আজঃ শুক্রবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

জাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনায় নতুন আইন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৯ অক্টোবর ২০২১ | ৭৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে জাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনায় নতুন আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে জাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনা আইন ২০২১ এর অনুমোদন দেওয়া হয়। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।  তিনি বলেন, জাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনা আইন ২০২১ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, জাকাত তহবিল গঠন করা হবে। তহবিলের অর্থ সরকারিভাবে সংগৃহীত হবে। প্রবাসী বাংলাদেশি, বিদেশি যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থা থেকে প্রাপ্ত অর্থ যেকোনো তফসিলি ব্যাংকের জাকাত ফান্ডে জমা দিয়ে জাকাত আদায় করতে পারবেন। আর একটি বোর্ড থাকবে। ধর্মমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হবেন। জাকাত বোর্ডে সদস্য থাকবে ১০ জন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি করে দেওয়া হবে ইসলামি ফাউন্ডেশন বা ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে। কালেকশন ও ডিস্ট্রিবিউশনটা তারা করবেন। কাকে কাকে কীভাবে দেবে, এটা তারাই ঠিক করবে। তাদের একটি অ্যাকাউন্ট থাকবে, সেখান থেকে তারা অর্থ সংগ্রহ করবে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন পাওয়া আইনটিতে ১৪টি ধারা রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সরকারিভাবে জাকাত সংগ্রহ ও বিতরণ করা হবে এবং আধুনিক তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারিভাবে জাকাতদানে উদ্বুদ্ধ করা হবে। জাকাত সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন, জাকাতদানে আগ্রহী ব্যক্তিদের যাকাতযোগ্য সম্পদের বিষয়টি খসড়া আইনে রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সুরা তাওবায় প্রিসাইসলি সাতটি ক্যাটাগরি করে দেওয়া হয়েছে, প্রত্যেক ব্যক্তি যে জাকাতযোগ্য, সেই সাত ক্যাটাগরির যেকোনো একজনকে জাকাত দিতে পারবেন। বিভিন্ন ইসলামিক দেশগুলোতে বোর্ড আছে। অনেকেরই হয়ত ব্যক্তিগতভাবে দেওয়ার সুযোগ থাকে না, সে হয়তো জাকাতফান্ডে দিয়ে দিলেন। তখন জাকাত ফান্ড তার পক্ষে জাকাত আদায় করে দেবে।


আরও খবর



পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে টস জিতে ব্যাটিং বেছে নিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

শুক্রবার মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল।

সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় দুই দলের অবস্থান দুই মেরুতে। সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভ পর্বে উঠলেও সব ম্যাচে হেরে দেশে ফিরেছে টাইগাররা। অন্যদিকে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিয়ে সরাসরি ঢাকায় এসেছে বাবরবাহিনী।

বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর বাংলাদেশ দলে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। দল থেকে বাদ পড়েছেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস ও সৌম্য সরকার। ইনজুরির কারণে নেই সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল। তাদের জায়গায় দলে এসেছেন বেশ কয়েকজন নতুন মুখ। 

 


আরও খবর



কৃষি আইন প্রত্যাহার করে মোদীর আক্ষেপ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | ৪২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শেষ পর্যন্ত বিতর্কিত তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার করছে কেন্দ্র। গত প্রায় এক বছর ধরে ওই আইন নিয়ে আন্দোলন করছিলেন কৃষকরা। শুক্রবার জাতীর উদ্দেশে ভাষণে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যার অর্থ, কেন্দ্রীয় সরকার তথা মোদী পিছু হঠলেন।

যে কৃষি আইন বলবৎ করা নিয়ে অনড় ছিল কেন্দ্র, সেই অবস্থান থেকে সরে এল তারা। আইন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করে মোদীর আক্ষেপ, আমাদের উদ্দেশ্য সৎ ছিল। কিন্তু কৃষি আইনের সুফলের কথা কিছু কৃষককে আমরা বোঝাতে পারিনি।

আন্দোলনের পথ ছেড়ে কৃষকদের আবার চাষের ক্ষেতে ফিরতেও আবেদন জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আসুন, সব আবার নতুন করে শুরু করা যাক। পাশাপাশি তাঁর মন্তব্য, এখন কাউকে দোষারোপের সময় নয়।

গুরু নানকের জন্মদিবসে মোদীর এই ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনীতির কারবারিদের একাংশ। কারণ কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দিল্লির উপকণ্ঠে অবস্থানকারী কৃষকদের বড় অংশই পঞ্জাব এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। তাঁদের শিখ এবং জাঠ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা অনেক। আগামী বছরের গোড়াতেই ওই পঞ্জাব এবং উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোট।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে তিনটি কৃষি বিলে সংশোধন করে আইনে পরিণত হওয়ার পর থেকেই দিল্লি, পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্তানে বিরুদ্ধে তুমুল প্রতিবাদ-বিক্ষোভ শুরু হয়। বিশেষত, পঞ্জাবে সেই বিক্ষোভের আগুন তীব্র হতে থাকে। রাস্তা অবরোধ, রেল রোকো-আন্দোলনের মাধ্যমে কৃষি আইনের বিরুদ্ধে নিজেদের প্রতিবাদ জানায় কৃষক সংগঠনগুলি। তাদের অভিযোগ, নতুন আইনের ফলে লোকসানের মুখে পড়বেন কৃষকেরা।

ফসল নিয়ে তাঁদের দরাদরির ক্ষমতা কমে যাবে, প্রচলিত ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) পাওয়া থেকেও বঞ্চিত হবেন তাঁরা। পাশাপাশি, বেসরকারি এবং বড় সংস্থাগুলির কাছে কৃষিপণ্য মজুত রাখার রাস্তাও খুলে যাবে। যদিও মোদী সরকারের পাল্টা দাবি, নতুন কৃষি আইনে কোনও ভাবে কৃষকেরা বঞ্চনার শিকার হবেন না। এমএসপি ব্যবস্থাও থাকবে।


আরও খবর
ভারতে ধরা পড়ল ওমিক্রন

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1

দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ওমিক্রন

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1




আবরার হত্যা: ২২ আসামি আদালতে

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ২৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার রায় আজ। রায় ঘোষণার নির্ধারিত দিনে ২২ আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। রোববার (২৮ নভেম্বর) সকাল ৯টা ২৬মিনিটের দিকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে নিয়ে আসা হয়। মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় তাদের রাখা হয়েছে। দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করবেন। রায় ঘোষণার আগে তাদের এজলাসে তোলা হবে।

এদিকে, রায়কে কেন্দ্র করে আদালত পাড়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস‌্য মোতায়েন করা হয়েছে। গত ১৪ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের এ তারিখ ধার্য করেন।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করে আসামিরা। এ ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে পরের দিন ৭ অক্টোবর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ। ওই বছরের ১৩ নভেম্বর ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক ওয়াহেদুজ্জামান।

গত বছর ১৫ সেপ্টেম্বর ২৫ আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। মামলাটিতে ৬০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। গত ১৪ মার্চ এ মামলায় কারাগারে থাকা ২২ আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

অপর তিন আসামি পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ শুনানি করতে পারেনি। এরপর কয়েকজন আসামি নিজেদের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্যও দেন। গত ৭ সেপ্টেম্বর মামলায় কিছু ত্রুটি থাকায় রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি পুনরায় চার্জ গঠনের আবেদন করেন। ৮ সেপ্টেম্বর আদালত ২৫ আসামির বিরুদ্ধে পুনরায় চার্জ গঠন করেন। এরপর ১৪ সেপ্টেম্বর আত্মপক্ষ শুনানিতে ২২ আসামি আবারও নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

আসামিরা হলেন- বুয়েট ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহতামিম ফুয়াদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. অনিক সরকার ওরফে অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন ওরফে শান্ত, আইন বিষয়ক উপ-সম্পাদক অমিত সাহা, উপ-সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, গ্রন্থ ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ইশতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, ছাত্রলীগ কর্মী মুনতাসির আল জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর, মো. মুজাহিদুর রহমান, মো. মনিরুজ্জামান মনির, আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মো. মাজেদুর রহমান মাজেদ, শামীম বিল্লাহ, মুয়াজ ওরফে আবু হুরায়রা, এএসএম নাজমুস সাদাত, আবরারের রুমমেট মিজানুর রহমান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম, এস এম মাহমুদ সেতু, মুহাম্মদ মোর্শেদ-উজ-জামান মন্ডল ওরফে জিসান, এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম ও মুজতবা রাফিদ।

আসামিদের মধ্যে প্রথম ২২ জন কারাগারে আছেন। শেষের তিনজন পলাতক। আর ৮ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।


আরও খবর



হাফ ভাড়ার দাবিতে চট্টগ্রাম ও গাজীপুরে বিক্ষোভ

প্রকাশিত:বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১ | ২৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকার মতো চট্টগ্রাম নগরীতেও গণপরিবহনে অর্ধেক ভাড়ার দাবিতে বিক্ষোভ ও মানবন্ধন কর্মসূচি পালন করছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১ ডিসেম্বর)দুপুরে নগরীর প্রেস ক্লাবের সামনে জামালখান সড়কে মানবন্ধন এবং জামালখান চেরাগিপাহাড় সড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার সকাল ১১টা থেকে প্রেসক্লাবের সামনে জমায়েত হতে থাকেন নগরীর বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা। এরপর তারা হাফ পাস চাই, উই ওয়ান্টস জাস্টিস, নিরাপদ সড়ক চাই, সাবধানে গাড়ি চালান ইত্যাদি স্লোগান সম্বলিত পোস্টার প্ল্যাকার্ড নিয়ে মানবন্ধনে অংশ নেন। এসময় ছাত্ররা ঢাকার মতো চট্টগ্রামেও ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য গণপরিবহনে হাফ পাস চালুর দাবি জানান।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আরফান সৈয়দ নাম এক শিক্ষার্থী জানান, ঢাকায় হাফ পাস চালুর ঘোষণা দেওয়া হলেও চট্টগ্রামে চালু করা হচ্ছে না। এই ধরনের বৈষম্য কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা ঢাকার মতো চট্টগ্রামেও গণপরিবহনে অর্ধেক ভাড়ার দাবি জানাচ্ছি।

এদিকে, হাফ ভাড়া ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন করছেন গাজীপুরের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার সময় গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন করছেন বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা।


আরও খবর
বগি লাইনচ্যুত, ট্রেন চলাচল বন্ধ

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1




ফুসফুস রক্ষায় সহায়তা করে ফুলকপি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | ২৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ফুলকপিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। পাশাপাশি আছে ভিটামিন কে, বি৬, প্রোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ফাইবার, পটাসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ। শরীরকে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখার জন্য ফুলকপি অন্যতম। ফুলকপি ফুসফুস রক্ষায় সহায়তা করে। এতে পানির পরিমাণ থাকে ৮৫% এবং খুব অল্প পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে।

হৃদ-স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে :

ফুলকপিতে সালফারের যৌগ সালফোরাফেন থাকে যা ব্লাড প্রেশারের উন্নতিতে সাহায্য করে। গবেষণা মতে সালফোরাফেন ডিএনএ এর মিথাইলেশনের সাথে সম্পর্কিত যা কোষের স্বাভাবিক কাজের জন্য এবং জিনের সঠিক প্রকাশের জন্য অত্যাবশ্যকীয়, বিশেষ করে ধমনীর ভেতরের প্রাচীরের। সালফোরাফেন ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষ ধ্বংস করতে পারে এবং টিউমারের বৃদ্ধিকে বাঁধা দেয়। অন্য এক গবেষণায় জানা যায় যে, ফুলকপির সাথে হলুদ যোগ করে গ্রহণ করলে প্রোস্টেট ক্যান্সার নিরাময়ে ও প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়:

ফুলকপিতে আরেকটি উপকারী যৌগ কোলাইন থাকে। কোলাইন একটি বি ভিটামিন। এটি মস্তিষ্কের উন্নয়নে সাহায্য করে। প্রেগনেন্সির সময়ে ফুলকপি গ্রহণ করলে ভ্রূণের মস্তিষ্কের গঠনে সাহায্য করে। গবেষণায় নির্দেশ করা হয়েছে যে, জ্ঞানীয় কাজের, শিক্ষার এবং স্মৃতির উন্নয়নে সাহায্য করে কোলাইন।

শরীরকে বিষমুক্ত হতে সাহায্য করে:

ফুলকপির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীর পরিষ্কার হতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে গ্লুকোসাইনোলেটস থাকে যা এনজাইমকে সক্রিয় করে এবং ডিটক্স হতে সাহায্য করে।

প্রদাহ কমায়:

ফুলকপিতে ইন্ডোল ৩ কার্বিনোল বা I3C থাকে যা একটি অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান।এটি শক্তিশালী ইনফ্লামেটরি রিঅ্যাকশন প্রতিরোধ করে।

হজমের উন্নতি ঘটায়:

যেহেতু ফুলকপি ফাইবারের গুরুত্বপূর্ণ উৎস সেহেতু এটি হজমের উন্নতিতে সাহায্য করে। ওয়ার্ল্ডস হেলদিয়েস্ট ফুডস এর মতে, ফুলকপি পাকস্থলীর প্রাচীরের সুরক্ষায় সাহায্য করে। ফুলকপির সালফোরাফেন পাকস্থলীর হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে এবং পাকস্থলীর প্রাচীরে এর আবদ্ধ হওয়াকে প্রতিহত করে।

ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ:

ফুলকপিতে ভিটামিন সি, বিটাক্যারোটিন, কায়েম্ফেরোল, কোয়ারসেটিন, রুটিন, সিনামিক এসিড সহ আরো অনেক উপাদান থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতির হাত থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। এগুলো বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর গতির করে এবং টিস্যু ও অঙ্গের ক্ষতি হওয়া প্রতিহত করে।

 

নিউজ ট্যাগ: ফুলকপি

আরও খবর
আরও ১০৮ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1

করোনায় মৃত্যু ৩, শনাক্ত ২৬১ জন

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1