আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

হোয়াটসঅ্যাপ কি নিরাপদ!

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

সারাবিশ্বের বেশির ভাগ মানুষ এখন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। হোয়াটসঅ্যাপের মূল উদ্ভাবক মেটার দাবি, তাদের প্ল্যাটফর্মে মেসেজ এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেড, যার কারণে সিকিউরিটি বেশ শক্তিশালী। কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে এমনও বহু অভিযোগ আছে যে অ্যাপ ব্যবহারকারীদের অজান্তেই মেসেজ পড়েন অন্যরা।

নিজের অজান্তের মেসেজ শনাক্ত

হোয়াটসঅ্যাপ ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ ডিভাইসে কিউআর স্ক্যান করে লগইন করতে হয়। ভুলবশত লগআউট না করলে সংশ্লিষ্ট ডিভাইসে প্রবেশ করে অনাহূত ব্যবহারকারীর মেসেজ দেখতে পারে। তাই অন্য কোনো ডিভাইসে লগইন করলে অবশ্যই লগআউট নিশ্চিত করতে হবে। যার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ওপেন করে থ্রি-ডট অপশনে ক্লিক করলে লিঙ্কড ডিভাইস নামে অপশন দৃশ্যমান হয়। ওই অপশনে কতগুলো ডিভাইসে লগইন হয়ে আছে, তা দেখা যাবে। লিঙ্কড ডিভাইসের ওপর ক্লিক করলেই লগআউট অপশন পাওয়া যাবে। লগআউটে ক্লিক করলে অন্য ডিভাইস থেকে অ্যাপটি পুরোপুরি লগআউট হয়ে যাবে।

প্রোফাইল সিকিউরিটি কন্টাক্ট লিস্ট সতর্কতা

স্মার্টফোনে এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক কন্টাক্ট সংরক্ষণ করে রাখা যায়। হোয়াটসঅ্যাপ সরাসরি ফোন কন্টাক্টের অ্যাকসেস নিয়ে থাকে। হোয়াটসঅ্যাপের বর্তমান নীতি অনুযায়ী যে কোনো ব্যক্তির কাছে কন্টাক্ট নম্বর থাকামাত্রই সে চাইলে কন্টাক্ট করার চেষ্টা করতে পারবে। সচেতন হতে হবে যে কার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে সংযুক্ত থাকতে চাই বা যোগাযোগ করতে চাই। বহু অপ্রয়োজনীয় নম্বরও কন্টাক্ট লিস্টে থাকতে পারে বা বহু পুরোনো কেউ, যার সঙ্গে বর্তমানে তেমন একটা যোগাযোগ নেই; সে ক্ষেত্রে এসব কন্টাক্ট ডিলিট করে দেওয়া বা তাদের হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করতে না দেওয়াই উত্তম।

ছবি নির্বাচনে সাবধানতা

হোয়াটসঅ্যাপে অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার মতো প্রোফাইল ছবি দেওয়া যায়। প্রোফাইলের ছবি নির্বাচনে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। যাতে প্রোফাইলের ছবি পরে কোনো বিব্রতকর পরিস্থিতিতে না ফেলে। প্রোফাইলের ছবি নিজের বা কর্মক্ষেত্রের খুব সাধারণ কোনো ছবি হওয়া উচিত। প্রোফাইলের ছবিটি যদি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া থাকে, তাহলে অবশ্যই বিবেচনায় রাখতে হবে ছবিটি হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত যে কারও নজরে আসতে পারে।

দুই স্তরের ভেরিফিকেশন

হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারে অবশ্যই দুই স্তরের ভেরিফিকেশন পদ্ধতি চালু রাখা উচিত। যাতে ব্যবহারকারীর অগোচরে অন্য কেউ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে অন্য কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারে। সাধারণত ফোন নম্বর ব্যবহার করে ফোন ছাড়া অন্য ফোনে বা কম্পিউটারে হোয়াটসঅ্যাপ লগইন করার চেষ্টা করা যায়। অবশ্যই দুই স্তরের ভেরিফিকেশন পদ্ধতিতে অনুমোদনহীন লগইন প্রতিহত করা যায়।

পাবলিক শেয়ারে সতর্ক

অনেকে হয়তো জানেন না, হোয়াটসঅ্যাপে স্ট্যাটাস মেসেজ দেওয়া যায়, যা কিনা ভুল সেটিংসের কারণে পাবলিক মেসেজ হিসেবে সবার কাছে উন্মোচিত হতে পারে। এটা না করে সব সেটিংস বদলে স্ট্যাটাস মেসেজগুলো শুধু পরিবার, বন্ধু বা যারা হোয়াটসঅ্যাপে সংযুক্ত আছেন, তাদের জন্য উন্মুক্ত করা যেতে পারে।

গ্রুপে সবাইকে যুক্ত না করা

হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রয়োজনীয় দিক হলো বিভিন্ন গ্রুপ এবং সেসব গ্রুপের আলোচনা। কাজের পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকজন মিলে গ্রুপ তৈরি করা যায়। যেসব গ্রুপের আলোচনা শুধু গ্রুপের সদস্যদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু কাউকে যে কোনো গ্রুপে যুক্ত করার বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। তা না হলে বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। হোয়াটসঅ্যাপের প্রাইভেসি সেটিংসে গিয়ে  (Who can add me to groups) তিনটি অপশন পাওয়া যায়। যেমন Everyone বা  My Contacts বা  My Contact Except; যার মধ্যে অবশ্যই Everyone অপশনটা বাদ দিয়ে বাকি দুটি অপশনের মধ্যে নির্বাচন করা নিরাপত্তার জন্য শ্রেয়।

হ্যান্ডসেটে ডাউনলোড না করা

হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলা বা মেসেজ বিনিময়ের বাইরেও প্রয়োজনীয় ফাইল শেয়ার করা যায়। এসব ফাইল যেন সরাসরি ফোন মেমোরিতে সেভ না হয়, সে বিষয়ে সচেতন হতে হবে। ডিফল্ট সেটিংস অনুযায়ী হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ারকৃত সব ছবি সরাসরি ফোন গ্যালারিতেই সংরক্ষিত হয়। শেয়ার করা ফাইল ব্যবহারকারীর অনুমতি সাপেক্ষে ফোন মেমোরিতে সংরক্ষিত হতে হবে। তা না হলে বহু অপ্রয়োজনীয় বা অপ্রত্যাশিত ফাইল নিজের স্মার্টফোনে সংরক্ষণ হতে থাকবে। ফলে ফোনের স্টোরেজ যেমন বেশি ব্যবহৃত হবে, তেমনি অপ্রত্যাশিত ফাইলের মাধ্যমে ম্যালওয়্যার ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও থেকে যায়।

ক্লাউড স্টোরেজে অটো ব্যাকআপ না করা

হোয়াটসঅ্যাপে ব্যবহৃত সব তথ্য ক্লাউডে অটোমেটিক ব্যাকআপ না রাখাই শ্রেয়। তা না হলে ক্লাউডের মূল্যবান স্টোরেজ ব্যবহৃত হতে থাকবে; বরং প্রয়োজনীয় ব্যাকআপটুকু ক্লাউডে রাখার চর্চা করতে হবে। ফলে ক্লাউড স্টোরেজের বহুমাত্রিক ব্যবহার সুনিশ্চিত হবে।

আপত্তিকর ছবি বা ভিডিও

হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কোনো রকম আপত্তিকর ছবি বা ভিডিও শেয়ার করা থেকে বিরত থাকা উচিত। যেহেতু আমাদের দেশে পর্নোগ্রাফি শাস্তিযোগ্য অপরাধ (সাইবার ক্রাইম)। তাই এ সংশ্লিষ্ট কোনো ভিডিও, ছবি বা অডিও ফাইল অন্যের সঙ্গে শেয়ার করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবেই বিবেচ্য। যদি কেউ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফি শেয়ার করেন, তাহলে যিনি এটি রিসিভ করছেন, তিনি চাইলে আইনি ব্যবস্থার সহায়তা নিতে পারবেন।

নিউজ ট্যাগ: হোয়াটসঅ্যাপ

আরও খবর



ইঁদুর মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদে প্রাণ গেল দুই সহোদরের

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
হযরত আলী হিরু, স্বরূপকাঠি

Image

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে ধানের জমিতে ইঁদুর মারার জন্য পাতা তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারালেন নাদিম (২৪) ও এমাম (২১) নামের দুই সহোদর। মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের উড়িবুনিয়া গ্রামে।

ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো.মিজান হাওলাদার জানান, ওই গ্রামের কৃষক রিপন হাওলাদার তার ধানের জমিতে ইঁদুর মারার জন্য বিদ্যুৎ দিয়ে ফাঁদ পেতে রাখেন। শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে ওই ওয়ার্ডের আয়নাল হকের ছেলে নাদিম ও এমাম পাখি শিকারের জন্য বের হয়ে ওই জমিতে গেলে সেখানে পেতে রাখা ফাঁদের তারে জড়িয়ে তারা দুজনেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। সারারাত দুই ভাই বাসায় না ফিরলে শনিবার সকালে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা তাদেরকে খুজতে বের হন। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে তারা নাদিম ও এমামের নিথর দেহ ওই জমির পাশে খালের পাড়ে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তারা থানা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসে।

নেছারাবাদ থানার ওসি মো. গোলাম ছরোয়ার জানান, লাশ দুটি ময়না তদন্তের জন্য পিরোজপুর মর্গে প্রেরণ করার জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে, এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মা হতে চলেছেন ইয়ামি, জানালেন নিজেই

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেতে যাচ্ছে বলিউড অভিনেতা ইয়ামি গৌতম অভিনীত নতুন সিনেমা আর্টিকেল ৩৭০। বর্তমানে এই সিনেমার প্রচারণা নিয়েই ব্যস্ততা তার। এর মধ্যেই এল নতুন সুখবর। এক প্রতিবেদনে হিন্দুস্থান টাইমস জানিয়েছে, শিগগিরই সন্তানের মা হচ্ছেন তিনি। খুব দ্রুতই সন্তানকে স্বাগত জানাবেন ইয়ামি-আদিত্য দম্পতি।

ইয়ামি এখন সাড়ে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। সম্প্রতি মুম্বাইয়ে ক্যামেরাবন্দী হন তারকা দম্পতি। নায়িকার পরনে ছিল গোলাপি রঙের ঢিলেঢালা সালোয়ার। তবে ক্যামেরা দেখেই ওড়না দিয়েও নিজেকে আড়ালের চেষ্টা করেন অভিনেত্রী। যদিও পরে স্বামীর সঙ্গে হাসিমুখেই পোজ দেন তিনি। তাঁর এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই শুরু হয় তাঁর মা হওয়ার গুঞ্জন। নেটিজেনরা বলছেন, ওড়না দিয়ে নিজের বেবি বাম্পই লুকিয়েছেন অভিনেত্রী!  বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যে এল ইয়ামির আসন্ন ছবি আর্টিকেল ৩৭০’–এর ট্রেলার।

এ অনুষ্ঠানে স্বামীর হাত ধরেই হাজির নায়িকা। এই ছবির প্রযোজক আদিত্য ধর। সাদা ঢিলে গাউনের ওপর ক্রিমরঙা হাঁটু ঝুলের কোটে সাজলেন হবু মা। আদিত্য জানান, এই ছবিটা আমাদের পারিবারিক। আমার ভাই রয়েছে, আমার বউ রয়েছে আর শোনেননতুন খবর। বেবি আসছে। দারুণ সময়। যেভাবে ছবিটা ঘটল, আর আমরা জানতে পারলাম সন্তানের কথা। ইয়ামি বলেন, এই ছবির শুটিংটা আমার কাছে মানসিকভাবে খুব কঠিন ছিল। এটা নিয়ে একটা থিসিস লিখতে পারি। আর যদি মাতৃত্ব নিয়ে জানতে চান, এটুকুই বলব, জানি না আদিত্য আমার পাশে না থাকলে কী হতো!

ব্যক্তিগত জীবন খুব একটা প্রকাশ্যে আনতে চান না ইয়ামি। তাই ২০২১ সালের জুনে হিমাচলে নিজের বাড়িতে ব্যক্তিগতভাবেই আদিত্য ধরের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েন তাঁরা। এর আগে দুই বছর প্রেম করেছেন অভিনেত্রী-পরিচালক জুটি। দুজনের প্রথম আলাপ আর প্রেম উরি: দ্য সার্জিক্যাল স্ট্রাইক সিনেমার সেটে।

২০১২ সালে আয়ুষ্মান খুরানার সঙ্গে ভিকি ডোনার সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় ইয়ামি গৌতমের। তারপর হিন্দির পাশাপাশি তামিল, তেলেগু সিনেমাতেও অভিনয়ের জাদু দেখিয়েছেন এই বলিউড তারকা।


আরও খবর
ফের বিয়ে করছেন অনুপম রায়, পাত্রী কে?

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




এক মাছের দাম চার লাখ টাকা!

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

Image

সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে ধরা পড়েছে ২৫ কেজি ৩৬০ গ্রাম ওজনের জাভাভোল নামের একটি মাছ। এটির দাম চাওয়া হচ্ছে চার লাখ টাকা।

গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় মাছটি নিয়ে জেলেরা লোকালয়ে আসলে উৎসুক জনতা ভিড় জমায়।

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী গ্রামের আব্দুস সালাম নামের এক জেলে জানান, সুন্দরবনের মালঞ্চ নদীর ফিরিঙ্গি খালে শনিবার রাতে শুকুর আলীর জালে মাছটি ধরা পড়ে।

শুকুর আলী সাংবাদিকদের জানান, মাছটির ওজন ২৫ কেজি ৩৬০ গ্রাম। তিনি ৪ লাখ টাকায় মাছটি বিক্রি করবেন। এখন পর্যন্ত ব্যাপারীরা মাছটির দাম বলেছেন ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, জাভাভোল মাছ সহসা মেলে না। এছাড়া এই মাছের রয়েছে ঔষধি গুণ। এজন্য এ মাছের দাম বেশি। মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এই মাছ কিনে নিয়ে যায়।

এই মাছের বৈজ্ঞানিক নাম প্রোটোনিবিয়া ডায়াকানথুস। এই মাছ মূলত সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এলাকায় পাওয়া যায়।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে ধর্ষণের দায় এড়াতে পারে না জাবি কর্তৃপক্ষ : র‍্যাব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) জানিয়েছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বামীকে আটকে রেখে গণধর্ষণের ঘটনার দায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এড়াতে পারে না। কারণ সেখানে বিভিন্ন সময় মাদক, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় বহিরাগতদের প্রবেশের দায় কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন বাহিনীটির মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, আমরা আগামী প্রজন্মকে জাহাঙ্গীরনগর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করার স্বপ্ন দেখি। এমনকি যারা মাদক কারবার, চোরাচালানসহ অবৈধ ব্যবসা করেন সেই সব ব্যক্তিরাও খারাপ হলেও অভিভাবক হিসেবে নিজের সন্তানকেও বিদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করান। আমরা চাই আমাদের সন্তানরা লেখাপড়া করুক এবং সুশিক্ষায় শিক্ষিত হোক।

মঈন বলেন, এই ঘটনার পর ভিকটিমের স্বামী মামলা করলে র‍্যাব মামলার প্রধান দুই পলাতক আসামিকে আটক করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মূল আসামি মামুন শুরুতে গার্মেন্টস পেশায় নিয়োজিত থাকলেও তার মূল ব্যবসা ছিল মাদক ব্যবসা। আর সেই ব্যবসার মূল ক্ষেত্র ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। গ্রেফতারকৃত মামুন প্রতি মাসে ৭ থেকে ৮ হাজার পিস ইয়াবা নিয়ে আসতো কক্সবাজার থেকে। এই ইয়াবা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করতো সে।

তিনি আরও জানান, মামুনের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃতরা অনেকদিন থেকেই মাদক ব্যবসা করে আসছে। ভিকটিমের বাসায় সাবলেট হিসেবে বসবাস করতেন। ভিকটিম ও তার স্বামীর সঙ্গে মামুনের ৩ বছরের অধিক সময় ধরে মাদক ব্যবসার সম্পর্ক রয়েছে। তারা একসঙ্গেই একই বাসায় থাকতেন। ভিকটিমের স্বামী মামুনকে মাদক ব্যবসায় সাহায্য করতেন।

মঈন বলেন, প্রতি মাসে ৩ থেকে ৪ বার এভাবে কক্সবাজার থেকে ইয়াবা নিয়ে আসতো মামুম। জুতার ভিতরে ও মোবাইলের পাওয়ার ব্যাংকে করে প্রতিবার ২ থেকে আড়াই হাজার পিস ইয়াবা আনতো সে। এরই ধারাবাহিকতায় এই মাসের ২ তারিখেও ২ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবা সে নিয়ে আসে ক্যাম্পাসে। কিন্তু বাসায় এতো মাদক রাখা নিরাপদ না ভেবে মামুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩১৭ নাম্বার হলে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়।

পরবর্তীতে মামুন ভিকটিমের স্বামীকে বলে, ভিকটিমকে মামুনের জামা কাপড় নিয়ে হলে আসতে। তখন ভিকটিম মামুনের জামা কাপড় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে আসেন। এরপরেই মামুন ও মোস্তাফিজ ভিকটিককে নিয়ে কৌশলে ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি নির্জন এলাকায় ভিতরে নিয়ে যায় এবং গণধর্ষণ করে।

মঈন বলেন, এরপরে তারা রুমে গিয়ে ভিকটিমের স্বামীকেও ভয়ভীতি দেখায়। এই ঘটনার সূত্র ধরে তাদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। সিসিটিভি ফুটেজে ভিকটিমের স্বামীকে ভিকটিমের সামনে মারধর করতেও দেখা যায়। এরপরই তারা থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে র‍্যাব মামুন ও তার সহযোগী মুরাদকে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

মামুনের বিরুদ্ধে কতটি মামলা ও কী ধরনের মামলা রয়েছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মঈন বলেন, মামুন মাদক মামলায় ৪ বারের অধিক কারাভোগ করেছে। তার নামে ৮টির অধিক মাদক মামলা রয়েছে। জাহাঙ্গীরনগরের বটতলাকে কেন্দ্র করে তিনি ও তার লোকজন মাদকের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি করেছেন। তবে নারী নির্যাতনের মামলা এটিই প্রথম।

মঈন বলেন, তবে মামলা প্রথম হলেও মামুন এই ধরনের অপকর্ম আগেও করেছে বলে স্বীকার করেছে। এই ধরনের অপকর্ম তারা আগেও অনেক করেছে। সে নিজেও আগে এমন অনেক নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে। এমনকি অনেক সিনিয়র শিক্ষার্থীদের জন্য মাদক ব্যবসার আড়ালে নারী ধর্ষণের ঘটনায় তার সম্পর্ক রয়েছে। ভিকটিমদের ভয়ভীতি দেখানোর কারণে ও সমাজের কাছে লজ্জায় তা অনেকেই প্রকাশ করেনি। এমন তথ্যও আমরা পেয়েছি।

তিনি বলেন, শুধু মামুন নয়, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আরও অনেকেই এমন অনৈতিক ও মাদকের মতো অপকর্ম নিয়মিত করছেন। আমরা বেশ কিছু নাম পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এই ৩১৭ নাম্বার রুমকে তারা গেস্ট রুম হিসেবে ব্যবহার করে এসব অপকর্ম করে আসছে বলেও জানা যায়।

মঈন বলেন, এটা বেশ অ্যালার্মিং। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় এমন ঘটনা খুবই নেতিবাচক। শুধু জাহাঙ্গীরনগর নয় অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা আসলে কেমন তা নিয়েও এখন ভাববার বিষয়। মামুনের মতো লোকজন নিজেরা অপকর্ম করার জন্য এই ধরনের কাজ করছেন। আমাদের অভিভাবক, শিক্ষক সমাজ ও গণমাধ্যমদের এই বিষয়ে কঠোর ভূমিকা নেয়া উচিত।


আরও খবর



বসন্ত উৎসবে ‘আমার ভাষার চলচ্চিত্র’

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

বসন্ত উৎসবে মেতেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এই উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তন কেন্দ্রের প্রাঙ্গণে ভিড়ছে দূর দূরান্তের মানুষ। পাঁচ দিনব্যাপী চলমান আমার ভাষার চলচ্চিত্র উৎসবেও ভিড় বেড়েছে। চলচ্চিত্র উৎসবে বুধবারের (১৪ ফেব্রুয়ারি) আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। উৎসবমুখর আবহ নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছেন তিনি।

তিনি বলেন, ২১ বছর ধরে এই আয়োজন চলছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের যারা সদস্য, যারা এই সংগঠনটা চালায় এটা তাদের খুবই ভালো উদ্যোগ। বিভিন্ন সময়ই আমার বিভিন্ন চলচ্চিত্র এই উৎসবে দেখানো হয়েছে কিন্তু এই প্রথম আসার সুযোগ হলো। তাই ভালোই লাগছে।

উৎসবের তৃতীয় দিন সকাল ১০টায় প্রদর্শিত হয়েছে সৈয়দ সালাউদ্দীন জাকি পরিচালিত ঘুড্ডি (১৯৮০), দুপুর ১টায় ঋতুপর্ণ ঘোষ পরিচালিত আবহমান (২০১০), বিকেল ৩:৩০টায় গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত মনপুরা (২০০৯), এবং সন্ধ্যা ৬:৩০টায় হিমেল আশরাফ পরিচালিত প্রিয়তমা (২০২৩) প্রদর্শিত হয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় প্রদর্শিত হবে জহিরুল হক পরিচালিত রংবাজ (১৯৭৩), দুপুর ১টায় বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত পরিচালিত টোপ (২০১৭), বিকেল ৩:৩০ টায় ইমতিয়াজ হোসেন পরিচালিত জাস্ট আ জোক ডার্লিং, এবং সন্ধ্যা ৬:৩০ টায় চয়নিকা চৌধুরী পরিচালিত প্রহেলিকা (২০২৩) প্রদর্শিত হবে।‌

উৎসবের শেষদিন উপমহাদেশের প্রথম চলচ্চিত্রকার হীরালাল সেন স্মরণে অনুষ্ঠিত হবে হীরালাল সেন পদক প্রদান এবং সমাপনী অনুষ্ঠান। উৎসবটি চলবে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রদর্শনী সকলের জন্য উন্মুক্ত। টিকিটের শুভেচ্ছা মূল্য মাত্র ৫০ টাকা। টিএসসির প্রবেশমুখের বুথ থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।


আরও খবর