আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

হোয়াটসঅ্যাপে ব্লক করলে বুঝবেন যেভাবে

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | ৪৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে কাউকে ব্লক করা সম্ভব। কারো সঙ্গে চ্যাট করতে না চাইলে আপনিও তাকে ব্লক করতে পারবেন। তিনি চাইলেও আপনাকে ব্লক করতে পারবেন। আপনি না পারবেন তাকে কল করতে বা মেসেজ দিতে। কেউ আপনাকে ব্লক করেছেন কি না জানবেন কীভাবে?

আপনাকে কেউ ব্লক করেছেন কি না- তা জানার সরাসরি কোনো পদ্ধতি না থাকলেও একাধিক উপায়ে বোঝা সম্ভব।

হোয়াটসঅ্যাপে কেউ ব্লক করলে বুঝবেন কীভাবে?

প্রোফাইল ছবি অদৃশ্য হয়ে যাবে

অ্যাক্টিভিটি স্ট্যাটাস অফলাইন হয়ে যাবে

স্ট্যাটাস দেখা যাবে না

অ্যাবাউট বিভাগ ফাঁকা হয়ে যাবে

মেসেজ পাঠালে তা কখনই ডাবল টিক পাবে না

কল করা যাবে না

প্রোফাইল ছবি অদৃশ্য

আপনাকে কোনো ব্যক্তি হোয়াটসঅ্যাপে ব্লক করলে সেই ব্যক্তির প্রোফাইল ছবি আর দেখতে পাবেন না।

অ্যাক্টিভিটি স্ট্যাটাস অফলাইন

প্রোফাইল ছবির ঠিক নিচে অ্যাক্টিভিটি স্ট্যাটাস দেখা যায়। এখানে অনলাইন, টাইপিং অথবা লাস্ট সিন স্ট্যাটাস দেখা যায়। আপনাকে কেউ ব্লক করলে এখানে কোন অপশন দেখতে পাবেন না।

স্ট্যাটাস আপডেট

আপনাকে কোন ব্যক্তি হোয়াটসঅ্যাপে ব্লক করলে আপনি আর সেই ব্যক্তির স্ট্যাটাস আপডেট দেখতে পাবেন না।

অ্যাবাউট বিভাগ

আপনাকে কেউ ব্লক করলে আপনি আর সেই ব্যক্তির প্রোফাইলে অ্যাবাউট বিভাগে কোনো তথ্য দেখতে পাবেন না।

মেসেজে সিঙ্গেল টিক

একবার হোয়াটসঅ্যাপে ব্লক করলে আপনার পাঠানো কোনো মেসেজ আর সেই ব্যক্তির ফোনে ডেলিভার হবে না। ফলে মেসেজ পাঠালে পাশে একটা টিক দেখা যাবে।

কল যাবে না

একবার ব্লক করলে আপনি আর হোয়াটসঅ্যাপে ভয়েস ও ভিডিও কল করতে পারবেন না। ভয়েস কল করলে তা কখনই কানেক্ট হবে না।


আরও খবর



সাবেক অর্থমন্ত্রী এ এম এ মুহিত আর নেই

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আর নেই। রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। এম এ মুহিতের ভাই বাংলাদেশ পল্লী শিশু ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এ এস এ মুয়িয সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এস এ মুয়িয সুজন জানিয়েছেন, রাত সোয়া ১২টার দিকে অবস্থার অবনতি হলে আবুল মাল আব্দুল মুহিতকে ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় গুলশান আজাদ মসজিদে প্রথম জানাজা ও বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ১২টায় তার মরদেহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহীদ মিনারে নেওয়া হবে। এরপর দাফনের জন্য মরদেহ নেওয়া হবে সিলেটে। রায় নগরের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন জানান, নগরীর ধোপাদিঘীর পাড়স্থ সাবেক অর্থমন্ত্রীর বাসভবনে জানাজা ও দাফনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শনিবার দুপুর ১২টায় জরুরি বৈঠক ডেকেছে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ। ১৯৩৪ সালের ২৫ জানুয়ারি সিলেটে জন্ম নেওয়া মুহিত তার মা সৈয়দা শাহার বানু চৌধুরী ও বাবা আবু আহমদ আবদুল হাফিজের ১৪ সন্তানের মধ্যে ছিলেন তৃতীয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন তার ছোট ভাই।

আবুল মাল আবদুল মুহিত ১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দে সিলেটের এমসি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন তিনি। পরের বছর একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। অংশ নিয়েছিলেন ভাষা আন্দোলনে। ছাত্রজীবনে সলিমুল্লাহ হল ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। বিদেশে চাকরিরত অবস্থায় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন তিনি। আর ১৯৬৩-৬৪ শিক্ষাবর্ষে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমপিএ ডিগ্রি লাভ করেছিলেন।

১৯৫৬ সালে আবদুল মুহিত যোগ দিয়েছিলেন পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে (সিএসপি)। পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব হিসেবে ছিলেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। ১৯৬০ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্বে ছিলেন। অর্থনৈতিক পরামর্শক হিসেবে ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৎকালীন পাকিস্তান দূতাবাসে যোগদান করেছিলেন। ছিলেন পাকিস্তান কর্মপরিকল্পনা কমিশনের প্রধান ও উপ-সচিব। ওয়াশিংটন দূতাবাসে কূটনীতিকের দায়িত্ব পালনের সময় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের জুনে পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করেন।

১৯৭১ সালে গঠিত অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়াশিংটন দূতাবাসে ইকনমিক কাউন্সেলরের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ওই সময়ে তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে পরিকল্পনা কমিশনের সচিব হিসেবে নিযুক্ত হন। এছাড়াও, ১৯৭৭ খ্রিষ্টাব্দে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বহিঃসম্পদ বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মুহিত।

১৯৮১ সালে আবুল মাল আবদুল মুহিত সরকারি চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েছিলেন। এরপর তিনি ফোর্ড ফাউন্ডেশনের অর্থনীতি এবং উন্নয়ন বিভাগের একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেছিলেন। আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন সংস্থা বা ইফাদেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। ১৯৮২-১৯৮৩ সালে এরশাদ সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছিলেনন মুহিত। পরবর্তী সময়ে বিশ্বব্যাংকের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসহ জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), আইডিবি ও জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে তিনি সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

আবুল মাল আবদুল মুহিত আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহা ঐক্যজোটের মনোনয়নে সিলেট-১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে প্রার্থী হন। ওই নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০০৯ জানুয়ারি ৬ তারিখে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে টানা ১০ বছর বাজেট উপস্থাপন করেছেন জাতীয় সংসদে।

২০২১ সালের ২৫ জুলাই আবদুল মুহিত করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। গত মার্চের শুরুতে আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ছিলেন কিছুদিন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে ১৪ মার্চ সিলেট ঘুরে আসেন। সিলেট সিটি করপোরেশন ১৬ মার্চ তাকে গুণীশ্রেষ্ঠ সম্মাননা’ দেয়।


আরও খবর



আর বিনামূল্যে নয় টুইট : ইলন মাস্ক

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | ৪৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টুইটার ব্যবহার করতে আগামী দিনে টাকা খরচ হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্বের শীর্ষধনী ইলন মাস্ক। তবে সবাইকে টাকা খরচ করতে হবে না, কেবলমাত্র বাণিজ্যিক ও সরকারি ব্যবহারকারীদের টুইটার ব্যবহারে খরচ করতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৪ মে) এক টুইটে ইলন মাস্ক এ তথ্য জানিয়েছন। তিনি বলেন, টুইটার সবসময়ই সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি থাকবে। তবে বাণিজ্যিক/সরকারি ব্যবহারকারীদের জন্য সামান্য খরচ করতে হতে পারে।

তবে এ বিষয়ে জানতে রয়টার্সের পক্ষ থেকে টুইটার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা কোনো মন্তব্য করেনি।

সব জল্পনা-কল্পনা এবং দরদামের পর টুইটার কিনে নিয়েছেন ইলন মাস্ক। এই মাইক্রো ব্লগিং সাইটটি কিনতে মাস্কের খরচ পড়েছে ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এরই মধ্যে সংস্থার সব কর্মীর কাছে একটি মেইল করে পুরো বিষয়টি জানিয়েছেন টুইটারের সিইও পরাগ আগরওয়াল। ২৫ এপ্রিল পুরো বিষয়টি সম্পন্ন হয়।

টুইটার কিনে নেওয়ার পর থেকেই এতে বেশকিছু পরিবর্তন আনার বিষয়ে চিন্তাভাবনার কথা জানান টেসলার কর্ণধার ইলন মাস্ক। তিনি জানান, টুইটারের ফিচারে বেশকিছু পরিবর্তন আনা হবে। ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে টুইটারের অ্যালগরিদমে পরিবর্তন আনার কথাও জানান তিনি।

 

 


আরও খবর



রিয়াল মাদ্রিদকে ‘গার্ড অফ অনার’ দিতেও সমস্যা নেই জাভির

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | ৩৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলতি মৌসুমে বার্সেলোনার শিরোপা জেতার সব ধরনের আশা শেষ হয়ে গেছে গেল সপ্তাহে। লিগ জেতার ক্ষীণ আশাটাও শেষ করে দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। জাভি হার্নান্দেজের বার্সা কোপা দেল রে থেকেও বিদায় নিয়ে ফেলেছিল আগেভাগেই। গেল মাসে সেই কোপা দেল রের ফাইনাল জিতে শিরোপা জিতেছে রিয়াল বেটিস। সেভিল অঞ্চলের এই দলটির মুখোমুখি আজ বার্সেলোনা। কোচ জাভি জানালেন, স্প্যানিশ কাপ চ্যাম্পিয়নদেরকে শনিবার (৭ মে) গার্ড অফ অনার দেবে তার দল।

২০২১-২২ মৌসুমের কোপা দেল রেতে বার্সেলোনার যাত্রাটা খুব দীর্ঘ হয়নি। বিদায় নিয়েছে শেষ ষোলো থেকেই। শেষ ৩২-এ লিনারেস দেপোর্তিভোর বিপক্ষে জিতে শেষ ষোলোয় পা রেখেছিল কাতালানরা। সেই রাউন্ডে দলটি মুখোমুখি হয় অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের।

বাস্ক দলটির বিপক্ষে বার্সা সেই ম্যাচে দুইবার পিছিয়ে পড়েও সমতা ফিরিয়েছিল ফেররান তরেস আর পেদ্রি গনজালেসের গোলে। তাতে খেলা গড়ায় যোগ করা অতিরিক্ত সময়ে, সেখানেও বার্সা পিছিয়ে পড়ে। তবে এরপর আর সমতা ফেরাতে পারেনি। ফলে প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বেশিবারের চ্যাম্পিয়নরা বিদায় নেয় শেষ ষোলো থেকেই। অ্যাথলেটিক বিলবাও পরের রাউন্ডে রিয়াল মাদ্রিদেরও বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দেয়। তবে তাদের এই জয়যাত্রা থামে সেমিফাইনালে, ভ্যালেন্সিয়ার কাছে হেরে।

গত ২৪ এপ্রিল রোমাঞ্চকর এক ফাইনালে পেনাল্টি শুটআউটে ভ্যালেন্সিয়াকে হারিয়ে ১৭ বছরের শিরোপাখরা ঘোচায় বেটিস। আজ সেই বেটিসেরই মুখোমুখি হবে বার্সা। এর আগে সংবাদ সম্মেলনে কোচ জাভি জানালেন, বেটিসকে গার্ড অফ অনার দেবে তার দল। কেন দেবে, সে কারণটাও জানালেন বার্সা কোচ। বললেন, গার্ড অফ অনার আমাদের কাছে সম্মান প্রদর্শনের একটা উপায় ও স্পোর্টসম্যানশিপের অংশ। রিয়াল বেটিস একটা প্রতিযোগিতায় শিরোপা জিতেছে, যাতে আমরাও অংশ নিয়েছিলাম। আমরা আমাদের ভক্তদের ও বাচ্চাদের দেখাতে চাই স্পোর্টসম্যানশিপ কী। তাই আমরা আগামীকাল রিয়াল বেটিসকে গার্ড অফ অনার দেব।

এরপরই উঠে এল রিয়াল মাদ্রিদ প্রসঙ্গ। নিজেদের ইতিহাসে বার্সেলোনা তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকেও একবার গার্ড অফ অনার দিয়েছিল। ২০০৭-০৮ মৌসুমে অধিনায়ক কার্লোস পুয়োলের অধীনে বার্সেলোনা সম্মান দেখিয়েছিল সেবারের লিগ জেতা রিয়ালকে। সেই দলেরই খেলোয়াড় ছিলেন জাভি, যিনি এখন আছেন কোচের দায়িত্বে। সাবেক স্প্যানিশ এই মিডফিল্ডার জানালেন, সেটা করতেও কোনো সমস্যা ছিল না তার। বললেন, আমার জীবনে আমি রিয়াল মাদ্রিদকেও গার্ড অফ অনার দিয়েছি। আমার তাতেও কোনো সমস্যা ছিল না।


আরও খবর



টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে সিলেটে বন্যা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিলেট ও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে টানা বৃষ্টিপাতে পাহাড়ি ঢলের পানি বাড়তে শুরু করেছে সিলেট শহরসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলায়। এতে সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলার বেশ কয়েকটি জায়গা প্লাবনের কবলে পড়েছে। অনেক জায়গায় বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। এদিকে গত পাঁচ থেকে ছয় দিনের অবিরাম বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে সুরমার পানির বিপৎসীমা যেখানে ১২ দশমিক ৭৫ মিটার, সেখানে সোমবার বিকেল ৩টায় পাওয়া গেছে ১৪ দশমিক ২৭ মিটার।

সরেজমিনে দেখা যায়, সিলেট নগরীর মাছিমপুর, ছড়ারপার, কালীঘাট, কাজিরবাজার, শেখঘাট, মোল্লাপাড়া, ঘাসিটুলা লামাপাড়া, লালদীঘিরপাড় এলাকায় ঢুকে পড়েছে বন্যার পানি।

নগরীর লালদীঘির পাড় এলাকার বাসিন্দা মামুন আহমদ বলেন, দুপুরের পর থেকেই আমাদের এলাকার বিভিন্ন জায়গায় পানি বাড়তে শুরু করেছে। এই পানি বাড়ার হার অনেক বেশি মনে হচ্ছে। অনেকের বাসাবাড়িতে পানি ঢুকেছে বলেও জানান তিনি। জৈন্তাপুর, কোম্পানিগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাটের বিভিন্ন নদ-নদী ও খালের পানি অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এসব জায়গায় নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া সিলেট সদর উপজেলাসহ বিভিন্ন হাওরের পানিও বেড়েছে।

আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে সিলেটের আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ সাঈদ চৌধুরী বলেন, গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণের কারণেই মূলত সিলেটের বিভিন্ন জায়গায় পানি বেড়েছে। গতকাল থেকে সিলেটে বৃষ্টিপাত তুলনামূলক কম হওয়ায় আজকের আবহাওয়া দুই দিন ধরে ভালো।

এদিকে উজানী ঢলের কারণে হঠাৎ বেড়েছে সিলেটের সুরমা নদীর পানি। তিন দিন আগেও যেখানে পানি নদীর পাড় থেকে কয়েক ফুট নিচে ছিল, সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে সিলেট জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসিফ আহমদ বলেন, সিলেটের নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে, এটি দুশ্চিন্তার কারণ। তিনি আরও জানান, ভারতের মেঘালয় রাজ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আর সেই পানি উজান বেয়ে বাংলাদেশে আসছে। যদি ভারতের মেঘালয় রাজ্যে বৃষ্টি না কমে, এই পানি কমার কোনো সম্ভাবনা নেই।

এই পানি বাড়াকে আগাম বন্যা হিসেবে চিহ্নিত করবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গ্রীষ্মকালে এ রকম বৃষ্টিপাত ও নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া নিঃসন্দেহে একটু চিন্তার বিষয়। এ সময় সাধারণত উজানের পানির ঢল নামলে সাময়িকভাবে কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়ে আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। কিন্তু টানা বর্ষণ আর ঢলের কারণে সিলেটের সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ১ দশমিক ৫ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সুরমার পানির বিপৎসীমা যেখানে ১২ দশমিক ৭৫ মিটার, সেখানে আজ বিকেল ৩টায় পাওয়া গেছে ১৪ দশমিক ২৭ মিটার।

নিউজ ট্যাগ: সিলেটে বন্যা

আরও খবর



করলার ক্ষতিকর পোকা দমন পদ্ধতি জেনে নিন

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৩ মে ২০২২ | ২০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আমাদের দেশে করলা একটি জনপ্রিয় সবজি। এই সবজি এখন সারা বছরই চাষ করা হয়। করলা চাষ করতে গেলে বেশ কিছু রোগ-বালাইয়ের সমস্যায় পড়তে হয়। যেমন,- মাছি পোকা ও পামকিন বিটল পোকা করলার চাষিদের ক্ষতি করে। এসব পোকা করলা ছিদ্র করে। এতে করলা খাওয়ার অনুপযোগী হয় এবং পচে যায়। ফলে লোকসান গুনতে হয় চাষিদের। মাছি পোকা করলার অন্যতম শত্রু। এতে আক্রান্ত হওয়া হলে স্ত্রী মাছি কচি ফলের নিচের দিকে ওভিপজিটর ঢুকিয়ে ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার স্থান থেকে পানির মতো তরল পদার্থ বেড়িয়ে আসে যা শুকিয়ে বাদামি রং ধারণ করে। ডিম থেকে কীড়া বের হয়ে ফলের শাস খেতে শুরু করে এবং ফল হলুদ হয়ে পচে ঝরে যায়।

মাছি পোকায় আক্রান্ত হলে করলা বা ফুল সংগ্রহ করে ধ্বংস বা পুড়ে ফেলতে হবে। উত্তমরূপে জমি চাষ দিয়ে পোকার পুত্তলি পাখিদের খাবার সুযোগ করে দিতে হবে। ক্ষেতের মাঝে মাঝে কাঁঠালের (কাঁঠালের মৌসুমে) মোথা দেয়া, এতে করলার পরিবর্তে স্ত্রী মাছি কাঁঠালের মোথায় ডিম পাড়বে এবং ক্ষতির পরিমাণ কমে আসবে। প্রথম ফুল আসা মাত্র ফেরোমন ফাঁদ স্থাপন করতে হবে। প্রতি ১০ শতাংশের জন্য ৩টি করে এই ফাঁদ স্থাপন করতে হবে। আম বা খেজুরের রসের মৌসুমে এতে সামান্য বিষ মিশিয়ে তা বোতলে রেখে বোতলের গায়ে জানালার মতো কেটে দিয়ে ক্ষেতের মাঝে মাঝে স্থাপন করতে হবে। এতে পোকা ঢুকলে মারা যাবে। এছাড়া পাকা মিষ্টি কুমড়া বা কুমড়া জাতীয় সবজি ১০০ গ্রাম কুচি কুচি করে কেটে তাতে সামান্য বিষ (যেমন,- সপসিন ০.২৫ গ্রাম) মিশিয়ে তা দিয়ে বিষটোপ তৈরি করে মাটির পাত্রে করে ক্ষেতের মাঝে মাঝে স্থাপন করতে হবে। সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক ১ মি.লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই সবজি খাওয়া বা বিক্রি করা যাবে না।

সাদা মাছি পোকাও করলাকে আক্রণ করে। সাদা স্ত্রী মাছি কচি ফলে ডিম পাড়ে। ডিম ফুটে কীড়াগুলো ফলের শাস খায়, ফল পচে যায় এবং অকালে ঝরে পড়ে। সাদা মাছিতে আক্রমণ করলে দ্রুত দমনের ব্যবস্থা নিতে হবে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন চাষাবাদ, আক্রান্ত অংশ সংগ্রহ করে ধ্বংস করতে হবে। সেক্স ফেরোমন ও বিষটোপ ফাঁদের যৌথ ব্যবহার করতে হবে। বিষটোপের জন্য থেতলানো ১০০ গ্রাম পাকা মিষ্টি কুমড়ার সাথে ০.২৫ গ্রাম সেভিন ৮৫ পাউডার মিশিয়ে ব্যবহার করতে হবে। বিষটোপ ৩-৪ দিন পরপর পরিবর্তন করতে হবে। পামকিন বিটল পোকাও করলার ভীষণ ক্ষতি করে। এই পোকা চারা গাছের পাতা ফুটো করে খায়। গাছের শিকড়ের ক্ষতি করে এবং বড় গাছ মেরে ফেলতে পারে। এই পোকা দমন করার উপায় জেনে নিন। আক্রান্ত গাছ থেকে পূর্ণাঙ্গ পোকা হাতে ধরে মেরে ফেলতে হবে।

চারা অবস্থায় ২০-২৫ দিন চারা মশারির জাল দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম সেভিন বা কার্বারিন-৮৫ মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। কীড়া দমনের জন্য প্রতিটি গাছের গোড়ায় ২-৫ গ্রাম বাসুডিনবা ডায়াজিনন ১০ জি মিশিয়ে সেচ দিতে হবে। স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই সবজি খাওয়া বা বিক্রি করা যাবে না। করলার ভাইরাসজনিত মোজাইক রোগও বেশ ক্ষতিকর। এ রোগে আক্রান্ত হলে গাছে হলুদ ও গাঢ় সবুজ ছোপ ছোপ মোজাইক করা পাতা দেখা দেয়।

এ ভাইরাসে আক্রান্তের হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে রোগমুক্ত বীজ বপন করতে হবে। ক্ষেতে সুষম সার ব্যবহার এবং ক্ষেত থেকে আক্রান্ত গাছ তুলে ফেলতে হবে। জাব পোকা ও সাদা মাছি এ রোগের বাহক, তাই এদের দমনের জন্য ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক। যেমন,- এডমায়ার ১ মি.লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই সবজি খাওয়া বা বিক্রি করা যাবে না।

তথ্যসূত্র: কৃষি বাতায়ন


আরও খবর