আজঃ মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২
শিরোনাম

ইউপি নির্বাচন : পটুয়াখালীতে পাঁচটিতে নৌকা জয়ী

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ জুন ২০২২ | ৩৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পটুয়াখালীর তিনটি উপজেলার মোট ৮টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সাতটি ইউপির বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে পাঁচটিতে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

এছাড়া ২টি ইউপির একটিতে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন হাতপাখা, অপরটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী চেয়ারম্যানরা হলেন-পটুয়াখালী সদর উপজেলার কালিকাপুরে সালমা জাহান নৌকা, ইটবাড়িয়া ইউপিতে মো. মোজাম্মেল জোমদ্দার নৌকা, জৈনকাঠী ইউপিতে অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোহাম্মদ মোহসীন নৌকা, কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউপিতে আনছার উদ্দিন মোল্লা নৌকা ও দশমিনা উপজেলার চর বোরহান ইউপিতে নজীর আহমেদ সরদার নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন।

এছাড়া কলাপাড়া উপজেলার ধূলাসার ইউপিতে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন বাংলাদেশ হাফেজ আব্দুর রহিম হাতপাখা, সদর উপজেলার মৌকরন ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীকে রাইসুল ইসলাম সেলিম জয়লাভ করেছেন।


আরও খবর



শহরে পরিণত হচ্ছে ১৭ গ্রাম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩১ মে ২০২২ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণে গ্রামেই শহরের সব ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করতে যাচ্ছে সরকার। গ্রামেই গড়ে উঠবে শহরের মতো দৃষ্টিনন্দন ঘরবাড়ি। পাড়া-মহল্লায় থাকবে পাকা রাস্তা ও ক্ষেত্রবিশেষে দৃষ্টিনন্দন কালভার্ট-সেতু। প্রতিটি বাড়িতে থাকবে পানি ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা এবং পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্যানিটেশন সুবিধা। গ্রামগুলোতে থাকবে স্কুল, শপিং মল, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, হাটবাজার, কমিউনিটি স্পেস বা বিনোদন ব্যবস্থা। রাস্তায় থাকবে রোড লাইটের ঝলমলে আলো। বিভিন্ন কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। মোটকথা গ্রামেই মিলবে শহরের নাগরিক সুবিধা। প্রথম দফায় উল্লিখিত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে দেশের ১৭টি গ্রামকে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় একটি করে মোট ৩০০টি গ্রামকে পরীক্ষামূলকভাবে শহরে পরিণত করা হবে। সম্প্রতি আমার গ্রাম-আমার শহর : প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণ এর লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির সভায় উল্লিখিত সিদ্ধান্ত হয়।

শহরের মতো গ্রামকেও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আমার গ্রাম-আমার শহর কনসেপ্ট বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার। এ কারণে শহরের মতো গ্রামকেও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হবে। প্রাথমিকভাবে কয়েকটি গ্রামকে পরীক্ষামূলকভাবে শহরের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা দিয়ে গড়ে তোলা হবে। এটি সফল হলে পর্যায়ক্রমে এমন গ্রামের সংখ্যা বাড়ানো হবে।

প্রথম দফায় দেশের ১৭টি গ্রামকে পাইলট গ্রাম হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এর মধ্যে বিভাগভিত্তিক গ্রামগুলো হলো- নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার চালাকচরের হাফিজপুর গ্রাম, কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের বিপুলশারের শেকচাইল গ্রাম, রাজশাহীর বাঘমারার সোনাডাঙ্গা গ্রাম, খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার খুরনিয়ার টিপনা গ্রাম, কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি গ্রাম, বরিশালের হিজলা উপজেলার মেমানিয়ার ইন্দুরিয়া গ্রাম, সিলেটের গোয়াইনঘাটের রুস্তমপুরের বাগাইয়া গ্রাম এবং নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার শাহাতার ডেমুরা গ্রাম। বিশেষ অঞ্চল হিসেবে মনোনীত গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে-সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জের শিমুলবাক গ্রাম, গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি গ্রাম, নওগাঁর নিয়ামতপুরের শ্রীমন্তপুরের দরগাপাড়া গ্রাম, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনীর দাতিনাখালী গ্রাম, রাঙামাটির বরকলের ছোট হরিণা গ্রাম, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড়ের বিলচান্দা গ্রাম এবং চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ইছাখালির চরশরত গ্রাম। এ ছাড়া দ্বীপের পর্যটন সম্ভাবনাময় বিশেষ দুটি গ্রাম হলো ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চর কুকরি-মুকরি এবং কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ। ওই সভায় প্রকল্প পরিচালক আবুল মনজুর মো. সাদেক বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে পাঠাগার, ক্রীড়া ও বিনোদন সুবিধা নিশ্চিতে প্রতিটি উপজেলায় যুব বিনোদন কেন্দ্র ও যুব স্পোর্টস কেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত রয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় অডিটোরিয়াম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মডেল মসজিদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ট্রেনিং সেন্টার কাম অফিস ভবন নির্মাণ এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপজেলা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং গণগ্রন্থাগার ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এসব অবকাঠামো নির্মাণে ইতোমধ্যে জমির সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পাঠাগার, ক্রীড়া ও বিনোদন সুবিধা সম্প্রসারণের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে অবকাঠামো নির্মাণে সমন্বয় সাধন করা হলে উন্নত বিশ্বের আদলে একই স্থান থেকে বিনোদন সেবা নিশ্চিতসহ ভূমির সংকট নিরসনসহ সরকারি অর্থ সাশ্রয় করা সম্ভব হবে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী সভায় জানান, তার অধিদফতরের আওতায় বর্তমানে ১০১টি প্রকল্প চালু রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন কারণে প্রায় অর্ধেক প্রকল্পের সংশোধন প্রয়োজন হচ্ছে। এ প্রকল্প সংশোধনের সময়, কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের সমীক্ষায় প্রাপ্ত ফলাফলের আলোকে আমার গ্রাম-আমার শহর অঙ্গীকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উপাদানসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এভাবে আমার গ্রাম আমার শহর নির্বাচনী অঙ্গীকারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সংসদীয় ৩০০টি আসন থেকে ৩০০টি গ্রামকে পাইলট গ্রাম কিংবা আরও বেশি গ্রামকে শহরের মতো উন্নয়ন করা যেতে পারে। এতে তুলনামূলকভাবে অর্থ সাশ্রয় ও দ্রুততার সঙ্গে অনেক গ্রাম উন্নয়ন সম্ভব হবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আগামী ৫ বছরে দেড় লাখ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এর মধ্যে উন্নয়ন ব্যয় ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা। অনুন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকা। উন্নয়ন ব্যয়ের প্রায় ১৭ শতাংশ টাকা বিদেশি দাতা সংস্থার কাছ থেকে পাওয়া যাবে। প্রকল্পের প্রস্তাবনায় গ্রাম ও নগরের মধ্যে বৈষম্য কমাতে ইউনিয়ন পরিষদের সক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, গ্রামে উন্নত রাস্তাঘাট, সুপেয় পানি, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা, মানসম্মত শিক্ষা, উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন, দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা ও ভোগ্যপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ করতে হলে ইউনিয়ন পরিষদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। গ্রামকে আধুনিক শহরের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন সেবা ও সরবরাহ সংশ্লিষ্ট আইনে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা করতে হবে।


আরও খবর



আম নিয়ে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন ছুটবে কাল

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রহনপুর থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী হয়ে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন চলাচল সোমবার (১৩ জুন) থেকে শুরু হচ্ছে। রোববার (১২ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রেলওয়ে স্টেশনের সহকারী মাস্টার মো. ওবায়দুল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা এখন থেকেই অর্ডার নিচ্ছি। আগামীকাল সকালে রহনপুর থেকে আম ভর্তি করে সন্ধ্যা ৬টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ স্টেশন থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ছুটবে এ ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন।

আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আলোচনায় তারা জুনের প্রথম সপ্তাহে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনটি চালুর জন্য রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছিলেন। মন্ত্রণালয়ে তা প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু কিছু কাজ বাকি থাকায় প্রথম সপ্তাহে ট্রেনটি চালু করা সম্ভব হয়নি। তবে আগামীকাল থেকে প্রতিদিনই আম নিয়ে যাবে এ ট্রেন।

জানতে চাইলে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার বলেন, ৩০ পয়সা কেজি দরে দুই বছর ধরে আম পরিবহন করছে ট্রেনটি। এবারও একই ভাড়া থাকছে।

তিনি বলেন, আগামীকাল সকালে রহনপুর স্টেশনে ট্রেনটি উদ্বোধন করা হবে। পরে বিকেল ৪টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৌঁছাবে। সন্ধ্যা ৬টায় রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। ঢাকায় পৌঁছাবে রাত ২টায়।

এ ট্রেনে আম ছাড়াও শাকসবজি, দেশীয় ফলমূলসহ পার্সেল হিসেবে অন্যান্য মালামাল পরিবহন করা যাবে বলেও জানান মহাব্যবস্থাপক।


আরও খবর



আজ শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস

প্রকাশিত:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ। সেনাসমর্থিত এক-এগারোর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় (২০০৭ সালের ১৬ জুলাই) গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। গ্রেফতারের পর প্রথমে তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগারে নিয়ে আটক রাখা হয়।

দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কারাগারের অভ্যন্তরে শেখ হাসিনা মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তখন চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে চিকিৎসার পরামর্শ দেন। এর পরই চিকিৎসার জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তার মুক্তির জোরালো দাবি ওঠে।

আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন ও দেশবাসীর আন্দোলন, আপসহীন মনোভাব এবং আওয়ামী লীগ বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগের পথ বেছে নেয়। শেখ হাসিনাকে মুক্তি দেওয়া না হলে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে যাবে না বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়। অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। মুক্তি পেয়েই শেখ হাসিনা চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অস্থায়ী জামিনের মেয়াদ কয়েক দফা বাড়ানো হয়।

এরপর ২০০৮ সালের ৬ নভেম্বর দেশে ফিরলে স্থায়ী জামিন দেওয়া হয় তাকে। একই বছর ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয় লাভ করে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠন হয়। ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পরে টানা তৃতীয়বারসহ চতুর্থবার প্রধানমন্ত্রী হন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।

কারামুক্তি দিবস উপলক্ষ্যে আজ বেলা ১১টায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গণভবনে দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানাবেন।


আরও খবর



বিএনপি নিজের নাক কেটে পরের যাত্রাভঙ্গ করতেও দ্বিধা করে না’

প্রকাশিত:সোমবার ৩০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ৩০ মে ২০২২ | ৩৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ক্ষমতায় থাকাকালে যারা দেশে একটিও মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বপ্ন দেখেনি, সেই বিএনপি যখন মেগা প্রকল্প নিয়ে মেগা মিথ্যাচার করে দেশবাসীর মনে তখন বিএনপি নেতাদের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সোমবার (৩০ মে) সকালে তার বাসভবনে ব্রিফিংকালে বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের জনগণ আসলে বুঝে গিয়েছে ঈর্ষান্বিত বিএনপি নিজের নাক কেটে পরের যাত্রাভঙ্গ করতেও দ্বিধা করে না। বিদেশে পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা নাকি শয়তানি কারবার, মির্জা ফখরুল ইসলামের এমন অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশের সম্পদ কেউ যদি পাচার করে এবং পরবর্তীতে সেটা যদি ফিরিয়ে আনা হয়, তাহলে তাতো ভালো উদ্যোগ। শয়তানি কারবার হবে কেন?

তিনি বিএনপি মহাসচিবের কাছে প্রশ্ন রেখে জানতে চান, বিদেশে পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার কথা শুনে আপনাদের গায়ে জ্বালা ধরছে কেন? কিসের এতো ভয়?

ওবায়দুল কাদের বিএনপি মহাসচিবকে আবারও প্রশ্ন রেখে বলেন, আপনার বক্তব্য শুনে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, তবে কি আপনারা আপনাদের পাচারকৃত অর্থ দেশে ফিরে আসার আতঙ্কে ভুগছেন?

আওয়ামী লীগ একদিনও ক্ষমতায় থাকলে নাকি বিএনপিরই ক্ষতি, - মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে ক্ষতির কথা বলেছেন সে ক্ষতির অংকটা বলেননি- ওবায়দুল কাদের এ প্রসঙ্গে বলেন, প্রতিদিন যে পরিমাণ সম্পদ লুট করতে পারতো বিএনপি, এখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলেই মির্জা ফখরুলের মন খারাপ।

ওবায়দুল কাদের বলেন, পদ্মাসেতু উদ্বোধন হতে যাচ্ছে, মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্ণফুলী টানেল হয়ে যাচ্ছে, - সেজন্যই তাদের মন খারাপ। সম্প্রতি বিএনপি মহাসচিব মেট্রোরেলের স্টেশন সংখ্যা নিয়ে মন্তব্য করা প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, মির্জা ফখরুল সাহেবের কাছে আসলে জনস্বার্থ গুরুত্বপূর্ণ নয়, গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কিভাবে টাকা লুটপাট করা যায়।

লুটপাট আর লুন্ঠন করতে সিদ্ধহস্ত বিএনপি নেতৃবৃন্দ তাই জনসাধারণের সুবিধার কথা বিবেচনা না করে শুধু টাকার গন্ধ খুঁজে বেড়ায় বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার জনস্বার্থ এবং ব্যয় সাশ্রয়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই যে কোন প্রকল্প গ্রহণ করেন। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে কমবেশি এক কিলোমিটার দূরত্বে মেট্রোরেলের স্টেশন রয়েছে উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে সমীক্ষা এবং পরামর্শকের পরামর্শ অনুযায়ী জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মেট্রোরেলের স্টেশনগুলোর স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঈর্ষান্বিত বিএনপির নেতৃবৃন্দ এসব প্রকল্প সম্পর্কে না জেনে না বুঝে একেক সময় একেক রকম বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন বলে মনে করেন সেতুমন্ত্রী।


আরও খবর



এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরেও বন্যা

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে ফুঁসে হয়ে উঠেছে মেঘনা, যার প্রভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরেও এবার বন্যা দেখা দিয়েছে।

দেখা গেছে, নাসিরনগর উপজেলার ফান্দাউক, বুড়িশ্বর, নাসিরনগর, ভলাকুট, কুন্ডা, ধরমন্ডল ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জনপদ পানিতে তলিয়ে গেছে। কিছুদিন আগেই বোনা আমন ধান তলিয়ে গেছে তিন চার ফুট পানিতে।

উপজেলা সদর, ভলাকুট ও ফান্দাউক ইউনিয়নের তিনটি কমিউনিটি ক্লিনিক পানিতে নিমজ্জিত হয়ে গেছে। এতে প্রায় ১০ হাজার মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে বলে ধারণা করছে উপজেলা স্বাস্থ্য অফিস।

নাসিরনগর উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, এ বছর নাসিরনগর উপজেলায় মোট ১০ হাজার ৭৫ হেক্টর বোনা আমন ধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ভলাকুটে ১ হাজার হেক্টর, চাতলপাড়ে ৭৫ হেক্টর, কুন্ডায় ১২০০ হেক্টর, নাসিরনগর ১ হাজার ২০০ হেক্টর, বুড়িশ্বরে ১ হাজার ৪৮০ হেক্টর, ধরমন্ডলে ১ হাজার হেক্টর ও ফান্দাউকে এক হাজার ৪১৫ হেক্টর বোনা আমন ধান চাষ করা হয়েছে। 

এসব ধান তলিয়ে গেছে বন্যার পানিতে। এছাড়া ১ হাজার হেক্টর পাট ক্ষেত ও সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন।

ধরমন্ডল ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিক মিয়া বলেন, আমার এলাকায় প্রায় ১ হাজার হেক্টর বোনা আমন ধান আছে। যার সবই পানিতে ডুবে আছে। এখন পর্যন্ত কৃষি অফিসের কোনো লোকের দেখা মেলেনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সাইদ তারেক বলেন, উজানের পানির কারণে সৃষ্ট বন্যায় নাসিরনগরের বোনা আমন প্রায় ২ হাজার হেক্টর ধানি জমি পানির নিচে নিমজ্জিত হয়ে গেছে।

বন্যার পানির তোড়ে শনিবার রাতে বুড়িশ্বর ইউনিয়নের চানপাড়ায় ব্রিজ ভেঙে গেছে।  এতে ওই গ্রামের সঙ্গে উপজেলা সদরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. অভিজিৎ রায় জানান, নাসিরনগরের ১৩টি ইউনিয়নের জন্য ১৩টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য বি এম ফরহাদ হোসেন রোববার এই মেডিকেল টিমের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোনাব্বার হোসেন বলেন, আমরা বন্যা মোকাবেলার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। আশা করছি, কোনো মানুষ সেবা বঞ্চিত হবেন না।

বানের পানিতে সিলেট অঞ্চলের অন্তত অর্ধকোটি মানুষ বন্দি। উপদ্রুত অঞ্চলে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী। তবে বিপন্ন মানুষের জন্য সরকারের ত্রাণ তৎপরতা অপ্রতুল। সহায়সম্বল সব হারিয়ে বহু মানুষের দিন কাটছে খেয়ে না খেয়ে। চিকিৎসাসেবায় ঘটেছে বিঘ্ন।

সবচেয়ে দুর্বিপাকে সুনামগঞ্জ। পুরো জেলা ডুবে থাকায় প্রকৃত খবর জানার মাধ্যমগুলো স্তিমিত হয়ে আসছে। মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মানুষ তাদের দুর্ভোগের কথা জানাতে পারছে না কাউকে। এতে দেশের অন্য প্রান্ত ও বিদেশে থাকা স্বজনরা সময় কাটাচ্ছেন উৎকণ্ঠায়। সরকারের জরুরি পরিষেবাও অনেকটা অচল।

কয়েকটি স্থানে ইউএনও, ওসিসহ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ফোনও কাজ করছে না। বন্ধ হয়ে গেছে ট্রেন ও বাস চলাচল। উড়ছে না উড়োজাহাজও।


আরও খবর