আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

জামালপুরে বক্তব্য দিলেন বিএনপির নেতা আলাল, কারাগারে গেলেন চাঁদ

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ অক্টোবর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ অক্টোবর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জামালপুর প্রতিনিধি

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির মামলায় রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদকে জামালপুর জেলা জজ আদালতে হাজিরা করা হলে বিজ্ঞ বিচারক গ্রেপ্তারের আদেশ ও কারাগারা পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন। আজ সোমবার (০৯ অক্টোবর) সকালে জামালপুরে দ্রুত বিচার আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তানভীর আহমেদ এ আদেশ দেন।

এ প্রসঙ্গে মামলার বিবাদী পক্ষের আইনজীবি ফজলুল হক জানান, জামালপুর বিএনপির এক জনসভায় বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বক্তব্য দিয়ে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করার অভিযোগে রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদসহ সাতজনের নামে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ বাদী হয়ে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় আবু সাঈদ চাঁদ আদালতে হাজিরা দেন। এ মামলার তদন্তকারী সংস্থা আবু সাঈদ চাঁদকে গ্রেপ্তারের আবেদন করলে আদালত তাঁদের আদেশ মঞ্জুর করেন এবং কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ দেন। একই মামলায় জামিনে থাকা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম ও সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ্ মো.ওয়ারেছ আলী মামুন আদালতে হাজিরা দিলে আদালত তাঁদের জামিন বহাল রাখেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৯মে রাজশাহীর পুটিয়াতে এক জনসভায় বক্তব্যের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির দেন আবু সাঈদ চাঁদ। এ ঘটনার পরে জামালপুর জেলা বিএনপির এক জনসভায় বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বক্তব্য দিয়ে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করেন। এমন অভিযোগে গত ২৩ মে আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ বাদী হয়ে রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আললসহ বিএনপি-জামায়াতের ৭জন নেতার নাম উল্লেখ্য করে এবং অজ্ঞাত আরও ৪০০/৫০০জনকে আসামি করে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেন।


আরও খবর



সুপ্রিম কোর্টে অনুবাদ বিভাগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : প্রধান বিচারপতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সুপ্রিম কোর্টে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ অনুবাদ বিভাগ তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

আজ সোমবার সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার ও বাংলা ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে বাংলা একাডেমি ও বজলুর রহমান ফাউন্ডেশন এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

প্রধান বিচারপতি বলেন, আশা করি স্বয়ংসম্পূর্ণ অনুবাদ বিভাগ তৈরির উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নিজ ভাষায় উচ্চ আদালতের আদেশ বা রায় প্রাপ্তির ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন হবে। 

ওবায়দুল হাসান বলেন, সময়ের আবর্তে আমরা নিছক আনুষ্ঠানিকতার বাইরে বায়ান্নর চেতনাকে কতটা সমুন্নত রাখতে পেরেছি, সেটা পুনর্মূল্যায়নের সময় এখন এসেছে। অবাধ তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সাংস্কৃতিক অনুপ্রবেশের কারণে অনেক ক্ষেত্রেই বাংলা ভাষা আজ উপেক্ষিত। বইমেলার কথাই ধরুন। আমাদের দেশে সারা বছরে যত বই প্রকাশিত হয়, তার শতকরা আশি ভাগই ফেব্রুয়ারির বইমেলা কেন্দ্রিক। বাংলা বইয়ের পাঠক দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। তরুণ প্রজন্ম বাংলার সুবিশাল সমৃদ্ধ সাহিত্য ভান্ডার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এ অবস্থা হতে উত্তরণের জন্য আমাদের সকলকে উদ্যোগী হতে হবে।

আলোচনা সভা শেষে একুশে বইমেলায় সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন প্রকাশনার প্রদর্শনী ও বিক্রয় স্টল পরিদর্শন করেন প্রধান বিচারপতি। এ সময় তাঁর সঙ্গে আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার, বাংলা একাডেমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



মুক্তি পেলেন বিএনপি নেতা প্রিন্স

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স জামিনে মুক্ত হয়েছেন। শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

তিনি জানান, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স কারাগার থেকে বের হয়ে সরাসরি কলাবাগানের বাসভবনে যান।

এর আগে গত বছরের ৪ নভেম্বর বাড্ডার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সকে গ্রেফতার করে পুলিশ।


আরও খবর



শীত বাড়তে পারে, আগামী সপ্তাহে ফের বৃষ্টির আভাস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

আজ থেকে আগামী কয়েক দিন রাতের তাপমাত্রা ক্রমে কমে শীত বাড়তে পারে। একই সঙ্গে আগামী সপ্তাহে ফের বৃষ্টি শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা বেড়ে শীত কমেছে। বৃহস্পতিবার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। একদিন আগে সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে হয়েছে ১৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

বুধবার সকাল ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি হয়েছে। এসময়ে নওগাঁর বদলগাছীতে ৩ মিলিমিটার, রাজশাহী ও সৈয়দপুরে সামান্য বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

এসময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানান হাফিজুর রহমান।

শুক্রবার আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

শনিবার সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পরবর্তী পাঁচ দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা রয়েছে বলেও পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।


আরও খবর



মিয়ানমারে তরুণ-তরুণীদের সেনাবাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করল জান্তা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

মিয়ানমারের রাষ্ট্র পরিচালিত গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী সব পুরুষ ও ১৮ থেকে ২৭ বছর বয়সী সব নারীকে অবশ্যই সর্বোচ্চ দুই বছর সামরিক বাহিনীতে কাজ করতে হবে।

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকার দেশটির তরুণ-তরুণীদের সামরিক কার্যক্রমে যোগদান বাধ্যতামূলক করেছে। সম্প্রতি দেশটির বিভিন্ন অংশে জাতিগত সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াইয়ে চাপে পড়েছে সরকারি বাহিনী। এরই মধ্যে গতকাল শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এ ঘোষণা এল।

মিয়ানমারের রাষ্ট্র পরিচালিত গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী সব পুরুষ ও ১৮ থেকে ২৭ বছর বয়সী সব নারীকে অবশ্যই সর্বোচ্চ দুই বছর সামরিক বাহিনীতে কাজ করতে হবে। আর চিকিৎসক ও বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ যাদের বয়স ৪৫ বছর বয়সের মধ্যে, তাদের অবশ্যই তিন বছর কাজ করতে হবে। রাষ্ট্রের জরুরি অবস্থা বিবেচনায় এই সময়সীমা পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি এক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে মিয়ানমারের শাসন ক্ষমতা দখল করে দেশটির সামরিক বাহিনী। এর পর থেকে দেশটিতে বিশৃঙ্খলা লেগেই আছে।

গত বছরের অক্টোবর থেকে জাতিগত সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর জোট থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের সঙ্গে সংঘাতে লিপ্ত রয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। বিদ্রোহীদের পাশাপাশি গণতন্ত্রপন্থী যোদ্ধারাও তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছে। এ সংঘাতে বহু ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে সেনাবাহিনী। বহু সেনাসদস্য প্রাণও হারিয়েছেন। অনেকে প্রাণ বাঁচাতে পার্শ্ববর্তী দেশে সেনাসদস্যদের পালিয়ে যাওয়া এবং বিদ্রোহীদের কাছে আত্মসমর্পণের মতো ঘটনাও ঘটেছে।

১৯৬২ সালে প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় আসে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী। এর পর থেকে এটিই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলেছেন, সরকারি বাহিনী নতুন করে সৈন্য নিয়োগ দিতে এক প্রকার চাপে পড়েছে। তারা যুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই এমন সেনাদেরও সম্মুখ লড়াইয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

জান্তার মুখপাত্র জ মিন তুন রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেন, 'জাতির নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য সৈন্যদের পাশাপাশি সব নাগরিকের মধ্যে দায়িত্ব ছড়িয়ে দিতে হবে। তাই আমি সবাইকে বলতে চাই, তারা যেন গর্বের সঙ্গে জনগণের সামরিক পরিষেবা আইন অনুসরণ করে।'

বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগের এই আইনটি ২০১০ সালে প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত তা কার্যকর করা হয়নি। যারা এ আইন লঙ্ঘন করবে তাদের সর্বোচ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।


আরও খবর
আইনি লড়াইয়ে বড় জয় পেলেন ট্রাম্প

মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪




২১ বছর সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কথা বলেনি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতাকে হত্যার পর ২১ বছর সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দ্য টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোন অ্যাক্ট-১৯৭৪র সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের বিশাল সমুদ্রসীমায় আমাদের কোনো অধিকার ছিল না। ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যা করে সংবিধান লঙ্ঘন করে যারা ক্ষমতায় এসেছিল, ২১টা বছর তারা সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি।

তিনি বলেন, জাতির পিতা ভারতের সঙ্গে আমাদের স্থল সীমানার চুক্তি করে গিয়েছিলেন। সংবিধান সংশোধন করে চুক্তি বাস্তবায়ন করেন। তবে পরবর্তীতে সেটা কার্যকর করা হয়নি। এর ২১ বছর পর আমরা সরকারে এসে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করি।

সরকারপ্রধান বলেন, সে সময় কাজগুলো খুব গোপনীয়তার সঙ্গে শুরু করতে হয়েছিল। আমাদের সমুদ্রসীমা যাতে নিশ্চিত হয় সেজন্য জাতিসংঘে আমরা সই করে আসি। 

আরও পড়ুন>> পোস্তগোলা সেতু সংস্কার শুরু: বিকল্প পথ ব্যবহারের নির্দেশনা

তিনি বলেন, সমুদ্রসীমার সম্পদ আহরণ করে দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজে লাগানোর ওপর জোর দিয়েছে সরকার। আমাদের তরুণ সমাজ অত্যন্ত মেধাবী। তাদের পথ দেখালেই বীরদর্পে সামনে এগিয়ে যাবে। আমরা সেটাই চাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতাকে হত্যার পর বাংলাদেশ থমকে গিয়েছিল। আমরা আবার সেখান থেকে শুরু করে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করেছি। আমরা চাই, ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে উন্নত, সমৃদ্ধ, স্মার্ট বাংলাদেশ। আধুনিক প্রযুক্তি ও জ্ঞানসম্পন্ন নাগরিক গড়ে তুলতে চাই। আমরা বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাঁড়াবো। মর্যাদা নিয়ে চলবো। সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি নিয়ে রেখেছি। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সময়োপযোগী করে আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, খনিজ সম্পদসহ সব আমাদের উত্তোলন করতে হবে। কাজে লাগাতে হবে। এজন্য যথাযথ বিনিয়োগও প্রয়োজন। এজন্য আলাপ আলোচনা করছি। আন্তর্জাতিক টেন্ডারও দিয়েছি। আমরা বিশাল সমুদ্রসীমার যথাযথ ব্যবহার করে দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজে লাগাতে চাই।

সরকারপ্রধান বলেন, আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হবো না। তবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সামর্থ্য থাকতে হবে। ফোর্সেস গোল তৈরি করেছি। সে অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি।

এসময় তিনি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা আসুন। বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন। আমাদের ভৌগলিক অবস্থানের কারণেই বিনিয়োগ করে আপনারাও লাভবান হবেন।


আরও খবর