আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

জি-২০ সম্মেলন শুরু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৫ নভেম্বর ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইন্দোনেশিয়ার বালিতে শুরু হয়েছে বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত জোটের জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন। এবারের সম্মেলনে বিশ্বের খাদ্যনিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার বৈশ্বিক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ইন্দোনেশিয়ার আহ্বান জানানো মধ্য দিয়ে সম্মেলন শুরু হয়। 

সম্মেলনের সূচনা বক্তব্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার বিদ্যমান যুদ্ধের অবসান ঘটানোর আহ্বান জানান ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো।

জি-টুয়েন্টি ব্লকে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত এবং জার্মানির মতো দেশ আছে। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৬০ শতাংশই এই দেশগুলোর এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে এদের ৮০ শতাংশ অবদান রয়েছে।

রাশিয়া জানিয়েছে, ব্যস্ততার কারণে পুতিন এ সম্মেলনে যোগ দিতে পারবেন না এবং তার বদলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ উপস্থিত থাকবেন। তবে, ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।

এবারের সম্মেলনে ইউক্রেন যুদ্ধ, জ্বালানি সংকটের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। সম্মেলনের পর ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ফোন করবেন। এতে রুশ নেতার ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সম্মেলন শুরু হওয়ার আগের দিন সোমবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তিন ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। 


আরও খবর



সিলেটে একসাথে চার সন্তানের জন্ম

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সিলেট প্রতিনিধি

Image

সিলেটে একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক মা। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে সিলেট উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অপারেশনের মাধ্যমে এই চার শিশুর জন্ম হয়।

তারা চারজনই মেয়ে শিশু। বাবার নাম রুহুল আমিন ও মা ফৌজিয়া বেগম। তাদের বাড়ি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার রাজাগঞ্জে।

সিলেট উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মিনহাজ ফয়সাল বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে ফৌজিয়া বেগমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিন রাত আটটায় হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক লুবনা ইয়াসমিনের তত্ত্বাবধানে তার অপারেশন করা হলে চার সন্তানের জন্ম হয়। পরে শিশু চারটিকে নবজাতক নিবিড় যত্ন ইউনিটে (এনআইসিইউ) রাখা হয়। বর্তমানে তারা অনেকটা শংকামুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া প্রসূতি মা ফৌজিয়া বেগমও সুস্থ আছেন।


আরও খবর



বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নস্যাৎ করার জন্য বিএনপি এবং তার চরমপন্থী জামায়াতে ইসলামী মিত্রদের ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও বাংলাদেশে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রতিনিয়ত ব্যাহত করার চেষ্টা করছিল। তারা সহিংসতার আশ্রয় নিয়ে ২০১৪, ২০১৮ এবং তারপর ২০২৪ সালের নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু জনগণ তাদের জনবিরোধী কার্যকলাপ প্রত্যাখ্যান করায় তারা সফল হতে পারেনি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভারতের দিল্লিতে ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ায় (এফসিসি, সাউথ এশিয়া) সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এ কথা বলেন। ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. মুস্তাফিজুর রহমান এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

এফসিসি সভাপতি ও প্রবীণ সাংবাদিক ভেঙ্কট নারায়ণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এবং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ নন্দ সূচনা বক্তব্য রাখেন। এ সময় বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। 

আরও পড়ুন>> বিএনপিকে ভুলের খেসারত অনেক দিন দিতে হবে : ওবায়দুল কাদের

বিএনপিকে রাস্তার বিরোধী হিসেবে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচন বানচালের জন্য বিএনপি ও তার সহযোগীরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ (সরকারি) স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এমনকি তারা প্রধান বিচারপতির বাসভবন এবং গণপরিবহনে অগ্নিসংযোগ করেছে, যার ফলে দুইজন নিহত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, তাদের ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এমনকি ইউরোপের কিছু দেশে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের তুলনায় আমাদের ভোটার উপস্থিতি ভালো ছিল।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেহেতু বাংলাদেশ একটি মুক্ত সমাজ, সেহেতু সবার স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকার রয়েছে। এই সুযোগ নিয়ে কিছু মহল ভারত, চীন এমনকি আওয়ামী লীগ বিরোধী স্লোগান দিতে পারে। কিন্তু এই ট্যাবলেট এখন আর কাজ করে না।

ধর্মান্ধরা নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে ভারত বিরোধী তাস খেলেছে মন্তব্য করে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমলে দুই বন্ধুপ্রতীম দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে দেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অনেক ভারতীয় সাধারণ জনগণ এবং সৈন্যরা তাদের জীবন উৎসর্গ করায় ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ। কাজেই এই সম্পকর্কে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে তুলনা করা যায় না।

ভারতের সঙ্গে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে রাজি হয়েছিল কিন্তু রাজ্য সরকার এতে আপত্তি করে।

তিনি বলেন, যেহেতু আপনারা (ভারত) মার্চ বা এপ্রিল বা মে মাসে নির্বাচন করছেন, তাই নির্বাচনের পর আমরা আবার সরকারের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাব এবং আমি আশা করি আমরা এর একটি সমাধান খুঁজে পাব। 

আরেক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান বলেন, বাংলাদেশ একটি বহুত্ববাদী সমাজ হওয়ায় আমরা গণতন্ত্রের মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখি। বাংলাদেশ একদলীয় রাষ্ট্র নয়, এটি একটি বহুদলীয় গণতান্ত্রিক দেশ। গত নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৪৪টির মধ্যে ২৯টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল।

সীমান্তে হত্যার বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় ভূখণ্ডে একজন বিজিবি সদস্যের লাশ পাওয়া যাওয়ার পর তারা বিষয়টি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরেছেন। আমরা সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবি জানিয়েছিলাম এবং ভারতীয় পক্ষ এর জন্য ক্ষমা চেয়েছে এবং ঘটনাটি উদঘাটনের জন্য তদন্ত চলছে।

চীন সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যদিও চীন আমাদের পাশের প্রতিবেশী নয়, তবে এটি আমাদের দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী এবং চীনের সাথে আমাদের খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে। কারণ, দেশটি বাংলাদেশের একটি প্রধান উন্নয়ন সহযোগী।

এছাড়া তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের ভালো সম্পর্ক রয়েছে এবং আমরা আমাদের জনগণের স্বার্থে ভবিষ্যতে সম্পর্ক আরও জোরদার করার অপেক্ষায় রয়েছি।

এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত এক দশকে দেশের আর্থসামাজিক খাতে বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা উল্লেখ করেন।


আরও খবর
জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ মৃত্যু

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




শুরু হলো ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

শুরু হলো বাংলা ও বাঙালির কালপঞ্জির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাস ফেব্রুয়ারি। আজ ১৮ মাঘ বৃহস্পতিবার ভাষা আন্দোলনের মাস হিসেবে পরিচিত ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন। মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার ও রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সেটিকে প্রতিষ্ঠার দাবিতে এই মাসেই রাজপথে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন বাংলার দামাল ছেলেরা। সেই বীরদের অমলিন স্মৃতি স্মরণের মাস এই ফেব্রুয়ারি। আরও একটি কারণে ভাষা আন্দোলনের এই মাস বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আর তা হলো, ভাষা আন্দোলনের পথ বেয়েই এই জনপদে অভ্যুদয় ঘটে বাঙালিসহ অন্যান্য জাতিসত্তার জাতীয় চেতনার। বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের পথ বেয়ে সংঘটিত হয় মুক্তিযুদ্ধ। বিশ্বের মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায় নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশ।

বাঙালি ও বাংলাদেশের সঙ্গে ফেব্রুয়ারির চেতনস্রোত এত সুনিবিড়ভাবে মিশে আছে যে, এখনও আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/ আমি কি ভুলিতে পারির কথা ও সুর বাজলে সেই ১৯৫২ সালের মতোই বেদনা ও প্রতিরোধের শপথ সিক্ত করে সবাইকে।

প্রসঙ্গত মনে রাখা দরকার, ভাষা আন্দোলনের শুরু মূলত ১৯৪৮ সালে- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার মাত্র মাস সাতেকের মধ্যেই এ আন্দোলন দানা বেঁধে ওঠে। অবশ্য নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে, তা নিয়ে ভারতবিভক্তির আগে থেকেই বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। এই বিতর্কের সূত্র ধরে ক্ষোভও সঞ্চারিত হয় বাঙালির মধ্যে। কেননা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বলতে গেলে একক সিদ্ধান্তে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দিতে চায় পূর্ব বাংলার জনগোষ্ঠীর ওপর। ওই সময়ের গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি সরকারি কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহারের লক্ষ্যে অধিবেশনে একটি সংশোধনী প্রস্তাব এনেছিলেন। ২৫ ফেব্রুয়ারি এটি গণপরিষদে আলোচিত হয় এবং তমিজউদ্দিন খানের নেতৃত্বে মুসলিম লীগের গণপরিষদ সদস্যরা এর তীব্র বিরোধিতা করেন। খাজা নাজিমুদ্দিন এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করে সেদিন বলেন, পূর্ব বাংলার অধিকাংশ মানুষই চায় উর্দু হোক পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। এভাবে ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের সংশোধনীটি ভোটে বাতিল করে দেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পরদিন ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও জগন্নাথ কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ঢাকার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস বর্জন কর্মসূচি পালিত হয়। পরে ২৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ সব জায়গায় প্রতিবাদ দিবস ও ধর্মঘট পালনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। পুলিশ এদিন ছাত্রদের মিছিলে লাঠিচার্জ করে, অনেককে গ্রেপ্তারও করে। এমন প্রেক্ষাপটে ২ মার্চ গড়ে ওঠে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ। একই বৈঠক থেকে ১১ মার্চ ধর্মঘট আহ্বান করা হয়। এই ধর্মঘট পালনের দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত পুলিশ শেখ মুজিবুর রহমানসহ ৬৯ জন আন্দোলনকারীকে গ্রেপ্তার করে। ভাষা আন্দোলন পায় সুগভীর মাত্রা।

ফেব্রুয়ারি মাস একদিকে শোকাবহ হলেও অন্যদিকে গর্বের মাস। কারণ কি ১৯৪৮ সালে- কি ১৯৫২ সালে, এই ফেব্রুয়ারিতেই ঔপনিবেশিক প্রভুত্ব ও শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালি প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তোলে। মায়ের ভাষা রক্ষার জন্য এই মাসেই পৃথিবীর একমাত্র জাতি হিসেবে বাঙালি রক্ত দেয়। ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় বাঙালির শহীদ দিবস পায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি।

১৯৪৮ সালের আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আসে ১৯৫২ সাল। ইতোমধ্যে খাজা নাজিমুদ্দিন পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি পূর্ব বাংলার ২৭টি শিক্ষাকেন্দ্রে আরবি হরফে বাংলা লেখার প্রক্রিয়া শুরু করেন; পূর্ব বাংলার অধিবাসী হওয়ার পরও ওই বছর ২৭ জানুয়ারি এক বক্তৃতায় তিনি বলেন, দুটি রাষ্ট্রভাষা নিয়ে কোনো দেশ সমৃদ্ধির পথে এগোতে পারে না, উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। তার এ বক্তব্যের পর নতুন করে দানা বেঁধে ওঠে বিক্ষোভ ও ধর্মঘট। ৩১ জানুয়ারি (১৯৫২) ঢাকা বার লাইব্রেরি হলে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নতুন করে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গড়ে ওঠে। যার আহ্বায়ক নিযুক্ত হন কাজী গোলাম মাহবুব। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছিল পূর্ব বাংলা ব্যবস্থাপক পরিষদের বাজেট অধিবেশন। তাই ওই দিন সাধারণ ধর্মঘট আহ্বান করা হয়। এই ধর্মঘট প্রতিহত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও তার আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা সেই ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যায় রাজপথে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নির্দেশে মিছিলের ওপর পুলিশের গুলি চলে। শহীদ হন রফিক, শফিক, জব্বার, বরকত, শফিউদ্দীন, সালামসহ আরও অনেকে। রাজপথে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার আদায় করে নেন বাঙালি তরুণরা। ভাষা আন্দোলনের ওই আত্মত্যাগই তৈরি করে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের পথ।

১৯৫২ সালের দুই বছর পর ১৯৫৪ সালের ৭ মে পাকিস্তানের গণপরিষদ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করে। ১৯৯৮ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে উদযাপনের জন্য জাতিসংঘে আবেদন করেন কানাডাপ্রবাসী রফিকুল ইসলাম ও আব্দুস সালাম। পরে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ভাষার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের দিনটি তাই আজ বিশ্বের সব ভাষাভাষীর অধিকার রক্ষার দিন।

প্রথম দিনের কর্মসূচি : বাঙালি পাঠকের সবচেয়ে বড় উৎসব মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলা শুরু হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার থেকে। জাতীয় কবিতা উৎসবের আয়োজন করছে জাতীয় কবিতা পরিষদ। আজ ও আগামীকাল শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার সংলগ্ন চত্বরে এই কবিতা উৎসব অনুষ্ঠানে হবে। জাতীয় কবিতা পরিষদের ৩৬তম এই আয়োজনের এবারের প্রতিপাদ্য : যুদ্ধ গণহত্যা সহে না কবিতা। কবিতা উৎসবে অংশ নেবেন ৮ দেশের কবি। এর মধ্যে ১০ জন সশরীরে উপস্থিত থাকবেন। কায়রো আন্তর্জাতিক বইমেলা থেকে ৪টি দেশের ৮ জন কবি অনলাইনে এই উৎসবে যুক্ত হবেন। এ মাসে মাসব্যাপী জাতীয় পথনাট্যোৎসব আয়োজন করেছে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন। ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শুরু হয়ে ২০টি জেলায় চলবে এ উৎসব।


আরও খবর
জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ মৃত্যু

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




শুভ্র দেবের ‘একুশে পদক’ নিয়ে সমালোচনা!

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২১ নাগরিককে একুশে পদক-২০২৪ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত মঙ্গলবার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আইরীন ফারজানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর মধ্যে শিল্পকলায় সংগীত ক্যাটাগরিতে একুশে পদক পাচ্ছেন জালাল উদ্দীন খাঁ (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ, বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর) ও শুভ্র দেব। আর নৃত্যকলায় একুশে পদক পাচ্ছেন শিবলী মোহাম্মদ, অভিনয়ে ডলি জহুর, এম এ আলমগীর, আবৃত্তিতে খান মো. মুস্তাফা ওয়ালীদ (শিমুল মুস্তাফা) ও রূপা চক্রবর্তী।

তবে নেটদুনিয়ায় কথা উঠেছে- শুভ্র দেবের একুশে পদক পাওয়া নিয়ে! যা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনাও। শুরুটা হয় বরেণ্য সুরকার ও সংগীত পরিচালক প্রিন্স মাহমুদের একটি ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে।

অনেকটা আক্ষেপ নিয়ে এই সুরস্রষ্টা বলেন, দেশের সংগীতে শুভ্র দেবের অবদান আছে। কিন্তু তার চেয়ে অনেক বেশি অবদান লাকী আখন্দ, আইয়ুব বাচ্চু, ফুয়াদ নাসের বাবু, নকিব খান, কুমার বিশ্বজিৎ, তপন চৌধুরী, হামিন আহমেদ, মাকসুদুল হক, মাহফুজ আনাম জেমস এবং প্রিয় গীতিকবি কাওসার আহমেদ চৌধুরী ও শহীদ মাহমুদ জঙ্গীর। প্রিয় শুভ্র দেবের উচিত এই প্রসঙ্গে কথা বলা। নিজে পদক না গ্রহণ করে সত্যকার মেধাবীকে পদক দিতে বলার এই সংস্কৃতি এখনই শুরু হোক

তিনি আরও বলেন, শুভ্র দা আমার কাছের মানুষ। আমার ওপর রাগ করবেন কিন্তু সত্য বলছি, এই সত্য যদি স্বীকার করেন তাহলে শিল্পী হিসেবে তার জায়গা অনেক ওপরে থাকবে। এখানে শুভ্র দেব নামটি উপলক্ষ মাত্র। যিনি পদক পাচ্ছেন তিনি যদি উপলব্ধি করেন তার চেয়ে যোগ্যতর মানুষটি পদকের ক্ষেত্রে বঞ্চিত, তিনি তার কথা বলে যাবেন। সব ক্ষেত্রেই তা হওয়া উচিত। এই চর্চা থাকলে আরও বহু গুণী মানুষ পেতাম আমরা। যাই হোক, সত্যিকার মেধাবীকে পদক দিতে বলার এই সংস্কৃতি আজ থেকেই, এখনই শুরু হোক

প্রিন্স মাহমুদের এই কথাগুলোকে সমর্থন জানিয়েছেন সংগীতের বেশ কজন তারকা। এ নিয়ে নেটদুনিয়ায় যখন তুমুল আলোচনা-সমালোচনা, তখন বিষয়টি নিয়ে কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর পক্ষ থেকেও কথা বলা হয়।

গিটার লিজেন্ড আইয়ুব বাচ্চুর ব্যান্ডদল এলআরবির ফেসবুক থেকে জানানো হয়, একটি বিষয় ক্লিয়ার করার প্রয়োজন বোধ করি, এই রাষ্ট্রীয় পুরস্কারগুলো মূলত রাষ্ট্র নিজ তৎপরতায় দেয় না। এর বেশির ভাগই কোনো না কোনোভাবে লবিং ও নীতিনির্ধারক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন সাপেক্ষে মনোনীত হয়। এখানে স্মরণ করা প্রয়োজন যে, আইয়ুব বাচ্চুর পরিবার ক্লিয়ারলি বিষয়টি আগেই জানিয়েছেন যে- এই প্রক্রিয়ায় কোনো পদক বা পুরস্কারের জন্য তারা আগ্রহী নয়। রাষ্ট্র যদি স্বউদ্যোগে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয় তবে সেটা রাষ্ট্র কর্তৃপক্ষের স্বাধীন ভাবনা বলে বিবেচনা করা হবে। আরও জানা জরুরি যে, রাষ্ট্র আইয়ুব বাচ্চুকে একটা পুরস্কার দিয়ে খুব একটা সম্মানিত করতে পারবে বলে মনে হয় না। বরং এতে রাষ্ট্রের কিছু অগৌরব ঘোচার সমূহ সম্ভাবনা বিদ্যমান।

এদিকে একুশে পদক পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে এমন আলোচনা-সমালোচনা নজরে এসেছে শুভ্র দেবেরও। একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমার ক্যারিয়ার হয়ে গেছে ৩৯ বছর। ২৫ বছরের ওপরে বাংলা গান নিয়েই কাজ করেছি। বাংলা গান বিশ্ব দরবারে পৌছানোর জন্য আমি কাজ করে গেছি। এটা কোনো পুরস্কারের জন্য নয়।

তিনি আরও বলেন, আমাকে যারা চেনেন তারা অনেকেই বলেছেন, দেরিতে হলেও আপনি পেয়েছেন। আমি ইন্ডাস্ট্রিতে যা দিয়েছি এটা আসলে কম শিল্পীই। আমি আন্তর্জাতিক অনেক পুরস্কারই পেয়েছি। খালি তো গান গেলেই হয় না। অনেক সংগীত বোদ্ধারা আমাকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আবার কেউ ঈর্ষান্বিতও হয়েছে। যারা আমাকে নিয়ে কথা বলছেন, তারা কিন্তু আমার লেভেলের না।

প্রিন্স মাহমুদ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ক্যারিয়ারের দিক থেকে প্রিন্স মাহমুদ আমার অনেক জুনিয়র। ও আমার পল্লবীর বাসায় বসে থাকত, আমাকে দিয়ে একটা গান করার জন্য। একটা মিক্সড অ্যালবামের জন্য ও আমার বাসায় কয়েকবার গেছে। আসলে প্রিন্স তো আমাদের লেভেলের না, অনেক জুনিয়র। আর সত্যি কথা বলতে আমি তাদেরকেই কাউন্ট করব যাদের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক বড় অবদান আছে। যারা কিছু করতে পেয়েছে তাদেরই আমি কাউন্ট করব। যাক কারও প্রতি আমার কোনো খারাপ চিন্তা-ভাবনা নাই।


আরও খবর
ভারতীয় পরিচালক কুমার সাহানি আর নেই

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রমজানকে সামনে রেখে ভেজাল মসলার ব্যবসা রমরমা

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

Image

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে গুঁড়া হলুদ ও মরিচ তৈরির কারখানা। এসব কারখানায় ডলোচুন, ধানের কুড়া, ভুট্টার মোচা, রংসহ বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল মিশিয়ে হলুদ ও মরিচ গুঁড়া বানিয়ে বাজারজাত করা হচ্ছে। বিশেষ করে মাহে রমজানকে ঘিরে ভেজাল এই ভোগ্যপণ্য ব্যবসা জমে উঠেছে। এতে করে হুমকির মুখে পড়ছে জনস্বাস্থ্য।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বড় ছত্রগাছা গ্রামের নুর আলম ডিস্কো, পলাশ মিয়া, খালেক মিয়া, বকশীগঞ্জের রনি সরকার, আবু হোসেন, মধ্যপাড়ার আফছার আলী, নিজপাড়ার রফিকুল ইসলাম, ঠান্ডা মিয়া, আমবাগানের হাফিজার রহমান লাভলু, ধাপেরহাট বন্দরের দুদু হাজী ও রিপন সাহাসহ আরও একাধিক অসাধু ব্যক্তি তাদের কারখানায় ভেজাল গুঁড়া মরিচ ও হলুদ তৈরি করছেন।

খোঁজ নিয়ে যানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার হলুদ চাষখ্যাত এলাকা হচ্ছে ধাপেরহাট ইউনিয়ন। এখানকার অধিকাংশ কৃষক যুগযুগ ধরে হলুদ ও মরিচ আবাদ করে আসছেন। এর ফলে সেখানে হলুদ পল্লী এলাকা হিসেবেও নামকরণ করা হয়েছে। এরই সুযোগে ধাপেরহাট এলাকায় প্রায় ১৫টি কারখানায় বিভিন্ন ক্ষতিকারক উপকরণ মিশিয়ে গুঁড়া হলুদ ও মরিচ গুঁড়া তৈরি করে দেশের বিভিন্ন জেলায় বাজারজাত করা হচ্ছে। ফলে অসাধু ব্যবসায়ীরা লাখ লাখ টাকার মালিক বনে যাচ্ছে। এসব কারখানায় মাঝে মধ্যে প্রশাসনের অভিযান চললেও তবুও থামছে না ভেজাল কারবারি। আসছে রমজানকে সামনে রেখে আরও জোরেসোরে শুরু করা হয়েছে এই ব্যবসা। এদিকে এসব ভেজাল গুঁড়া মরিচ ও হলুদ খেয়ে মানবদেহের জন্য মরাত্বক ক্ষতি হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, কৃষকের কাছ থেকে কেনা শুকনো হলুদ ও মরিচে ভেজাল উপকরণ মেশানো হচ্ছে। এসবের মধ্যে রয়েছে- ডলোচুন, ধানের কুড়া, ভুট্টার মোচা, রংসহ বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল। জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া দরকার বলে জানান তিনি।

কারখানার মালিক রনি সরকার বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানের লাইসসেন্স রয়েছে। তারপরও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর ও স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তিকে টাকা দিয়ে গুঁড়া হলুদ ও মরিচ গুঁড়া তৈরি ব্যবসা পরিচালনা করছি।

এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর গাইবান্ধার সহকারী পরিচালক আফসানা পারভীন বলেন, ভেজাল খাদ্যপণ্য প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ধাপেরহাটর এলাকার গুঁড়া হলুদ, মরচি তৈরি কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: গাইবান্ধা

আরও খবর