আজঃ মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২
শিরোনাম

হবিগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, স্রোতে ভেসে বৃদ্ধের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ জুন 20২২ | ২৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যার পানি যখন নামতে শুরু করেছে, তখন হবিগঞ্জের হাওর এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। জেলার চারটি উপজেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত এক লাখ মানুষ। এরই মধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে অবস্থান নিয়েছে কয়েক হাজার মানুষ। তাদের খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ নেই।

এর মধ্যেরই জেলার আজমিরীগঞ্জে ডুবে যাওয়া সড়কে জাল ফেলে মাছ ধরার সময় স্রোতে ভেসে গিয়ে তারা মিয়া (৭০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এদিকে, বন্যায় শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় ত্রাণ বিতরণে প্রশাসনকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

জেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্যে জানা যায়জেলার আজমিরীগঞ্জ, নবীগঞ্জ, লাখাই ও বানিয়াচং উপজেলার ২২টি ইউনিয়নের অন্তত ২৫০টি গ্রাম বন্যায় প্লাবিত। এসব গ্রামের লোকজনের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে ৯৩টি। দুর্গতদের সাহায্য করতে এরই মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ৭৬৩ টন চাল, ২০ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং দুই হাজার শুকনো খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিতরণ করা হয়েছে সাড়ে ১৫ টন চাল ও পাঁচ লাখ টাকা।


আরও খবর



সয়াবিন তেলের দাম কমবে: বাণিজ্য সচিব

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ জুন ২০২২ | ১৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত সয়াবিন তেলের দাম কমতে শুরু করেছে উল্লেখ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেছেন, দেশেও সয়াবিন তেলের দাম কমবে বলে আশা করছি। শিগগিরই ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী মিল মালিকদের ডেকে তাদের সঙ্গে দাম সমন্বয় করা হবে।

রবিবার (২৬ জুন) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মিনিস্ট্রিয়াল মিটিং শেষে ডাকা সংবাদ সম্মেলন তিনি এ কথা জানান।

এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির নেতৃত্বে একটি দল বৈঠকে অংশ নেয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রীর ব্রিফ করার কথা থাকলেও শারীরিকভাবে অসুস্থতা বোধ করায় তিনি ব্রিফিংয়ে আসেননি।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য সচিব বলেন, সয়াবিন তেলের দাম কী পরিমাণ কমবে, তা এখন বলা যাচ্ছে না। কারণ সম্প্রতি ডলারের দাম বেড়েছে। তারপরও অবশ্যই দেশের বাজারে সয়াবিন তেলের দাম কমবে।’ তেলের দাম সমন্বয় করা হলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন তপন কান্তি ঘোষ।


আরও খবর



ঈদ উপলক্ষে নতুন নোট বিনিময় শুরু ২৯ জুন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | ৪৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গ্রাহকদের আগ্রহের কথা মাথায় রেখে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে বাজারে নতুন নোট ছাড়ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ২৯ জুন থেকে ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা হতে এ নতুন নোট সংগ্রহ করতে পারবেন গ্রাহকরা। তবে একই ব্যক্তি একাধিকবার নতুন নোট গ্রহণ করতে পারবেন না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে আগামী ২৯ জুন হতে ৭ জুলাই পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত) ঢাকা অঞ্চলের বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংকের শাখাসমূহের মাধ্যমে ১০, ২০, ও ১০০ টাকা মূল্যমানের নতুন নোট বিশেষ ব্যবস্থায় বিনিময় করা হবে। একই ব্যক্তি একাধিকবার নতুন নোট গ্রহণ করতে পারবেন না। তবে নোট উত্তোলনকালে কেউ ইচ্ছা করলে কাউন্টার থেকে মূল্যমান নির্বিশেষে যে কোনো পরিমাণ ধাতব মুদ্রা গ্রহণ করতে পারবেন।

যেসব ব্যাংক ও শাখায় পাওয়া যাবে নতুন নোট-

এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড, যাত্রাবাড়ী শাখা, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, আব্দুল গণি রোড কর্পোরেট শাখা, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, জাতীয় প্রেস ক্লাব কর্পোরেট শাখা, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, মিরপুর শাখা, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, কারওয়ান বাজার শাখা, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, বসুন্ধরা সিটি (পান্থপথ) শাখা, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, চকবাজার শাখা, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, রমনা কর্পোরেট শাখা, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, উত্তরা শাখা।

আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড, গুলশান শাখা, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, মহাখালী শাখা, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, মোহাম্মদপুর শাখা, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, রাজারবাগ শাখা, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, সদরঘাট শাখা, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, কাকরাইল শাখা, ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড, বাসাবো শাখা, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, শ্যামলী শাখা, ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, এসএমই অ্যান্ড এগ্রিকালচার শাখা, দক্ষিণখান, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড, বনানী-১১ শাখা, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড, ধানমন্ডি শাখা, দি সিটি ব্যাংক লিমিটেড, বেগম রোকেয়া সরণী শাখা।

আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, নন্দীপাড়া শাখা, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড, এ্যালিফেন্ট রোড শাখা, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, জাতীয় সংসদ ভবন শাখা, এবি ব্যাংক লিমিটেড, প্রগতি সরণী শাখা, আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড, শাহজালাল এভিনিইউ শাখা, উত্তরা, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড, বসুন্ধরা শাখা, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, রামপুরা টিভি শাখা, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, কচুক্ষেত কর্পোরেট শাখা, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, ফরেন এক্সচেঞ্জ শাখা, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড, বনানী শাখা।

ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, নিউমার্কেট শাখা, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, স্থানীয় কার্যালয়, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড, নারায়ণগঞ্জ শাখা, নারায়ণগঞ্জ, এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড, শিমরাইল শাখা, নারায়ণগঞ্জ, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, গাজীপুর চৌরাস্তা শাখা, গাজীপুর, ইউসিবিএল, গাজীপুর চৌরাস্তা শাখা, গাজীপুর, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, সাভার শাখা, সাভার, মিউচ্যুয়াল ট্রাষ্ট ব্যাংক লিমিটেড, সাভার শাখা, সাভার এবং ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, কেরানীগঞ্জ শাখা, কেরানীগঞ্জ।


আরও খবর



পদ্মা সেতুতে বদলে যাবে দেশ, প্রবৃদ্ধি বাড়বে ২ শতাংশ

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ জুন 20২২ | ২৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সব বাধা-বিপত্তি দূর করে আগামী ২৫ জুন সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে সর্বনাশা পদ্মার বুকে নির্মিত স্বপ্নের সেতু। দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধিতে এক দশমিক ২৩ শতাংশ অবদান রাখবে এ সেতু। আর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জিডিপি বাড়বে ২ দশমিক ৩ শতাংশ। পদ্মা সেতু চালু হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পিছিয়ে পড়া ২১টি জেলা উপকৃত হবে। জেলাগুলো হচ্ছে- খুলনা বিভাগের খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, সাতক্ষীরা, নড়াইল, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মাগুরা; বরিশাল বিভাগের বরিশাল, পিরোজপুর, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা ও ঝালকাঠি এবং ঢাকা বিভাগের গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও রাজবাড়ী।

তবে পদ্মা সেতুর আরও সুফল পেতে দক্ষিণাঞ্চলে পোশাক ও পর্যটনসহ নানা খাতে বিনিয়োগ জরুরি বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, দক্ষিণাঞ্চলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে হবে, যাতে করে বিদেশি বিনিয়োগ আসে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে যত বেশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাবে, জিডিপিতে এর অবদান তত বেশি হবে। পদ্মা সেতু চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলের পণ্য আমদানি সহজ হবে। মালামাল দ্রুত সময়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাবে। প্রবৃদ্ধি এক থেকে সর্বোচ্চ দুই শতাংশ বাড়বে। পদ্মা সেতুর সর্বোচ্চ বেনিফিট (উপকার) পেতে দক্ষিণাঞ্চলে বিনিয়োগ দরকার। সবখাতে বিনিয়োগ হতে পারে। এর ফলে দেশে কর্মসংস্থান বাড়বে। কুয়াকাটায় আরও বিনিয়োগ করতে হবে। মানুষ কক্সবাজার বাদ দিয়ে কুয়াকাটায় যাবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার অর্থনৈতিক অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে। এই একটি সেতুতেই এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য বদলে যাবে। মোংলা ও পায়রা বন্দরের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন হবে। পদ্মা সেতুর মাধ্যমে বাংলাদেশ এশিয়ান হাইওয়েতে যুক্ত হবে, যা অর্থনীতিকে নতুন মাত্রা দেবে। এই বৃহৎ অঞ্চলে গড়ে উঠবে শিল্প প্রতিষ্ঠান ও ইপিজেড। পিছিয়ে পড়া এই অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। সারাদেশের অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পিছিয়ে পড়া ২১টি জেলা দীর্ঘদিন অবহেলিত থাকলেও বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এসব জেলায় উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রয়েছে। বিশদভাবে বলতে গেলে এই সেতু দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার যোগাযোগ, বাণিজ্য ও পর্যটনসহ অনেক ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পদ্মা সেতুর কারণে জিডিপিতে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার যোগ হবে, যা সেতুটির ব্যয়ের প্রায় তিনগুণ বেশি।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, পদ্মা সেতু আমাদের গর্বের বিষয়। এটি শুধু সেতুই নয়, পদ্মা সেতু হবে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। এর ফলে আমাদের ভৌগোলিক যে বিভাজন ছিল, তাতে সংযোজন স্থাপন হবে এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশ একটা একীভূত অর্থনীতি হিসেবে আবির্ভূত হবে। পদ্মা সেতুর ফলে আমাদের বিনিয়োগ, বিতরণ ও বিপণনগুলোতে যে সাশ্রয় হবে, সেটা আমাদের অর্থনীতিতে ইতিবাচকভাবে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া ব্যাপক কর্মসংস্থান হবে। এরই মধ্যে পদ্মার করিডোরের পাশ দিয়ে বিনিয়োগের বিভিন্ন ধরনের সাইনবোর্ড দেখা যাচ্ছে। তবে এসব বিনিয়োগে যে কর্মসংস্থান হবে, সেগুলো আমাদের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে অবদান রাখবে বলে আমরা মনে করছি।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর সঙ্গে যেগুলো হওয়ার কথা যেমন: বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইন্ডাসট্রিয়াল পার্ক এগুলোও হতে হবে। এগুলোর জন্য আমাদের দক্ষ জনশক্তি প্রস্তুত করতে হবে। সুতরাং সেতু খোলার পরবর্তীতে যে কাজগুলো করার কথা, সেগুলো করতে পারলে সম্ভাব্য যে জিডিপিতে অবদান সেটা অনেক বেশি হবে। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী ১ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বাড়বে। তবে এটা বেশিও হতে পারে। যদি আমরা অর্থনৈতিক অঞ্চল ও বিনিয়োগ বাড়াতে পারি, তবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেশি হবে। তবে এটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে হবে না। মূলত পরিকল্পনা অনুযায়ী অর্থনৈতিক অঞ্চল, বিনিয়োগ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক ও পর্যটন খাতের ব্যাপক উন্নয়নে এটা সম্ভব হবে।

এ সেতুর মাধ্যমে সর্বনাশা পদ্মার বুকে স্বপ্ন জেগে উঠেছে বলে মনে করেন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, পদ্মা ছিল কীর্তিনাশা পদ্মা, এখন হয়ে যাবে কীর্তিমান পদ্মা। এর ওপর দিয়ে আমাদের নতুন সফলতা গাঁথা হবে। তৈরি হবে নতুন ইতিহাস। পাথরে না লিখে, হৃদয়ে লেখা হোক না, শেখ হাসিনার নাম। পদ্মা সেতু যতদিন থাকবে, আমরা এই নাম হৃদয়ে নিয়েই চলবো। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, দাবায়ে রাখতে পারবা না। তার উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিন্তু একই সুরে বলেছিলেন, বন্ধ করতে পারবা না। বিশ্বব্যাংক অনেক কথা বললো, টাকা দিলা না তোমরা। কিন্তু আমরা অতিক্রম করবোই। সেই সাহস, তেজোদ্দীপ্ত ঘোষণাই আজকের পদ্মা সেতু।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন, পদ্মাসেতু উদ্বোধনের পর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ সহজ হবে। পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ও যান চলাচল ব্যাপক বেড়ে যাবে। সে কারণে আমাদের যে পণ্য আছে, সেগুলো সহজেই ঢাকা আসবে। আবার ঢাকা থেকেও সহজেই পণ্য নিয়ে যাওয়া যাবে। এই আসা-যাওয়ার ফলে অনেক কর্মকাণ্ড সৃষ্টি হবে। পণ্যের সহজলভ্যতা বাড়বে। সে কারণে বাজারে চাহিদা সৃষ্টি হবে। আমাদের যে ওয়াইডার (বিস্তীর্ণ) ইকোনমিক মার্কেট, সেগুলো আরও ইন্টিগ্রেটেড (সমন্বিত) হবে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রভাব সরাসরি দেশের অর্থনীতিতে পড়বে। যার ফলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়বে। এছাড়া কর্মসংস্থান বাড়ার ফলে এই এলাকার বেকারত্ব দূর হবে। যার ফলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়ে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।

পদ্মাসেতুর অর্থনৈতিক প্রভাব পুরোদেশে ছড়িয়ে পড়বে দাবি করে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, যাতায়াতে খেয়াল করলে এর অবদান সরাসরি দেখা যাবে। পদ্মা সেতু চালু হলে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় চাপ কমবে। আর সেখানে চাপ কমলে যমুনা সেতুতে চাপ কমবে। সুতরাং পদ্মা সেতু শুধু দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের আশীর্বাদ নয়, দেশের উত্তর, পূর্ব, দক্ষিণ ও পশ্চিম সব দিকে এ সেতুর প্রভাব ছড়িয়ে যাবে।


আরও খবর



১৯ বছর পর ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা আ.লীগের সম্মেলন

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | ৯৩৫জন দেখেছেন

Image

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:

দীর্ঘ ১৯ বছর পরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন। আগামী ২৯ জুন অনুষ্ঠেয় এই ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনকে ঘিরে ওই উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতির মাঠ বেশ জমে উঠেছে।

তবে, এরমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীরা জেলা এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায়ে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। প্রার্থীদের কেউ আবার পছন্দের পদ বাগিয়ে নিতে নানামুখী লবিং-তদবিরে পথে হাঁটছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সর্বশেষ ২০০৩ সালের ১১ জুলাই  ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ ১৯ বছর।

৬৭ সদস্য বিশিষ্ট ওই কমিটির ১৪ জন ইতোমধ্যে প্রয়াত হয়েছেন। কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হেকিম এক বছর আগে মারা গিয়েছেন। কমিটির সভাপতি সাবেক এমপি মোঃ আব্দুছ ছাত্তার কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদকের পদ পাওয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ ছাড়তে হয়। দীর্ঘ ১৯ বছর কমিটি না থাকায় দলে নানা বিভক্তির দেখা দেয়। কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে চলে দলীয় কার্যক্রম।

এদিকে, এক সময় বিএনপির ঘরোয়া রাজনীতির দাপুটে ময়মনসিংহের এই উপজেলা এখন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের আধিপত্যের এলেও গ্রুপিং ও কোন্দলের কারণে অনেক যোগ্য নেতা এই উপজেলায় স্থান পাচ্ছেন না। ঈশ্বরগঞ্জ আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আগামী ২৯ জুন উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ। সম্মেলন উপলক্ষে উপজেলা চেয়ারম্যান সম্মেলন সফল করতে তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতাদের ডেকে কর্মী সম্মেলন করছেন, যা একটি বিরল ঘটনা। এছাড়াও সম্মেলনকে ঘিরে উপজেলা চেয়ারম্যানের দুইশত তোরণ করা হচ্ছে।

অপরদিকে দলের নেতারা বলছেন,  হাইব্রিডদের বাদ দিয়ে দলের প্রকৃত ত্যাগী নেতাকর্মীদের নিয়ে নবীন ও প্রবীণের সমন্বয়ে উপজেলা কমিটি গঠনের দাবি তুলেছেন তারা।

এছাড়া সম্মেলনকে ঘিরে উপজেলার বিভিন্ন সড়কের দুপাশ টানানো হচ্ছে ছবি সংবলিত বিভিন্ন ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন ও নির্মাণ করা হচ্ছে তোরণ। মোড়ে মোড়ে শোভা পাচ্ছে পছন্দের প্রার্থীদের বড় বড় ছবি, ব্যানার, তোরণ। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় ও দলীয় নেতা-কর্মীদের আপ্যায়ন, মঞ্চ প্রস্তুত, সঞ্চালনা ও সাউন্ড সিষ্টেমের দায়িত্ব বন্টন করে দেওয়া হয়েছে নেতাদের।

এবারের সম্মেলনে সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন ময়মনসিংহ- ৮ ঈশ্বরগঞ্জ আসনের সাবেক এমপি আব্দুছ ছাত্তার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদ হাসান সুমন ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম বুলবুল।

সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন  ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সভাপতি সাফায়েত জোসেন ভুঁইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এ,কে,এম হারুন-অর-রশীদ হারুন, আওয়ামী যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক এডভোকেট হাবিবুল্লাহ মিলন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল জলিল মন্ডল। এছাড়াও সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আরও একাধিক প্রার্থী প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ও সাবেক যুবলীগ সভাপতি সাফায়েত হোসেন ভূঞা বলেন, দেড় যুগ পর সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের নতুন প্রাণের সঞ্চার ঘটেছে। আমি আশাবাদী একটি  শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল কমিটি হবে। আমি চাই দলের ত্যাগী নেতারা কমিটিতে আসুক। বিতর্কিত, বহিস্কৃত এবং উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যারা নৌকার বিরোধী হয়ে কাজ করেছে তাদের বাদ দিয়ে আওয়ামী পরিবারের ক্লিন ইমেজের নেতারা নেতৃত্বে আসুক।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী  ও বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম বুলবুল জানান, আমি দীর্ঘদিন যাবৎ সততারে সাথে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মোতাবেক দায়িত্ব পালন করে এসেছি। এখন নেতা কর্মীরা আমাকে সভাপতি হিসেবে চাইছে, তাই আমি সভাপতি প্রার্থী হয়েছি। দায়িত্বশীল কোন পদ পেলে আমি তা নিষ্ঠার সাথে পালন করবো।

ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী মাহমুদ হাসান সুমন জানান, আমি পরপর দুই-দুইবার আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রতীক নিয়ে ঈশ্বরগঞ্জ বাসীর প্রত্যক্ষ মূল্যবান ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে আমাকে মনোনীত করলে আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করার জন্য কাজ করবো।


আরও খবর



প্রস্রাবের পরেও ফোঁটা ফোঁটা মূত্রপাত? কিসের সঙ্কেত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | ৮৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রস্রাব হয়ে যাওয়ার পরেও অনেক সময় দেখা যায় কয়েক বিন্দু মূত্র ত্যাগ হতেই থাকে। বিষয়টি কিন্তু খুব একটা বিরল নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়স ও স্বাস্থ্য নির্বিশেষে অধিকাংশ পুরুষের ক্ষেত্রেই এমনটা হয়। বিষয়টিকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে টার্মিনাল ড্রিপিং।

তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিষয়টি স্বাভাবিক হলেও কিছু কিছু সময় এটি বিপদের সঙ্কেত হতে পারে। মূল প্রস্রাবের পর অনিয়ন্ত্রিত ভাবে আবার কিছুটা প্রস্রাব বেরিয়ে আসা টার্মিনাল ড্রিপিং-এর তুলনায় আলাদা। একে বলে পোস্ট মিকচুরিশন ড্রিবলিং বা পিএমডি। মূত্রথলি থেকে শিশ্নমুখ পর্যন্ত যে নালি থাকে তাকে ইউরেথ্রা বলে।

এই রোগে সেই ইউরেথ্রার মধ্যে কিছু পরিমাণ মূত্র জমা হয়ে থাকে। প্রস্রাবের শেষে সেই মূত্রই বার হয়ে আসে ও ফোঁটা ফোঁটা করে পড়তে থাকে।একটি পরিসংখ্যান বলছে, প্রায় ১৭.১ শতাংশ পুরুষ এই সমস্যায় আক্রান্ত। বিশেষ করে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধি পেতে থাকে সমস্যা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন অসুবিধাজনক তো বটেই, এই সমস্যা কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রস্টেট ও স্নায়ুর সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে। তাই যতই সাধারণ বিষয় হোক না কেন, এই সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই বাঞ্ছনীয়।


আরও খবর