আজঃ রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

জাহাঙ্গীরের জায়গায় আতাউল্লাহকে দায়িত্ব দিয়েছে আ.লীগ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | ৬৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মো. আতাউল্লাহ মণ্ডলকে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পদটি শূন্য হওয়ায় কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) দলটির দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত ১৯ নভেম্বর বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করার দায়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

একই সঙ্গে বৈঠকে মেয়র জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গত সেপ্টেম্বরে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটূক্তির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ১১ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ ছাড়াও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লাহ খান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, হেফাজতের প্রয়াত নেতা জুনায়েদ বাবুনগরীর সঙ্গে তার সখ্য ও রাষ্ট্রীয় দুটি সংস্থা নিয়ে নানা আপত্তিকর মন্তব্য করেন মেয়র জাহাঙ্গীর।

এরপর গাজীপুরে দলের নেতাকর্মীরা তার বিরুদ্ধে রাস্তায় নামেন। তার বহিষ্কার দাবি করে সড়ক অবরোধ করে মিছিল-সমাবেশও করেন নেতাকর্মীরা। দলের নেতাকর্মীরা এই ধরনের কাজকে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ হিসেবে দেখেন। এরপর গত ৩ অক্টোবর দলের স্বার্থপরিপন্থী কর্মকাণ্ড ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে শোকজ চিঠি পাঠায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।


আরও খবর



আজ থেকে শুধু ঢাকায় শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

প্রকাশিত:বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১ | ২৩১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শুধু ঢাকায় শিক্ষার্থীদের জন্য শর্ত সাপেক্ষে বাসে হাফ ভাড়া কার্যকর হচ্ছে আজ থেকে। বুধবার (১ ডিসেম্বর) থেকে সারাদেশে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বাসে এ ভাড়া কার্যকর হচ্ছে। পাশাপাশি ঢাকা মহানগরীতে বেসরকারি মালিকানাধীন বাসে কার্যকর হচ্ছে।

বিআরটিসি চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা বিআরটিসির সব বাসের চালক ও কন্ডাক্টরসহ সবাইকে এটি কার্যকর করতে নির্দেশনা দিয়েছি। বিআরটিসির বাসে যাতে এ নিয়ে কোনো ধরনের বাকবিতণ্ডা না হয় সে ব্যাপারে তাদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

সরকারি বাসে হাফ ভাড়ার বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সংস্থা (বিআরটিএ)। কিন্তু বেসরকারি বাস মালিকদের হাফ ভাড়া ঘোষণার বিষয়ে কোনো প্রজ্ঞাপন জারি হবে না। ফলে এতে আশ্বস্ত হতে পারছে না আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, প্রজ্ঞাপনে অর্ধেক ভাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। প্রজ্ঞাপনের দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার বিআরটিএ কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা।

গতকাল সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে শর্ত সাপেক্ষে ঢাকায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার ঘোষণা দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েতে উল্যাহ। আজ বুধবার থেকে বাসে শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র প্রদর্শনসহ কিছু শর্ত মেনে হাফ ভাড়া কার্যকর হচ্ছ।

২০১৮ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাজধানীতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে। তাদের আন্দোলনের ৯টি দাবি ছিল। সেগুলোর একটি ছিল বাসে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া নেওয়ার দাবি। এ দাবি বাস্তবায়নে বাধা ছিলেন বেসরকারি বাস মালিক নেতারা। এছাড়া আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বিআরটিসিও কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। তবে শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় আন্দোলনের চাপে এখন হাফ ভাড়া কার্যকর হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: বিআরটিসি

আরও খবর



আর্মেনিয়ার সঙ্গে সংঘর্ষে আজারবাইজানের ৭ সেনা নিহত

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | ২৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আর্মেনিয়ার সঙ্গে সীমান্তে সংঘর্ষে আজারবাইজানের ৭ সেনা নিহত হয়েছে। আর্মেনিয়ার সরকারি কর্মকর্তারা বলছে, আজারবাইজানের সেনারা তাদের ১৩ সেনাকে ধরে নিয়ে গেছে। অন্যদিকে তাদের ১ সেনা নিহতসহ আরও ২৪ সেনাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

ঘটনার জন্য উভয়পক্ষ বিপরীত পক্ষকে দোষারোপ করছে।

আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজারবাইজানের সেনারা তাদের সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়েছে। 

অন্যদিকে, আজারবাইজান সরকার আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে বড় ধরনের উসকানির অভিযোগ তুলেছে।

কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার খবরে সর্বশেষ সংঘর্ষের ঘটনাকে, গত বছরের ৪৩ দিনের যুদ্ধের পর সব চেয়ে বড় ধরনের সঙ্ঘাত বলে উল্লেখ করেছে।

২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে সাবেক সোভিয়েতভুক্ত দুই দেশ আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ৪৩ দিনব্যাপী এই যুদ্ধে উভয়পক্ষের ব্যাপক সংখ্যক সেনা হতাহত হয়। পরে রাশিয়ার মধ্যস্থতায় উভয়পক্ষ যুদ্ধবিরতি চুক্তি করে। কিন্তু যুদ্ধবিরতির পরও উভয় পক্ষ একাধিকবার সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। 

সর্বশেষ সংঘাতের পর রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সেরজেই সইগু উভয় দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী উভয়পক্ষকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন।

জর্জিয়ার রাজধানী তিবলিসি থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক রবিন ফরেস্টিয়ার জানিয়েছেন, বুধবার উভয়পক্ষ যুদ্ধবিরতি পালন করেছে।

আল জাজিরার এই সাংবাদিক বলেন, গত বছরের নাগোর্নো-কারাবাখ সংঘর্ষের পর আমরা সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ দেখতে পেয়েছি। তবে এবার ঘটনাস্থল নাগোর্নো-কারাবাখ নয়। আর্মেনিয়া দাবি করেছে, তাদের সার্বভৌম সীমান্তের ভেতরেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

সাংবাদিক ফরেস্টিয়ার বলেন, আর্মেনিয়ার সঙ্গে ইরানের সীমান্ত ও আজারবাইজানের সঙ্গে আর্মেনিয়ার সীমান্তস্থল নাকচিভানে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

নিউজ ট্যাগ: আজারবাইজান

আরও খবর
করোনায় আরও ৭ হাজারের বেশি মৃত্যু

শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১




সুনামগঞ্জে পরিবহন বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা

প্রকাশিত:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | ২৭৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মামলা প্রত্যাহার, ট্রাফিক পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের সকল প্রকার হয়রানি বন্ধ, মেয়াদোত্তীর্ণ সেতু থেকে টোল আদায় বন্ধসহ ৫ দফা দাবি আদায়ে সুনামগঞ্জে পরিবহন ধর্মঘট চলছে। সোমবার (২২ নভেম্বর) সকাল থেকে সিলেটের ন্যায় সুনামগঞ্জে কর্মবিরতি পালন করছে সুনামগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন।

জানা গেছে, কর্মবিরতির ফলে সোমবার (২২ নভেম্বর) থেকে দূর পাল্লার বাস চলাচল বন্ধের পাশাপাশি সুনামগঞ্জ, ছাতক, জগন্নাথপুর, দিরাই, জামালগঞ্জ, তাহিরপুর বিশ্বম্ভরপুর ও দোয়ারাবাজারসহ ১০টি রুটে বাস-মিনিবাসসহ সবধরনের গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এদিকে হটাৎ করে জেলাজুড়ে সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। অনেক যাত্রীরা বাসস্ট্যান্ডে এসে জানতে পারেন শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। সবধরনের গণপরিবহন বন্ধ থাকায় অনেক যাত্রী এম্বুলেন্স, অটোরিকশা এবং মোটরসাইকেল যোগে গন্তব্যে পৌঁছেছেন।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ গ্রামের রিনা বেগম তার তিন শিশুকে নিয়ে সুনামগঞ্জ শহরের বাসস্ট্যান্ডে এসেছিলেন সিলেটে যাওয়ার জন্য। বাস না পেয়ে চরম হতাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমার মেয়ের চিকিৎসার জন্য সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার জন্য ভোরে বাড়ি থেকে এসেছি। সুনামগঞ্জ এসে দেখি বাস চলাচল বন্ধ। আমার মেয়ের চিকিৎসা কিভাবে করবো।

সদর উপজেলার মঙ্গলকাটা এলাকার রফিক মিয়া বলেন, চট্টগ্রাম যাওয়ার জন্য সিলেটে রেলের টিকেট সংগ্রহ করে রেখেছিলাম কিন্তু সকালে বাসস্ট্যান্ডে এসে জানতে পারি ধর্মঘট চলছে।

সুনামগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক জানান, ৫ দফা দাবি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে অনেক বার শ্রমিকরা বসেছেন কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি। তাই আজ সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে।

সুনামগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. সেজাউল করিম বলেন, ৫ দফা দাবি আদায়ের জন্য আমরা কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করছি। আজ সোমবার সকাল থেকে প্রাইভেট যানবাহন ব্যতীত সব গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকদের দাবি মানা না হলে অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে।

সুনামগঞ্জ জেলা বাস মিনিবাস-মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জুয়েল মিয়া বলেন, সিলেট পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকে সুনামগঞ্জ জেলার সড়ক পরিবহন শ্রমিকরাও কর্মবিরতি পালন করছে। শ্রমিকরা গাড়ি চালাবেন না বলে জানিয়েছেন।


আরও খবর



বগি লাইনচ্যুত, ট্রেন চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1 | ১২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা-ঈশ্বরদী রেলপথে পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সিরাজগঞ্জ থেকে রাজশাহীগামী একটি মালবাহী ট্রেনের দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) বিকালে বড়াল ব্রিজ রেলস্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পাকশী রেলওয়ের সহকারী প্রকৌশলী শিপন আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রেনটি বড়ালব্রিজ অতিক্রম করার সময় হঠাৎ জোরে শব্দ হয়। তারপর পেছনের দশটি বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। একটি বগি কাত হয়ে যায় এবং একটি লাইনচ্যুত হয়।

বড়ালব্রিজ স্টেশনের বুকিং ক্লার্ক মামুন বলেন, পাকশী থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন না আসা পর্যন্ত এ পথে কোনও ট্টেন চলাচল করতে পারছে না।’ এদিকে, দুর্ঘটনার পর চাটমোহর স্টেশনে ঢাকাগামী লালমনি এক্সপ্রেস এবং উল্লাপাড়া স্টেশনে রাজশাহীগামী বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে আছে।


আরও খবর



চেয়ারম্যানকে হত্যা চেষ্টা

ষড়যন্ত্রকারীদের গ্রেফতার দাবি শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | ৯৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট শিল্পপতি সায়েম সোবহান আনভীরকে হত্যা চেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেড। আজ  মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের ঢাকা মহানগর ফুটবল কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ক্লাবের নেতারা এই দাবি জানান। তিনি বলেন,আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ চাই। আমাদের দাবি পূরণে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎসহ আরও যেখানে যাওয়া দরকার সব জায়গায় যাব।

লিখিত বক্তব্যে ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্জ ইসমত জামিল আকন্দ লাবলু বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালে তার অতি আদরের ছোট ভাই শহীদ শেখ রাসেলের নামে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে ক্রীড়া প্রেমিক সায়েম সোবহান আনভীরকে দায়িত্ব দেন। এরপর এই ক্লাবটিকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। দিনে দিনে সংগঠনটির পরিধি ও ব্যাপ্তি দ্রুততার সঙ্গে বেড়েছে। ক্লাবটির পরিচিতি হয়েছে দেশ সেরা ক্রীড়া সংগঠন হিসেবে। শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র যখন দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে; ঠিক ওই অবস্থায় সংগঠনের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত ও স্তব্ধ করার হীন ষড়যন্ত্র শুরু হয়। একটি কুচক্রী মহল শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের চেয়ারম্যানকে হত্যার মাধ্যমে সংগঠনের অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করার চক্রান্ত শুরু করেছে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, রাজধানীর ভাটারা থানা পুলিশ শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে সন্দেহভাজন আসামী সাইফুল ইসলাম সাদ (২৩) নামে এক যুবককে গত ৫ নভেম্বর শুক্রবার গ্রেপ্তার করেছে। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সাউতুল কোরআন মাদরাসা ও এতিমখানায় গ্রেপ্তার হওয়া সাদের বাড়ি চট্টগ্রামের পটিয়ায়। আমরা পুলিশের কাছ থেকে জানতে পেরেছি গত শুক্রবার (৫ নভেম্বর) পব জুমার নামাজ চলাকালে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যার প্রস্তুতি ছিল সাদের। আমরা আরও জানতে পেরেছি চট্টগ্রাম-১২ আসনের (পটিয়া) সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী এবং তার ছেলে নাজমুল করিম চৌধুরী ওরফে শারুনের নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ডের ঘৃণ্য পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছেন সাদ। এর আগে দুধের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে এবং ছুরিকাঘাতে হত্যার ষড়যন্ত্র করে বলে পুলিশকে জানিয়েছে সাদ। তবে একাধিকবার চেষ্টা করেও সেসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়। আমরা পুলিশের বরাতে আরও জানতে পেরেছি, হুইপের শামসুল হকের সঙ্গে সাদের ঘনিষ্ঠ কিছু ছবি পাওয়া গেছে। সাদ পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছে যে, হুইপের ছেলে শারুন তাকে (সাদ) বলেছে জুমার নামাজের সময় এক মিনিটও দেরি না করে সায়েম সোবহান আনভীরকে সরাসরি গুলি করে দিতে। বাইরে তাদের গাড়ি অপেক্ষমান থাকবে। মসজিদ থেকে দ্রুত পালিয়ে যাতে সাদ ওই গাড়িতে উঠে পালিয়ে যেতে পারে। এজন্য সাদকে নগদ ২০ হাজার টাকা দিয়েছেন শারুন। তিনি (শারুন) আরও বলেছেন, পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সারা জীবন আর কিছু করতে হবে না,- এভাবে বড় ধরনের পুরস্কার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। আর ব্যর্থ হলে তাকে (সাদ) প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। থানা-পুলিশ ম্যানেজ করারও আশ্বাস দেওয়া হয় সাদকে।পুলিশকে সাদ আরও বলেছে, সে চট্টগ্রামের পটিয়া সেন্ট্রাল হাইস্কুলে দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় হুইপ সামশুলের ক্যাডার হান্নান ও মান্নানের সঙ্গে পরিচয় হয়। গত দুর্গাপূজার ছুটিতে গত ১০ অক্টোবর পটিয়ায় গিয়ে ২৩ অক্টোবর ঢাকায় ফিরে আসেন। পটিয়ায় যাওয়ার পর সাদের সঙ্গে শারুনের সাক্ষাত করিয়ে দেন হুইপ আশ্রিত মাস্তান হিসেবে পরিচিত জনৈক হান্নান ও মান্নান। সাক্ষাতের সময় শারুন একটি পিস্তল দেন সাদকে। ওই পিস্তল দিয়ে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা করার জন্য সাদকে নির্দেশ দেন শারুন। সামশুল হক ও শারুনের নির্দেশনায় এবং প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সাদ পরিচয় গোপন করে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের চেয়ারম্যানের বাসায় দিন মজুরের কাজ নিয়েছিলেন। চট্টগ্রাম থেকে আসার পর গত দুটি জুমার নামাজে সঙ্গে পিস্তল রাখেন সাদ। কিন্তু পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় সফল হতে পারেনি।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, প্রায় তিন মাস ধরে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের চেয়ারম্যানকে হত্যার ষড়যন্ত্র চলছিল। অন্তত ৪ বার ছদ্মবেশে সায়েম সোবহান আনভীরের বাসভবন এমডি হাউসে প্রবেশ করে সাদ। কয়েকবার ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত মাদরাসা শিক্ষার্থীর ছদ্মবেশ নিয়ে ভর্তি হয় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত সাউতুল কোরআন মাদরাসা ও এতিমখানায়। কারণ সে মাদরাসা থেকে প্রতিদিন বসুন্ধরা এমডির বাসায় পবিত্র কোরআন খতমের জন্য শিক্ষার্থীরা যান। সেই দলের সঙ্গে মিশে জুমার নামাজ পড়ার সময় বসুন্ধরা এমডিকে হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অপচেষ্টা করেন সাদ। ওই মাদ্রাসা থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

লিখিত বক্তব্যে ইসমত জামিল আকন্দ আরও বলেন, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমেডের চেয়ারম্যানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে রাজধানীর ভাটারা থানায় বসুন্ধরা গ্রুপের জনসংযোগ বিভাগের প্রধান মেজর (অব.) শেখ মিজানুর রহমানের বাদী হয়ে একটি এজাহার দিয়েছেন। এজহারে সাদ ছাড়াও হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে হুইপ সামশুল হক চৌধুরী ও তার ছেলে শারুন চৌধুরীকে আসামি করার আবেদন করেছেন বাদী। এজাহারে বলা হয়, পূর্বশত্রুতার জের ধরে হুইপপুত্র শারুন চৌধুরী  শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমেটের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। এর আগেও কয়েক দফা এ ধরনের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছিল চক্রটি।

ক্লাব চেয়ারম্যানের পরিবারের ক্রীড়ার ক্ষেত্রে ঐতিহ্যবাহী পরিবার উল্লেখ করে ইসমত জামিল আকন্দ লাবলু বলেন, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের পক্ষ থেকে আমরা পরিষ্কার ভাষায় এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র এবং চক্রান্তের তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই ভয়ানক ও ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের নেপথ্য থাকা ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।


আরও খবর