আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

জাপানে কৃষি খামারে ভালুক তাড়াতে রোবট নেকড়ের ব্যবহার

প্রকাশিত:রবিবার ০১ অক্টোবর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ অক্টোবর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

সাধারণভাবে দেখতে আর দশটা নেকড়ের মতোই। চোখ থেকে যেন ঠিকরে বের হচ্ছে আগুনের হলকা। গলা চিরে বেরিয়ে আসছে নেকড়ের ডাক। কিন্তু সেটি আসল নেকড়ে নয়। এটি জাপানের একটি প্রতিষ্ঠানের তৈরি রোবট নেকড়ে। যেটিকে কৃষকেরা তাদের খামারে ভালুকসহ অন্যান্য প্রাণী তাড়াতে ব্যবহার করছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে রোবট নেকড়ের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান উলফ কামুয়ি সেটিকে প্রাণী তাড়ানোর উপযোগী করে তৈরি করেছিল। কিন্তু পরে তাঁরা সেটিকে ভালুক তাড়ানোর কাজেও ব্যবহার করা যায় কিনা পরীক্ষা করে দেখেছেন।

তিন বছরেরও বেশি সময় আগে, ২০২০ সালের শরৎকালে জাপানের তাকিকাওয়া শহরে প্রথমবারের মতো রোবটটিকে কাজে লাগানো হয়। সে বছরই সেটিকে ভালুক তাড়ানোর কাজে ব্যবহার করে ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়। তার পর থেকেই স্থানীয় কৃষকেরা রোবট উলফ কিনতে ভিড় জমানো শুরু করেছেন উলফ কামুয়ির বিক্রয় কেন্দ্রে। 

আরও পড়ুন>> প্রবীণদের মর্যাদা-অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: জাতিসংঘ মহাসচিব

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, জাপানে বুনো ভালুকের আক্রমণ, ফসল নষ্ট করা নতুন কোনো বিষয় নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময় বিষয়টি বেড়ে গিয়েছে। যার ফলে কৃষকদের বেশ ক্ষতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এ অবস্থায় কৃষকেরা ভালুকের হাত থেকে বাঁচতে আশ্রয় নিচ্ছেন রোবট নেকড়ের।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন জাপানের টোকিও ইউনিভার্সিটি অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির অধ্যাপক শিনসুকে কোইকে। তিনি বলেন, জাপানে শহুরে লোকজনের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে, তরুণ প্রজন্ম এখন আর গ্রামে থাকতে চায় না। তারা শহরে চলে আসায় গ্রামে রয়ে গেছে কেবল বয়স্ক লোকেরা।

তাঁর মতে বয়স্ক লোকদের পক্ষে কৃষিকাজ চালিয়ে নেওয়া কঠিন। পাশাপাশি কৃষি খামারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আরও কঠিন। এ ছাড়া, আগে কৃষিজ ভূমি এবং পার্বত্য বনভূমির মধ্যে একটি বাফার জোন ছিল। কিন্তু এখন সেটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে বন থেকে প্রায়ই ভালুকসহ বিভিন্ন প্রাণী নেমে এসে কৃষি খামারের ক্ষতি করছে। বন্য প্রাণীদের নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব এবং খাদ্য সংকটও সেগুলোর লোকালয়ে চলে আসার অন্যতম কারণ বলে চিহ্নিত করেছেন তিনি।

কেবল যে কৃষি খামারের ক্ষতিই হচ্ছে তা নয়, প্রাণ যাচ্ছে সাধারণ মানুষেরও। বিগত ৬০ বছরে কেবল হোক্কাইডো প্রিফেকচারেই দেড় শতাধিক ভালুকের হামলা সংঘটিত হয়েছে। এসব হামলায় অনেকে প্রাণ হারিয়েছেন। কেবল ২০২১ সালেই ৪ জন নিহত হয়েছে ভালুকের হামলায়। আগত হয়েছে আরও অন্তত ১০ জন। এ অবস্থায় আপাত একটি সমাধান হিসেবে ধরা দিয়েছে এই রোবট নেকড়ে।


আরও খবর



ইউটিউবের শর্টসে আসছে নতুন চমক

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

জনপ্রিয় শর্ট ভিডিও প্ল্যাটফর্ম টিকটককের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ইউটিউব। ছোট আকারের ভিডিও সহজে তৈরি ও প্রকাশের সুযোগ থাকায় প্রতিনিয়ত তরুণ-তরুণীদের কাছে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ইউটিউবের স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও (শর্টস)। ফলে নতুন ফিচার আপডেট করে যাচ্ছে ইউটিউব। এবার ইউটিউব শর্টসের জন্য তিনটি নতুন ফিচার নিয়ে আসছে গুগল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিভিত্তিক ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চ এর প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তরুণ-তরুণীদের কাছে প্রতিনিয়তই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ইউটিউবের শর্টস সিগমেন্টটি। তাই নতুন ফিচার আনা হচ্ছে। তবে এসব ফিচার শুধু প্ল্যাটফরমটির প্রিমিয়াম ব্যবহারকারীদের জন্য। এবার ইউটিউবের শর্টসে তিনটি ফিচার যুক্ত হতে যাচ্ছে। ফিচারগুলো হলো ১- স্মার্ট ডাউনলোড, ২- পিক-ইন-পিকচার, ৩- জাম্প আহেড। ফিচারগুলো থেকে যেসব সুবিধা পাওয়া যাবে।

স্মার্ট ডাউনলোড: অনেকেই ইউটিউব থেকে শর্টস ডাউনলোড করে রাখতে চান। আবার অনেকেই লিংক সংরক্ষিত করে রাখে। মূলত ডাউনলোড করার কোনো অপশন না থাকায় লিংক সেভ করে রাখে। তবে স্মার্ট ডাউনলোড ফিচারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিও ডাউনলোড হয়ে যাবে। ডিাউনলোড হয়ে থাকা শর্টসগুলো ইউটিউবের লাইব্রেরিতে থেকে যাবে। এরফলে অফলাইনে সেসব ভিডিও দেখতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

পিক-ইন-পিকচার: সব ধরণের স্মার্টফোনে অ্যাপস মিনিমাইজ করে রাখা যায়। এছাড়া ডিসপ্লেতেও ছোট করে রাখা যায়। এমনই এক ধরণের ফিচারে আনতে যাচ্ছে ইউটিউব শর্টস। এই ফিচারটি হচ্ছে পিক-ইন-পিকচার। যার মাধ্যমে অ্যাপ থেকে বের হয়ে গেলেও শর্টসের ভিডিওগুলো ডিসপ্লেতে ছোট ফ্লোটিং উইন্ডোতে হয়ে থাকবে। এছাড়া এই উইন্ডো ফোনের যে কোনো জায়গায় রাখা যাবে।

জাম্প আহেড: ইউটিউবে একটি ভিডিও দেখা শুরু করলে কনটেন্টের কোনো অংশ ভালো না করলে টেনে দেখা যায় অথবা ডবল ক্লিক করেও টানা যায়। তবে জাম্প আহেড ফিচারের মাধ্যমে এখন থেকে ব্যবহারকারীরা ডাবল ক্লিকের মাধ্যমে রিকমেন্ডেড অংশ থেকে ভিডিও চালু হবে। এর ফলে সবচেয়ে ভালো অংশ থেকে বা অকর্ষণীয় জায়গার থেকে ভিডিওটি চালু হবে।


আরও খবর
ইউটিউবে যুক্ত হচ্ছে নতুন মিনি প্লেয়ার

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দী ২ লাখ মানুষ

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। টানা ৬ দিন স্থায়ী বন্যায় মানুষজন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বিশেষ করে ধরলা ও ব্রহ্মপূত্র নদী তীরবর্তী মানুষের কষ্টের শেষ নেই। এখানকার হাজার হাজার বন্যা কবলিত মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের রোববার (৭ জুলাই) সকাল ৯টায় পাওয়া তথ্য মতে, ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টের পানি কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি।

তথ্য অনুযায়ী, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ২৬.৫৮ সেন্টিমিটার, ধরলা ২৬.৩৬ সেন্টিমিটার, দুধকুমার ৩০.১১ সেন্টিমিটার ও তিস্তা নদীর পানি ২৯.২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলার ৯টি উপজেলার দুটি পৌরসভাসহ প্রায় ৬০টি ইউনিয়নের দুই লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। প্রাথমিকভাবে মানুষ যেসব উঁচু স্থানে গবাদিপশু রেখেছেন গত দুদিন ধরে সেসব স্থানে পানি ওঠায় গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। জীবন বাঁচাতে অনেকে নিজস্ব নৌকা, উঁচু রাস্তা, ফ্লাড শেল্টার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উঁচু ভূমিতে কিংবা আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

এদিকে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে দুধকুমার নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। এতে নতুন করে আরও প্রায় ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মিয়াপাড়া এলাকার পুরাতন বেড়িবাঁধটির দুটি স্থানে প্রায় ১শ মিটার এলাকা ভেঙে যায়। ফলে ভাঙা অংশ দিয়ে প্রবল স্রোতে প্রবেশ করে একের পর এক গ্রাম প্লাবিত হতে থাকে। পানি আরও বৃদ্ধি পেলে নাগেশ্বরী পৌর শহর পানিতে নিমজ্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাঁধ ভাঙায় এরইমধ্যে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মিয়া পাড়া, মালিয়ানি, সেনপাড়া, তেলিয়ানী, পাটেশ্বরী, বোয়ালেরডারা, অন্তাইপাড়, ধনিটারী, বিধবাটারী, বড়মানী, বামনডাঙ্গা, নাগেশ্বরী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের সাঞ্জুয়ার ভিটা, ভুষিটারী, ফকিরটারী গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিব্বির আহমেদ জানান, বাঁধ ভাঙার বিষয়টি আমি জেনেছি, সরেজমিন পরিদর্শন ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না।

কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. মঞ্জুর-এ-মুর্শেদ, ইউনিয়ন পর্যায়ে ৮৩টি মেডিকেল টিম বন্যা কবলিত এলাকায় কাজ করছে।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৬৬০ হেক্টর ফসলি জমি, বীজতলা ও শাকসবজি বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। পানি নেমে গেলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া যাবে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নবেজ উদ্দিন সরকার জানান, ২৬৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হওয়ায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, দুধকুমার নদীর তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণ চলমান আছে। সেগুলো বা পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভাঙার কোনো খবর তাদের কাছে নেই।


আরও খবর



বাঁশখালীতে শাশুড়ির মামলায় ২৯ বছর পর সাজাপ্রাপ্ত জামাই গ্রেফতার

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

বাঁশখালীতে শ্বাশুড়ির মামলায় ২৯ বছর ধরে পলাতক ১০ বছর সাজাপ্রাপ্ত জামাতা কামরুল ইসলাম (৫২) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত কামরুলের ভাই মো. সেলিম (৪৮) কেও গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার (২৯ জুন) রাতে বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মজনু মিয়ার নেতৃত্বে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ধামাইরহাট থেকে দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার কামরুল ইসলাম ও মো. সেলিম বাঁশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নের চাঁপাছড়ি গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে।

জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে কিশোরী শওকত আরা বেগম রুমিকে অপহরণ করে কামরুল ইসলাম ও তার ভাই সেলিম। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরী রুমির মা বুলবুল আক্তার বাঁশখালী থানায় মামলা দায়ের করেন। ১৯৯৯ সালে আদালত ওই মামলায় দুই আসামিকে ১০ বছর সাজা দেন। একই সাথে অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও তিন মাস করে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়। এরপর থেকে পলাতক ছিলেন সাজাপ্রাপ্ত দুই ভাই।

বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তোফায়েল আহমদ বলেন, গ্রেপ্তার দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে একটি করে মোট দুইটি জিআর সাজা পরোয়ানা আছে। দুই মামলায় উভয়ের ১০ বছর করে সাজা পরোয়ানা রয়েছে। একই সাথে অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো তিন মাস করে সাজা আছে। কামরুলের বর্তমানে ছেলে-মেয়ে এবং নাতি পর্যন্ত হয়ে গেছে।


আরও খবর



কোটা পুনর্বহাল করে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাসহ কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। রোববার (১৪ জুলাই) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ ২৭ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন।

রায়ে বলা হয়েছে, ২০১২ সালে করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের দেওয়া রায় ও আদেশ, ২০১৩ সালের লিভ টু আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের তা বহাল ও সংশোধিত আদেশ এবং ২০১১ সালের ১৬ জানুয়ারির অফিস আদেশের (মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতি-নাতনির কোটা) আলোকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/নাতি-নাতনিদের জন্য কোটা পুনর্বহাল করতে সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হলো। একইসঙ্গে জেলা, নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, উপজাতি-ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য কোটাসহ, যদি অন্যান্য থাকে, কোটা বজায় রাখতে নির্দেশ দেওয়া হলো। এ বিষয়ে যত দ্রুত সম্ভব, আদেশ পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে পরিপত্র জারি করতে নির্দেশ দেওয়া হলো।

রায়ে হাইকোর্ট বলেছেন, প্রয়োজনে উল্লিখিত শ্রেণির ক্ষেত্রে কোটা পরিবর্তন ও হার কমানো বা বাড়ানোর বিষয়ে এ রায় বিবাদীদের জন্য কোনো বাধা তৈরি করবে না। যেকোনো পাবলিক পরীক্ষায় কোটা পূরণ না হলে সাধারণ মেধাতালিকা থেকে শূন্য পদ পূরণ করায় সরকারের স্বাধীনতা রয়েছে।

রায় প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মো. সাইফুজ্জামান বলেন, বুধবার (১০ জুলাই) আপিল বিভাগ কোটার বিষয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আদেশ দিয়েছেন। আগামী ৭ আগস্ট শুনানির দিন রেখেছেন আপিল বিভাগ। ফলে আপাতত হাইকোর্টের রায় কার্যকর হবে না।

গত ৫ জুন সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এরপর ৯ জুন হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। ওইদিন এ আবেদন শুনানির জন্য আপিল বিভাগে পাঠিয়ে দেন চেম্বার আদালত।

সেদিন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেছিলেন, কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় বহাল থাকবে নাকি বাতিল হবে এ বিষয়ে আপিল বিভাগই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে সরাসরি নিয়োগে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি তুলে দিয়ে পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এর মধ্যে বুধবার (১০ জুলাই) প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের এ রায়ের ওপর চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা জারি করেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে এসময়ের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করতে বলেছেন আদালত। এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য ৭ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে।

এ আদেশের ফলে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে ২০১৮ সালে সরকারের জারি করা পরিপত্র বহাল থাকছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।


আরও খবর
আন্দালিব রহমান পার্থ ৫ দিনের রিমান্ডে

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪

কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি রোববার

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




রোববার ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি ঘোষণা

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। আগামীকাল রোববার সারাদেশে বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি পালন করবেন তারা।

শনিবার (৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় শাহবাগ মোড় থেকে অবরোধ তুলে নেন শিক্ষার্থীরা। অবরোধ তুলে নেওয়ার আগে নতুন এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এর আগে বিকেল পৌনে ৫টায় শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

অবরোধ তুলে নেওয়ার আগে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ হাসান। তিনি বলেন, আগামীকাল থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করা হবে। শিক্ষকরা তাদের আন্দোলন শেষ করে ক্লাসে ফিরে গেলেও আমরা ক্লাসে ফিরবো না। রোববার বিকেল ৩টা থেকে আমাদের বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি পালিত হবে। সব বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় এবং মহানগর ও জেলা শহরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শহরে অবরোধ করবেন।

এর আগে বক্তব্য রাখেন আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, আজ পুলিশ আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে। আমাদের দিকে আঙুল উঁচিয়ে কথা বলেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বাজে মন্তব্য করেছে। আমরা এর জবাব রাজপথে দেবো।


আরও খবর
যে কারণে চাকরি ছাড়লেন জাবি শিক্ষক

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪