আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

‘ইনোভেশন এবং ইন্টিগ্রিটি থাকলে যেকোন তরুণ উদ্যোক্তা সফল হবে’

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি (সিসিসিআই) চট্টগ্রামে তরুণ উদ্যোক্তাদের নিয়ে গ্লোবাল এন্ট্রাপ্রিনিউরশীপ নেটওয়ার্ক (জিইএন) বাংলাদেশর সাথে কফি উইথ চেম্বার শীর্ষক মতবিনিময়ের আয়োজন করে।

বুধবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে অনুষ্ঠিত মতবিনিময়ে প্রধান অতিথি হিসেবে চিটাগাং চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ উপস্থিত ছিলেন।

এতে তথ্যচিত্রের মাধ্যমে জিইএনর সামগ্রিক কর্মকান্ড এবং গ্লোবাল এন্ট্রাপ্রিনিউরশীপ সপ্তাহ-২০২৩ সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেন জিইএন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কে এম হাসান রিপন।

এসময় চেম্বার পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ, মাহফুজুল হক শাহ, বেনাজির চৌধুরী নিশান, ইঞ্জিনিয়ার ইফতেখার হোসেন, মোহাম্মদ আদনানুল ইসলাম ও মোহাম্মদ মনির উদ্দিন, প্রাক্তন পরিচালকদ্বয় মোঃ ইফতেখার ফয়সাল ও মোহাম্মদ নাসিরুল আলম (ফাহিম), দেশ আইটির প্রফেসর রেজাউল করিম, তরুণ উদ্যোক্তা সৌমেন কানুনগো, প্রান্তিক গ্রুপের পরিচালক রাশিদ সরোয়ারসহ তরুণ উদ্যোক্তাগণ বক্তব্য রাখেন।

চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ বলেন, জাতিসংঘের দেওয়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) পূরণে একটা বড় ভূমিকা রাখতে পারেন তরুণ উদ্যোক্তারা। বাংলাদেশকে বিশ্ব মানচিত্রে সম্মানের সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করতে হলে তরুণ উদ্যোক্তাদের যথাযথ ভূমিকাই এখন সময়ের দাবি। সীমিত সম্পদ দিয়েও যে ঘনবসতিপূর্ণ একটা ছোট্ট দেশে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা যায়, বাংলাদেশ ইতিমধ্যে তা প্রমাণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী বেকারত্ব দূরীকরণের জন্য শিক্ষিত তরুণ প্রজন্মকে চাকরির পিছে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য উৎসাহিত করছেন। এজন্য আইসিটি ইনকিউবেটর এবং আইসিটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে তরুণ প্রজন্মকে বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন সরকার।

তিনি বলেন, আগামী গ্লোবাল ইকোনমি বে অব বেঙ্গলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এতে ভারত-চায়না ইতোমধ্যে বৃহৎ অর্থনীতির দেশে রূপান্তরিত হচ্ছে যার অংশীদার হচ্ছি আমরাও। বাংলাদেশের যে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড রয়েছে তাদেরকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে  পারলে ১৭ কোটির মানুষের এদেশ থেকে বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠান তৈরী হবে। এজন্য তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনার জন্য জিইএনসহ সকল প্রতিষ্ঠিত উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

জিইএন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কে এম হাসান রিপন বলেন, তরুণ উদ্যোক্তাদের শুরু থেকেই অনেক বাধা উপেক্ষা করে এগিয়ে যেতে হয়। ইনোভেশন এবং ইন্টিগ্রিটি থাকলে যেকোন তরুণ উদ্যোক্তা সফল হয়ে উঠবে। আর তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে মনোভিত্তিক আগ্রহ জাগিয়ে তোলার জন্য ইকোসিস্টেম তৈরি করে নতুন ব্যবসা উদ্ভাবন ও বিকশিত করতে কাজ করছে জিইএন বাংলাদেশ। তিনি বলেন, জাপান, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপে সাড়ে চার কোটি দক্ষ জনশক্তির চাহিদা রয়েছে। এক্ষেত্রে এসব দক্ষ জনশক্তির যোগান দিতে ভারত ও বাংলাদেশের যথেষ্ট ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড রয়েছে। তাই বাংলাদেশের তরুণ যুবকদের নিয়ে চিটাগাং চেম্বারের তরুণ ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে একটি নেটওয়ার্ক হাব এবং রিসার্চ ইনোভেশন সেন্টার করার আহবান জানান তিনি।

সভায় বক্তারা তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য পলিসি নির্ধারণের পাশাপাশি নতুন ব্যবসায়িক উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও তরুণ নেতৃত্ব সৃষ্টির মাধ্যমে ক্যাপাসিটি ডেভেলাপমেন্ট ও কানেক্টিভিটি তৈরীর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নরসিংদীতে পৃথক ঘটনায় ২ জন নিহত

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নরসিংদী প্রতিনিধি

Image

নরসিংদীতে পৃথক ঘটনায় দুজন নিহত হওয়ায় খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলার সংগীতা এলাকায় দুর্বৃত্তের হামলা নিহত হয় সুমন মিয়া (৩২) নামে এক যুবক।

তাছাড়া শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে পলাশ উপজেলায় জিনারদীতে রেললাইনের পাশে একটি ঝোপ থেকে একই নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার বাড়ি সদর উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মো. ইকতিয়ার উদ্দিন।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিক নরসিংদী শহরের সংগীতা এলাকায় সুমন মিয়াকে কুপিয়ে আহত করে দুর্বৃত্তরা। পরে নরসিংদী সদর হাসপাতাল থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে সেখানে মারা যান তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তানভির আহমেদ।

তিনি বলেন, হামলার খবর পেয়ে ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

নিহত সুমন মিয়ার স্বজন জানান, রাতে বাসায় ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা সুমনকে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সে মারা যায়। নিহত সুমন পৌরসভার সংগীতা এলাকার সোবহান মিয়ার ছেলে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (বেলা ১১টা) নিহত সুমনের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে বলে জানান তারা।

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, পৃথক ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা তৎপর রয়েছি। দুটি ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

তবে ঝোপ থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি রেল দুর্ঘটনা নাকি হত্যা করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




যৎসামান্য অর্থে ‘রোহিঙ্গা’ হয়ে যাচ্ছে ‘বাংলাদেশি’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

অর্থের বিনিময়ে বাংলাদেশের ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি করছেন অনেক রোহিঙ্গা; খরচ পড়ে মাত্র ৩০ হাজার টাকার মতো। এসব কাজে জড়িত চক্রের হয়ে কাজ করছেন পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের কর্মীরাও। সম্প্রতি এমন একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ।

এদিকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এনআইডি জালিয়াতি রোধে এক কর্মকর্তার কম্পিউটার অন্য কর্মকর্তা যেন ব্যবহার করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে নির্দেশনা দিয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত পাঁচজন হলেন- দিনাজপুরের বিরল পৌরসভার কম্পিউটার অপারেটর মো. আব্দুর রশিদ, বিরলের রানীপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর সোহেল চন্দ্র, মো. শহিদুল ইসলাম মুন্না, মো. রাসেল খান ও মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, পৌরসভার মেয়র, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সচিবের আইডি ব্যবহার করে গ্রেপ্তার হওয়া রশিদ ও সোহেল এনআইডি ও জন্মনিবন্ধনের সার্ভারে প্রবেশ করতেন। তাদের কাছে গ্রাহক এনে দিতেন মাঠ পর্যায়ে কাজ করা বাকি তিনজন। চক্রটি জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরির কথা বলে অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিয়ে গ্রাহক আকৃষ্ট করে।

ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. সাইফুর রহমান আজাদ বলেন, এই চক্রের মূলহোতা রশিদ-সোহেল। চক্রটি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা জনগণকে বিরলের অধিবাসী দেখিয়ে জন্মনিবন্ধন সনদ বানিয়ে দিত। কুষ্টিয়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ দেশের অন্যান্য এলাকাতেও চক্রের লোকজন আছে। ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে দিতে তারা ৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছে।

সাইফুর রহমান আজাদ আরও জানান, চক্রটি ফেসবুকে প্রচারণা চালাত। তাদের মাধ্যমে অনেক দাগি আসামিও নিজের নাম-পরিচয় পাল্টিয়ে ভুয়া জন্মনিবন্ধন নিয়েছে। অনেকে ভুয়া পাসপোর্ট তৈরি করেছে।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সব আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে ইসির একটি নির্দেশনা পাঠিয়েছেন এনআইডি শাখার সিস্টেম এনালিস্ট মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এনআইডি সংশোধনের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা গ’ ক্যাটাগরি, সিনিয়র জেলা/জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা খ’ ক্যাটাগরি, উপজেলা/থানা নির্বাচন কর্মকর্তারা ক’ ক্যাটারির সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তি করে থাকেন বিধায় ওই কর্মকর্তাদের কার্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিএমএস) অ্যাকাউন্ট খুবই সংবেদনশীল। কর্মকর্তাদের কম্পিউটারগুলো শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিয়ে লক রাখতে হবে এবং টেবিল থেকে ওঠার আগে অবশ্যই লক করে উঠতে হবে।


আরও খবর



বিশ্ব ইজতেমায় পুলিশ সদস্যসহ সাতজনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম দিন একজন পুলিশ সদস্যসহ ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ইজতেমা ময়দানে ৪ জন, ময়দানে আসার পথে পুলিশ সদস্যসহ ৩ জন মারা গেছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এই সাতজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সেলের প্রধান মো. হাবিবুল্লাহ রায়হান মৃত্যুর সংবাদগুলো নিশ্চিত করেন।

বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে মারা যাওয়া চার মুসল্লিরা হলেন- নেত্রকোনা জেলার কুমারী বাজার এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে আবদুস সাত্তার (৭০), একই জেলার বুড়িঝুড়ি স্বল্পদুগিয়া গ্রামের আব্দুস ছোবাহানের ছেলে এখলাস মিয়া (৬৮), ভোলা জেলার ভোল্লা গ্রামের নজির আহমেদের ছেলে শাহ আলম (৬০) ও জামালপুর জেলার তুলশীপুর এলাকার পাকুল্লা গ্রামের হযরত আলীর ছেলে মতিউর রহমান (৬০)।

ময়দানে আসার সময় মারা যাওয়া ২ জন হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার সরাইল থানার ধামাউরা গ্রামের ইউনুছ মিয়া (৬০) ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার চৌহদ্দীটোলা গ্রামের জামান মিয়া (৪০)।

অপরদিকে বিশ্ব ইজতেমায় দায়িত্ব পালনের জন্য আসার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশের একজন এএসআই নিহত ও একজন এসআই গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার সকালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গীর মিলগেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত এএসআইয়ের নাম হাসানুজ্জামান (৩০)। একই দুর্ঘটনায় আহত এসআই আমীর হামজাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তারা উভয়ে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ থেকে ইজতেমায় দায়িত্ব পালন করতে এসেছিলেন।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইব্রাহিম খান পুলিশ সদস্যের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পেকুয়ায় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের পূর্বদিক দিয়ে প্রবাহিত মাতামুহুরী নদীতে শ্যালো মেশিন বসিয়ে গত এক মাস ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার অভিযোগে উঠেছে উজানটিয়া ইউপির সদস্য সোনা মিয়া সিন্ডিকেট এর বিরুদ্ধে।

অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলনের কারণে মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে উজানটিয়ার রুপালী বাজার এলাকায় ৬৪/২বি পোল্ডারের পানি উন্নয়নের বেড়িবাঁধ ও মানুষের ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা। অচিরেই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না করলে সামনের বর্ষা মৌসুমে ওই এলাকায় আবারো পাউবোর বেড়িবাঁধে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। 

জানা যায়, গত এক মাস ধরে উজানটিয়া ইউনিয়নের পুর্ব দিকে প্রবাহিত মাতামুহুরী নদীর উজানটিয়ার রুপালী বাজার পয়েন্টে নদীতে শ্যালো মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে একই ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার সোনা মিয়া ও ইউনিয়ন ছাত্রীগের সহ সভাপতি মো: কাফি চৌধুরী এবং যুবলীগ নেতা আয়াত।

খাল কিংবা নদী থেকে বালি উত্তোলনের নিয়ম না থাকলেও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বেচা-বিক্রিতে জড়িত রয়েছে এই সিন্ডিকেট। রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বেআইনীভাবে বালু উত্তোলন করলেও পেকুয়া উপজেলা প্রশাসন নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় স্থানীয় সচেতন মহলে ক্ষোভ বিরাজ করছে। 

এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চাই থোয়াইহলা চৌধুরী জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন কর্মকান্ডে অবশ্যই অভিযান হবে।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় একমাস ধরে চলছে এই বালু উত্তোলন। যার ফলে নদী ভাঙনের শংঙ্কায় রয়েছে নদীর পাড়ে অবস্থিত শতাধিক পরিবার। নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব থেকে। স্থানীয়রা নদী থেকে অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলন বন্ধে জরুরী ভিত্তিতে পেকুয়া উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

নদী থেকে অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে জানতে বালুখেখো সিন্ডিকেটের সদস্য সোনা মিয়া মেম্বারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, বালু উত্তোলনের কাজে আমি জড়িত নাই । বালু পরিবহনের জন্য আমার গাড়ি ভাড়া দিয়ে থাকি।  বালু উত্তোলন করে ছাত্রলীগ নেতা কাফি এবং  যুবলীগ নেতা আয়াত। তাদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করে বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তাদের মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উজানটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল করিম  বলেন, আমার ইউনিয়ন খুব শান্ত ছিল, ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার সোনা মিয়া সিন্ডিকেট করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং মাটি বিক্রি করে ইউনিয়নের অনেক ক্ষতি করে যাচ্ছে। এবিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করেছি আমি।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




হাজার হাজার নয়, ভালো ডাক্তার চাই : সামন্ত লাল সেন

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, ‘মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মনোযোগের সঙ্গে পড়াশোনা করে ভালো চিকিৎসক হতে হবে। এর সঙ্গে অবশ্যই সৎ ও আদর্শিক মানসিকতা নিয়ে ডাক্তারি পেশায় নিজেকে নিযুক্ত করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা হাজার হাজার ডাক্তার চাই না, আমরা চাই ভালো ডাক্তার–এ কথাটির অর্থ শিক্ষার্থীদের বুঝতে হবে।’
শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ অডিটোরিয়ামে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণকাজ অচিরেই শুরু করা হবে বলে আশ্বাস দেন ডা. সামন্ত লাল সেন।
প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কক্সবাজার জেলা সফরে যান। সফরের শেষ দিন শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি জরুরি বিভাগ, আউটডোর ও ইনডোর রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
এরপর মন্ত্রী রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে চিকিৎসা ও পরিবার পরিকল্পনা সেবার চিত্র প্রত্যক্ষ করেন।


আরও খবর