আজঃ সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3
শিরোনাম

ইতিহাস গড়ে সোনার দাম লাখ টাকা ছুঁই ছুঁই

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

‌দে‌শের বাজা‌রে সোনার দা‌ম রেকর্ড প‌রিমাণ বাড়ানো হয়েছে। প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ৯৮ হাজার ৭৯৪ টাকা। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ নতুন এ দাম নির্ধারণ ক‌রে‌ছে।

শ‌নিবার (১৮ মার্চ) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

রোববার (১৯ মার্চ) থেকে নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, রোববার থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা কিনতে লাগবে ৯৮ হাজার ৭৯৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৯৪ হাজার ৩০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৮০ হাজার ৮৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা বিক্রি হবে ৬৭ হাজার ৩০১ টাকা দরে।

এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ সোনার দাম নির্ধারণ ক‌রেছিল বাজুস যা পরদিন ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়। ওই দাম অনুযায়ী শ‌নিবার (১৮ মার্চ) পর্যন্ত ২২ ক্যারেটের ভরি বিক্রি হয়েছে ৯১ হাজার ৯৬ টাকায়। সেই হিসেবে আজ সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি টাকা বাড়ানো হলো স্বর্ণের দাম।

গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতি ভরি সোনার (২২ ক্যারেট) দাম ছিল ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা। ওই দিন ১ হাজার ১৬৬ টাকা বেড়ে হয় ৮৮ হাজার ৪১৩ টাকা। এরপর ৭ জানুয়ারি ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বেড়ে হয় ৯০ হাজার ৭৪৬ টাকা এবং ১৪ জানুয়ারি ২ হাজার ৬৮৩ টাকা বেড়ে হয় রেকর্ড ৯৩ হাজার ৪২৯ টাকা। মাঝে ৪ ফেব্রুয়ারি সোনার দাম কিছুটা কমলেও সেটি ৯০ হাজারের ঘরে থেকে যায়।

আজ এক লাফে ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা বাড়িয়ে প্রতি ভরি সোনার দাম করা হলো ৯৮ হাজার ৭৯৪ টাকা। বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দামের ক্ষেত্রে এটিই একবারে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা।

এদিকে সোনার দাম কমা‌নো হ‌লেও আজ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে রুপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের রুপার দাম প্রতি ভ‌রি ১ হাজার ৭১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১৪০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১০৫০ টাকায় অপরিবর্তিত আছে।


আরও খবর



বাংলাদেশের পুরো ঋণ শোধ করেছে শ্রীলঙ্কা, দিয়েছে সুদও

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ সেপ্টেম্বর 20২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৩ সেপ্টেম্বর 20২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দুই বছর আগে মুদ্রা বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের কাছ থেকে যে ২০০ মিলিয়ন বা ২০ কোটি ডলার ঋণ নিয়েছিল শ্রীলঙ্কা, তার পুরোটাই শোধ করেছে দেশটি। শ্রীলঙ্কা শেষ কিস্তির ৫০ মিলিয়ন বা ৫ কোটি ডলার ও ঋণের সুদ বাবদ ৪৫ লাখ ডলার বৃহস্পতিবার রাতে পরিশোধ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০২১ সালের মে মাসে এক বছর মেয়াদে এ ঋণ নিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। তবে গত বছর অর্থনৈতিক সংকট প্রকট হলে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করে তারা। সে কারণে কয়েকবার ঋণ পরিশোধে সময় নেয় দেশটি। চলতি বছর শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি আবার ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করায় ঋণ পরিশোধ করতে পেরেছে দেশটি।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, গত ২০ আগস্ট শ্রীলঙ্কা প্রথম ৫ কোটি ডলার ফেরত দেয়। এরপর ৩১ আগস্ট ফেরত দেয় আরও ১০ কোটি ডলার। সবশেষে বাকি ৫ কোটি ডলার গত বৃহস্পতিবার রাতে ফেরত দেয় তারা। অর্থাৎ, মোট তিন কিস্তিতে বাংলাদেশ থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করেছে শ্রীলঙ্কা।

মুজিব চিরন্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শ্রীলঙ্কার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষে ২০২১ সালের ১৯ মার্চ ঢাকায় এসেছিলেন। ওই সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেন মাহিন্দা রাজাপক্ষে। ওই বৈঠকের ধারাবাহিকতায় শ্রীলঙ্কার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ডব্লিউ ডি লক্ষ্মণ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে ডলার চেয়ে চিঠি দেন। এরপরই কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ধার হিসেবে নয়, বরং ডলারের সঙ্গে শ্রীলঙ্কান রুপি অদলবদল বা সোয়াপ করে এই অর্থ দেওয়া হয়। এর বিপরীতে কিছু সুদও পায় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের কাছে ২০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ শ্রীলঙ্কান রুপি জমা ছিল। বাংলাদেশ এর আগে ১৫ কোটি ডলার সমপরিমাণ রুপি ফেরত দিয়েছে। এবার বাকি ৫ কোটি ডলারের সমপরিমাণ রুপিও ফেরত দেবে।


আরও খবর



দিল্লিতে জি-২০ সম্মেলন শুরু আজ

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতের নয়াদিল্লিতে দুই দিনব্যাপী জি-২০ সম্মেলন আজ (শনিবার) থেকে শুরু হচ্ছে। দিল্লির প্রগতি ময়দানের ভারত মণ্ডপমে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সম্মেলনে অংশ নিতে এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ, জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজেরা নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন।

অন্য অতিথিরা শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতের মধ্যেই এসে যাবেন। তবে, সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন না চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে তাদের প্রতিনিধিরা সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন। 

আরও পড়ুন>> মরক্কোয় শক্তিশালী ভূমিকম্প, মৃত বেড়ে ৩০০

এবারের জি-২০ সম্মেলনে বিশ্ব নেতারা পরিচ্ছন্ন জ্বালানি স্থানান্তর, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইসহ বৈশ্বিক সমস্যাগুলো মোকাবিলায় বিভিন্ন যৌথ প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করবেন।

এ ছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব, বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও বিশ্ব নেতারা আলোচনা করবেন।

এদিকে, সম্মেলন উপলক্ষে বাংলাদেশসহ নয়টি দেশকে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে জোটটির চেয়ারম্যান ভারত। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছান। এরপর সন্ধ্যায় দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসেন দুই নেতা।

বৈঠক শেষে নরেন্দ্র মোদি এক টুইটে (বর্তমানে এক্স) জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। গত ৯ বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অগ্রগতি খুবই আনন্দদায়ক। আমাদের আলোচনায় কানেক্টিভিটি, বাণিজ্যিক সংযোগের মতো আরও অনেক বিষয় এসেছে।

বৈঠকের বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন মোদি। বাংলাদেশ-ভারত বিদ্যমান গভীর সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে দুই প্রধানমন্ত্রী একমত হয়েছেন। 

আরও পড়ুন>> নির্বাচন নিয়ে কথা হয়নি, ৩ সমঝোতা স্মারক সই

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে দুই প্রধানমন্ত্রীর একান্ত বৈঠকে ভোট নিয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা জানি না।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে বলেও জানান আব্দুল মোমেন। সেগুলো হলো কৃষি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ, সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি, পারস্পরিক লেনদেন আরও সহজ করা।

উল্লেখ্য, জি-২০ বা গ্রুপ অব টুয়েন্টি হচ্ছে কতগুলো দেশের একটি ক্লাব যারা বিশ্ব অর্থনীতির বিষয়ে পরিকল্পনার জন্য আলোচনা করতে বৈঠক করে।


আরও খবর



বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ

সারাদেশে ঝড়বৃষ্টির আভাস

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে দেশের সব বিভাগেই ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমনটাই বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস বলছে, সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ভারতের উত্তর উড়িষ্যা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, সুস্পষ্ট লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এ ছাড়া মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তার কাছাকাছি পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের অদূরে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্য বিরাজ করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তার কাছাকাছি বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

এ অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঢাকা, খুলনা, বরিশাল এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-য়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ সময় সারা দেশে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।


আরও খবর



সাইবার নিরাপত্তা বিল ঢেলে সাজানোর আহ্বান টিআইবির

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সাইবার নিরাপত্তা বিল ঢেলে সাজাতে সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলেছে, প্রস্তাবিত আইনের বিভিন্ন ধারার মাধ্যমে মত প্রকাশ, ভিন্নমত, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা চর্চা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে কর্তৃপক্ষের ইচ্ছামতো অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ রাখা হয়েছে, যা উদ্বেগজনক। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো বিলটি যাতে মত, চিন্তা, বিবেক, বাক ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণের হাতিয়ারে পরিণত না হয়, তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে তারা।

শুক্রবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, মানুষের মধ্যে এরূপ প্রত্যাশা জন্ম নিয়েছে, যেসব কারণে ডিএসএ (ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন) রহিত করা হচ্ছে, সিএসএতে (সাইবার নিরাপত্তা আইন) সেসব উপাদান থাকবে না এবং এর পরিধি ও উদ্দেশ্য হবে সুনির্দিষ্টভাবে সাইবার অবকাঠামো, ইন্টারনেট ও সংশ্লিষ্ট সব ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা এবং এসবের অবাধ ও নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ও পর্যাপ্ত আইনি কাঠামো তৈরি করা।

টিআইবি বলছে, খসড়া সাইবার নিরাপত্তা বিলে ডেটা ও তথ্য অপসারণে বিটিআরসি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবারিত ক্ষমতা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ধারণার ওপর ভরসা করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার মতো ঝুঁকিপূর্ণ বিধান রাখা হয়েছে। ডিএসএর নিবর্তনমূলক উপাদানের সিংহভাগ ধারাই সিএসএ-তে হুবহু প্রতিস্থাপিত হয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, প্রস্তাবিত আইনে বিচারিক নজরদারি ছাড়া অপরাধ তদন্ত এবং আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে ঢালাও ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। অনেক ক্ষেত্রে কারাদণ্ড বাদ দিয়ে অর্থদণ্ডের কথা বলা হয়েছে, যা বাস্তবে যে কৌশলে সাংবিধানিক অধিকারকে অপরাধ হিসেবে পরিগণিত করা হয়েছে। মত ও তথ্য প্রকাশের স্বাধীনতার চর্চার কারণে মানহানির মতো অভিযোগের প্রচলিত আইনে বিচার করা সম্ভব, এমন অনেক বিষয় অযৌক্তিকভাবে এই বিলের আওতাভুক্ত করা হয়েছে। অথচ আন্তর্জাতিক চর্চা অনুযায়ী সাইবার নিরাপত্তা আইনের জন্য অপরিহার্য অনেক উপাদান এই খসড়ায় নেই।


আরও খবর



জীবননগরে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় জরিমানা

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

Image

গ্যাস বিক্রির নির্ধারিত মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় চুয়াডাঙ্গা জীবননগরের দুই প্রতিষ্ঠানের মোট ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

আজ শনিবার দুপুরের দিকে চুয়াডাঙ্গা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনার সময় এই জরিমানা করে। এসময় অভিযানে আলু, পেয়াজ, ডিম, গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্রতিষ্ঠানে তদারকি করা হয়।

চুয়াডাঙ্গা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ জানান, মেসার্স জীবননগর গ্যাস হাউজে ১২৪০ টাকায় কেনা ১২ কেজির সিলিন্ডার গ্যাস ১৪৫০ টাকায় পাইকারি বিক্রয় করার প্রমাণ পাওয়া যায় যেখানে সরকার নির্ধারিত মূল্য ১২৮৪ টাকা। এছাড়া প্রতিষ্ঠানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন করা হয়নি।

অতিরিক্ত মূল্যে গ্যাস বিক্রয়ের অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিক ইকবাল উদ্দিনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪০ ধারায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অপর একটি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মিনহাজ গ্যাস ঘরের গ্যাসের মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা ও পাইকারি ও খুচরা গ্যাস বিক্রয়ের ভাউচার প্রদান না করার অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিক মতিয়ার রহমানকে ৩৮ ও ৪৫ ধারায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এই অভিযানে ২টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

এরপর সবাইকে মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ক্রয় বিক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ ও সরকার নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রয়ের ব্যাপারে সতর্ক করা হয় ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। সহযোগিতায় ছিলেন জীবননগর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আনিসুর রহমান ও চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের একটি টিম। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিউজ ট্যাগ: চুয়াডাঙ্গা

আরও খবর