আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

ঝিনাইদহে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঝিনাইদহের ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মসজিদের ইমাম ও কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। বুধবার (১১ মে) বিকেলে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের আসান্নগর এলাকায় পৃথক এ দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।

নিহতরা হলেন, শৈলকুপা উপজেলার ব্রাহিমপুর আফছার উদ্দীনের ছেলে গোলাম রহমান (৫৫) ও একই উপজেলার মহেশপুর গ্রামের ডাবলু জোয়ারদারের ছেলে অংকোন জোয়ারদারের (১৯)।

স্থানীয়রা জানায়, দুপুরে আসান্নগর গ্রাম থেকে ইমাম গোলাম রহমান বাইসাইকেলে মহাসড়কে উঠছিলেন। তখন কুষ্টিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

সংবাদকর্মী সজিবুল ইসলাম জানান, একই উপজেলার মহেশপুর গ্রাম থেকে মোটরসাইকেলে অঙ্কন নামে এক কলেজছাত্র ঝিনাইদহ শহরে আসছিলেন। তখন কুষ্টিয়াগামী একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ফরিদপুর নেওয়ার পথে মাগুরায় তিনি মারা যান।

ঝিনাইদহ হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, বাস ও ট্রাকটি আটক করা যায়নি।


আরও খবর



ব্রেকআপের আগে নিজেকে যে ৫টি প্রশ্ন করা উচিত

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ মে ২০২২ | জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সম্পর্কে বিচ্ছেদ কারও কাম্য নয়। তবুও বিভিন্ন কারণে প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে। অবিশ্বাস, মিথ্যা কথা বলা, সন্দেহ, প্রতি অন্যজনের সম্মান না থাকা ইত্যাদি কারণে সম্পর্ক ভেঙে যায়। আজকাল সম্পর্ক যতটা সহজেই গড়ে উঠছে ঠিক তত সহজে আবার ভেঙেও যাচ্ছে।

তাই সম্পর্ক ভাঙা বা ব্রেকআপের আগে নিজেকে ৫টি প্রশ্ন অবশ্যই করুন-

১. আপনি কি দ্য গ্রাস ইজ গ্রিনার’ সিন্ড্রোমে ভুগছেন? অনেকেই আছেন যারা কারও সঙ্গে দীর্ঘসময় ধরে থাকলে তার উপর বিরক্ত হয়ে ওঠেন। কোনো সমস্যা না থাকলেও এমন মানুষেরা বিভিন্ন সমস্যা খোঁজেন সঙ্গীর মধ্যে। তারা মনে করেন সঙ্গী প্রতারণা করছেন।

বাস্তবে বিষয়টি তেমন নাও হতে পারে। নিজের অজান্তেই এমন ব্যক্তিরা দাম্পত্যে কলহ সৃষ্টি করেন বিভিন্ন কারণে। এসব লক্ষণ হলো দ্য গ্রাস ইজ গ্রিনার সিন্ড্রোম। তাই ব্রেকআপের আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন, আপনিও কি এই সিন্ড্রোমে ভুগছেন?

২. কেন আপনি সঙ্গীর প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন? প্রশ্নটি নিজেকে করুন ব্রেকআপের আগে। তখন মনে করার চেষ্টা করুন সঙ্গীর সঙ্গে আপনার প্রথম দেখা কোথায় হয়েছিল ও তার কী আপনাকে আকৃষ্ট করেছিল।

সবার মধ্যেই এমন কিছু গুণ থাকে যা অন্যকে আকৃষ্ট করে। সেই গুণ কি এখন আর আপনার ভালো লাগছে না?

৩. সঙ্গী কি এখন আর আপনাকে অগ্রাধিকার দেন না? সম্পর্কের বয়স বাড়তে শুরু করলে অনেকেরই মনে হয় সঙ্গীর কাছ থেকে হয়তো তিনি অগ্রাধিকার হারিয়েছেন।

এটি কখনো বাস্তবেই ঘটে আবার অনেকেই নিজেকে হঠাৎ করেই ছোট মনে করতে শুরু করেন ও হতাশ হয়ে পড়েন। সঙ্গী যদি আপনাকে এড়িয়ে চলেন কিংবা আগের মতো অগ্রাধিকার না দেন তাহলে অবশ্যই বিচ্ছেদের কথা ভাবতে পারেন।

৪. প্রতিটি সম্পর্কের মধ্যে আপস করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অনেকে চুক্তি ভঙ্গ করে ফেলেন কিংবা পতারণা করেন। ধরুন আপনার সঙ্গী প্রতরণা করলেন, আপনি তাকে ক্ষমাও করে দিলেন!

এরপর যদি তিনি আবারও একই কাজ করেন তাহলে ব্রেকআপ করে নিন। আর ব্রেকআপের আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন, সত্যিই কি আপনার সঙ্গী একজন প্রতারক?

৫. সম্পর্ক ভাঙার আগে নিজেকেই প্রশ্ন করুন আপনি কি এখনো সঙ্গীর ভালবাসা অনুভব করেন? উপরোক্ত বিভিন্ন কারণে দম্পতিদের মধ্যে অবিশ্বাস, ক্ষোভ, ঘৃণা, অসম্মান ইত্যাদির জন্ম দেয়।

আপনি যদি এখন আর সঙ্গীর ভালোবাসা অনুভব না করেন তাহলে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে যাওয়াই ভালো। আর যদি সবকিছু ভুলে তাকে ভালোবাসতে পারেন তাহলে বিচ্ছেদ করার আগে দুবার ভাবুন। প্রয়োজনে অন্য কারও সাহায্য নিন।

নিউজ ট্যাগ: ব্রেকআপ প্রশ্ন

আরও খবর
আজকের রাশিফল!

বুধবার ২৫ মে ২০২২




রশিদ-বীরত্বে অবিশ্বাস্য জয় পেল গুজরাট

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাবেক দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ম্যাচটা মোটেও ভালো যাচ্ছিল না রশিদ খানের। বল হাতে আরেকটু হলে অর্ধশতকই ছুঁয়ে ফেলছিলেন। তবে ব্যাট হাতে শেষ ওভারে সে যেন সুদে আসলে পুষিয়ে দিলেন আফগান মহাতারকা। মার্কো ইয়ানসেনের সেই ওভারে মারলেন তিন ছক্কা, তাতে শেষ ওভারে ২৫ রান তুলে জেতার অবিশ্বাস্য কাজটাও করে বসেছে গুজরাট টাইটান্স। জিতেছে পাঁচ উইকেটের ব্যবধানে। তাতে আট ম্যাচ শেষে আইপিএল পয়েন্ট তালিকার শীর্ষেও চলে এসেছেন রশিদরা।

দিনের শুরুটা অবশ্য তেমন কিছুর আভাস দেয়নি মোটেও। টস জিতে ফিল্ডিংয়ে নামা গুজরাট শুরু থেকেই ঝড়ের মুখে পড়েছে। পাওয়ারপ্লেতে কেন উইলিয়ামসন আর রাহুল ত্রিপাঠিকে ফেরালেও দিয়ে বসেছিল ৫৩ রান, যা হায়দরাবাদকে দিয়েছিল বড় রানের ভিত।

এরপর সেই ভিতে দাঁড়িয়ে অভিষেক শর্মা আর এইডেন মার্করাম মিলে রানটা বড় করার কাজটা করে গেছেন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে দুজন মিলে যোগ করেছেন ৬০ বলে ৯৬ রান। তবে এরপরই যেন কিছুটা ছন্দপতন ঘটে দলটির। দলীয় ১৪০ রানে অভিষেক ফেরেন ৪২ বলে ৬৫ রান করে। এরপর নিকলাস পুরান ফেরেন দুই অঙ্কে পৌঁছানোর আগেই। ১৮তম ওভারের শেষ বলে যখন ৪০ বলে ৫৬ করা মার্করাম বিদায় নিলেন, দলের রান তখন ১৬২; 'লড়াকু' সংগ্রহটা বড় রানে রূপ দেওয়ার আশায় তখন ঢেকে গেছে ধোঁয়াশায়। এক বল পর ফিরলেন ওয়াশিংটন সুন্দরও। শঙ্কাটা গাঢ় হলো আরও।

১৬২ থেকে যে দশ বলের ব্যবধানে ১৯৫ পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে হায়দরাবাদের সংগ্রহ, সেটার কৃতিত্বের সিংহভাগ পাবেন শশাঙ্ক সিং। সাতে নেমে তিনি খেলেছেন ৬ বলে ২৫ রানের দারুণ এক ক্যামিও। মেরেছেন একটি চার আর তিনটি ছয়। তাতেই গুজরাটকে রান পাহাড়ে চাপা দেয় হায়দরাবাদ। প্রতিপক্ষের এমন সংগ্রহের দিনে গুজরাটের বোলারদের দিনটা স্বাভাবিকভাবেই কেটেছে খুব বাজে। তবে সবচেয়ে বেশি ঝড়টা গিয়েছে রশিদ আর দলটির আরেক বিদেশি বোলার লোকি ফার্গুসনের ওপর দিয়ে। রশিদ বল হাতে চার ওভারে দিয়েছেন ৪৬, আর লোকি ফার্গুসন ফিফটিই করে ফেলেছেন রীতিমতো, দিয়েছেন ৫২ রান।


আরও খবর



ভোজ্যতেলের স্বনির্ভরতায় চমক থাকছে বাজেটে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৩১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশে প্রতি বছর ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ২০ লাখ টন। চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আমদানি করতে হয়। অথচ রাইস ব্র্যান অয়েল কিংবা সরিষার তেলের উৎপাদন বাড়াতে পারলে এ নির্ভরতা ৫০ ভাগ কমিয়ে আনা সম্ভব। সে লক্ষ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।

বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে পরিশোধিত ভোজ্যতেল (সয়াবিন ও পাম) উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫০ লাখ ৭৬ হাজার টন। যার কাঁচামাল পুরোপুরি আমদানিনির্ভর। ভোজ্যতেল উৎপাদনে আমদানি করা সয়াবিন ও পামের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১৮ লাখ টন। যথাযথ উদ্যোগ ও সরকারের বিশেষ নজর থাকলে স্থানীয়ভাবে চাহিদার প্রায় ৩৬ শতাংশ জোগান দেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন খাত-সংশ্লিষ্টরা।

অন্যদিকে, বিভিন্ন রাইস ব্র্যান অয়েলের বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় তিন লাখ টন। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয় প্রায় দুই লাখ টন সরিষার তেল। এগুলো পুরোপুরি অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে আসে।

 সাম্প্রতিক সময়ে ভোজ্যতেল নিয়ে বড় সংকটের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। বিশ্ববাজারে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়ে। বাড়তি দামে বিক্রির পাশাপাশি একপর্যায়ে বাজার থেকে পণ্যটি উধাও হয়ে যায়। ভোজ্যতেল পেতে ক্রেতাদের দোকান থেকে দোকানে ছুটতে হয়। বাধ্য হয়ে মাঠে নামে প্রশাসন। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এখন মজুত করা ভোজ্যতেল উদ্ধার করা হচ্ছে। মূলত অধিক মুনাফার আশায় এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অনৈতিক এ কাজ করছেন। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভোজ্যতেল উৎপাদনে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছে সরকার। ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে এজন্য বাড়তি উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রাইস ব্র্যান অয়েল কিংবা সরিষার তেলের উৎপাদন বাড়াতে থাকছে বিশেষ নজর। এছাড়া ভালো মানের বীজ সরবরাহ কিংবা মাঠপর্যায়ের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়ারও চিন্তাভাবনা থাকছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বাজেট-সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে। তারা বলছেন, গত কয়েক বছর ধরে ভোজ্যতেল নিয়ে তেলেসমাতি চলছে। অতিরিক্ত আমদানি নির্ভরতায় দেশের অভ্যন্তরীণ বাজার প্রায়ই অস্থিতিশীল হচ্ছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ইউক্রেন ও রাশিয়া যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব। ফলে আমাদের আত্মনির্ভরশীল হওয়ার বিকল্প নেই।

 পুরোপুরি না হলেও আপাতত নির্ভরতা কমিয়ে অন্তত ৫০ শতাংশ দেশীয় উৎস থেকে ভোজ্যতেলের সরবরাহ নিশ্চিত করার কথা ভাবা হচ্ছে। এ কারণে আগামী বাজেটে সরিষা চাষ ও রাইস ব্র্যান অয়েলের কাঁচামাল ধানের তুষ বা কুঁড়া সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় বিশেষ প্যাকেজের ঘোষণা আসতে পারে বাজেটে। এছাড়া উৎপাদন বাড়াতে গবেষণা, মানসম্মত বীজ সরবরাহ ও উৎপাদনে বিশেষ প্রণোদনা বা ভর্তুকির জন্য বিশেষ বরাদ্দ থাকবে। যাতে উৎপাদন খরচ কমিয়ে খুচরাপর্যায়ে দাম ভোক্তাদের নাগালের মধ্যে রাখা যায়। পাশাপাশি ভোক্তাদের এসব তেলের ব্যবহার বাড়াতে উৎসাহমূলক প্রচারণারও ব্যবস্থা করা হবে। অর্থাৎ একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ছাপ থাকবে আসছে বাজেটে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতি বছর ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ২০ লাখ টন। যেখানে দুই লাখ টন উৎপাদন হয় স্থানীয়ভাবে। বাকি ১৮ লাখ টন সয়াবিন ও পাম অয়েল আমদানি হয় ভোজ্যতেল হিসেবে। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি আসে পাম অয়েল। যার ৮০ শতাংশের জোগান দেয় ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া। সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়া রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ায় শুধু বাংলাদেশই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভোজ্যতেলের সংকট দেখা দেয়। বাংলাদেশে অয়েল সিড হিসেবে সরিষা, গ্রাউন্ডনাট, তিল, সয়াবিন ও সানফ্লাওয়ারের চাষ হয়।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশে পরিশোধিত ভোজ্যতেল (সয়াবিন ও পাম) উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট উৎপাদনের ক্ষমতা ৫০ লাখ ৭৬ হাজার টন। যার কাঁচামাল পুরোপুরি আমদানিনির্ভর। আমদানি করা সয়াবিন ও পামের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১৮ লাখ টন। যার প্রায় ৩৫ দশমিক ৮ শতাংশ স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করে চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

এছাড়া বিভিন্ন রাইস ব্র্যান অয়েল কোম্পানির বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় তিন লাখ টন। স্থানীয়ভাবে প্রায় দুই লাখ টন সরিষার তেল উৎপাদিত হয়। যা পুরোপুরি অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সরবরাহ হয়। সাধারণত ছয় থেকে সাড়ে ছয় কেজি ধনের কুঁড়া থেকে এক কেজি রাইস ব্র্যান অয়েল উৎপাদিত হয়। ধান থেকে চাল তৈরি করলে সাত থেকে আট শতাংশ কুঁড়া পাওয়া যায়।

ট্যারিফ কমিশনের গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৫ সালে বাংলাদেশে আড়াই লাখ টন রাইস ব্র্যান অয়েল উৎপাদন সক্ষমতার ১৫টি কারখানা স্থাপিত হয়। এ পরিমাণ তেল উৎপাদনের জন্য ১৩ লাখ টন রাইস ব্র্যান (ধানের কুঁড়া) দরকার। দেশের ভেতরে কুঁড়া উৎপাদন হয় প্রায় সাড়ে ৩৬ লাখ টন। এর মধ্যে ৭০ শতাংশ স্বাভাবিক অবস্থায় পাওয়া যায়। অথচ কোম্পানিগুলো প্রায় সাড়ে চার লাখ টন কুঁড়ার সরবরাহ পায়। যে কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন থেকে সরে এসেছে। কারণ হিসেবে খাত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের নির্দিষ্ট কয়েকটি স্থান ছাড়া অটো রাইস মিল নেই। ফলে এখনও অর্ধেকের বেশি ধান ভাঙানো হয় স্থানীয়পর্যায়ে। সেখান থেকে যথাযথ কুঁড়া সংগ্রহ করা যায় না, গেলেও মানসম্মত হয় না। এছাড়া কুঁড়ার বড় একটি অংশ এখন পোল্ট্রি ফার্ম ও মাছের খাবার তৈরিতে ব্যবহার হচ্ছে। ফলে কাঁচামালের সংকট থেকেই যাচ্ছে। বিপুল উৎসাহ নিয়ে চালের কুঁড়া থেকে রাইস ব্র্যান অয়েল উৎপাদনের যাত্রা শুরু হয়। কিন্তু দেড় দশকেও সয়াবিন ও পাম অয়েলের জায়গা দখল করতে পারেনি এ ভোজ্যতেল। স্থানীয় বাজারে জায়গা করতে না পেরে অনেক প্রতিষ্ঠান বিদেশি বাজার ধরার চেষ্টা করছে।

এনবিআর ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২১ এর এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ১১ হাজার টন রাইস ব্র্যান অয়েল রপ্তানি হয়েছে। ২০২১ সালের জুন থেকে ২০২২ এর এপ্রিল পর্যন্ত এক লাখ ২৪ হাজার টন রাইস ব্র্যান অয়েল রপ্তানি হয়েছে। খাত-সংশ্লিষ্টদের দাবি, দেশে যে পরিমাণ কুঁড়া উৎপাদন হয় তার সঠিক ব্যবস্থাপনা করতে পারলে উৎপাদন সক্ষমতা কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব।

এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে আমরা অতিরিক্ত পরিমাণ আমদানিনির্ভর। ফলে বিশ্ববাজারের কাছে আমরা জিম্মি বলতে পারেন। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে বাজেটে এমন সব পরিকল্পনা থাকা উচিত যাতে দেশীয় উদ্যোক্তারা উৎসাহিত হবেন। যেমন- উন্নত মানের বীজ সরবরাহ কিংবা বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থা রাখা। এছাড়া গবেষণায় জোর দেওয়া যেতে পারে। রাইস ব্র্যান অয়েলের কাঁচামাল সম্পূর্ণ দেশীয়। তবে দেশীয় হলেও এর উৎপাদন খরচ অনেক বেশি। ফলে বাজারে এর দাম সয়াবিনের তুলনায় বেশ বাড়তি। এ কারণে রাইস ব্র্যান অয়েল এখনো জনপ্রিয়তা পায়নি। দাম বেশি হওয়ায় অনেক উৎপাদক প্রতিষ্ঠান তা রপ্তানির দিকে ঝুঁকছে। এ তেলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে এবং উৎপাদন খরচ কমাতে সরকার উদ্যোগ নিতে পারে। এ বিষয়ে গবেষণারও প্রয়োজন আছে।

 অন্যদিকে, ভোক্তারও কিছু দায়িত্ব আছে। তাদের মানসিকতার পরিবর্তন আনতে হবে। সরিষার তেলের ব্যবহার মানুষ কমিয়ে দিয়েছে। এক সময় বাদাম তেলের প্রচুর ব্যবহার ছিল কিন্তু এখন মানুষ খায় না। তাই ভোক্তাকেও দেশীয় তেল ব্যবহারে এগিয়ে আসতে হবে। সরকারি প্রচারণার পাশাপাশি বাজেটে বাড়তি কিছু উদ্যোগ নিলে রাইস ব্রান অয়েলের জনপ্রিয়তা বাড়বে মনে করেন ক্যাব সভাপতি।


আরও খবর
যশোরে ১০ ঢাকায় ৮০

বুধবার ২৫ মে ২০২২




১৬ অঞ্চলে ৮০ কি.মি. বেগে ঝড়ের আভাস

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | ৬৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের ১৬টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যাওয়ার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে দুই নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় এমন পূর্বাভাস দেয় আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন- রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে দুই নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া দেশের অন্যত্র পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

অন্য এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল ও তৎসংলগ্ন এলাকার অদূরে অবস্থানরত লঘুচাপটি পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

এ অবস্থায় শনিবার (১৪ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বিজলী চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি  ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ঢাকায় দক্ষিণ/দক্ষিণপূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকবে ১০-১৫ কিলোমিটার, যা অস্থায়ীভাবে পশ্চিম/উত্তরপশ্চিম দিক থেকে দমকা হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে।

রোববার নাগাদ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা হ্রাস পেতে পারে এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। বর্ধিত পাঁচ দিনের শেষের দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।

শুক্রবার দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে দিনাজপুরে, ২০১ মিলিমিটার। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে, ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


আরও খবর



ওজন কমিয়ে বলিউডে ফিরছেন তনুশ্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বলিউডের আশিক বানায়া আপনে’ গার্লকে মনে আছে? নিজের রূপের জাদুতে একটা সময় নিজের আশিক’ বানিয়েছিলেন এই বঙ্গ ললনা। এরপর আচমকাই বলিউড কেরিয়ার, গ্ল্যামার দুনিয়াকে অলবিদা’ জানান তনুশ্রী দত্ত। অবশেষে স্বেচ্ছা নির্বাসন থেকে ফেরবার ইঙ্গিত দিলেন তনুশ্রী। আবার বলিউডে ফিরছেন  আশিক বানায়া আপনে’ খ্যাত  তনুশ্রী দত্ত।

৩৮ বছর বয়সী এই নায়িকা সদ্যই ১৮ কেজি ওজন ঝরিয়েছেন। তাঁর ট্রান্সফরমেশন সত্যি চমকে দেওয়ার মতো। ২০১০ সালে তাঁর শেষ সিনেমা ছিল অ্যাপার্টমেন্ট’। এরপরই অভিনয় জগৎ থেকে বিরতি নিয়েছিলেন তিনি। নায়িকার লেটেস্ট ইনস্টাগ্রাম পোস্টগুলিতে সেই আগের মতোই স্লিম তনুশ্রী ধরা দিয়েছেন। বয়স কমেছে যেন অনেক। তবে কি ফের এই হট নায়িকাকে রূপালি পর্দায় দেখা যাবে?

এক দশকেরও বেশি সময় গ্ল্যামার দুনিয়া থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন তনুশ্রী। ইন্ডাস্ট্রির বিরুদ্ধে নিজের চাপা ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন সময়ে। তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে পড়াশোনা শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি করছিলেন। ২০১৮ সালেই সেখানের গ্রিন কার্ড পেয়েছেন তনুশ্রী দত্ত। তবুও মন টিকল না যুক্তরাষ্ট্রে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরে চাকরির সুযোগ হাতছাড়া করে নায়িকা ফিরেছেন মুম্বাইয়ে। ২০০৫ সালে চকোলেট’ সিনেমার মধ্য দিয়ে বলিউডে পথ চলা শুরু তনুশ্রীর। এরপর বলিউডে একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। সম্প্রতি নায়িকা মনের কথা শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। 

ইনস্টা পোস্টে তনুশ্রী লিখেছেন- আমি বরাবরই নিয়মানুবর্তী, গোছানো মানুষ। মুম্বাই থেকে এসে লস অ্যাঞ্জেলেসে মার্কিন সরকারের সঙ্গে যুক্ত একটা আইটি ফার্মে চাকরি করছি। নিজের জীবনকে নতুন করে সাজিয়েছি। তবে নিজের ভিতরে থাকা শিল্পীসত্ত্বার তাগিদে আবারও ফিরতে চাই অভিনয়ে। নতুন মেক-ওভার করে ১৫ কেজি ওজন কমিয়েছি। ফিরছি…বলিউডে'।

তনুশ্রী লিখেছেন, ভাল লোকও তো আছে ইন্ডাস্ট্রিতে। হাতে বেশ কিছু কাজের অফার রয়েছে, সেগুলো নিয়ে নতুন করে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছেন। উল্লেখ্য, অভিনয় জগৎ থেকে দূরে থাকলেও অভিনেত্রীদের ওপর যৌন হেনস্থার প্রতিবাদে বছর কয়েক আগে সরব হয়েছিলেন তনুশ্রী। ২০১৮ সালে নানা পটেকর,গণেশ আচার্যদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে সংবাদ শিরোনামে আসেন তনুশ্রী।

নিউজ ট্যাগ: তনুশ্রী দত্ত

আরও খবর