আজঃ শনিবার ২৯ জানুয়ারী ২০২২
শিরোনাম

হিজাব নিষিদ্ধ করলো সেন্ট গ্রেগরী উচ্চ বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ ডিসেম্বর ২০২১ | ১৩৬৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
কিন্তু এবার সেই সব অতীত সোনালী অধ্যায় ম্লান করে দিয়েছে সেন্ট গ্রেগরিজ হাই স্কুল এন্ড কলেজ অধ্যক্ষ ব্রাদার প্রদীপ প্লাসিড গোমেজ সি, এস, সি

ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে ১৮৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সেন্ট গ্রেগরিজ হাই স্কুল এন্ড কলেজ। শিক্ষা বিস্তার ও মানুষ গড়ার জন্য এ বিদ্যালয়ের রয়েছে ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস। রয়েছে মহান মুক্তিযুদ্ধে গৌরবময় ইতিহাস।  ১৯৭১ সালের ৩১ মার্চ এই স্কুলের প্রাঙ্গণ থেকে ছাত্র, শিক্ষকসহ মোট ৩০ জনকে পাক হানাদার বাহিনী জগন্নাথ কলেজ সংলগ্ন আর্মি ক্যাম্প এ ধরে নিয়ে যায় ও নির্মম ভাবে হত্যা করে। এই দিন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক পি ডি কস্তাসহ আরো একাধিক শিক্ষক কে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়।

অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী এই প্রতিষ্ঠান থেকে  শিক্ষা লাভ করে বাংলাদেশ তথা বিশ্বে আলো বিতরণ করে যাচ্ছেন। যাদের মধ্যে বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ,  নোবেল বিজয়ী অমর্ত্য সেন, রাজনীতিবিদ একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, কামাল হোসেন, জামিলুদ্দিন হাসান, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ও জামিলুর রেজা চৌধুরী মত গুণীজনেরা রয়েছেন।

কিন্তু এবার সেই সব অতীত সোনালী অধ্যায় ম্লান করে দিয়েছে সেন্ট গ্রেগরিজ হাই স্কুল এন্ড কলেজ অধ্যক্ষ ব্রাদার প্রদীপ প্লাসিড গোমেজ সি, এস, সি। গত ১৫ ডিসেম্বর ( বৃহস্পতিবার) ব্রাদার প্রদীপ প্লাসিড গোমেজ স্বাক্ষরিত শিক্ষকদের জন্য দেওয়া এক নোটিশে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব/বোরখা নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং তাদেরকে শ্রেণিকক্ষ বা ক্যাম্পাসে এই সব কর্মকাণ্ড পরিচালনা না করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

ব্রাদার প্রদীপ প্লাসিড গোমেজ স্বাক্ষরিত সেই নোটিশটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মাঝে সমালোচনার ঝড় বইতে শুরু করেছে।

তাছলিম আহমেদ নামে এক সাবেক শিক্ষার্থী নোটিশটি শেয়ার করে লিখেছেন, নোটিশটা সত্যি হলে দুর্ভাগ্যজনক - এমন গ্রেগরী হয়তো আমরা চাইনি।


মোসাদ্দেক সম্রাট মাওলা নামে একজন লিখেছেন, আমাদের পবিত্র স্কুল কোন ধর্ম বিদ্বেষী মানুষের পৈত্রিক সম্পত্তি নয় বরং এই স্কুল আমাদের প্রতিটি গ্রেগোরিয়ানদের। তাই এই স্কুলের সুনাম রক্ষা করা আমাদের প্রতিটি গ্রেগোরিয়ানদের পবিত্র দায়িত্ব। 

সাইমুর রহমান নামে এক শিক্ষার্থী লিখেছেন, আমাদের স্কুল আমাদের সম্প্রীতি শিখিয়েছে যা আমরা এখনও বুকে ধারণ করি। আমাদের স্কুল আমাদের সহাবস্থান শিখিয়েছে যা আমরা এখনও মেনে চলি। মানের অবক্ষয় মনের সান্ত্বনার প্রলেপে ঢেকে রাখার চেষ্টা করা যায় তবে মানসিকতার অবক্ষয় এত সহজে মেনে নেয়া যায় কি?

মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা তাপস নামে এক অভিভাবক লিখেছেন,  পুরান ঢাকায় থাকি। কয়েকবছর আগে আমি আমার প্রাণের প্রিয় স্কুল 'সেন্ট গ্রেগরি' থেকে আমার ছেলেদের সরিয়ে ঢাকার আরেক প্রান্তের অন্য স্কুলে নিয়েছিলাম। যা আমার সন্তানদের জন্য ছিল শারীরিক এবং মানসিক ভাবে খুব কষ্টকর এবং আমার জন্য চরমভাবে ব্যায়বহুল...বাচ্চাদের সরানোর কারণে ওই সময় এবং এখনও অনেক বিরূপ মন্তব্য শুনতে হয় অনেক সিনিয়র Gregorian এর কাছথেকে... আশাকরি এইবার বুঝতে পারছেন কতটা মনের কষ্টে আমি আমার ছেলেদের সারিয়েছিলাম এখান থেকে। মনে রাখবেন তেলহীন প্রদীপ কখনো আলো ছড়ায় না। আপনারা অনেকই আবার এর তুলনা করেন ব্রাদার রবি'র সাথে...

ফয়সাল প্রবাল নামে একজন লিখেছেন, তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছি। তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তীব্র তিরস্কার জানাচ্ছি। ধর্মবিদ্বেষী এই ব্রাদারের দ্রুত অপসারণ চাই।

এবিষয়ে জানতে অধ্যক্ষ ব্রাদার প্রদীপ প্লাসিড গোমেজ সি, এস, সি সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায় নি।  

প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এখানে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা বন্ধ করে দেওয়া হয়। শুধু বাংলা মাধ্যমে পড়াশোনা চলতে থাকে। তবে ২০০৮ সালের দিকে আবার ইংরেজি ভার্সন চালু করা হয়। ২০১৬ সালে স্কুলটিকে কলেজে উন্নীত করা হয়।


আরও খবর



আজ থেকে নতুন বই বিতরণ কার্যক্রম শুরু

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জানুয়ারী ২০২২ | ৫৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নতুন বছরের শুরুর দিন এবার বই উৎসব হচ্ছে না। তবে নতুন বই বিতরণ কার্যক্রম আজ শনিবার (১ জানুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে। এবারের শিক্ষাবর্ষে ৪ কোটি ১৭ লাখ ২৬ হাজার ৮৫৬ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৩৪ কোটি ৭০ লাখ ২২ হাজার ১৩০ কপি পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেইল পদ্ধতিতে পাঠ্যপুস্তক ও ৫টি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষায় মুদ্রিত পাঠ্যপুস্তকও রয়েছে। তবে, এ বছরের প্রথমদিনে সব শিক্ষার্থীকে বই দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। পর্যায়ক্রমে নতুন বই পাবে শিক্ষার্থীরা ।

২০১২ সাল থেকে বর্তমান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বই বিতরণ উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিচ্ছে। এই কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় সারাদেশে একযোগে বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট দফতরসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারির উপস্থিতিতে উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে বই বিতরণ উদযাপিত হয়ে আসছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে  ২০২১ সালে বই উৎসবকে কেন্দ্র করে বর্ণিলভাবে সাজানো হলেও বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে সেটি সম্ভব হয়নি। তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের মাধ্যমে, সফলভাবে পহেলা জানুয়ারি ৯ কোটি ৩৭ লাখ ৭৫ হাজার ৮৯৩টি বই শিক্ষকদের বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে।

২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক স্তরে ৯ কোটি ৩০ লাখ ৩৪ হাজার ৩০টি, প্রাক-প্রাথমিক স্তরে ৬৬ লাখ ৫ হাজার ৪৮০টি, ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর জন্য ২ লাখ ১৯ হাজার ৩৬৪ টিসহ মোট ৯ কোটি ৯৮ লাখ ৫৮ হাজার ৮৭৪টি বই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হবে। প্রাক প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্যপুস্তক-পঠন-পাঠন সামগ্রীর মধ্যে আমার বই এবং অনুশীলন খাতা বিতরণ করা হবে যথাক্রমে ৩৩ লাখ ২ হাজার ৭৪০টি।

অন্যদিকে জেলা-উপজেলা ও থানার জন্য ৫১২ টি উপজেলা ও থানায় বাংলা ভার্সানে এবং  ৫৬টি জেলায় ইংরেজি ভার্সানের বই বরাদ্দ করা হবে। প্রথম শ্রেণিতে মোট ১ কোটি ২৪৯৬ হাজার ৪৯৪টি পাঠ্যপুস্তকের মধ্যে বাংলা ভার্সানে ৫১২ টি উপজেলা ও থানায় ১ কোটি ২৩ লাখ ৭৬ হাজার ৫৯৯টি, ইংরেজি ভার্সানে ৫৬ টি জেলায় ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৯৫টি বই বিতরণ করা হবে। দ্বিতীয় শ্রেণিতে মোট ১ কোটি ২১ লাখ ৪৩ হাজার ৩০৯ টির মধ্যে বাংলা ভার্সানে ১ কোটি ২০ লাখ ২৩ হাজার ৭৮০ এবং ইংরেজি ভার্সানে ১ লাখ ১৯ হাজার ৫২৯টি। তৃতীয় শ্রেণিতে মোট ২ কোটি ৩৬ লাখ ৫ হাজার ১৮৬ টির মধ্যে বাংলা ভার্সানে ২ কোটি ৩৩ লাখ ৯৯ হাজার ৩৪৮ টি এবং ইংরেজি ভার্সানে ২লাখ ৫ হাজার ৮৩৮ টি। চতুর্থ শ্রেণিতে মোট ২ কোটি ২৯ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯৭টি বইয়ের মধ্যে বাংলা ভার্সানে ২ কোটি ২৭ লাখ ৫৮ হাজার ৭৬৭টি এবং  ইংরেজী ভার্সানে ১ লাখ ৮৭ হাজার ২৩০টি বই বিতরণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ২ কোটি ১০ লাখ ২৪ হাজার ৫২৩টির মধ্যে বাংলা ভার্সানে ২ কোটি ৮ লাখ ৬০ হাজার ১৯৩ টি এবং ইংরেজি ভার্সানে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৩০ টি ।

এছাড়া ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর শিশুদের জন্য নিজস্ব বর্ণমালা সম্বলিত মাতৃভাষায় প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির পঠন-পাঠন সামগ্রী এবং প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যবই প্রণয়ন এবং সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ২০২২ শিক্ষাবর্ষে ৫টি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী (চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও সাদরী) শিশুদের মাঝে প্রাক-প্রাথমিক এবং প্রাথমিক পর্যায়ে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হচ্ছে।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পাঠ্যপুস্তক বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, শেরপুর, নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, নঁওগা, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, চাঁদপুর, ফেনী, কক্সবাজার, সুনামগঞ্জ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এই মোট ২০ টি জেলায় সরবরাহ করা হবে।

২০১০ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সর্বমোট ৪০০ কোটি ৫৪ লাখ ৬৭ হাজার ৯১১ কপি বই বিতরণ করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: বই উৎসব

আরও খবর



নতুন করে তফসিল না দিতে ইসিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুরোধ

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জানুয়ারী ২০২২ | ৩১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মহামারি করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে নতুন করে আর কোনো নির্বাচনে তফসিল না দিতে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বুধবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আহমেদুল কবীর সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

আহমেদুল কবীর বলেন, করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। সারা দেশে করোনা পরিস্থিতিও ঊর্ধ্বমুখী। এ কারণে এই মুহূর্তে নতুন করে কোনো নির্বাচনে তফসিল ঘোষণা না করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানান তিনি।

অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, ওমিক্রন ঠেকানোর জন্য যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তা গত দেড় দুই বছর ধরে লাগাতার বলে আসা হচ্ছে। যদি স্বাস্থ্যবিধি ও ব্যক্তিগত সুরক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং তা অব্যাহত রাখা যায়, তাহলে করোনার নতুন ভেরিয়েন্টের যে সম্ভাবনা রয়েছে, তা অঙ্কুরেই বিনষ্ট করা যাবে বলে মন্তব্য করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার এই পরিচালক।

এদিকে গত সপ্তাহের চেয়ে চলতি সপ্তাহে সংক্রমণ বেড়েছে ৬৩ শতাংশ। গত সপ্তাহে করোনায় মৃত্যু হয়েছিল ২৫ জনের। এ সপ্তাহে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে। গত সপ্তাহে সংক্রমণ ২ শতাংশের মতো ছিল। কিন্তু এখন তা বেড়ে প্রায় ৪ শতাংশে কাছাকাছি রয়েছে।


আরও খবর



সবসময় সত্য কথা বলা যায় না: শামীম ওসমান

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জানুয়ারী ২০২২ | ৫৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াত আইভীর বক্তব্য ও মন্তব্যে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে পুরোনো বিভেদ ফের নতুন করে সামনে এলো। মূলত নাসিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াত আইভী শামীম ওসমানকে গডফাদার আখ্যায়িত করার পরেই বিভেদ সামনে এসেছে।

এ নিয়ে আজ সোমবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে তিনি সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আজকে আমার সংবাদ সম্মেলন করার কথা না। কিন্তু এরপরও আমি সংবাদ সম্মেলন করছি। আমি সত্য কথা বলতে পছন্দ করি। কিন্তু সব সময় সত্য কথা বলা যায় না। এখানেও বলতে পারবো না।

তিনি বলেন, অনেকে আওয়ামী লীগের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে কেউ কেউ দলে থেকে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। আবার কেউ বাইরে থেকে করছে। আমি মানসিকভাবে শকড। নির্বাচন এলেই আমাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। নির্বাচনের সময় আমি কেনো সাবজেক্ট ম্যাটার (আলোচনার বিষয়) হবো, জানতে চাই। এখন আমার অবস্থা গরীবের ভাবির মতো। ও বলে আমি তার, সে বলে আমি তার।

শামীম ওসমান বলেন, নারায়ণগঞ্জ নৌকার ঘাঁটি, শেখ হাসিনার ঘাঁটি। এখানে অন্য কোনো খেলা খেলার চেষ্টা করবেন না। কে প্রার্থী who cares? প্রার্থী আম গাছ হোক আর কলাগাছ হোক। সবসময় নৌকার প্রতি সাপোর্ট।

স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকারের উদ্দেশে শামীম বলেন, আমার মনে হয় না নারায়ণগঞ্জে বিএনপি-জামায়াতের ওই ক্ষমতা আছে যে নৌকাকে ডুবায়ে দেবে। হাতি সাইজে বড় হতে পারে; আমরা হাতি কাঁধে নিয়ে দৌড় দেব, কিন্তু নৌকার ওপর উঠতে দেবো না।


আরও খবর



রজনীকান্ত কন্যার সঙ্গে বিয়ে ভাঙল ধনুশের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্ত্রী ঐশ্বর্যর সঙ্গে ১৮ বছরের দাম্পত্য সম্পর্কে ইতি টানান ঘোষণা দিয়েছেন দক্ষিণ ভারতের সুপারস্টার ধনুশ। সোমবার গভীর রাতে টুইটারে টুইট করে ধনুশ বলেন, ১৮ বছরের দাম্পত্য সম্পর্কে ইতি টানবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি ও তার স্ত্রী ঐশ্বর্য।

ধনুশের এই ঘোষণায় রীতিমতো হইচই পড়ে গেছে দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে। নাগা চৈতন্য ও সামান্থার ডিভোর্সের ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আলাদা হল আরও এক তারকা দম্পতির পথ।

ধনুশ লেখেন, বন্ধু হিসেবে, জুটি হিসেবে, বাবা-মা হিসেবে ১৮ বছরের এই পথ চলা। সফরটা ছিল মানুষ হিসেবে বেড়ে ওঠার, একে অপরকে বুঝে ওঠার, মানিয়ে চলার। আজ আমরা এমন এক সিদ্ধান্তে এসে পৌঁছেছি, যেখানে আমরা বুঝতে পারছি এবার আমাদের পথ আলাদা হওয়াটাই ভালো। আমি আর ঐশ্বর্য আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যুগল হিসেবে এতদিন থেকেছি। এবার নিজেদের নিজেদেরকে বোঝার পালা

ধনুশ আরও যোগ করেন, 'আগামীদিনগুলোতে বরং একে অপরকে বোঝার জন্য আর একটু সময় দেব। সকলের কাছে অনুরোধ অনুগ্রহ করে আমাদের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাবেন এবং আমাদের ব্যক্তিগত জীবনের গোপনীয়তা বজায় রাখতে দেবেন।'

একই বিবৃতি ঐশ্বর্যও তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন। সঙ্গে রজনীকান্ত কন্যা লেখেন, এই পোস্টের জন্য আলাদা কোনও ক্যাপশনের দরকার নেই, প্রয়োজন তোমাদের ভালোবাসা

ধনুশ-ঐশ্বর্যর বিচ্ছেদের খবরে হাহাকার তাদের ভক্তদের মধ্যে। দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম আদর্শ দম্পতি হিসাবেই পরিচিত ছিলেন ধনুশ-ঐশ্বর্য। তাদের দাম্পত্য জীবন বরাবরই বিতর্কহীন।

কোনওদিন তাদের মধ্যে কোনও মনোমালিন্যের খবর সামনে আসেনি। কেন এই বিচ্ছেদ? ১৮ বছরের দাম্পত্য জীবনে এমন কী বিপর্যয় নেমে এল যে পথ আলাদা হল জুটির? এই প্রশ্নেই তোলপাড়া দক্ষিণের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি।

২০০৪ সালে রজনীকান্তের মেয়ের সঙ্গে বিয়ের পর্ব সেরেছিলেন ধনুশ। দুই ছেলে যাত্রা ও লিঙ্গার বাবা-মা এই প্রাক্তন তারকা দম্পতি। ভাই রাজা ভাই, ৩'-র মতো ছবির পরিচালক ঐশ্বর্য।

অন্যদিকে গত দেড় দশক ধরে দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম লিডিং সুপারস্টার ধনুশ। সম্প্রতি তার দেখা মিলেছে আনন্দ এল রাই পরিচালিত আতরঙ্গি রে ছবিতে।


আরও খবর
টাকা দিয়ে ভোট কিনছেন জায়েদ খান : নিপুণ

শুক্রবার ২৮ জানুয়ারী ২০২২




এক সিনেমার জন্য ১৯৬ কোটি টাকা নিচ্ছেন অক্ষয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শিরোনাম শুনে চোখ কপালে উঠতে পারে, কপাল কুঁচকে যেতে পারে। ১৯৬ কোটি টাকা মানে বলিউডের একেকটি সিনেমার পুরো আয়ের সমান। আর এই পরিমাণ অর্থই কিনা অক্ষয় কুমার একা নেবেন!

সিনেমার নাম বাড়ে মিয়া ছোটে মিয়া। নির্মাণ করবেন আলী আব্বাস জাফর। এই সিনেমার জন্যই ১৭০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক হাঁকিয়েছেন অক্ষয়। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৯৬ কোটি টাকার বেশি। বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে এমনটা দাবি করেছে বলিউডভিত্তিক গণমাধ্যম কইমই।

শোনা যাচ্ছে, এই সিনেমার বাজেট হবে প্রায় ২৮০ কোটি রুপি। এতে অক্ষয়ের সঙ্গে থাকছেন তরুণ তারকা টাইগার শ্রফ। তিনিও নিচ্ছেন মোটা অংকের পারিশ্রমিক। তবে তার অংকটা এখনো জানা যায়নি।

অক্ষয় কুমার গত এক দশক ধরেই সাফল্যের শিখরে রয়েছেন। একের পর এক হিট সিনেমা দিয়ে নিজেকে সফলতম তারকায় পরিণত করেছেন। করোনার ধাক্কায় যখন পুরো বলিউড বড় ধাক্কা খেয়েছে, তখন অক্ষয়ের সূর্যবংশী সিনেমার মাধ্যমে ফিরে আসে প্রাণ। সিনেমাটি দেখতে হলে দর্শকের ভিড় জমে, বক্স অফিসে তোলে ঝড়। তাই স্বাভাবিকভাবেই নিজের পারিশ্রমিক বাড়িয়ে নিয়েছেন অভিনেতা।

বাড়ে মিয়া ছোটে মিয়া নামে বলিউডে আরও একটি সিনেমা নির্মিত হয়েছিল। সেখানে অভিনয় করেন অমিতাভ বচ্চন ও গোবিন্দ। এটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৯৮ সালে। ওই সময় সিনেমাটি সুপারহিট হয়। অক্ষয়-টাইগারের সিনেমাটি ওই সিনেমার রিমেক নয়, কেবল আগের নামটি নেওয়া হয়েছে। এটি নির্মিত হবে ধুন্ধুমার অ্যাকশন গল্পে।

 


আরও খবর
টাকা দিয়ে ভোট কিনছেন জায়েদ খান : নিপুণ

শুক্রবার ২৮ জানুয়ারী ২০২২