আজঃ শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

হাথুরুসিংহেকে ‘শোকজ’ করবেন পাপন!

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

প্রায় শেষের পথে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দশম আসর। এমন সময়ে এই টুর্নামেন্ট নিয়ে রীতিমতো বোমা ফাটিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। সম্প্রতি ক্রিকেটভিত্তিক ভারতীয় ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিপিএলের মান খুবই নিম্ন বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

বিপিএল নিয়ে হাথুরুসিংহের এমন মন্তব্য নিয়ে মুখ খুলেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এবং যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপন। বিসিবির সঙ্গে চুক্তিতে থাকার পরও এমন মন্তব্য হাথুরুসিংহে করতে পারেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে পাপন বলেন, প্রথমে দেখতে হবে তিনি নিয়ম ভঙ্গ করেছেন কি না। আমাদের যেই নিয়ম আছে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব। প্রথম কথা হচ্ছে এটি।

তবে বিষয়টি এখনো দেখেননি বলে দাবি করেছেন পাপন। দ্বিতীয় কথা হিসেবে পাপন বলেন, তিনি (হাথুরুসিংহে) কোনো জায়গায় এমন কিছু বলেছেন কি না যেটা বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য; সেটা যে ধরনেরই হোক, ঘরোয়া ক্রিকেট হোক, খেলোয়াড় হোক, বিপিএল হোক, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হোক, যেটা কি না নেতিবাচক বার্তা বহন করে। তাহলে অবশ্যই তাকে জিজ্ঞেস করা হবে। অবশ্যই শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিস) করা হবে।

বিপিএল বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট উন্নয়নে কোনো অবদান রাখতে পারেনি উল্লেখ করে হাথুরুসিংহে বলেছিলেন, বাংলাদেশে উপযুক্ত কোনো টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট নেই। শুনতে খুবই অস্বাভাবিক লাগবে। কিন্তু আমি যখন বিপিএল দেখি, অনেক সময় টিভি বন্ধ করে দেই। কিছু খেলোয়াড় তো ওই মানের মধ্যেই পড়ে না।

তিনি আরও বলেন, যে পদ্ধতি মেনে চলছে সেটা নিয়ে আমার আপত্তি আছে। আইসিসির এসব ক্ষেত্রে এগিয়ে আসা উচিত। কিছু নিয়ম তো অবশ্যই থাকা উচিত। বিশেষ করে একই সময়ে একজন খেলোয়াড় একটি টুর্নামেন্ট খেলছে, পরে দেখা গেলো আরেকটিতেও অংশ নিচ্ছে। বিষয়টা পুরোপুরি সার্কাসের মতোন। খেলোয়াড়রা সুযোগের কথা বলবে; কিন্তু এটা সঠিক নয়। এমনটা হলে দর্শকরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। আমি নিজেও সেটা হারিয়ে ফেলেছি।

বিপিএলে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের মূল ভূমিকায় রাখা উচিত বলে মনে করেন হাথুরু, আমাদের এমন টুর্নামেন্ট হওয়া উচিত যেখানে স্থানীয় খেলোয়াড়রা টপ তিন নম্বরে ব্যাট করতে পারে বাংলাদেশের বোলাররা বল করবে ডেথে। তাহলে আমরা আর কোন জায়গা থেকে শিখবো? আমাদের তো এই একটাই টুর্নামেন্ট।


আরও খবর



ঝিনাইদহ-১ আসনের এমপি আব্দুল হাই মারা গেছেন

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৬ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

Image

ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই মারা গেছেন। শনিবার (১৬ মার্চ) থাইল্যান্ডের বামরুনদগ্রাদ হাসপাতালে ব্যাংককের স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। মৃত্যুর বিষয়টি থাইল্যান্ডে অবস্থান করা তার ব্যক্তিগত সহকারী শহিদুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।

আব্দুল হাই এর আগে নিউমোনিয়া ও লিভারের সমস্যায় ঢাকার ল্যাব এইড হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি ছিলেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে থাইল্যান্ডে নেওয়া হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে ও ২ ছেলে রেখে গেছেন।

আব্দুল হাইয়ের জন্ম ১৯৫২ সালের পহেলা মে শৈলকুপা উপজেলার মহম্মদপুর গ্রামে। ফয়জুদ্দিন মোল্লা ও ছকিরন নেছা দম্পতির ৩ ছেলে ও ২ মেয়ের মধ্যে সবার ছোট তিনি। তার শিক্ষাজীবন শুরু পার্শ্ববর্তী মির্জাপুর গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সেখান থেকে পাস করার পর ভর্তি হন বসন্তপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। মাধ্যমিক পাস করার পর ভর্তি হন ঝিনাইদহ কেশবচন্দ্র কলেজে। সেখান থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে  বিএ পাস করেন। বসন্তপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত অবস্থায় তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।

আব্দুল হাই সম্পর্কে জানা যায়, তিনি ১৯৬৮ সালে মহকুমা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯ সালে সরকারি কেসি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। একই বছর তিনি বৃহত্তর যশোর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে, যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং ঝিনাইদহে স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকা উত্তোলন করেন তিনি। দেশ স্বাধীনের পর ঝিনাইদহ যুবলীগের আহ্বায়ক ও ১৯৭৩ সালে যুবলীগের মহকুমা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আশির দশকে জেলা আওয়ামী লীগের যুব ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৬ সালে জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। পরে ১৯৮৭ সালে তিনি ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পরবর্তী সময়ে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সারাদেশে মাত্র ৫৮টি আসনে বিজয় লাভ করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য আসন ছিল বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাইয়ের শৈলকুপার আসন। বর্তমান ঝিনাইদহ জেলার মধ্যে এই আসনটিকে আওয়ামী লীগের দূর্গ বলা হয়।

এছাড়া তিনি ২০০১ সালে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক নির্বাচিত হন ও ২০০৫ সালে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হন। তিনি ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হয়ে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৫ সালের কাউন্সিলে দ্বিতীয়বারের মতো ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে একাদশ সংসদ নির্বাচনেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ পরপর চারবারে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং ২০২২ সালে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তৃতীয়বারের মতো জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

জানা যায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন আব্দুল হাই (এমপি)। এ নিয়ে তিনি পঞ্চমবারের মতো ওই আসন থেকে এমপি হিসেবে জয়লাভ করেন। ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ আসনে নৌকার প্রার্থী আব্দুল হাই এমপি ৯৫ হাজার ৬৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগসহ জেলার নানা শ্রেণী পেশার মানুষ। তার জানাজা ও দাফনের বিষয়টি পরিবার থেকে এখনও নিশ্চিত জানা যায়নি।

নিউজ ট্যাগ: ঝিনাইদহ

আরও খবর



সিরিজ জিততে স্বাগতিক বাংলাদেশের লক্ষ্য ২৩৬

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৮ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

লংকানদের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষটিতে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। যেখানে প্রথমে ব্যাট করা শ্রীলংকা জানিথ লিয়ানাগের অপরাজিত সেঞ্চুরির সুবাদে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রান করেছে।

সোমবার (১৮ মার্চ) চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে খেলছে দুদল। বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায় ম্যাচটি শুরু হয়। টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন লংকান অধিনায়ক কুসল মেন্ডিস।

প্রথমে ব্যাট করতে নামা লংকান শিবিরে শুরুতেই জোড়া আঘাত করেন তাসকিন আহমেদ। দলীয় দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে পাথুম নিশাঙ্কাকে (১) এলবির ফাঁদে ফেলেন এই ফাস্ট বোলার। নিজের পরের ওভারে আভিস্কা ফার্নান্দোকে (৪) উইকেটকিপার মুশফিকুর রহিমের ক্যাচে ফেরান।

একাদশে ফিরেই সাফল্য পেয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। নিজের প্রথম ওভারেই ১৪ রানে থাকা সাদিরা সামারাবিক্রমাকে উইকেটকিপার মুশফিকের ক্যাচে বিদায় করেন তিনি।

দলীয় ১৮তম ওভারে বোলিংয়ে এসে প্রথম বলেই উইকেটের দেখা পান রিশাদ হোসেন। এই লেগ স্পিনারের বল খোঁচা দিতে গিয়ে উইকেটকিপার মুশফিকের ক্যাচে পরিণত হন লংকান অধিনায়ক কুসল মেন্ডিস। তিনি ৫১ বলে ২৯ রান করেছেন। এরপর লংকান শিবিরে নিজের দ্বিতীয় আঘাত করেন মোস্তাফিজ। ২৫তম ওভারের শেষ বেলে উইকেটে সেট হওয়া চারিথ আসালাঙ্কাকে ফেরান তিনি। চারিথ ৪৬ বলে ৩৭ রান করেন।

এরপর মেহেদী হাসান মিরাজের জোড়া আঘাতে কোণঠাসা হয়ে পড়ে শ্রীলংকা। এই অফস্পিনার দুনিথ ওয়াল্লালাগেকে ফেরানোর পর ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে ব্যক্তিগত ১১ রানে বোল্ড করেন।

অন্যদের আসা-যাওয়ার মিছিলে একপ্রান্ত আগলে রাখেন লিয়ানাগে। অষ্টম উইকেট জুটিতে মহেশ থিকশানার সঙ্গে ৭৮ বলে মূল্যবান ৬০ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। অবশেষে জুটি ভাঙেন সৌম্য সরকার থিকশানাকে ১৫ রানে ফেরান তিনি। তবে অসাধারণ ব্যাট করা ডানহাতি লিয়ানাগে নিজের নবম ওয়ানডেতে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন। তিনি শেষ পর্যন্ত ১০২ বলে ১১টি চার ও ২টি ছক্কায় ১০১ রানে অপরাজিত থাকেন।

বাংলাদেশ বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট পান তাসকিন আহমেদ। এছাড়া ২টি করে উইকেট দখল করেন মোস্তাফিজ ও মিরাজ।

এই ম্যাচটি দুদলের জন্য অলিখিত ফাইনাল। কেননা প্রথম দুই ম্যাচে ১-১ ব্যবধানে সমতা রয়েছে। সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ দাপুটে ৬ উইকেটে জিতে নেয়। তবে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও হেরে বসে স্বাগতিকরা।

বাংলাদেশ একাদশে আজ ৩টি পরিবর্তন এসেছে। লিটন দাস দল থেকেই বাদ পড়েছেন। তাইজুল ইসলাম জায়গা হারিয়েছেন। আর তানজিত হাসান সাকিব ইনজুরির কারণে ছিটকে গেছেন। তাদের পরিবর্তে এনামুল হক, মোস্তাফিজুর রহমান ও রিশাদ হোসেন এসেছেন।

অন্যদিকে লংকান দলে একটি পরিবর্তন এসেছে। দিলশাস মাদুশঙ্কার পরিবর্তে মহেশ থিকশানা এসেছেন।


আরও খবর



ঈদে ভাড়া বেশি নিলে বাস বন্ধের হুঁশিয়ারি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৯ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঈদযাত্রায় আন্তঃজেলা বা দূরপাল্লার কোনো গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া আদায়ের প্রমাণ পেলে সেই গণপরিবহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি মসিউর রহমান রাঙ্গা।

মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে মহাসড়ক/সড়কে যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি। হাইওয়ে পুলিশের অ্যাডিশনাল আইজিপি মো. শাহাবুদ্দিন খানের সভাপতিত্বে রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে এ মতবিনিময় সভা হয়।

সভায় মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, এবারের ঈদে সম্ভাব্য কোন কোন এলাকায় জট, যানজট বা ব্লক তৈরি হতে পারে, সেটি চিহ্নিত করা হয়েছে। আমরা এবার ঈদযাত্রায় হাইওয়েতে ড্রোনের সহায়তা নিচ্ছি। ড্রোনের সহায়তায় চিত্র দেখে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারব। হাইওয়ের অনেক রাস্তা চার লেন হচ্ছে। কোথাও কোথাও হয়ে গেছে। এখন রাস্তায় যদি কোনো যানবাহন তাৎক্ষণিক অকেজো হয়ে পড়ে, তাহলে সেটি সরানো সহজ হবে। ক্রুটিপূর্ণ কোনো যানবাহন যাতে ঈদে সড়কে না নামে, সেটি নিশ্চিত করতে আমরা নির্দেশনা দিয়েছি।

প্রতি বছরই বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ ওঠে এবং প্রমাণও মেলে, কিন্তু কার্যকর কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যায় না। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে রাঙ্গা বলেন, অনেক পরিবহনই ঈদের সময় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে। যেসব বাস কোম্পানি সুনামের সঙ্গে কাজ করছে, তাদের কোনো বাস যদি ভাড়া বেশি নেয়, তাহলে আমাদের জানাবেন, আমাকে জানাবেন... ব্যবস্থা নেব। প্রয়োজনে স্পটে উপস্থিত হব। অভিযোগ পেলেই আমরা সেখানে যাব। কোন কোন জায়গায় কারা বাড়তি ভাড়া নিচ্ছে, সেটি আমরা শনাক্ত করব।

বাড়তি ভাড়া নেওয়ার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেলে কী ব্যবস্থা নেবেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পেলে সেই গণপরিবহণ চলাচল বন্ধ করে দেব। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।

মহাখালী বাস টার্মিনালের সামনে সড়কের তিনটি লেনই অবৈধ পার্কিংয়ের দখলে। যার বড় প্রভাব পড়ে সড়কে যান চলাচলে। সেটি সমাধান না হলে ঈদযাত্রার বড় অংশ সময় যাবে ঢাকাতেই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির সভাপতি বলেন, রাস্তা লক বা ব্লক করে রাস্তায় দাঁড়ানোর কোনো অধিকার আমাদের নেই। যারা অবৈধভাবে পার্কিং করবে সড়কে, আর যানচলাচল বিঘ্নিত করবে, তাদের বিরুদ্ধে ট্র্যাফিক পুলিশ আইনানুগ পদক্ষেপ নিক, আমাদের কোনো সমস্যা নেই।

মহাখালী বাস টার্মিনালের সামনে তো সড়কই নেই, সড়ককেও টার্মিনাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি এখান থেকে বের হয়েই আগে মহাখালী যাব। দেখি ওখানে কী সমস্যা। আবারও বলছি, যারাই অবৈধ পার্কিং করবেন, অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।


আরও খবর



প্রথমবারের মতো কুমিরের পিঠে বসানো হলো স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৪ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

এশিয়ায় এই প্রথম কুমিরের পিঠে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার বসিয়ে সুন্দরবনের নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। শ্রীলঙ্কার কুমির বিশেষজ্ঞ ডা. রু সোমবীরা এবং অষ্ট্রেলিয়ার কুমির বিশেষজ্ঞ ডা. পল বন বিভাগ ও আইইউসিএনের সহযোগিতায় এই কাজটি সম্পন্ন হয়।

বুধবার (১৩ মার্চ) বিকেলে তারা করমজলের কুমির জুলিয়েট ও যশোরের মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ির এলাকা থেকে উদ্ধারকৃত স্ত্রী কুমির মধুকে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার ডিভাইস সেট করে সুন্দরবনের ভদ্রা নদীতে অবমুক্ত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মুহাম্মদ নুরুল করিম, সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মহাসিন হোসেন, বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা  নির্মল কুমার পাল, আইইউসিএনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সরোয়ার আলম দীপু, মৎস্য বিশেষজ্ঞ মফিজুর রহমান, করমজল বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবীর।

করমজল বন্য প্রাণী কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবীর বলেন, এশিয়ায় এই প্রথম কুমিরের পিঠে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার বসিয়ে সুন্দরবনের নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কুমিরের চলাচল ও যে সব কুমির নদীতে অবমুক্ত রয়েছে  তাদের সারভাইভাল রেট জানা যাবে।

নিউজ ট্যাগ: বাগেরহাট

আরও খবর



মিলারসহ ২২৭ মার্কিনির ওপর মস্কোর নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৭ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলারসহ ২২৭ মার্কিন নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে রাশিয়া।

রাশিয়ার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশেষ সামরিক অভিযান সমর্থন করার জন্য রুশ নাগরিকদের ওপর মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ক্রমাগত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, তার প্রতিক্রিয়ায় এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় ব্যাখ্যা করেছে, সরাসরি রাশিয়াবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে মার্কিন নাগরিকদের দেশটিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এ তালিকায় মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার, সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত জন সুলিভান, সাবেক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়েন্ডি শেরম্যান ও সাবেক মার্কিন অর্থমন্ত্রী ল্যারি সামার্স রয়েছেন।

লকহিড মার্টিনের আর্থিক পরিকল্পনার ভাইস প্রেসিডেন্ট শামালা লিটলফিল্ড এবং সামরিক ঠিকাদার ব্ল্যাকওয়াটারের প্রতিষ্ঠাতা আলফ্রেড ক্লার্কসহ মার্কিন প্রতিরক্ষা খাতের নির্বাহীদেরও এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, রাশিয়ার স্টপ লিস্ট’ সম্প্রসারণের বর্তমান উদ্দেশ্য হলো, অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে ওয়াশিংটনের এই সহজ সত্য সম্পর্কে সচেতনতা সুসংহত করা, যে কোনও আগ্রাসী প্রচেষ্টা বিনা শাস্তিতে ছেড়ে দেওয়া হবে না, প্রত্যেকটির প্রতিক্রিয়া পাবে।

নিষেধাজ্ঞার তালিকায় কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং ওয়াশিংটন পোস্ট ও নিউইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিকসহ শিক্ষাবিদদেরও টার্গেট করা হয়েছে।

২০২২ সালে ইউক্রেন সংঘাত বৃদ্ধির পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক নজিরবিহীন তলানিতে নেমে গেছে। ওয়াশিংটন ও তার মিত্ররা মস্কোর ওপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে এবং রাশিয়াও এর জবাব দিয়েছে।


আরও খবর