আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বেড়েছে ভিক্ষুক, বিব্রত শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
Image

জাবি প্রতিনিধি

দেশের একমাত্র আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে বেড়েছে ভিক্ষুকদের আনাগোনা। ক্যাম্পাসে ভিক্ষুকদের এমন অবাধ বিচরণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। ভিক্ষুকমুক্ত ক্যাম্পাস চায় তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অধিকাংশ শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পূর্ণ আবাসিক হওয়ায় এখানের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন হলে থেকে। পড়াশোনার ব্যয় নির্বাহের জন্য পরিবার থেকে পাঠানো নির্দিষ্ট টাকা নয়তো টুকটাক টিউশনির উপর নির্ভর করতে হয়। প্রতিটি টাকায় খরচ করতে হয় হিসেব করে। ক্যাম্পাস উন্মুক্ত হওয়ায় ভিক্ষুক, পাগল, ছিন্নমূল মানুষের অবাধ চলাফেরা বেড়েছে, এতে একদিকে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের পড়তে হয় বিব্রতকর অবস্থায়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক চলাফেরা বিঘ্নিত হচ্ছে। ভিক্ষুকের আড়ালে লুকিয়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে অপরাধী চক্রের। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে কতৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

সংস্কৃতির রাজধানীর খ্যাত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ভিক্ষুকরা অবস্থান নেয়। শহীদ মিনার, ডেইরি গেইট, নতুন কলা ভবন, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি), কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী, বটতলাসহ যেসব জায়গায় শিক্ষার্থীদের যাতায়াত বেশি, সেসব গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অবস্থান নেয় তারা। ক্লাস থেকে বের হতেই 'বাবা আমারে দুইডা টাকা দেন', 'স্যার কয়ডা টাকা দেন ভাত খামু'- এরকম আকুতি শুনতে হয় প্রায় সব শিক্ষার্থীকে। এছাড়াও কিছুদিন থেকে ২-৩ জন পাগলকেও ছোটাছুটি করতে দেখা যাচ্ছে।

শহীদ মিনারে বারবার হাত পেতে টাকা চাইছিল একজন বৃদ্ধা। তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, তার গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভিক্ষা করেন তিনি। সেন্ট্রাল ফিল্ডে আনুমানিক ৫ বছরের এক শিশু ভিক্ষা করা অবস্থায় বললো, 'মোরে কিছু টেহা দেও, মুই ভাত খামু, মোর মা বেমার (অসুস্থ), মোর বাপ মরা গেছে।' থাকে কোথায় জিজ্ঞেস করা হলে সে বলে, 'মুই মোর মায়ের লগে থাহি। মা আজ বেমার তাই মুই বের হইছি। মোর খালার লগে এখানে আইছি। খালা বইয়া আছে ওইদিকে, টাকা উঠান শ্যাষ হইলে লইয়া যাবো সাথে কইরা।'

সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৪৯তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মোঃ সিফাতুল্লাহ বলেন, 'ক্যাম্পাসে সবসময় ভিক্ষুক ছিল, শিক্ষার্থীরা মানবিক দিক বিবেচনা করে সাহায্য করে। তারা রাস্তার পাশে থেকে ভিক্ষা করতে পারে কিন্তু অনেকে ক্লাস চলাকালীন অবস্থায় ঢুকে পড়েন। এটা একই সাথে বিরক্তির কারণ আবার উদ্বেগেরও বিষয়। কোন ফর্ড যাতে ভিক্ষার নামে এসে অপকর্ম করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।'

বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের ৫১তম আবর্তনের আরেক শিক্ষার্থী অমি বলেন, 'আমাদের শিক্ষার্থীদের চাহিদার চেয়ে অর্থ কম, তার উপর এতো এতো ভিক্ষুককে অনুগ্রহ দেখানো আমাদের পক্ষে অসম্ভব। তাই এটা একটা সমস্যায় পরিণত হয়েছে।'

সার্বিক বিষয়ে জানতে ক্যাম্পাসের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, 'ক্যাম্পাসে তো বহিরাগত নিষিদ্ধ নয়, নিষিদ্ধ হলে আমরা ব্যাবস্থা নিতে পারতাম। আর ভিক্ষুকের আড়ালে কে অপরাধী সেটা বোঝা কষ্টকর। গত পরশু দিন আমরা পরিসংখ্যান এর সামনে থেকে একজনকে ধরে নিয়ে আসলাম। আসলে তাদের উদ্দেশ্য হলো কেউ না থাকলে ভিতরে যা কিছু পাবে তাই নিয়ে যাবে। ডিপার্টমেন্টের ভিতরে এবং বাইরে গার্ড থাকে, তাদের এবিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।'


আরও খবর



ঠাকুরগাঁওয়ে সুদারুদের চাপে চিরকুট লিখে যুবকের আত্মহত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও

Image

ঠাকুরগাঁওয়ে সুদারুদের চাপ ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে শিক্ষকসহ সাতজনের নাম চিরকুটে লিখে আত্মহত্যার করেছে এক যুবক।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের মাদ্রাসাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত শফিকুল ইসলাম (৪৫) ওই এলাকার মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঠাকুরগাঁও সদর থানার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবি.এম ফি‌রোজ ওয়া‌হিদ। তবে সুদখোরদের হুমকিতে আতঙ্কে রয়েছে নিহতের পরিবারের লোকজন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সম্ভবত রাত তিন থেকে চারটার দিকে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। সকালে তার লাশটি ঘরের বারান্দায় দেখতে পায় তারা। পরে তারা থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি চিরকুটও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ওই চিরকুটে ৭ জনের নাম রয়েছে। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন সেটা জানি না। আমরা টাঙ্গাইল থেকে এসেছি। আমাদের এখানে আত্মীয়-স্বজন কেউ নেই বলে জানান নিহতের পরিবার।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নিহত শফিকুল ইসলাম পাঁচ মেয়ে, এক ছেলে ও স্ত্রী নিয়ে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মাদ্রাসা পাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিলেন। তিনি ফেরি করে কাপড় ব্যবসা করতেন। পুলিশ লাইনের সামনে একটি পানের দোকান রয়েছেও তাঁর। এই বড় পরিবার তিনি চালাতে গিয়ে প্রায় হিমশিম খেতে ছিলেন। এ সময় তিনি বেশ কয়েকজনের কাছে ঋণ মাহাজন করেছিলান। আর ঋণ মাহাজনের টাকার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করতেন সুদখোররা। চাপ সহ্য করতে না পেরে ভোররাতে ঘরের বারান্দায় চালার বাশের সঙ্গে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করেন। তবে মৃত্যুর আগে এক চিরকুটে শিক্ষকসহ সাতজনের নাম লিখে যান তিনি।

চিরকুটে যে সাতজনের নাম লিখে গেছেন তারা হলেন, মো. জুয়েল ইসলাম, মো. হুমায়ুন কবীর, মোহাম্মদ সামিউল ইসলাম, মো. আশরাফুল ইসলাম, মো. হাবু ও পৌর শহরের কলোনির একজন।

চিরকুটে যাদের নাম রয়েছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা তাঁরা কেউ কথা বলতে রাজী হননি।

সুদের ভয়াল ছোবলে নি:শ্ব হওয়া নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক একজন জানান, আমি বিপদে পরে এক বোর্ড অফিস এলাকার জাহাঙ্গীর সুদারুর কাছ থেকে কিছু টাকা নিয়ে ছিলাম। সে আমার ব্যাংক চেক ও ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়। সেই টাকার ৫ গুন লাভ দিয়েও  ঋণের হাত থেকে রেহাই পাইনি। পরে সুদ পরিশোধ করতে সমিতি থেকে কিস্তি তুলি। এভাবে দেনা বাড়তে বাড়তে বাড়ির জায়গা পর্যন্ত বিক্রি করে এখন আমি নিঃস্ব।

সুদের টাকা দিতে দেরি হলে বিভিন্ন রকম হুমকি ধামকি ও অশ্লীল ভাষায় গালাগালিও করে সুদখোররা। প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদও করা যায় না। সুদারুদের কাছে সর্বস্ব দিয়েও এর হাত থেকে রেহায় পাচ্ছেন না ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ।

সমাজ উন্নয়নকর্মী মনিরুজ্জামান মিলন বলেন, বর্তমানে সুদখোরেরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। আইন না থাকায় তাদের নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ পুলিশ-প্রশাসন। সুদ গ্রহিতার কাছ থেকে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর ও ফাঁকা চেক নিয়ে জিম্মি করছে তাদের। অনেক ক্ষেত্রে আসল ও কিছু সুদের টাকা পরিশোধ করলেও সুদের সুদ দিতে না পারলে ঐ দুই কাগজের বলে আইনের মারপ্যাচে জেলে যেতে হচ্ছে অসহায় সুদ গ্রহিতাকে।

তিনি আরো বলেন, এখানে ধনীরা আরো ধনী হচ্ছে। গরিব আরো গরিব হচ্ছে। যার ন্যূনতম একটা সম্মানবোধ আছে, তিনি হয়ত আত্মহত্যা করছেন। কিন্তু আমাদের দেশে তো হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণখেলাপি হয়ে অনেকেই আয়েসে জীবন যাপন করছেন। তাদের ঐ সম্মানবোধটাই নেই। ফলে অনেকে জীবন বাঁচাতে ঋণ নিয়ে সেটারই ফাঁদে পড়ছে। যার ফলে এই ধরনের ঘটনায় আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানা ওসি এবি এম ফি‌রোজ ওয়া‌হিদ বলেন, পোস্টমর্টেম করা হয়েছে। তিনি চিরকুটে কয়েকজনের নাম লিখে আত্মহত্যা করেছেন এটি কি তিনি লিখেছেন নাকি কাউকে ফাঁসানোর জন্য অন্য কেউ লিখে রেখেছেন সেটা আমরা তদন্ত করে দেখছি। এ মুহূর্তে অন্য কিছু বলা সম্ভব না।


আরও খবর



সরকারি চাকরিতে ৩ লাখ ৭০ হাজার পদ খালি: জনপ্রশাসনমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারি চাকরিতে অনুমোদিত পদ ১৯ লাখ ১৫১টি। তার মধ্যে শূন্য পদ রয়েছে তিন লাখ ৭০ হাজার ৪৪৭টি বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত বিএসআরএফ সংলাপে অংশ নিয়ে জনপ্রশাসনমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, গত ১০ বছরে প্রথম থেকে নবম গ্রেডের ৩৫১ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে। এর মধ্যে গুরুদণ্ড পেয়েছেন ৪১ জন, লঘুদণ্ড পেয়েছেন ১৪০ জন। সব মিলিয়ে শাস্তি পেয়েছেন ১৮১ জন। আর ১৭০ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর
সাত নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




রামগঞ্জে বসতঘর চাপায় শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি:

লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ চাঙ্গিরগাও গ্রামে ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে বসতঘর চাপা পড়ে নিস্পু নামের ৭ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন শিশুটির নানী হোসনেয়ারা বেগম (৬৫)।

আজ সোমবার দুপুর আড়াইটায় উপজেলার ৫নম্বর চন্ডিপুর ইউনিয়নে দক্ষিন চাঙ্গিরগাঁও গ্রামের দেবুর বাড়ির পাশে গরুর ব্যাপারী ছাকায়েত উল্যার বাড়ির লুৎফর রহমানের বসতঘরটি ঘূর্ণিঝড় রিমেলের আঘাতে ভেঙ্গে পড়ে। এসময় ঘরের ভিতরে থাকা হোসনেয়ারা বেগম (৬৫) ও নাতনি নিস্পু (৭) ভেঙে যাওয়া ঘরের নিচে চাপা পড়ে।

প্রতিবেশীরা ঘরের নিচে চাপা পড়া হোসনেয়ারা ও নিস্পুকে উদ্ধার করে রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ডাক্তার নিস্পুকে মৃত ঘোষণা করে।

এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু গাছপালা ভেঙ্গে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ শারমিন ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থলে লোক পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রিপোর্ট প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর



উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস, ৯ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় ৯ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে আটজন রোহিঙ্গা ও একজন স্থানীয় শিশু। বুধবার (১৯ জুন) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে শিশু ও নারী রয়েছেন। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন- রোহিঙ্গা মো. হারেস (২), মোছা. ফুতুনি (৩৪), মো. কালাম, মোছা. সেলিনা খাতুন, আবু মেহের, জয়নব বিবি, মো. হোসেন আহমদ (৩০), তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও স্থানীয় শিশু আবদুল করিম (১২)।

পালংখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, অতি ভারী বৃষ্টির কারণে থাইংখালি ১৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাহাড়ধসে কাঁটাতারের বাইরে শাহ আলমের বাড়িতে এসে পড়ে। এ সময় আব্দুল করিম নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়।


আরও খবর



হেনস্তার ঘটনায় মানহানি মামলা করলেন রবিনা ট্যান্ডন

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

সম্প্রতি মুম্বাইয়ের রাস্তায় হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী রবিনা ট্যান্ডন। এ সময় অভিনেত্রীর ড্রাইভার তিন পথচারীকে আঘাত করে বলে অভিযোগ তোলেন এক ব্যক্তি। তিনি আরও দাবি করেন যে অভিনেত্রী মদ্যপ অবস্থায় বেরিয়ে এসে তাকে লাঞ্ছিত করেন।

আর এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরলে অনুরাগীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার শিকার হয়েছেন। এবার নেটিজেনের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করলেন রবিনা ট্যান্ডন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনেত্রী বলেন,ভালবাসা এবং সমর্থন দেওয়ার জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আমার উপর বিশ্বাস রাখার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই। তবে শেষ পর্যন্ত এই গল্পের মূল কথা কী দাঁড়াল জানেন? ড্যাশক্যাম ও সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়ে রাখুন।

রবিনার আইনজীবী বলেন,সম্প্রতি অভিনেত্রী রবিনাকে মিথ্যে অভিযোগে জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে। যা সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্ট করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে অভিযোগটি প্রত্যাহার করা হয়েছিল। তবে একজন ব্যক্তি, যে নিজেকে সাংবাদিকে বলে দাবি করেছেন। তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে এক্স হ্যান্ডেলে মিথ্যে তথ্য প্রচার করছে। যা বাস্তবিকভাবে ভুল এবং বিভ্রান্তিকর।

পুলিশ জানায়, সাংবাদিকের মিথ্যে খবরের এই প্রচারটি উদ্দেশ্যমূলক রবিনার নামকে বদনাম করার একটি প্রচেষ্টা ছিল। তারা বর্তমানে এই সমস্যাটির সমাধান করতে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন। পাশাপাশি রবিনার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য, রবীনা ট্যান্ডনের পাত্থর কে ফুল দিয়ে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন। ছবিটি বক্স অফিসে হিট হয় এবং এই অভিনয়ের জন্য তিনি লাক্স বর্ষসেরা নতুন মুখ হিসেবে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন।

নিউজ ট্যাগ: রবিনা ট্যান্ডন

আরও খবর