আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

‘জাতিসংঘে পাঠানো চিঠি গণমাধ্যমে প্রকাশ করা উচিত হয়নি’

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
সিলেট প্রতিনিধি

Image

জাতিসংঘে পাঠানো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের থ্যাংকস লেটারটি (চিঠি) গণমাধ্যমে ছাপা উচিত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। যারা এটি ছেপেছে তারা দেশের শত্রুর মতো আচরণ করছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় সিলেটে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছরই জাতিসংঘ সফর শেষে এ ধরনের চিঠি দেয়া হয়। এটা একান্তই ব্যক্তিগত, এটি কীভাবে গণমাধ্যমে ছাপা হয় তা বোধগম্য নয়।

এ সময় পোশাক খাতে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে আব্দুল মোমেন বলেন, এসব খামোখা। আমার কাছে এমন কোনো তথ্য নেই। কিছু বিপথগামী লোক নির্বাচন বানচাল করতে এসব কথা বলে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।

জাতিসংঘে পাঠানো চিঠির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা গিয়েছিলাম সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘে। সেই সময় অনেকের সঙ্গেই সাক্ষাৎ হয়। আমাদের একটি রেওয়াজ আছে যাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হয়, দেখা-সাক্ষাৎ হয় তাদের একটি ধন্যবাদপত্র দেয়ার। এবারও সেটাই হয়েছে। ধন্যবাদ দেয়ার পাশাপাশি আমাদের যেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে সেসব কথাবার্তা চিঠিতে উল্লেখ করা ছিল; যা একান্ত ব্যক্তিগত চিঠি। আর এটা খামোখা একটি পত্রিকা ছেপে দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এটা বড় লজ্জার বিষয়। আমি জানি না এটা কীভাবে হলো, আমাদের দেশে কিছু লোক আছে যারা দেশের শত্রুর মতো আচরণ করছে। বাহবা পাওয়ার জন্য যা পাচ্ছে তাই গণমাধ্যমে নিয়ে আসছে। এটা হওয়া উচিত নয়। এটা খুব দুঃখজনক।


আরও খবর



রায়ে আমি হতাশ, সুপ্রিম কোর্টে আপিল করব : নাকানো এরিকো

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

জাপানি মা নাকানো এরিকো তার তিন মেয়েকে নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, আমি এতে অত্যন্ত হতাশ। আজকের রায়ের বিরুদ্ধে আমরা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করব, শুধু শিশুদের মঙ্গলের জন্য। এটি পেরেন্টাল শিশু অপহরণ, এটি শিশু নির্যাতন। শুধু তাই নয়, এটি পারিবারিক নির্যাতন।

আজ মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মামনুন রহমানের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ সংক্রান্ত আপিল আবেদন আংশিক মঞ্জুর করে এ রায় দেওয়ার পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন নাকানো এরিকো।

রায়ে বলা হয়, প্রথম ও তৃতীয় মেয়েকে নিয়ে জাপানি নাগরিক নাকানো এরিকো বাংলাদেশে বা যেকোনো দেশে বসবাস করতে পারবেন। তবে বাবা সন্তানদের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করার সুযোগ পাবেন। একইভাবে দ্বিতীয় মেয়ে লাইলা লিনা বাংলাদেশি বাবা ইমরান শরীফের কাছে থাকবেন। তবে জাপানি মা দ্বিতীয় মেয়ের সঙ্গে দেখার সুযোগ পাবেন।

এ বিষয়ে জাপানি মা নাকানো এরিকো বলেন, আমি গত তিন বছর ধরে বাংলাদেশে। আমি আমার চাকরি হারিয়েছি। আমি জাপানের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কাজ করতাম। কিন্তু আমি আমার চাকরি হারিয়েছি। শুধু আমার মেয়েদের জন্য। এমনকি আমার আয় দিয়ে জীবনযাপন করতাম। ইমরান কখনোই অধিকারের জায়গা থেকে মেয়েদের জন্য কোনো একটি পেনিও (অর্থ) দেয়নি। আমি মেয়েদের পড়াশোনা, আবাসন, খাদ্যসহ সব ব্যয়ভার বহন করতাম, আমার নিজের কথা ভুলে গিয়ে। আমি আমার জীবন নিয়ে চিন্তা করতাম না। কিন্তু, এটা কি বাংলাদেশে স্বাভাবিক? আপনাদেরও (সাংবাদিক) সন্তান আছে। আপনারা কি সন্তানের পড়াশোনার খরচ দেন না? নাকি সন্তানের মা দেন! কিন্তু ইমরান কোনো খরচই দিত না। আমি এখানে কোনো ধরনের কাজ ছাড়া তিন বছর ধরে রয়েছি। এসব কী! এটা বাংলাদেশ থেকে কী ধরনের ট্রিটমেন্ট (আতিথেয়তা/আচরণ)। আমি কাজকে ভালোবাসি।

নাকানো এরিকো আরও বলেন, বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেছে, দুই মেয়েকে বাংলাদেশে নিয়ে আসাটা ইমরানের অবৈধ, বেআইনি কাজ। কিন্তু ইমরান এখন হাইকোর্টের রায়ে এই কাজটা দীর্ঘদিন করতে পারবেন। আমি এতে অত্যন্ত হতাশ। আজকের রায়ের বিরুদ্ধে আমরা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করব, শুধু শিশুদের মঙ্গলের জন্য।

এটি পেরেন্টাল শিশু অপহরণ, এটি শিশু নির্যাতন। শুধু তাই নয়, এটি পারিবারিক নির্যাতন। জাপানে থাকা আমার পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সবাই আক্রান্ত হয়েছে। সবাই মানসিক আঘাতগ্রস্ত। এটি পারিবারিক নির্যাতন। গোপনে কারও সন্তানদের বাংলাদেশে নিয়ে এলে এটা তার এবং তার পরিবারের জন্য ট্র্যাজিডি, এটি জঘন্য। টোকিওর পারিবারিক আদালত সন্তানদের আমার সঙ্গে রাখার সিদ্ধান্ত দিয়েছিল। কিন্তু আজ হাইকোর্ট তা সম্পূর্ণ এড়িয়ে গেছেন, যোগ করেন জাপানি নারী নাকানো এরিকো।

নিউজ ট্যাগ: নাকানো এরিকো

আরও খবর



৪৯ বছরের মহিলাকে বিয়ে করলেন ১০৩ বছরের বৃদ্ধ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতে ১০৩ বছর বয়সে বিয়ে করেছেন এক মুক্তিযোদ্ধা। যাকে তিনি বিয়ে করেছেন সেই নারীর বয়স তার বয়সের চেয়ে অর্ধেকেরও কম। বিষয়টি নিয়ে দেশটিতে কয়েকদিন ধরে বেশ মাতামাতি চলছে।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রদেশের ভোপালে হাবিব নাজার নামের ১০৩ বছর বয়সী মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজ জাহান নামের ৪৯ বছর বয়সী এক নারীকে গত বছর বিয়ে করেন। কিন্তু বিষয়টি সামনে এসেছে এ বছরের জানুয়ারিতে যখন বিয়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।

এটি হাবিব নাজারের তৃতীয় বিয়ে। দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যু হলে তৃতীয়বারের মতো বিয়ে করেন তিনি। হাবিব জানিয়েছেন, আগের স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি একাকিত্ব বোধ করছিলেন; এ কারণে তৃতীয়বার বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

ভাইরাল হওয়ার ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নিজের নববধূকে নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিনি। ভিডিওতে হাবিবকে বলতে শোনা যায়, আমার কোনো কিছুর অভাব নেই। আমি শুধুমাত্র একাকিত্ব অনুভব করি।

হাবিব নাজারের প্রথম বিয়েটি হয়েছিল মহারাষ্ট্রের নাসিকে। দ্বিতীয় বিয়েটি তিনি করেছিলে উত্তর প্রদেশের লখনৌতে।

৪৯ বছর বয়সী নববধূ ফিরোজ জাহানেরও এটি দ্বিতীয় বিয়ে। স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনিও একাকি জীবন-যাপন করছিলেন। তিনি ১০৩ বছর বয়সী মুক্তিযোদ্ধাকে বিয়ে করতে সম্মত হয়েছেন কারণ তাকে দেখাশুনার জন্য কেউ নেই।

সাংবাদিকদের শতবর্ষী বৃদ্ধ হাবিব নাজার বলেছেন, আমার বয়স ১০৩ বছর। আর আমার স্ত্রীর বয়স ৪৯। আমি প্রথম বিয়ে করি নাসিকে। সে মারা যাওয়ার পর আমি লখনৌতে যাই পুনরায় বিয়ে করতে। আমার দ্বিতীয় স্ত্রীও অন্য পৃথিবীতে (মৃত্যু) চলে গেছেন। আমি একাকিত্ব বোধ করছিলাম। এ কারণে আবারও বিয়ে করেছি।

ফিরোজ জাহান জানিয়েছেন, ১০৩ বছর বয়সী বৃদ্ধাকে বিয়ে করতে কেউ তাকে চাপ দেয়নি। আমার স্বামী খুবই ভালো আছে এবং তার কোনো শারীরিক সমস্যা নেই। বলেন ফিরোজ জাহান।

নিউজ ট্যাগ: ভারত এনডিটিভি

আরও খবর



পুনম পাণ্ডে ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে ১০০ কোটির মামলা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

সার্ভিক্যাল ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর নাটক সাজিয়ে দেশজুড়ে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল ভারতীয় মডেল পুনম পাণ্ডে। এবার সেই ভুলের মাশুল গুনতে হচ্ছে তাকে। কানপুরে পুনম এবং তার স্বামী স্যাম বম্বের বিরুদ্ধে দায়ের হলো ১০০ কোটি রুপির মানহানি মামলা। নিজের জন্মভূমিতেই আইনি বিপাকে পড়লেন পুনম!

এর আগে ০২ ফেব্রুয়ারি সার্ভিক্যাল ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার খবর ছড়ায় পুনম পাণ্ডের ইনস্টাগ্রাম একাউন্ট থেকে।

এর একদিন পর অভিনেত্রী জানান, তিনি বেঁচে আছেন। মৃত্যুর ভুয়া খবরটি তিনিই ছড়িয়েছিলেন। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, আমি বেঁচে আছি। সার্ভিক্যাল ক্যানসারে আমি মারা যাইনি।’

তিনি আরও জানান, আগের মৃত্যুর পোস্টটি তিনি নিজেই দিয়েছিলেন। পুনম পাণ্ডে চেয়েছিলেন সার্ভাইক্যাল ক্যানসার নিয়ে সচেতনতার বার্তা দিতে। কিন্তু হিতে বিপরীত হয়ে গেল! মৃত্যু নিয়ে তো বটেই, এমনকী ক্যানসারের মতো মরণব্যাধি নিয়ে তার এমন রসিকতায় খেপে উঠেছেন ভক্তরাও। দাবি উঠছিল, আইনের আওতায় আনার। এবার মানহানি মামলায় জড়ালেন মডেল অভিনেত্রী।

এবিপি নিউজের প্রতিবেদন অনুসারে, কানপুরের পুলিশ কমিশনারের কাছে পুনম পাণ্ডের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন ফয়জান আনসারি নামে এক ব্যক্তি। সেই অভিযোগনামায় বলা হয়েছে, ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করা হয়েছে পুনম পাণ্ডে এবং তার স্বামীর বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার অনুরোধও জানিয়েছেন ওই ব্যক্তি।

এফআইআর-এ উল্লেখ রয়েছে, পুনম পাণ্ডে এবং স্যাম বম্বে ডেথ স্টান্টের ষড়যন্ত্র করেছেন।

এমনকী, ক্যানসারের মতো মারণ রোগ নিয়েও ছেলেখেলা করেছেন তারা। পুনম পাণ্ডে আসলে নিজের প্রচারের স্বার্থেই এমন প্রতারণা করে গোটা বলিউড এবং দেশবাসীর আবেগে আঘাত হেনেছেন।

২০১৩ সালে নাশা ছবিতে বলিউডে অভিষেক হয় পুনমের। অভিনয় করেছেন ভোজপুরি, কন্নড় ছবিতেও। সাহসী ও খোলামেলা পোশাকের কারণে সব সময়ই ছিলেন আলোচনায়।


আরও খবর
জন্মদিনে স্বর্ণের কেক কাটলেন উর্বশী

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বইমেলা মাতালো সিসিমপুর

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

অমর একুশে বইমেলায় সপ্তাহে দুইদিন শুক্র ও শনিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সময়কে শিশুপ্রহর ঘোষণা করেছে বাংলা একাডেমি। এ সময়টা খুদে পাঠকদের মেলাপ্রাঙ্গণে বই কেনার সঙ্গে নেচে-গেয়ে আনন্দ করার।

এ জন্যই গত কয়েক বছর ধরেই মেলা কর্তৃপক্ষ শিশুদের আনন্দ দিতে প্রতি শুক্র-শনিবার সকালে সুযোগ করে দেন বিটিভির শিশুতোষ বিষয়ক জনপ্রিয় অনুষ্ঠান সিসিমপুর লাইভ শো দেখার। এবারের মেলার প্রথম ছুটির দিনেই দেখা মিলল টুকটুকি, হালুম, শিকু, ইকরিদের।

শিশুপ্রহর উপলক্ষে বেলা ১১টায় খোলা হয় মেলার গেট। এরপরই মা-বাবার হাত ধরে আনন্দ করতে করতে মেলাপ্রাঙ্গণে প্রবেশ করে শিশুরা। মেলার গেট খোলার কিছুক্ষণ পরই শিশুচত্বরে একে একে হাজির হয় সিসিমপুরের প্রিয় চরিত্র টুকটুকি, হালুম, শিকু, ইকরি। বেজে ওঠে চলছে গাড়ি সিসিমপুরে, চলছে গাড়ি সিসিমপুরে।

টেলিভিশনের পর্দায় দেখা প্রিয় সিসিমপুর সরাসরি দেখার সুযোগ কেইবা হাত ছাড়া করতে চায়। তাইতো শিশুরা বাবা-মার সঙ্গে মেলাপ্রাঙ্গণে ছুটে আসে। বাবা-মার সঙ্গে মেলা আসা ৮ বছরে শিশু সিনথিয়া বলেন, আমি সিসিমপুর খুব পছন্দ করি। টুকটুকি, হালুম, শিকু, ইকরি দেখতে খুব মজা পাই। তাই আব্বু আমাকে নিয়ে এসেছে। অনেক আনন্দ লাগছে।

মায়ের সঙ্গে আসা জান্নাত অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, আমি প্রতি বছর আম্মুর সঙ্গে মেলায় আসি এই সিসিমপুর দেখার জন্য। নিজের চোখে দেখতে অনেক ভালো লাগে। টিভিতে এই অনুষ্ঠান সবসময় দেখি। আজ কিছু বইও কিনব।

সিসিমপুরের উদ্বোধন ঘোষণা করে শিশুদের উদ্দেশে বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক কবি নুরুল হুদা বলেন, শিশুদেরকে জন্মের পর থেকেই শব্দ শেখাতে হবে। বাঙালি শিশু জন্মের পর বাংলা শব্দ শিখবে, ইংরেজ শিশু ইংরেজি শব্দ শিখবে এবং আরব শিশু আরবি শব্দ শিখবে। সিসিমপুর কিন্তু কোন বিশেষ ভাষার শব্দ নয়। সারা পৃথিবীর ভাষার একটি শব্দ। সিসিম হচ্ছে একটি গুহা। এই গুহাতে যদি তোমরা ঢোকো তাহলে দেখতে পাবে, সারা পৃথিবীর জ্ঞান ভাণ্ডার তোমার সামনে উন্মুক্ত হবে। শিশুরাই এই গুহায় ভালোবাসে। গুহার ভেতরে যে নতুন জিনিস আছে, রহস্য আছে, সেটা তারা বের করতে চাই। এই বইমেলা সারা পৃথিবীর রহস্যের একটি গুহা বিশেষ।


আরও খবর
ছুটির দিনেও ঢাকার বায়ু ‌‘অস্বাস্থ্যকর’

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল (শুক্রবার) শুরু হতে যাচ্ছে। এদিন বেলা ১১টায় পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হবে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, এ বছর কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটে ২ হাজার ৯৩৪টি আসনের বিপরীতে মোট আবেদন করেছেন এক লাখ ১২ হাজার ২৭৪ শিক্ষার্থী। সে হিসেবে একটি আসনের বিপরীতে লড়বেন ৩৮ জন। তবে গতবারের চেয়ে এবার এই ইউনিটে আবেদন কম পড়েছে সাড়ে ১০ হাজার ৬০৮টি। এতে করে এক আসনের বিপরীতে আবেদন কম পড়েছে ৪টি।

পরীক্ষায় সময় থাকবে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। এর মধ্যে ৬০ নম্বরের এমসিকিউ অংশের জন্য বরাদ্দ থাকবে ৪৫ মিনিট। ৪০ মার্কের লিখিত অংশের জন্য বরাদ্দ থাকবে ৪৫ মিনিট।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ঢাবির চারটি ইউনিটে ৫ হাজার ৯৬৫টি আসনের বিপরীতে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষার জন্য এবার মোট আবেদন পড়েছে ২ লাখ ৭৮ হাজার ৯৯৬টি। সে হিসেবে আসনপ্রতি ভর্তি হতে চান ৪৭ জন। আইবিএ অনুষদসহ মোট ২ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৫ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিট তথা বিজ্ঞান ইউনিটে আসন রয়েছে এক হাজার ৮৫১টি। এ জন্য আবেদন করেছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৮২ জন। আসনপ্রতি ৬৬টি আবেদন পড়েছে। ইউনিট তথা ব্যবসায় শিক্ষায় ১ হাজার ৪০টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৩৭ হাজার ৬৮১টি।

'চ ইউনিট তথা চারুকলা ইউনিটে আসন রয়েছে ১৩০টি। মোট আবেদন পড়েছে ৭ হাজার ৩৮টি। আসনপ্রতি আবেদন করেছেন ৫৪ জন।


আরও খবর