আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ইনুর নগদ টাকা বেড়েছে প্রায় ৫২ গুণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

Image

১০ বছরে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর নগদ টাকা বেড়েছে প্রায় ৫২ গুণ। বর্তমানে তার কাছে ৩ কোটি ৫৬ লাখ ১৫৫ টাকা আছে।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা এবং দশম ও একাদশ সংসদ নির্বাচনের হলফনামা পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

দশম সংসদ নির্বাচনের সময় ইনুর কাছে নগদ ৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ছিল। একাদশ নির্বাচনে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫০ লাখ ৬৬ হাজার ৩৮৬ টাকা। আর বর্তমানে তার কাছে আছে ৩ কোটি ৫৬ লাখ ১৫৫ টাকা। অর্থাৎ, ১০ বছরের ব্যবধানে তার নগদ টাকা বেড়েছে প্রায় ৫২ গুণ।

এ ছাড়া এবার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ইনুর জমা আছে ১৪ লাখ ৮৪ হাজার ৯২৪ টাকা, যা ৫ বছর আগে ছিল ৪৪ লাখ ৫১ হাজার ৪৮০ টাকা এবং ১০ বছর আগে ছিল ৩৬ লাখ ৭০ হাজার ১৫৬ টাকা।

আরও পড়ুন>> সাকিবের বার্ষিক আয় সাড়ে ৫ কোটি, ব্যাংক ঋণ ৩১ কোটি ৯৮ লাখ

হলফনামায় দেওয়া তথ্য থেকে আরও জানা গেছে, ইনুর বর্তমানে বার্ষিক আয় ৩৩ লাখ ৭৪ হাজার ৮০৪ টাকা। একাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় ছিল ৩৪ লাখ ৬১ হাজার ৬২৩ টাকা এবং ১০ বছর আগে ছিল ২৬ লাখ ৩৬ হাজার ৭৮২ টাকা।

কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের টানা তিনবারের এই সংসদ সদস্যের স্ত্রী আফরোজা হকেরও নগদ টাকা বেড়েছে। ১০ বছর আগে তার কাছে নগদ টাকা ছিল মাত্র ৬ লাখ ৩৮ হাজার ৯০ টাকা। ৫ বছর আগে ছিল ৬০ লাখ ৩ হাজার ২৫৮ টাকা। এখন তার নগদ টাকা আছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৪৩ টাকা।

এ ছাড়া ১০ বছর আগে আফরোজা হকের নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ছিল মাত্র ৮০ হাজার ৪৯৩ টাকা। ৫ বছর আগে তার কাছে ১৪ লাখ ২৮ হাজার ৬৭৭ টাকা থাকলেও এখন আছে ১৬ লাখ ৩৭ হাজার ২৭০ টাকা।

হলফনামায় হাসানুল হক ইনু নিজেকে রাজনৈতিক কর্মী ও প্রকৌশলী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার ও তার ওপর নির্ভরশীলদের আয়ের মধ্যে কৃষি খাতে কোনো আয় নেই। তার আয়ের বড় অংশ আসে ব্যবসা, বেতন-ভাতা, ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ ও টিভি টকশো থেকে।


আরও খবর



রাজধানীর নবাবপুরে আগুন

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর পুরান ঢাকার নবাবপুরে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা ৫০ মিনিটে একটি চার তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগে। ওই ভবনে আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকের শাখা রয়েছে।

খবর পেয়ে ১২টা ৫৫ মিনিটে ঘটনা স্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে সিদ্দিক বাজার ফায়ার স্টেশনের ৫টি ইউনিট।

তবে এ ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।


আরও খবর
ছুটির দিনেও ঢাকার বায়ু ‌‘অস্বাস্থ্যকর’

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বাংলাদেশসহ যেসব দেশে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিলো ভারত

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বাণিজ্যভিত্তিক প্রভাবশালী ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়াদিল্লি সরকারের এক কর্মকর্তা বলেন, দ্বিপক্ষীয় উদ্দেশে সীমিত পরিমাণে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে মসলাজাতীয় পণ্যটি রপ্তানিতে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।

আরেক ব্যক্তি বলেন, বাংলাদেশসহ শ্রীলঙ্কা, মাউরিশিয়াস, বাহরাইন, ভুটান ও নেপালে সীমিত পরিমাণ পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে কত মেট্রিক টন পণ্যটি রপ্তানি করা হবে-এ নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানায়নি তারা।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ পেঁয়াজ রপ্তানিকারক ভারত। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে রান্নাঘরের মুখ্য পণ্যটি রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে দেশটির সরকার। ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত তা বহাল রাখার কথা জানিয়েছিল তারা। দেশের অভ্যন্তরে ক্রমবর্ধমান মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়। ফলে প্রতিবেশী দেশগুলোতে পেঁয়াজের দর বেড়ে যায়।

নিউজ ট্যাগ: পেঁয়াজ রপ্তানি

আরও খবর



মাদকপাচারের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশে প্রায় ৩০ ধরনের মাদকের সেবন চলে, যার মধ্যে কোকেনের বাজারমূল্য অনেক বেশি, তাই চাহিদা ও বেচাকেনা কম। সরকারের জিরো টলারেন্স ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর জোর তৎপরতা সত্ত্বেও এসব মাদক পাচারের রুট হিসেবে বাংলাদেশকে ব্যবহার করছে আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান চক্র।

গত বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর উত্তরার একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ২০০ গ্রাম কোকেনসহ তানজানিয়ার মোহাম্মদি আলী (৫৫) নামের এক নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) একটি দল তাদের ডগ স্কোয়াডের সহায়তায় এ অভিযান চালায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে যত মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়, এর চেয়ে অনেক বেশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে সেবনকারীদের হাতে পৌঁছে যায়। দেশে মাদকদ্রব্য আসা রোধে আকাশ ও নৌপথ এবং স্থল সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো জরুরি।

এ বিষয়ে বিমানবন্দর এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এপিবিএন ও ডিএনসির যৌথ দল উত্তরার হোটেল এফোর্ড ইনে অভিযান চালায়। হোটেলে অবস্থান করা মোহাম্মদি আলীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি মাদক থাকার কথা অস্বীকার করেন।

এর আগে গত বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আট কেজি ৩০০ গ্রাম কোকেন জব্দসহ পূর্ব আফ্রিকার দেশ মালাবির নোমথেনডাজো তাওয়েরা সোকো (৩৫) নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিএনসি জানায়, নোমথেনডাজো তাওয়েরা সোকো মালাবির নাগরিক এবং সেখানের একটি হাসপাতালে সেবিকা হিসেবে চাকরি করেন। তিনি বাংলাদেশি কারো কাছে ওই কোকেন পৌঁছে দিতে এসেছিলেন। কোকেন চোরাচালানে আন্তর্জাতিক চক্র বাংলাদেশকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করতে সোকোর মাধ্যমে এই চালান এনেছিল।

পর পর দুদিনের অভিযানে শতকোটি টাকার বেশি কোকেনসহ দুই বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তারের পর এসব তথ্য জানান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তবে কার মাধ্যমে কোন দেশে এসব কোকেন পাচার করা হচ্ছিল, তা জানতে তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।


আরও খবর



দেশের ফুটবলে অবদান রাখছে ঠাকুরগাঁওয়ের মেয়েরা

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক, ঠাকুরগাঁও

Image

ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ। আর এই কাঙ্ক্ষিত গোলটি আসে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার রাঙাটুঙ্গি ইউনাইটেড মহিলা ফুটবল একাডেমির খেলোয়াড় সাগরিকার পা থেকে। এর আগেও গত শুক্রবার অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে সাগরিকা করেছেন জোড়া গোল। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে জেতানোর বড় ভূমিকা রেখেছিল রাণীশংকৈলের এই নারী খেলোয়াড়।

এক অজপাড়াগাঁয়ে সাগরিকার বেড়ে ওঠা। বাবা লিটন আলী সামান্য একটি চায়ের দোকান করে সংসারের ভার টানেন। বড় ভাই সাগর আলী অর্থ সংকটে পড়াশোনা করতে পারেনি। সে এখন স্থানীয় এক ইটভাটায় দিনমজুরের কাজ করে।

নেপালের বিপক্ষে মাঠে যে দুরন্ত সাগরিকাকে দেখা গেছে, তাকে হয়তো দেশের ফুটবলে নাও পাওয়া যেত। তার মা-বাবা একেবারেই নাকি রাজি ছিলেন না মেয়ের ফুটবল খেলার ব্যাপারে। মেয়ে জার্সি ও হাফ প্যান্ট পরে ফুটবল খেলবে এটা ভালো চোখে দেখতো না গ্রামবাসী। কিন্তু কন্যার জেদের কাছে হার মানতে হয়েছে বাবাকে। বাবাকে ভুল প্রমাণ করতে পেরে এবার সাগরিকা খুশি। যেন বলতে চেয়েছেন, বাবা, দেখো আমি পেরেছি।

রাণীশংকৈল রাঙাটুঙ্গি ইউনাইটেড মহিলা ফুটবল একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক তাজুল ইসলামের হাতে গড়া নারী খেলোয়াড় সাগরিকা। সাগরিকা মাঠে যত সাবলীল, ক্যামেরার সামনে ততটাই জড়সড়!

ঠাকুরগাঁওসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে একঝাঁক মেয়ে এসে ফুটবল রাঙাচ্ছেন জাতীয় দলে। সাগরিকা তাদেরই একজন। উঠে এসেছেন রাণীশংকৈল রাঙ্গাটুঙ্গী ইউনাইটেড ফুটবল একাডেমির পরিচালক তাজুল ইসলামের হাত ধরে। তিনি না থাকলে হয়তো সাগরিকার মতো প্রতিভাবান স্ট্রাইকার পেতো না বাংলাদেশের ফুটবল।

সাগরিকা বলেন, আমার মাবাবা চাইতেন না আমি ফুটবল খেলি। তবে আমার ফুটবলার হওয়ার পেছনে খালার অবদান সবচেয়ে বেশি। তিনি মাকে বলেছিলেন, মেয়ে আমাকে দাও, সে ফুটবল খেলুক। বাংলাদেশের জার্সিতে খেলার পর মাবাবার ভুল ভেঙেছে। আমি এতেই খুশি। গ্রামের যারা সমালোচনা করেছেন তারাই এখন সাগরিকাকে নিয়ে গর্ব করে।

সাগরিকার বাবা লিটন আলী বলেন, মেয়েকে বলেছিলাম তুমি জীবনেও কিছু করতে পারবে না। খেলতে দিতাম না। এখন মনে হয় আমার সিদ্ধান্ত ভুল আর মেয়েই সঠিক।

রাঙ্গাটুঙ্গী একাডেমির ফুটবলার সাগরিকা বিকেএসপিতে সুযোগ পেয়ে ও যাননি। ২০২২ সালে হওয়া ঘরোয়া নারী ফুটবল লিগের সর্বশেষ আসরে জাতীয় দলের সাবেক কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের নজর কাড়েন। ওই বছর মেয়েদের লিগে খেলেন এফসি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হয়ে। প্রথম ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করে নজরে পড়েন কোচের। সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা রানী সরকার, সিরাত জাহান স্বপ্না, শামসুন্নাহার জুনিয়র, শাহেদা আক্তার রিপাদের মতো অভিজ্ঞদের সঙ্গে লড়াই করে তাদের সারিতে নাম লেখান সাগরিকা।

গত বছর কমলাপুর স্টেডিয়ামে হওয়া অনূর্ধ্ব-১৭ নারী সাফে খেলেছিলো রাশিয়া। যে টুর্নামেন্টে গোল পেতে রীতিমতো লড়াই করতে হয় বাংলাদেশকে। ওই টুর্নামেন্টে ভুটানের বিপক্ষে ১ গোল করেন সাগরিকা। নেপালের সঙ্গে হারতে বসা ম্যাচে বাংলাদেশ ১ পয়েন্ট পায় সাগরিকার গোলেই। এরপর সাগরিকা খেলেন এএফসির দুটি টুর্নামেন্টে সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামে। সেখানেও গোল পেয়েছেন ভিয়েতনামে। ফিলিপাইনের কাছে ৩-১ গোলে হারের ম্যাচে একমাত্র গোলটি সাগরিকার।

নেপালের বিপক্ষে সাগরিকার খেলা দেখে উচ্ছ্বসিত তাজুল ইসলাম, এই মেয়েদের নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেছিলাম তাতে আমি সফল, স্বার্থক। তাজুলরা আছেন বলেই হয়তো চা-দোকানির সোনার মেয়েরা অবদান রাখে দেশের ফুটবলে।

নিউজ ট্যাগ: ঠাকুরগাঁও

আরও খবর
হাথুরুসিংহেকে ‘শোকজ’ করবেন পাপন!

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরীর পণ্য

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী (বিএমটিএফ) লিমিটেড, গাজীপুর নিজস্ব উৎপাদিত পণ্যসমূহ নিয়ে ক্রেতাগণের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি এবং পণ্যসমূহ ক্রেতাদের দোর গোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় প্যাভিলিয়ন নম্বর ১৪তে বিএমটিএফ লিমিটেড এর ৮টি স্টলে ৪৩৭টি পণ্য নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে।

বিএমটিএফ কর্তৃক উৎপাদিত কসমেটিকস্, লেদার আইটেম, জুতা, এ্যাপারেলস, ইলেকট্রিক বাল্ব, জার্মনিল হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ফার্নিচার, প্যাকেজিং আইটেম প্যাভিলিয়নে স্থান পেয়েছে।

এছাড়াও রয়েছে বিএমটিএফ এর তৈরীকৃত র‍্যাঙ্ক ব্যাজ, মেডেল, ক্রেস্ট, লোশন, কোটপিন, ড্রেস, এলইডি বাল্ব, সোলার বাল্ব, চেয়ার-টেবিল, সোফা, খাট, প্যাকেজিং সিস্টেম, হ্যান্ডব্যাগ, স্থান সংকুলানের জন্য স্বয়ংক্রিয় দ্বিতল পার্কিং সিস্টেম ভার্টি পার্ক, ব্যাটারী চালিত বাহন পুলক ও বাহকসহ নানা পণ্য।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০০ সালে বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী (বিএমটিএফ) লিমিটেডকে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করেন। বিএমটিএফ লিমিটেড এর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি (বার), ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন। 

এছাড়া, ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বিএমটিএফ লিমিটেড কর্তৃক উৎপাদিত পণ্যসমূহের প্রতি ক্রেতাগণের ব্যাপক আগ্রহ ও চাহিদা পরিলক্ষিত হয়েছে, যা বিএমটিএফ লিমিটেড এর উৎপাদন কার্যক্রমকে ভবিষ্যতে আরো বেগবান করবে বলে আশা করা যায়।


আরও খবর