আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

জি-২০ সম্মেলন শুরু, যোগ দিয়েছেন শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

ভারতের নয়াদিল্লিতে দুই দিনব্যাপী জি-২০ সম্মেলন শুরু হয়েছে। সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সম্মেলনে যোগ দেন তিনি। এ সময় তাকে অভ্যর্থনা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

শেখ হাসিনা সম্মেলনের দুটি অধিবেশনে বক্তব্য রাখবেন। বর্তমান সরকারের মেয়াদে বিভিন্ন আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভাবনীয় সাফল্যের অভিজ্ঞতা অংশগ্রহণকারী বিশ্বনেতাদের কাছে তুলে ধরবেন।

এদিকে, সম্মেলনের জন্য বিশেষভাবে সাজানো কনভেনশন সেন্টার ভারত মণ্ডপমে বিশ্বনেতারা উপস্থিত হয়েছেন। প্রথম সেশনে ওয়ান আর্থ বিষয়ে আলোচনা হবে। এরপর বিকেল ৩টা থেকে দ্বিতীয় সেশন শুরু হবে। সেখানে ওয়ান ফ্যামিলি নিয়ে আলোচনা হবে। 

আরও পড়ুন>> দেশের সব বিভাগেই ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস

সম্মেলনে অংশ নিতে শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ, জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিসহ বিশ্ব নেতারা নয়াদিল্লি পৌঁছান।

এবারের সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন না চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে তাদের প্রতিনিধিরা সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন। জি-২০ সম্মেলনে বিশ্ব নেতারা পরিচ্ছন্ন জ্বালানি স্থানান্তর, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইসহ বৈশ্বিক সমস্যাগুলো মোকাবিলায় বিভিন্ন যৌথ প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করবেন।

এ ছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব, বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও বিশ্ব নেতারা আলোচনা করবেন।

এদিকে, সম্মেলন উপলক্ষে বাংলাদেশসহ নয়টি দেশকে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে জোটটির চেয়ারম্যান ভারত। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছান। এরপর সন্ধ্যায় দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসেন দুই নেতা।

বৈঠক শেষে নরেন্দ্র মোদি এক টুইটে (বর্তমানে এক্স) জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। গত ৯ বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অগ্রগতি খুবই আনন্দদায়ক। আমাদের আলোচনায় কানেক্টিভিটি, বাণিজ্যিক সংযোগের মতো আরও অনেক বিষয় এসেছে।

বৈঠকের বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন মোদি। বাংলাদেশ-ভারত বিদ্যমান গভীর সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে দুই প্রধানমন্ত্রী একমত হয়েছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে দুই প্রধানমন্ত্রীর একান্ত বৈঠকে ভোট নিয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা জানি না।

আরও পড়ুন>> বড় শোডাউনের প্রস্তুতি আওয়ামী লীগের

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে বলেও জানান আব্দুল মোমেন। সেগুলো হলো কৃষি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ, সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি, পারস্পরিক লেনদেন আরও সহজ করা।

উল্লেখ্য, জি-২০ বা গ্রুপ অব টুয়েন্টি হচ্ছে কতগুলো দেশের একটি ক্লাব যারা বিশ্ব অর্থনীতির বিষয়ে পরিকল্পনার জন্য আলোচনা করতে বৈঠক করে।


আরও খবর
জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ মৃত্যু

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা বেড়ে মাঝারিতে রূপ নিয়েছে শৈত্যপ্রবাহ

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
পঞ্চগড় প্রতিনিধি

Image

উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা সামান্য বেড়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ মাঝারিতে রূপ নিয়েছে। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। এর আগে রোববার ৫ ডিগ্রিতে নামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

শুক্রবার ৫ দশমিক ৮ তাপমাত্রায় শুরু হয় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। এরপর থেকেই টানা চারদিন ধরে চলছে মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। তবে প্রতিদিনের মতো সোমবার সকাল ৯টার দিকে সূর্যের দেখা মেলে। কিন্তু প্রতিদিন বিকেলের পর থেকেই শুরু হয় ঘনকুয়াশার সঙ্গে উত্তরের হিমশীতল বাতাস। পরদিন সকাল পর্যন্ত হাড় কাঁপানো শীত অনুভূত হয়। কনকনে শীতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবী আর নিম্ন আয়ের মানুষ।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ বলেন, শুক্রবার থেকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ এর মধ্যেই ওঠানামা করছে। এখন তীব্র থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে। সোমবার সকালে তাপমাত্রা সামান্য বেড়ে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়। আগামী দুই-তিন দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাড়তে পারে।


আরও খবর



সীমান্তে মিললো আরও একটি অবিস্ফোরিত মর্টার শেল

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বান্দরবান প্রতিনিধি

Image

মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা তুমব্রু বাজারের পার্শবর্তী রাস্তার কাছে আরও একটি অবিস্ফোরিত মর্টারের গোলা পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপরে অবিস্ফোরিত গোলাটি পথচারীরা দেখতে পেয়ে বিজিবিকে খবর দেয়। বর্তমানে ওই স্থানে জনসাধারণ ও যান চলাচল সীমিত করেছে বিজিবি সদস্যরা।

অপরদিকে, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম-তুমব্রু সীমান্তের নোয়াপাড়ায় পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্বার করা অবিস্ফোরিত মর্টারের গোলাটি নিষ্ক্রিয় করেছেন সেনা বোমা বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যরা। আজ সকালের দিকে রামু সেনানিবাস থেকে আসা সেনা বোমা বিশেষজ্ঞ দল মর্টারের গোলাটি ধ্বংস করে নোয়াপাড়া এলাকায়।

স্থানীয় পথচারী সাইফুল ইসলাম জানান, বাড়ি থেকে বাজারে যাওয়ার পথে অবিস্ফোরিত মর্টারের গোলাটি দেখতে পাওয়া যায়। বর্তমানে সীমান্তের পরিস্থিতি মোটামোটি শান্ত অবস্থায় রয়েছে। তবে মাঝে-মধ্যে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ এলাকায় কিছু কিছু গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যাচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাহাংগীর আজিজ জানান, সীমান্ত পরিস্থিতি মোটামোটি শান্ত। তবে বিভিন্ন জায়গায় পরিত্যক্ত অবিস্ফোরিত গোলা পড়ে থাকায় শংকিত রয়েছে জনগণ। তাছাড়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক মনে হচ্ছে। গত ২ দিন ধরে আশ্রয়কেন্দ্রের আশ্রিত স্থানীয়রা নিজ বসতঘরে ফিরেছে।


আরও খবর



দৌলতপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল থেকে নবজাতক শিশু চুরি

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়া

Image

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আল্লার দর্গায় অবস্থিত আনোয়ারা বিশ্বাস মা ও শিশু হাসপাতাল থেকে তিন দিন বয়সের এক নবজাতক শিশু চুরির অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।

নবজাতক শিশুটি কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মহিষাডড়া গ্রামের মসজিদ পাড়ার দিপু আলীর ছেলে। দিপু একই এলাকার নিহারুল ইসলামের ছেলে।

নবজাতকের পিতা দিপু আলী বলেন, গত ৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে আমার স্ত্রী রিয়া খাতুনের ছেলে সন্তান জন্ম দেয়।

বুধবার দুপুরে আমার শাশুড়ী রহিমন নেছা আমার বাচ্চা কোলে নিয়ে হাসপাতালের ভিতরে বসে ছিল। এমন সময় একটি মহিলা বাচ্চাকে কোলে নিতে চায়, ওই সময় পানি আনার প্রয়োজন হলে বাচ্চাটি ওই মহিলার কোলে দিয়ে পানি আনতে গেলে বাচ্চা নিয়ে সেই অপরিচিত মহিলা চলে যায়। আমি এই ঘটনার তদন্ত করে আমার বাচ্চা ফেরত চাই।

এ বিষয়ে আনোয়ারা বিশ্বাস মা ও শিশু হাসপাতালে দায়িত্বরত ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এই ঘটনায় আমাদের কোন গাফিলতি নাই। আমরা সময় মত সকল কিছুর খোঁজ-খবর রাখি। তবে তাদের আত্মীয় স্বজনের কাছে থেকে কেউ যদি বাচ্চা নিয়ে চলে যায়, তাহলে আমাদের কিছু করার থাকে না।

এ বিষয়ে দৌলতপুর ভেড়ামারা সার্কেলর অতিরিক্ত পুলিশ সার্কেল মহসীন আল মুরাদ বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। আমরা ঘটনা শোনার সাথে সাথে ঘটনা স্থানে এসে তদন্ত শুরু করেছি এবং নবজাতক উদ্ধারে পুলিশের সকল ইউনিট কাজ করছে।

নিউজ ট্যাগ: কুষ্টিয়া

আরও খবর



‘সার সরবরাহের জন্য বরাদ্দ ১৭ হাজার কোটি টাকা’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কৃষিমন্ত্রী উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, কৃষককে যাতে আমদানিমূল্যে সার ক্রয় করতে না হয়, সে লক্ষ্যে চলতি অর্থবছরে ১৭ হাজার কোটি টাকা উন্নয়ন সহায়তা বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্ন উত্তর পর্বে তিনি কৃষক পর্যায়ে সাশ্রয়ীমূল্যে সার সরবরাহ অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নুর লিখিত প্রশ্নের জবাবে কৃষি মন্ত্রী জানান, আমদানিকৃত সার কৃষক পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত ভর্তুকিমূল্যে টিএসপি প্রতি কেজি ২৭ টাকা, এমওপি প্রতি কেজি ২০ টাকা এবং ডিএপি প্রতি কেজি ২১ টাকায় বিক্রয় করছে। ২০০৯ সালের পূর্বে প্রতি কেজি টিএসপি, এমওপি এবং ডিএপি সারের বিক্রয়মূল্য যথাক্রমে ৮০, ৭০ ও ৯০ টাকা ছিল। 

আরও পড়ুন>> অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে : আরাফাত

মন্ত্রী আব্দুস শহীদ জানান, কৃষি উৎপাদন ব্যয় যাতে ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যে সরকার সার ও কৃষি যন্ত্রপাতিতে উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করছে। সেচ ও ভালো মানের বীজ সাশ্রয়ী মূল্যে সরবরাহ করছে। বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকার সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ শীর্ষক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে হাওর ও উপকূলীয় এলাকায় ৭০ শতাংশ এবং অন্যান্য এলাকায় ৫০ শতাংশ উন্নয়ন সহায়তায় মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হচ্ছে।

কৃষি মন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে কীটনাশকের ব্যবহার কমানোর প্রক্রিয়া চলছে। জৈব কৃষি ও জৈব বালাইনাশকের ব্যবহারসহ সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফসলের রোগ ও পোকামাকড় দমন ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। ফলে কীটনাশকের ব্যবহার প্রতিনিয়ত হ্রাস পাচ্ছে।

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে কৃষিমন্ত্রী জানান, সমগ্র দেশের প্রান্তিক কৃষকদের এবং কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে ৫০টি প্রকল্প ধারণাপত্র (পিসিপি) যাচাই করা হচ্ছে, যা থেকে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। কৃষক ও কৃষির উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে- দুই কোটি ২৭ লক্ষ কৃষককে স্মার্ট কার্ড দেওয়া, ১০ লাখ কৃষককে উত্তম কৃষি চর্চার প্রশিক্ষণ দেওয়া, ৫০ লাখ কৃষককে সম্প্রসারণ সহায়তা, উন্নয়ন সহায়তা ও ঋণ সহায়তা দেওয়া, ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা সৃষ্টি, ১০টি অ্যাক্রেডিটেশন ল্যাব স্থাপন, ১০ লাখ হেক্টর জমিতে সেচ উন্নয়ন, দুই লাখ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের অ্যাডাপটেশন, ক্লাইমেট স্মার্ট ও কৃষির প্রবর্তন।


আরও খবর
জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ মৃত্যু

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জিআই পেল আরও ৩ পণ্য

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে আরও ৩টি পণ্য। এতে দেশে অনুমোদিত জিআই পণ্যের সংখ্যা বেড়ে হলো ৩১টি।

নতুন জিআই অনুমোদন পাওয়া পণ্য তিনটি হলো- যশোরের খেজুরের গুড়, রাজশাহীর মিষ্টি পান এবং জামালপুরের নকশিকাঁথা।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) তিনটি পণ্যকে জিআই হিসেবে অনুমোদন দিয়ে জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে।

২০১৬ সালে জামদানি শাড়িকে বাংলাদেশে প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এরপর স্বীকৃতি পায় আরও ২০টি পণ্য।

সেগুলো হলো- বাংলাদেশ ইলিশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম, বিজয়পুরের সাদা মাটি, দিনাজপুর কাটারীভোগ, কালিজিরা, রংপুরের শতরঞ্জি, রাজশাহী সিল্ক, ঢাকাই মসলিন, রাজশাহী-চাপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি, বাংলাদেশের শীতল পাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলশীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই ও কুষ্টিয়ার তিলের খাজা।

সবশেষ গত সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রংপুরের হাড়িভাঙ্গা আম, মৌলভীবাজারের আগর ও আতর এবং মুক্তগাছার মণ্ডা এই চার পণ্যকে জিআই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

এর একদিন আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তিনটি পণ্যের জিআই সনদ হস্তান্তর করেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। পণ্য তিনটি হলো- টাঙ্গাইল শাড়ি, নরসিংদীর অমৃত সাগর কলা ও গোপালগঞ্জের রসগোল্লা।

আন্তর্জাতিক মেধাস্বত্ববিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল প্রপার্টি রাইটস অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউআইপিও) নিয়ম মেনে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে ডিপিডিটি জিআই পণ্যের স্বীকৃতি ও সনদ দিয়ে থাকে। ২০১৩ সালে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন হয়। ২০১৫ সালে আইনের বিধিমালা তৈরির পর জিআই পণ্যের নিবন্ধন নিতে আহ্বান জানায় ডিপিডিটি। এর পর বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো জিআই পণ্য হিসেবে ২০১৬ সালে স্বীকৃতি পায় জামদানি শাড়ি।

জিআই স্বীকৃতি পাওয়া পণ্যগুলো বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি পাবে।

কোনো দেশের মাটি, পানি, আবহাওয়া ও মানুষের সৃজনশীলতা মিলে কোনো পণ্য তৈরি হলে তাকে বলা হয় সেই দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য। শুধু বাংলাদেশেই উৎপাদিত হয় এমন ৩১টি পণ্য এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মেধাস্বত্ব কর্তৃপক্ষ থেকে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: জিআই সনদ

আরও খবর
জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ মৃত্যু

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪