আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

হজযাত্রীদের পাসপোর্টের মেয়াদ থাকতে হবে আগামী ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ মে ২০২২ | ৫৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলতি বছর হজে যাওয়া যাত্রীদের মধ্যে যাদের পাসপোর্ট নেই বা মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তাদের জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্ট করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া হজযাত্রীদের আগামী বছরের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত পাসপোর্টের মেয়াদ থাকতে হবে।

শনিবার (৩০ এপ্রিল) হজযাত্রীদের পাসপোর্ট-সংক্রান্ত জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি বছর (১৪৪৩ হিজরি) সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনায় হজে গমনেচ্ছু যাত্রীদের নিবন্ধন নিশ্চিত করার জন্য পাসপোর্টের মেয়াদ যাচাই করে কমপক্ষে ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মেয়াদযুক্ত পাসপোর্ট প্রস্তুত রাখবেন। যাদের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে বা নতুন করে পাসপোর্ট করতে হবে, তারা জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্ট করবেন।

উল্লেখ্য, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৯ জুলাই সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ৫৭ হাজার ৮৫৬ জন হজে যেতে পারবেন বলে এরই মধ্যে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারিতে সৌদি আরবের নিষেধাজ্ঞার কারণে গত দুই বছর বাংলাদেশ থেকে কেউ হজে যেতে পারেননি।


আরও খবর
প্রথম হজ ফ্লাইট ৫ জুন শুরু

মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২




মাটির পাত্রে পানি পানের উপকারিতা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

একটা সময় ছিল যখন সবাই মাটির কলসিতে পানি রেখে পান করতেন। আজকাল তা দেখাই না যায় না। প্লাস্টিক বা কাঁচের বোতলের ভিড়ে মাটির পাত্র হারিয়েই গেছে। কিন্তু অনেকেরই হয়তো জানা নেই পাটির পাত্রে রাখা পানি পানের নানা উপকারিতা রয়েছে। যেমন-

১.  মাটি প্রাকৃতিকভাবে পানি ঠান্ডা রাখে। মাটির গ্লাস বা পাত্রে পানি পান করা হলে তা শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এতে শরীরের বিপাক বাড়াতে সাহায্য করে।

২. গরমের সময় শরীর ঠান্ডা করতে অনেকেই ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা পানি বের করে পান করেন। অথচ মাটির পাত্রে প্রাকৃতিকভাবেই পানি ঠান্ডা থাকে। কারণ কাদা-মাটিতে থাকে অণুবীক্ষণিক ছোট ছোট ছিদ্র। ফলে এই কাদা-মাটির তৈরি পাত্রে পানি রাখা হলে বাষ্পীভবন ঘটে। এতে পানি ঠান্ডা হয়।

৩. গরমে রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচাতে সাহ্যা করে মাটির পাত্রে রাখা ঠান্ডা পানি। এটি হিট স্ট্রোক থেকে শরীরেকে সুরক্ষা দেবে। মাটির পাত্রে রাখা পানি পান করলে শরীরের গরম অনেকটাই কমে গিয়ে শরীর ঠান্ডা হয়।

৪. প্লাস্টিকের বোতলের চেয়ে মাটির পাত্র বেশি ভালো হওয়া অন্যতম কারণ, এটা পরিবেশ বান্ধব। এছাড়াও কাচের বোতলের চেয়ে মাটির বোতল ব্যবহার করা সাশ্রয়ী।

৫. মাটি প্রাকৃতিক ক্ষার সমৃদ্ধ এবং তা যখন পানির অম্লতার সংস্পর্শে আসে তখন তা পিএইচয়ের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। পানির সুষম পিএইচ বা অম্ল-ক্ষার নিয়ন্ত্রণে রেখে গ্যাসের ব্যথা থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করে।

৬. শরীরে টক্সিক কেমিক্যালের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে মাটির পাত্রে রাখা পানি। লোহা, স্টিল কিংবা প্লাস্টিক জাতীয় পাত্রে পানি রাখলে সেখান থেকে নানা ধরনের দূষিত পদার্থ ঢুকতে পারে শরীরে। মাটির পাত্রে পানি রাখলে সেটি সম্ভব নয়।

৭. খনিজ উপাদান এবং ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক শক্তিতে সমৃদ্ধ থাকে কাদা-মাটি। তাই মাটির পাত্রে পানি সংরক্ষণ করা হলে তা পানির আরোগ্য ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

নিউজ ট্যাগ: মাটির পাত্র

আরও খবর
আজকের রাশিফল!

বুধবার ২৫ মে ২০২২




চূড়ান্ত আন্দোলনে যেতে দল পুনর্গঠনে বিএনপি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৪৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

একদিকে দ্বাদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দলীয় কাউন্সিল-নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, অন্যদিকে বিএনপিও প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে বিএনপির প্রস্তুতি নির্বাচন কিংবা দলীয় কাউন্সিলের নয়, প্রস্তুতি সরকার পতন আন্দোলনের। ফলে দুটি লক্ষ্য সামনে রেখে অগ্রসর হওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড। একটি হচ্ছে স্বল্পসময়ের মধ্যে দল পুনর্গঠন অন্যটি হচ্ছে আন্দোলন। সেজন্য চূড়ান্ত আন্দোলনে যাওয়ার আগেই দলের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে শুরু করে সাংগঠনিক জেলা-উপজেলা কমিটির পুনর্গঠন শুরু করেছে। ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের পর দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয় ৬ আগস্ট। এরপর কাউন্সিল করতে পারেনি বিএনপি। কিন্তু কাউন্সিল করতে না পারলেও ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় কমিটির বেশকিছু পদে রদবদল করেছেন বিএনপির হাইকমান্ড। সম্প্রতি বেশকিছু জেলায় কাউন্সিলে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন শুরু হয়েছে।

এ ছাড়া বিএনপির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সংস্থা (জাসাস) এর আহ্বায়ক কমিটি, তাঁতীদলের আহ্বায়ক কমিটি, কৃষকদলের আহ্বায়ক কমিটি, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এর আহ্বায়ক কমিটি, শ্রমিকদল ঢাকা মহানগর (উত্তর-দক্ষিণ) আহ্বায়ক কমিটি, স্বেচ্ছাসেবক দলের পুর্ণাঙ্গ কমিটি, ছাত্রদল নতুন আংশিক কমিটি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির ৭০টি ওয়ার্ডের নতুন আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ২৬ থানার ৭১ টি ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত ৬২০ টি ইউনিট কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। তবে মেয়াদ শেষ হয়েছে অন্যান্য অঙ্গ সংগঠন ও পেশাজীবী সংগঠনগুলোকেও ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণে করোনাকালিন সময় থেকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা প্রতি সপ্তাহে বৈঠক করছেন, যা এখনো অব্যাহত রেখেছে। এসব বৈঠকেই দল পুনর্গঠনের দিকে মনোযোগী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সরকার পতনে আন্দোলনের বিকল্প নেই। চূড়ান্ত আন্দোলনে যেতেই দল পুনর্গঠন চলছে। সারাদেশে জেলা-উপজেলা এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়ে নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলমান। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তৃণমূল পর্যায় থেকে নেতৃত্ব নির্বাচন করতে এবং দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করে রাজপথ আন্দোলনের উপযুক্ত হিসাবে গড়ে তুলতে দল পুনগর্ঠন প্রক্রিয়াকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। যদিও কোথাও কোথাও সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে আমাদের এসব কর্মকান্ডে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিনা কারণেই অনেক জেলায় কাউন্সিল করতে দিচ্ছে না।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়- এবার ঢাকার রাজপথ আন্দোলন কে জোড়দার করতে ঢাকার আশপাশের জেলাগুলো যেমন-গাজীপুর, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ এবং মানিকগঞ্জ জেলার কমিটি কে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। কেন না ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অবিশ্বাস্য বিপর্যয়ের পর বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দেখা দেয় এক ধরণের স্থবিরতা। ইস্যুভিত্তিক বেশকিছু কর্মসূচি বিশেষ করে বিভাগীয় সমাবেশের মাধ্যমে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে যে উদ্দীপনা দেখে সেটাকে বিবেচনায় নিয়েই এবার জোড়ালোভাবে দল গোছানো কাজ শেষ করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা জেলা পর্যায়ে সাংগঠনিক সফরে গিয়ে কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন শুরু করেছেন।

সম্প্রতি বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, আমরা সংগঠন শক্তিশালী করছি। যারা বলে বিএনপি আন্দোলন করে না। রোজা গেলে বুঝতে পারবেন আন্দোলন কাকে বলে! আমাদের আন্দোলন চলছে। হয়তো সাময়িক বিরতি আছে। বিরোধীদলকে জেলে ভরে কেটে মেরে বলছেন দেশে শক্তিশালী বিরোধী দল নেই। মনে রাখবেন বিএনপি এখনো আছে এবং থাকবে। যার নেতৃত্বে রয়েছেন আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এদিকে, বর্তমান সরকারের পতন ঘটলেই কেবল একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে বলে মনে করছেন দলটির নীতিনির্ধারণী নেতারা। তাদের মতে, এই সরকারের পতন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, খালেদা জিয়ার মুক্তি, জনগণের ভোটের অধিকারের লক্ষ্যে আন্দোলন করা হবে। এসব দাবিতে সরকারবিরোধী সকল রাজনৈতিক দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বড় ধরনের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে কাজ চলছে, এবং সেই প্রস্তুতির ক্ষেত্রে দল পুনর্গঠনের কোনো বিকল্প থাকছে না বলেও মনে করছে দলটির নেতারা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবার তরুণদের প্রধান্য দিয়ে দল পুনর্গঠন করতে চাচ্ছেন। সে লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ের আহ্বায়ক কমিটিতে তরুণদের দেখা যাচ্ছে। কমিটিতে ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। আর তরুণ-ছাত্রনেতাদের দিয়ে কমিটি গঠন করায় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হচ্ছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশের মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। তারা একটি বিষয়ে একমত যে, ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সেই জন্য দলীয় সরকারের অধীনে বিএনপিও কোনো নির্বাচনে যাবে না। আমরা বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। সামনে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে। এ ছাড়া চূড়ান্ত আন্দোলনের আগেই সাংগঠনিক জেলার মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি পুনর্গঠন শেষ করতে কাজ করছে দল।

বিএনপির দপ্তর সূত্র মতে-বিএনপি এখন সংগঠন গোছানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে। সম্ভাব্য আন্দোলন সংগ্রাম বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো পুনর্গঠন করা হচ্ছে। ইস্যুভিত্তিক কর্মসূচি ব্যতীত এই মুহূর্তে চূড়ান্ত আন্দোলনে নেমে শক্তি ক্ষয় করতে চাচ্ছে না দলটির হাইকমান্ড। তবে বিএনপি শিগগিরই ঐক্যবদ্ধভাবে চূড়ান্ত আন্দোলনে যাবে। সেই লক্ষ্যেই দলের নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা পরিষদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, যুগ্ম মহাসচিব, সম্পাদকমণ্ডলীর মতামত নিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এ ছাড়া আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পরবর্তী আন্দোলন নিয়ে বিএনপি বেশ সতর্ক। উৎসাহ দেখানোর পক্ষপাতী নয় দলটি। ক্ষমতাসীন সরকারের পতন ঘটিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে চায় বিএনপির হাইকমান্ড।

দল পুনগর্ঠন প্রসঙ্গে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, দল পুনর্গঠন চলছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সরাসরি তত্ত্বাবধানে সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন জেলা-উপজেলা এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটি পুনগর্ঠনে কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। তবে সরকারের বাধাকে অতিক্রম করে আমরা কোথাও কোথাও আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সক্ষম হচ্ছি। নির্বাচন যেটা হবে সেটা নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে তার আগে এই অবৈধ সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে, এবং সেই পদত্যাগের যে আন্দোলন সেই আন্দোলনে এবার সবাইকে কোমর বেঁধে নামতে হবে। এটা জীবন মরণের প্রশ্ন। আমাদের স্বাধীনতার প্রশ্ন, সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন, ভোটের প্রশ্ন এগুলোর সুরক্ষার জন্য এবার জীবনপণ করে আমাদেরকে রাস্তায় নামতে হবে।


আরও খবর



সুরক্ষা চেষ্টায় ফাঁক থাকায় ঝুঁকিতে বিরল সামুদ্রিক পাখি

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৩৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিরল সামুদ্রিক পাখি পাফিন ও গানেটের সুরক্ষা নিশ্চিতে একটি উদ্বেগজনক ফাঁক রয়ে গেছে। এজন্য ব্রিটিশ সরকারকে দায়ী করা হচ্ছে। ফাঁস হওয়া এক তথ্য থেকে এমন কথা জানা গিয়েছে। পরিবেশবিদরা অভিযোগের আঙুল তুলছেন মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে। কারণ তারা যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক প্রাণীর সুরক্ষা বিষয়ে হাল ছেড়ে দিয়েছেন। দুর্লভ প্রজাতিগুলোর সংরক্ষণে কোনো আইনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির আবেদন করেছে তারা। খবর দ্য গার্ডিয়ান।

প্রতি বছর সামুদ্রিক পরিবেশ এবং এর ভেতরে থাকা বন্যজীবন রক্ষার জন্য কিছু লক্ষ্য গ্রহণ করে ব্রিটিশ সরকার। সেসবেরই একটি ছিল সামুদ্রিক পাখি বিলীন হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করা। যুক্তরাজ্যের ২৫টি প্রজননকারী সামুদ্রিক পাখির প্রজাতির মধ্যে ২৪টিকে সংরক্ষণবিষয়ক পাখির তালিকায় লাল বা অ্যাম্বার মার্যাদা দেয়া হয়েছে। মানে প্রজাতিগুলো স্থানীয়ভাবে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে।

অনুসন্ধানে গার্ডিয়ান দেখেছে, যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক কৌশলে সরকার কোনো কোনো ক্ষেত্রে সামুদ্রিক প্রাণী রক্ষার বিষয়ে আইন প্রয়োগের ব্যতিক্রম করার প্রচেষ্টার লক্ষণ প্রকাশ করেছে। ২০১২ সালে প্রকাশিত ওই কৌশল অনুসারে, এমন কিছু আইন প্রয়োগের কথা বলা হয় যেন ১৫টি পদক্ষেপ নেয়া যায়। যে পদক্ষেপগুলো ২০২০ সালের মধ্যে ভালো পরিবেশগত পরিস্থিতি অর্জনে সহায়তা করবে। ওইসব লক্ষ্যের মধ্যে একটি ছিল সামুদ্রিক পাখির হ্রাস রোধ করা। এখন পর্যন্ত দেখা গিয়েছে, যুক্তরাজ্য তার লক্ষ্যগুলোর মধ্যে ১১টি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। সেই সঙ্গে ২০১২ সালের সামুদ্রিক পাখির হ্রাস রোধ করার লক্ষ্যের শুরুর বিন্দু থেকে পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে।


যুক্তরাজ্যে সামুদ্রিক পাখির সংখ্যা চার দশকে ২৫ শতাংশেরও বেশি কমে গিয়েছে। ১৯৮৬ সালে হারিয়ে যায় ২০ লাখ সামুদ্রিক পাখি। পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে দেখা গিয়েছে স্কটল্যান্ডে। সেখানে সংখ্যাটা কমে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে এ সময়ে। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পাখির বড় অংশের বাস যুক্তরাজ্যে। তার মধ্যে পাফিন, কিট্টিওয়েকস ও রেজরবিলসও রয়েছে। সামুদ্রিক পাখি দিয়েই মূলত সমুদ্র ও উপকূলীয় পরিবেশের স্বাস্থ্যের খোঁজ পাওয়া যায়। কারণ সেগুলোই তার মূল নির্দেশক।

রয়্যাল সোসাইটি ফর দ্য প্রটেকশন অব বার্ডের (আরএসপিবি) পরিচালক কেটি জো লাক্সটন বলেন, আমরা জানি লক্ষ্য বা ডেডলাইন দিয়ে সামুদ্রিক পাখির সংখ্যা বাড়তে দেখা যাবে না। কিন্তু সেগুলো নির্ধারণ করা সরকার সামুদ্রিক পাখি হ্রাস রোধে কী অর্জন করতে চায় সেটার লক্ষ্য নির্বাচন করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমরা সরকারকে আহ্বান জানাব যেন তারা সেসব ফাঁকির বিষয়ে আবার ভাবেন যেগুলো সামুদ্রিক পাখি বাঁচাতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার না দেয়ার কারণ হতে পারে। যদি অনেক বেশি দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই সমুদ্রের পরিবেশ রক্ষা করাই যুক্তরাজ্যের মেরিন কৌশলের মূল উদ্দেশ্য হয়, তাহলে প্রশ্ন দাঁড়ায় সামুদ্রিক পাখির নির্দেশক অর্জন করার ব্যর্থতার ক্ষেত্রে কেন আমাদের সরকার দায়বদ্ধ হতে চায় না?

নিউজ ট্যাগ: পাফিন গানেট

আরও খবর



রাশিয়ায় ম্যাকডোনাল্ড’স যুগের অবসান

প্রকাশিত:রবিবার ২২ মে 20২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২২ মে 20২২ | ২১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তিন দশকেরও বেশি সময় আগে বার্লিন প্রাচীরের পতনের পর পরই মস্কোয় রেস্তোরাঁ খুলেছিল ম্যাকডোনাল্ডস। যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধের উত্তেজনা কমানোর একটি শক্তিশালী প্রতীক ছিল মার্কিন ফাস্টফুড চেইনটি। এটি সোভিয়েত ইউনিয়নে খোলা প্রথম কোনো মার্কিন ফাস্টফুড রেস্তোরাঁও। তিন দশক পর এসে সেই রুশ ব্যবসা বিক্রি করে দিচ্ছে সংস্থাটি। এরই মধ্যে স্থানীয় একজন ক্রেতাও পাওয়া গেছে।  এর আগে গত সপ্তাহের শুরুতে রুশ কার্যক্রম বিক্রির ঘোষণা দেয় ম্যাকডোনাল্ডস। মূলত ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায় পশ্চিমা দেশগুলোর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার আওতায় এ সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি। তারও আগে গত মার্চের শুরুতে শিকাগোভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি রাশিয়ায় থাকা স্টোরগুলো সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল। এজন্য প্রতি মাসে সংস্থাটির ৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার খরচ হয়েছে। রাশিয়ায় সংস্থাটির ৮৫০টি রেস্তোরাঁ ও ৬২ হাজার কর্মী রয়েছেন।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ম্যাকডোনাল্ডসের বিদ্যমান একজন লাইসেন্সধারী রুশ কার্যক্রম কিনতে সম্মত হয়েছেন। সাইবেরিয়ায় আলেকজান্ডার গভর নামের এ ব্যবসায়ীর ২৫টি ম্যাকডোনান্ডস রেস্তোরাঁ রয়েছে। তিনি নতুন একটি নামে ব্যবসা পরিচালনা করবেন। তবে বিক্রেতা কিংবা ক্রেতার কেউই চুক্তির শর্তাবলি প্রকাশ করেননি। গত বছর রুশ কার্যক্রম সংস্থাটির মোট বার্ষিক আয়ে ৯ শতাংশ কিংবা প্রায় ২০০ কোটি ডলার অবদান রেখেছে।

প্রথমবারের মতো সংস্থাটি একটি বড় বাজার থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে। এরই মধ্যে সংস্থাটি নামের সঙ্গে থাকা সোনালি প্রতীক এবং অন্যান্য চিহ্ন অপসারণ শুরু করেছে। যদিও সংস্থাটি জানিয়েছে, রাশিয়ায় ট্রেডমার্কগুলো অব্যাহত রাখা হবে এবং প্রয়োজনে সেগুলো কার্যকর করার পদক্ষেপ নেয়া হবে। সম্প্রতি ঘোষিত এ বিক্রি নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে সম্পন্ন হবে। তবে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এটি সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২০১৫ সাল থেকে লাইসেন্সধারী আলেকজান্ডার গভর ম্যাকডোনাল্ডসের ৬২ হাজার রুশ কর্মীকে অন্তত দুই বছর চাকরিতে রাখার শর্তে সম্মত হয়েছেন। পাশাপাশি বিক্রি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত সংস্থাটির করপোরেট কর্মীদের বেতন দিতে রাজি হয়েছেন তিনি। সাইবেরিয়ার একটি জ্বালানি তেল শোধনাগারের মালিকানা থাকা নির্মাণ খাতের বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান নেফটিকিমসার্বিসের অর্ধেক মালিক গভর। তিনি ইনরাশইনভেস্টের পরিচালনা পর্ষদেও রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি মেডিকেল সেন্টার ও সাইবেরীয় শহর নভোকুজনেটস্কে একটি পার্ক ইন হোটেল।

ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন শুরুর পর এরই মধ্যে বেশকিছু মার্কিন প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে রুশ কার্যক্রম স্থগিত রেখেছে। প্রতিষ্ঠানগুলো রাশিয়া ছেড়ে যাবে কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়। ম্যাকডোনান্ডস রুশ স্টোরগুলোর ৮৪ শতাংশের মালিকানাধীন। তবে ম্যাকডোনাল্ডস আশাবাদ প্রকাশ করেছে যে, কোনো এক সময় সংস্থাটি আবারো রাশিয়ায় ফিরতে পারে। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রিস কেম্পজিনস্কি একটি চিঠিতে কর্মীদের লিখেছেন, ভবিষ্যৎ কী হতে পারে তা এখনই বলা সম্ভব নয়। সুতরাং আসুন আমরা বিদায় বলে শেষ না করি। বরং আমরা বলি যত দিন পর্যন্ত আবার দেখা না হয়।

গত সপ্তাহে তিনি বলেছিলেন, হাজার হাজার কর্মচারী ও শত শত রুশ সরবরাহকারী ম্যাকডোনাল্ডসের প্রতি নিবেদন ও বিশ্বস্ততা রয়েছেন। এ অবস্থায় দেশটি ছেড়ে যাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন সিদ্ধান্ত। তবে বিশ্বসম্প্রদায়ের প্রতিও আমাদের প্রতিশ্রুতি রয়েছে এবং অবশ্যই আমাদের মূল্যবোধে অটল থাকতে হবে। আমাদের মূল্যবোধের প্রতি প্রতিশ্রুতির অর্থ হলো, আমরা সেখানে উপস্থিতি অব্যাহত রাখতে পারি না।

নিউজ ট্যাগ: ম্যাকডোনাল্ড’স

আরও খবর



মালয়েশিয়ায় এক বছরের সর্বনিম্নে পাম অয়েলের মজুদ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | ৫০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত মাসে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের মজুদ কমে এক বছরের সর্বনিম্নে নেমেছে। এ নিয়ে টানা পাঁচ মাসের মতো মজুদ কমল। মূলত প্রত্যাশার চেয়ে বেশি মাত্রায় রফতানি বৃদ্ধি এবং আমদানি কমে যাওয়ার কারণে মজুদ নিম্নমুখী হয়ে পড়ে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ড (এমপিওবি)।

এমপিওবির দেয়া তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদক দেশটিতে গত মাসে পণ্যটির মজুদ ২ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমেছে। মজুদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ৭০ হাজার টনে। ২০২১ সালের মার্চের এর এটিই সর্বনিম্ন মজুদ।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক পাম অয়েল অ্যানালিটিকসের সহপ্রতিষ্ঠাতা সাথিয়া ভারকা বলেন, সর্বোপরি চাহিদা সরবরাহের তুলনায় তিন গুণ বেশি গতিতে বেড়েছে, যা মজুদ কমে যাওয়ার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে গত বছরের অক্টোবরের পর গত মাসে প্রথম অপরিশোধিত পাম অয়েলের উৎপাদন বাড়ে। অনুকূল আবহাওয়া এতে সহায়তা করেছে। উৎপাদন প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে ২৪ শতাংশ বেড়েছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ১০ হাজার টনে। অন্যদিকে রফতানি ১৪ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১২ লাখ ৭০ হাজার টনে উন্নীত হয়েছে, যা তিন মাসের সর্বোচ্চ। মূলত ক্রেতারা ইউক্রেন থেকে সূর্যমুখী তেল কিনতে না পারায় মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের দিকে ঝুঁকেছে। এ কারণে পণ্যটির ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়। দেশটির পাম অয়েল আমদানি ৪৩ শতাংশ কমেছে। মার্চে আমদানির পরিমাণ দাঁড়ায় ৮৪ হাজার ৮৭১ টনে।

নিউজ ট্যাগ: পাম অয়েল

আরও খবর