আজঃ রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

হবিগঞ্জে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ চালক নিহত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ অক্টোবর ২০২১ | ৫৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই চালক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার সাহেববাড়ি গেইট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি মাইনুল ইসলাম জানান, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকামুখী ও সিলেটমুখী দুটি ট্রাক মহাসড়কের সাহেববাড়ি গেইট এলাকায় পৌঁছালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুই ট্রাকচালক ঘটনাস্থলেই মারা যান।

নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ট্রাক দুটি হাইওয়ে থানায় নেয়া হয়েছে।


আরও খবর



সিনহার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৫৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
৭ অক্টোবর ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করে কমিশন। এরপর ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের পরিচালক মো. বেনজীর আহম্মেদ

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার (এস কে সিনহা) বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাল্টা মামলায় সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার সিনিয়ার স্পেশাল জজ আদালতে বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ এ চার্জশিট গ্রহণ করেন। একইসঙ্গে মামলাটি বিশেষ জজ আদালত-৯ এ বদলির আদেশ দেন। চার্জগঠন শুনানির জন্য ১৩ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

এদিকে তিনি আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে  ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে ৭ অক্টোবর ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করে কমিশন। এরপর ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের পরিচালক মো. বেনজীর আহম্মেদ।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নিজের বিরুদ্ধে নিষ্পত্তি হওয়া একটি মামলার রায় বদলে দেওয়া হয়েছে ও উৎকোচ চাওয়া হয়েছে-এস কে সিনহার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করে ২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় মামলা করেন নাজমুল হুদা।

মামলার অভিযোগে নাজমুল হুদা দাবি করেন, উচ্চ আদালতে ডিসমিস করার পরও প্ররোচিত হয়ে মামলাটির রায় পরিবর্তন করা হয়। মামলাটি ডিসমিস করতে দুকোটি টাকা এবং আরও একটি ব্যাংক গ্যারান্টির অর্ধেক অর্থাৎ এক কোটি ২৫ লাখ টাকা উৎকোচ দাবি করেন সিনহা। তবে দেড় বছরের তদন্তে নাজমুল হুদার এ অভিযোগের কোনো প্রমাণ পায়নি দুদক।

মিথ্যা অভিযোগ করায় গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন। আরেক পরিচালক মো. বেনজীর আহম্মেদকে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়।

মামলার বিষয়ে তৎকালীন দুদকের সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত বলেছিলেন, নাজমুল হুদা যে মামলাটি করেছেন, সেটি একেবারেই ভিত্তিহীন। দুদকের অনুসন্ধানেও আমরা সেটা প্রমাণ পেয়েছি

দুদক আইনের ২৮ এর ২ ধারায় বলা হয়েছে, কেউ যদি মিথ্যা তথ্য দিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন আর সেটি যদি তদন্তে বেরিয়ে আসে, তাহলে অভিযোগ দায়েরকারীর বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে।


আরও খবর



হেফাজত নেতাদের মুক্তির বিষয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক সহ আটককৃত হেফাজত নেতাদের ছেড়ে দেয়া আমাদের হাতে নেই, আইন বিভাগের হাতে। সেটি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নয়।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ আয়োজিত এক ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলনে উপস্থিত হন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। এসময় তিনি এ কথা বলেন। হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন ঘটনায় অনেকেই আটক হয়েছে। ঘটনা সত্যিকারে যারা ঘটিয়েছে তাদের ছাড়া বাকিদের ছেড়ে দেয়ার জন্য আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন তিনি একজন পাকা মুসলিম। তিনি সকালে কোরআন তিলাওয়াত করে কাজ শুরু করেন। আলেম-ওলামাদের প্রতি তার যথেষ্ট শ্রদ্ধা-ভক্তি রয়েছে।

আপনাদের মতো আমাদের প্রধানমন্ত্রী শফী সাহেবকে (আল্লামা শাহ আহমদ শফী) অত্যন্ত ভালোবাসতেন। আপনাদের নিয়ে চিন্তা করেন। আপনাদের যে ভুল ধারণা আছে, আপনারা উপলব্ধি করতে পারবেন আসলেই এগুলো ভুল ধারণা।


আরও খবর



বিএনপি নেতারা এখন ডাক্তার হয়ে গেছেন : তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | ৪২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি নেতাদের বক্তব্য শুনে মনে হচ্ছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব, রিজভী সাহেব, খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ অনেক নেতা এখন ডাক্তার হয়ে গেছেন। আ স ম রউফ সাহেব একজন বড় ডাক্তার, মান্না সাহেবও ডাক্তার। তারা এখন ডাক্তারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। তারা বলছেন, খালেদা জিয়ার জীবন সংকটাপন্ন। এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে তো কেউ কিছু বলেননি। মাঝে-মধ্যে বিএনপির চিকিৎসকরা যারা রাজনীতি করেন তারা কিছু কিছু কথা বলেন।

সোমবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সাথে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া আগেও অসুস্থ ছিলেন, আমাদের দেশে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন। খালেদা জিয়াকে বিদেশে না পাঠালে বাঁচানো যাবে না। বাস্তবতা হচ্ছে তখনও দেশের চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয়ে বাড়িতে ফিরে গিয়েছিলেন। তখনকার মতো এবারও একই ধোঁয়া তুলছেন। আসলে খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিয়ে যাওয়ার দাবিটা তার স্বাস্থ্যগত কারণ নয় এটা একটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত দাবি বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনীতি করছেন তারা। তাকে নিয়ে রাজনীতি করা অনভিপ্রেত। আসলে উনারা হয়তো চান না খালেদা জিয়া সুস্থ হোক। কারণ সুস্থ হলে স্বাস্থ্য নিয়ে যে রাজনীতি এটি করা বন্ধ হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, বিএনপির এ পুরো দাবিটাই হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে বিদেশে পাঠানোর উদ্দেশ্য যে রাজনৈতিক দাবি সরকার সে দাবি মানতে পারে না। কারণ তিনি একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। অবশ্যই খালেদা জিয়া যেন সুচিকিৎসা পান সেটা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধ পরিকর।

সংসদ সদস্যদের (এমপি) পদত্যাগের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, তাদের সব মিলিয়ে ছয়জন এমপি রয়েছেন। তারা খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে পদত্যাগ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের বক্তব্যে আমার মনে হচ্ছে, দেশের আর কোনো সমস্যা নিয়ে তারা চিন্তিত না। তাদের কথায় মনে হচ্ছে, দেশে আর কোনো সমস্যা নেয়, একমাত্র খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যটাই সমস্যা। এনিয়ে শুধু তারা ব্যস্ত রয়েছেন। এতে বোঝা যায় এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।


আরও খবর



হাসপাতালে রুবেল হোসেন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | ২৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের তারকা পেসার রুবেল হোসেন।

রুবেল হোসেনের স্ত্রী দোলা হোসাইনের ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্ট থেকে বিষয়টি জানা যায়।

দোলা হোসাইন লিখেছেন, আসসালামু আলাইকুম। তিনি বুধবার (১৮ নভেম্বর) রাতে হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এখন তিনি হাসপাতালে ভর্তি, সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। মহান আল্লাহ যেন তাকে দ্রুত সুস্থ করে দেন ।

রুবেলের ঘনিষ্ঠ সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, ইনফেকশনজনিত কারণে ১৭ নভেম্বর রাতে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় রুবেলকে।

এখনও রুবেল এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে  রুবেলের অসুস্থতা গুরুতর নয়। বর্তমানে তিনি অনেকটাই সুস্থ। দলের সঙ্গে থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে অনেকদিন ধরেই অনুপস্থিত রুবেল। ৩১ বছর বয়সি এই ডানহাতি পেসার গত মার্চে নিউজিল্যান্ড সফরে জাতীয় দলে হয়ে সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: রুবেল হোসেন

আরও খবর



দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণ: খালাস পেলেন সাফাতসহ পাঁচ জনই

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর ২০২১ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর ) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম কামরুন্নাহারের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

অপর তিন জন হলেন- সাফাত আহমেদের বন্ধু সাদমান সাকিফ, দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আফরোজা ফারহানা আহমেদ অরেঞ্জ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরেই রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।

গত ২৭ অক্টোবর রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সিনিয়র আইনজীবী বাসেত মজুমদার মারা যাওয়ায় আদালতের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তাই বিচারক রায় ঘোষণার জন্য আজ ১১ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

তার আগে গত ১২ অক্টোবর রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু বিচারক অসুস্থ থাকায় রায় ঘোষণার জন্য ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক ২৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেছিলেন।

গত ৩ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন আদালত। একইসঙ্গে জামিনে থাকা সাফাতসহ পাঁচ আসামির জামিন বাতিল করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

২০১৭ সালের ৭ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এমি পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন। ওই বছরের ১৯ জুন একই ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

অভিযোগপত্রে আসামি সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া মামলার অন্য তিন আসামি সাফাত আহমেদের বন্ধু সাদমান সাকিফ, দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে ওই আইনের ৩০ ধারায় ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত অভিযুক্তরা মামলার বাদী, তার বান্ধবী ও বন্ধুকে আটকে রাখে। অস্ত্র দেখিয়ে ভয় প্রদর্শন ও অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেন। বাদী ও তার বান্ধবীকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যায় আসামিরা। বাদীকে সাফাত আহমেদ ও তার বান্ধবীকে নাঈম আশরাফ একাধিকবার ধর্ষণ করে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, সাদমান সাকিফকে দুই বছর ধরে চেনেন মামলার বাদী। তার মাধ্যমেই ঘটনার ১০ থেকে ১৫ দিন আগে সাফাতের সঙ্গে দুই শিক্ষার্থীর পরিচয় হয়। ওই দুই শিক্ষার্থী সাফাতের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যান। সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী তাদের বনানীর ২৭ নম্বর রোডে রেইনট্রি হোটেলে নিয়ে যান। হোটেলে যাওয়ার আগে বাদী ও তার বান্ধবী জানতেন না যে সেখানে পার্টি হবে। তাদের বলা হয়েছিল, এটা একটা বড় অনুষ্ঠান, অনেক লোকজন থাকবে। অনুষ্ঠান হবে হোটেলের ছাদে।

সেখানে যাওয়ার পর তারা কাউকে দেখেননি। সেখানে আরও দুই তরুণী ছিলেন। বাদী ও তার বান্ধবী সাফাত ও নাঈমকে ওই দুই তরুণীকে ছাদ থেকে নিচে নিয়ে যেতে দেখেন। এসময় বাদীর বন্ধু ও আরেক বান্ধবী ছাদে আসেন। পরিবেশ ভালো না লাগায় তারা চলে যেতে চান। এসময় অভিযুক্তরা তাদের গাড়ির চাবি শাহরিয়ারের কাছ থেকে নিয়ে নেয় এবং তাকে মারধর করেন। ধর্ষণের সময় গাড়িচালককে ভিডিও করতে বলেন সাফাত। বাদীকে নাঈম আশরাফ মারধর করেন।


আরও খবর