসি (তদন্ত) সুমন বণিক বলেন, সকালে দুই ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থকরা ঝামেলায় জড়ান। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। মহাসড়কে যান চলাচলও স্বাভাবিক রয়েছে।

সকাল থেকে দেশের ৮৩৮টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এই দফায় সীতাকুণ্ড, ফটিকছড়ি ও মিরসরাইয়ের ৩৭ ইউনিয়নেও ভোট হচ্ছে। সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।


আরও খবর



অনশনের নামে অরাজকতা করলে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | ৫৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিএনপির গণ অনশনের বিষয়ে আমাদের কিছু বলা বা করার নেই। তবে অনশনের নামে কেউ রাস্তায় নেমে অরাজকতা পরিস্থিতি তৈরি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটের পূর্ব রাজাবাজার এলাকার নাজনীন স্কুল মাঠে ৯৯ নম্বর ওয়ার্ডের সকল ইউনিট আওয়ামী লীগ এর সম্মেলনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনের ধারা অনুযায়ী শাস্তি স্থগিত রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদেশের যাওয়ার বিষয়ে আইনমন্ত্রী আইনের ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। আমরা এটা বলতে চাই, খালেদা জিয়া ভালো চিকিৎসা পান, সুস্থ হোক আমরাও সেটা চাই। তবে দেশের প্রচলিত যে আইন রয়েছে তার বাইরে গিয়ে কিছু নয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, জনগণকে বন্দুকের নলের সামনে রেখে আওয়ামী লীগ কখনো ভোটে জেতার পরিকল্পনা করে না। যদি তাই হতো সর্বশেষ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৮৫টি ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী জিততো না। সেখানে একটু ইঙ্গিত পেলেই পরিস্থিতি অন্য রকম কিছু হতে পারত। কিন্তু নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমরা ছিলাম নিরপেক্ষ।

মন্ত্রী বলেন, অনেকেই স্বপ্ন দেখছেন ষড়যন্ত্র করে সরকার উৎখাত করবেন। কিন্তু এটা সম্ভব না। কেননা বিএনপির নেতাদের প্রতি জনগণের কোন আস্থা নেই। কারণ তাদের কথা আর কাজের কোন মিল নেই।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে আগামীকাল রাজধানীসহ সারা দেশে গণ অনশনের কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয় বিএনপি। বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন। ঢাকার পাশাপাশি দেশের মহানগর ও জেলা পর্যায়ে সকাল ৯টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত এই কর্মসূচি পালিত সফল করতে দলের নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানান ফখরুল।


আরও খবর



পুরুষরা না পারলেও পাকিস্তানকে ঠিকই হারালো নারীরা

প্রকাশিত:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের মাটিতে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ পুরুষ দল টানা দুই ম্যাচ হেরে এরই মধ্যে সিরিজ খুইয়েছে। তবে ব্যাতিক্রম বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। আইসিসি নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ৩ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়েছে টাইগ্রেসরা।

রবিবার (২১ নভেম্বর) জিম্বাবুয়ের হারারে স্পোর্টিং গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশের নারীরা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২০১ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় পাকিস্তান। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ২ বল ও ৩ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় লাল-সবুজ বাহিনী।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫০ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন রুমানা আহমেদ। এছাড়া ফারজানা হক ৪৫, রিতু মনি ৩৩, শারমিন আক্তার ৩১ ও সালমা খাতুন ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন। পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন নাশরা সান্ধু ও উমাইমা সোহাইল এবং একটি করে নিয়েছেন আনাম আমিন, ফাতিমা সানা ও নিধা ধার।

এর আগে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে তাদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮৭ রান করেন নিধা ধার। এছাড়া আলিয়া রিয়াজ ৬১ অপরাজিত, মুনিবা আলি ২২ ও জাবেইরা খান ১২ রান করেন। বাংলাদেশি নারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২টি করে উইকেট নিয়েছেন রিতু মনি ও নাহিদা আক্তার। এছাড়া সালমা খাতুন ও রুমানা আহমেদ নেন একটি করে উইকেট।

নিউজ ট্যাগ: আইসিসি

আরও খবর



বিএনপি নেতারা এখন ডাক্তার হয়ে গেছেন : তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | ৪২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি নেতাদের বক্তব্য শুনে মনে হচ্ছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব, রিজভী সাহেব, খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ অনেক নেতা এখন ডাক্তার হয়ে গেছেন। আ স ম রউফ সাহেব একজন বড় ডাক্তার, মান্না সাহেবও ডাক্তার। তারা এখন ডাক্তারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। তারা বলছেন, খালেদা জিয়ার জীবন সংকটাপন্ন। এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে তো কেউ কিছু বলেননি। মাঝে-মধ্যে বিএনপির চিকিৎসকরা যারা রাজনীতি করেন তারা কিছু কিছু কথা বলেন।

সোমবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সাথে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া আগেও অসুস্থ ছিলেন, আমাদের দেশে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন। খালেদা জিয়াকে বিদেশে না পাঠালে বাঁচানো যাবে না। বাস্তবতা হচ্ছে তখনও দেশের চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয়ে বাড়িতে ফিরে গিয়েছিলেন। তখনকার মতো এবারও একই ধোঁয়া তুলছেন। আসলে খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিয়ে যাওয়ার দাবিটা তার স্বাস্থ্যগত কারণ নয় এটা একটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত দাবি বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনীতি করছেন তারা। তাকে নিয়ে রাজনীতি করা অনভিপ্রেত। আসলে উনারা হয়তো চান না খালেদা জিয়া সুস্থ হোক। কারণ সুস্থ হলে স্বাস্থ্য নিয়ে যে রাজনীতি এটি করা বন্ধ হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, বিএনপির এ পুরো দাবিটাই হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে বিদেশে পাঠানোর উদ্দেশ্য যে রাজনৈতিক দাবি সরকার সে দাবি মানতে পারে না। কারণ তিনি একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। অবশ্যই খালেদা জিয়া যেন সুচিকিৎসা পান সেটা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধ পরিকর।

সংসদ সদস্যদের (এমপি) পদত্যাগের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, তাদের সব মিলিয়ে ছয়জন এমপি রয়েছেন। তারা খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে পদত্যাগ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের বক্তব্যে আমার মনে হচ্ছে, দেশের আর কোনো সমস্যা নিয়ে তারা চিন্তিত না। তাদের কথায় মনে হচ্ছে, দেশে আর কোনো সমস্যা নেয়, একমাত্র খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যটাই সমস্যা। এনিয়ে শুধু তারা ব্যস্ত রয়েছেন। এতে বোঝা যায় এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।


আরও খবর