আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ইতিহাসে আজকের এই দিনে

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ রোববার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৩। একনজরে দেখে নেওয়া যাক ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি:

১৭৯০ - লর্ড কর্নওয়ালিস ফৌজদারি বিচারের দায়িত্ব নবাবের কাছ থেকে নিজের হাতে নিয়ে নেন।

১৮১০ - ব্রিটিশরা ফরাসিদের কাছ থেকে মৌরিতাস দেখল করে নয়।

১৮১৮ - ২১তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুক্ত হয় ইলিনয়।

১৮২৮ - এন্ড্রু জ্যাকসন আমেরিকার সপ্তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৮৫১ - একনায়ক লুই নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে প্যারিসের জনগণের বিদ্রোহ শুরু হয়।

১৯৩০ - ফরাসি চিত্রপরিচালক জাঁ লুক গদার জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৪১ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রসার লগ্নে জাপান পার্ল হারবার আক্রমণ করে।

১৯৫৫ - বাংলাদেশে বাংলা ভাষার উন্নয়ন ও বিকাশের লক্ষ্যে বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৬৭ - দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে ডা. ক্রিশ্চিয়ান বার্নার্ড প্রথমবারের মত মানবদেহে হৃদপিন্ড প্রতিস্থাপন করেন।

১৯৭১ - মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান ভারত আক্রমণ করে বসে।

১৯৭৬ - বিখ্যাত পপশিল্পী বব মারলিকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরপর দুটি গুলি করা হয়। তিনি বেঁচে যান।

১৯৮৩ - বাংলা ভাষায় প্রথম ছোটদের অভিধান প্রকাশ করে বাংলা একাডেমী।

১৯৮৪ - ভারতের ভূপালে একটি মার্কিন কারখানা থেকে বিষাক্ত রাসায়নিক গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় অন্ততঃ আড়াই হাজার মানুষ প্রাণ হারায়।

১৯৯০ - তেহরানে ফিলিস্তিন বিষয়ক প্রথম ইসলামী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯৯ - বাংলাদেশে প্রথম নারী গ্রন্থমেলা ধানমন্ডি মহিলা কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত।

২০০০ - ইউক্রেনের কিয়েভে চেরনোবিল পারমাণবিক দূর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত দুই হাজারেরও বেশী পঙ্গু শিশুর জন্য পেনশন দাবি করা হয়।

জন্ম:

১৩৬৮ - ষষ্ঠ চার্লস, তিনি ছিলেন ফ্রান্সের রাজা।

১৮৫৭ - পোলিশ বংশোদ্ভুত ইংরেজ লেখক জোসেফ কনরাড জন্ম গ্রহণ করেছিলেন, লর্ড জিম তার বিখ্যাত উপন্যাস।

১৮৮২ - খ্যাতনামা চিত্রশিল্পী নন্দলাল বসু।

১৮৮৪ - ভারতের বিখ্যাত দার্শনিক ও রাজনীতিবিদ ডক্টর রাজেন্দ্র প্রসাদ।

১৯৮৬ - কার্ল মানে গেয়র্গ জিগবান, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ পদার্থবিজ্ঞানী ও একাডেমিক।

১৮৮৯ - ক্ষুদিরাম বসু, তিনি ছিলেন ব্রিটিশ বিরোধী ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের শুরুর দিকের সর্বকনিষ্ঠ এক বিপ্লবী।

১৯০০ - রিচার্ড কুহ্ন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত জার্মান প্রাণরসায়নী ও একাডেমিক।

১৯২৫ - কিম দায়ে জং, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ অ দক্ষিণ কোরিয়ার ৪র্থ প্রেসিডেন্ট।

১৯৩০ - ফরাসি চিত্রপরিচালক জাঁ লুক।

১৯৩৩ - পল জে. তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ক্রুটযেন, ডাচ রসায়নবিদ ও প্রযুক্তিবিদ।

১৯৩৫ - নিতুন কুণ্ডু, তিনি ছিলেন বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী ও উদ্যোক্তা।

১৯৩৬ - আবু হেনা মোস্তফা কামাল, তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ, কবি ও লেখক।

১৯৪৮ - রক ব্যান্ড ব্ল্যাক সাবাথের ভোকাল ওজি অসবর্ন।

১৯৭০ - ক্রিস্তিয়ান কারেম্ব্যু, তিনি প্রাক্তন ফরাসি ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৭৬ - মার্ক বাউচার, তিনি দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৯৮১ - ব্রায়ান বনসাল্, তিনি আমেরিকান অভিনেতা।

১৯৮২ - মাইকেল এসিয়েন, তিনি ঘানার ফুটবলার।

১৫৫২ - রোমান ক্যাথলিক মিশনারী সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার চীনের উপকূলে মারা যান।

মৃত্যু:

১৮৬৮ - হরচন্দ্র ঘোষ, তিনি ছিলেন উনিশ শতকের বাঙালি জজ।

১৮৯২ - আফানাস্য ফেট, তিনি ছিলেন রাশিয়ান লেখক ও কবি।

১৯১৯ - বিখ্যাত ফরাসী চিত্র-শিল্পী অগাস্টো রেনোয়ার ৭৮ বছর বয়সে মারা যান।

১৯১৯ - পিয়ের-অগাস্টে রেনইর, তিনি ছিলেন ফরাসি চিত্রশিল্পী।

১৯৫৬ - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, তিনি ছিলেন একজন বাঙালি কথাসাহিত্যিক।

১৯৮২ - কবি ও প্রাবন্ধিক বিষ্ণু দে।

১৯৮৮ - পানস গাভালাস, তিনি ছিলেন গ্রিক গায়ক।

১৯৯০ - ইরানের বিশিষ্ট লেখক এবং ইউনেস্কোর গবেষণা কমিটির সদস্য ডক্টর মোহাম্মাদ হোসাইন মাশায়েখ ফারিদানি ৭৬ বছর বয়সে মারা যান।

১৯৯৯ - সাংবাদিক ও শিশু সংগঠক রোকানুজ্জামান খান (দাদাভাই) ইন্তেকাল করেন।

২০০৩ - ডেভিড হেম্মিংস, তিনি ছিলেন ইংরেজ অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক।

২০১৩ - রোনাল্ড হান্টার, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা।

দিবস:

বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস।


আরও খবর
ইতিহাসে আজকের এই দিনে

শুক্রবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৪

২৫ জানুয়ারি : ইতিহাসে আজকের এই দিনে

বৃহস্পতিবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৪




রিজার্ভ চুরি মামলার প্রতিবেদন ফের পেছালো

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৬ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী নতুন দিন ধার্য করেন।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার হাতিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। পরে ওই টাকা ফিলিপাইনে পাঠানো হয়। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করেন দেশের অভ্যন্তরের কোনো চক্রের সহায়তায় হ্যাকার গ্রুপ রিজার্ভের অর্থপাচার করেছে।

ওই ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে কয়েকজনকে আসামি করে মতিঝিল থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ (সংশোধনী ২০১৫) এর ৪ ধারাসহ তথ্য ও প্রযুক্তি আইন-২০০৬ এর ৫৪ ধারায় ও ৩৭৯ ধারায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।


আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




টানা চতুর্থ মেয়াদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

টানা চতুর্থ মেয়াদে জাতীয় সংসদের স্পিকার পদে নির্বাচিত হয়েছেন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিশেনে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে নির্বাচিত হন তিনি।

ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুর সভাপতিত্বে বিকাল ৩টায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়।

সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আওয়ামী লীগ দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে একাদশ সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে এবং ডেপুটি স্পিকার হিসাবে শামসুল হক টুকুকে মনোনীত করে।

২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হিসাবে জাতীয় সংসদে আসেন শিরীন শারমিন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে ২০১৩ সালে ৩০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচিত হন তিনি। এরপর ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ছেড়ে দেওয়া রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসন থেকে উপ-নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আসেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

এরপর একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা তার শ্বশুরবাড়ির এলাকা পীরগঞ্জের আসনটি নোয়াখালীর মেয়ে শিরীনকে ছেড়ে দেন। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনেও এ আসনে শিরীন শারমিনকে প্রার্থী করে আওয়ামী লীগ।

পেশায় আইনজীবী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ১৯৬৬ সালের ৬ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা রফিকউল্লাহ চৌধুরী ছিলেন স্বাধীনতার পর প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একান্ত সচিব। তার মা অধ্যাপক নাইয়ার সুলতানা বাংলাদেশ কর্ম কমিশনের সদস্য ছিলেন। তার নানা সিকান্দার আলী ছিলেন পূর্ব পাকিস্তান হাইকোর্টের বিচারপতি।

১৯৮৯ সালে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল এল বি (অনার্স) এবং ১৯৯০ সালে ওই স্থান অটুট রেখেই এলএলএম ডিগ্রি নেন শিরীন শারমিন। ২০০০ সালে এসেক্স ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি করেন।

এরপর ১৯৯২ সালে বার কাউন্সিলের আইনজীবী হিসাবে তালিকাভুক্ত হন শিরীন। ১৯৯৪ সালে হাইকোর্ট বিভাগ ও ২০০৮ সালে আপিল বিভাগে অন্তর্ভুক্ত হন।


আরও খবর



বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিতের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার। শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্ট আয়োজিত সাউথ এশিয়ান কনস্টিটিউশনাল কোর্ট ইন দ্য টোয়েন্টি ফার্স্ট সেনচুরি: লেসন ফ্রম বাংলাদেশ অ্যান্ড ইন্ডিয়াশীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এ সব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আদালতের হস্তক্ষেপগুলি যেন সাংবিধানিকতার নীতি, ক্ষমতা ভারসাম্য এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পরিচালিত হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রেখে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সম্মিলিত প্রয়াস চালিয়ে যেতে হবে। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বিচার বিভাগকে সামিল হতে হবে। জাতির ক্রান্তিকালে যখনই প্রয়োজন হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট তার উপরে অর্পিত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে মানুষের মৌলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সংবিধানকে রক্ষা করেছে।

তিনি বলেন, অবৈধভাবে সংসদকে ব্যবহার করে সংবিধানের পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনী পাসের মাধ্যমে তাদের সমস্ত কুকীর্তিকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল স্বৈরশাসকেরা। কিন্তু সংবিধানের ৫ম ও ৭ম সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

তিনি আরও বলেন, সংবিধানবিরোধী ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে জাতির পিতার হত্যাকারীরা ভেবেছিল আর কখনো তাদের বিচার হবে না। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট ষড়যন্ত্রকারীদের সেই নীল নকশা বাস্তবায়িত হতে দেয়নি। ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সংবিধানবিরোধী ঘোষণা এবং জাতির পিতার হত্যাকারীদের বিচার করে সুপ্রিম কোর্ট তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করেছে।


আরও খবর



ঘণ্টাখানেক বন্ধ থাকার পর ফের সচল মেট্রোরেল

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঘণ্টাখানেক বন্ধ থাকার পর মেট্রোরেল চলাচল আবারও শুরু হয়েছে। মিরপুরের পল্লবীতে একটি ট্রেনের দরজা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খোলা ও বন্ধ হওয়ার কাজ করছিল না। এ জন্য ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। চারটার দিকে ট্রেন সচল হয়। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (বিএমটিসিএল) কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানিয়েছে, মেট্রোরেলে কোনো ত্রুটি দেখা দিলে পুরো ব্যবস্থা বন্ধ করে কারণ খুঁজতে হয়। তাই সমস্যা সমাধানে কিছুটা সময় লাগে।

এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের কাজীপাড়ায় মেট্রোরেলের তারে ঘুড়ি আটকে পড়ায় মতিঝিল থেকে উত্তরাগামী ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।


আরও খবর



২১ বছর সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কথা বলেনি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতাকে হত্যার পর ২১ বছর সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দ্য টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোন অ্যাক্ট-১৯৭৪র সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের বিশাল সমুদ্রসীমায় আমাদের কোনো অধিকার ছিল না। ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যা করে সংবিধান লঙ্ঘন করে যারা ক্ষমতায় এসেছিল, ২১টা বছর তারা সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি।

তিনি বলেন, জাতির পিতা ভারতের সঙ্গে আমাদের স্থল সীমানার চুক্তি করে গিয়েছিলেন। সংবিধান সংশোধন করে চুক্তি বাস্তবায়ন করেন। তবে পরবর্তীতে সেটা কার্যকর করা হয়নি। এর ২১ বছর পর আমরা সরকারে এসে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করি।

সরকারপ্রধান বলেন, সে সময় কাজগুলো খুব গোপনীয়তার সঙ্গে শুরু করতে হয়েছিল। আমাদের সমুদ্রসীমা যাতে নিশ্চিত হয় সেজন্য জাতিসংঘে আমরা সই করে আসি। 

আরও পড়ুন>> পোস্তগোলা সেতু সংস্কার শুরু: বিকল্প পথ ব্যবহারের নির্দেশনা

তিনি বলেন, সমুদ্রসীমার সম্পদ আহরণ করে দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজে লাগানোর ওপর জোর দিয়েছে সরকার। আমাদের তরুণ সমাজ অত্যন্ত মেধাবী। তাদের পথ দেখালেই বীরদর্পে সামনে এগিয়ে যাবে। আমরা সেটাই চাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতাকে হত্যার পর বাংলাদেশ থমকে গিয়েছিল। আমরা আবার সেখান থেকে শুরু করে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করেছি। আমরা চাই, ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে উন্নত, সমৃদ্ধ, স্মার্ট বাংলাদেশ। আধুনিক প্রযুক্তি ও জ্ঞানসম্পন্ন নাগরিক গড়ে তুলতে চাই। আমরা বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাঁড়াবো। মর্যাদা নিয়ে চলবো। সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি নিয়ে রেখেছি। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সময়োপযোগী করে আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, খনিজ সম্পদসহ সব আমাদের উত্তোলন করতে হবে। কাজে লাগাতে হবে। এজন্য যথাযথ বিনিয়োগও প্রয়োজন। এজন্য আলাপ আলোচনা করছি। আন্তর্জাতিক টেন্ডারও দিয়েছি। আমরা বিশাল সমুদ্রসীমার যথাযথ ব্যবহার করে দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজে লাগাতে চাই।

সরকারপ্রধান বলেন, আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হবো না। তবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সামর্থ্য থাকতে হবে। ফোর্সেস গোল তৈরি করেছি। সে অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি।

এসময় তিনি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা আসুন। বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন। আমাদের ভৌগলিক অবস্থানের কারণেই বিনিয়োগ করে আপনারাও লাভবান হবেন।


আরও খবর