আজঃ মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২
শিরোনাম

হাইকোর্টে দাখিল প্রতিবেদনে ‘সংবিধানে থাকা ৭ মার্চের ভাষণে শতাধিক ভুল’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | ৩৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে শতাধিক ভুল পেয়েছে হাই কোর্টের নির্দেশে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের কমিটি। বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) বিচারপতি মুজিবুর রহমান ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাই কোর্ট বেঞ্চে কমিটির প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে অসম্পূর্ণভুলভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে ২০২০ সালের ১০ মার্চ উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি করতে নির্দেশ দেয় হাই কোর্ট।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তখনকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক সেই ভাষণের সময় সমাবেশে উপস্থিত থেকে যারা ভাষণটি সরাসরি শুনেছেন, তাদের কাউকে অন্তর্ভুক্ত করে কমিটি গঠন করতে বলা হয়। এ সংক্রান্ত এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাই কোর্ট বেঞ্চ রুলসহ ওই আদেশ দিয়েছিল।

প্রতিবেদন দাখিলের পর রিটকারীর আইনজীবী আব্দুল আলীম মিঞা জুয়েল বলেন, সংবিধানে জাতির জনকের ৭ মার্চের ভাষণে কমিটি ১১৭টি ভুল পেয়েছে।

স্বাধীনতার প্রাক্কালে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ওই ভাষণ সংবিধান ও পাঠ্যপুস্তকে ভুলভাবে অন্তর্ভুক্ত করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে রিট আবেদনটি করেন রাজবাড়ীর কাশেদ আলী। এরপর ভুলগুলো সংশোধনের জন্য ১০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব বরাবরে একটি আবেদন করেন। কিন্তু তাতে সাড়া না পেয়ে ৫ মার্চ হাই কোর্টে এই রিট করেন।


আরও খবর



চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৯ জুন ২০২২ | ৩৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) সকালে ঝড়বৃষ্টির সময় উপজেলার চককীর্তি ইউনিয়নের আঁখিরা গ্রাম ও বিনোদপুর ইউনিয়নের সাতরশিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বৃহস্প্রতিবার সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার চকর্কীর্তি ইউনিয়নের আখিরা ও সাত রশিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- আঁখিরা গ্রামের মেরিনা বেগম (৪০) একই গ্রামের খাইরুল ইসলাম (৫০) ও বিনোদপুর ইউনিয়নের সাতরশিয়া গ্রামের সেমিয়ারা বেগম (৪২)।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চৌধুরী জুবায়ের আহমেদ জানান, সকালে ঝড়বৃষ্টির সময় বাড়ির পাশের বাগানে আম কুড়ানোর সময় বজ্রপাতে তাদের মৃত্যু হয়।

চককীর্তি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ার হাসান আনু মিয়া জানান, বজ্রপাতে মৃত দুজনের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তাদের দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শিবগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী আরিফুর ইসলাম জানান, বজ্রপাতে নিহত হওয়া প্রত্যেকের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে সরকারি সহায়তা দেয়া হয়েছে।

 


আরও খবর



সৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ পর্যটকের সন্ধান মিলেছে ভারতে

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৪ জুন ২০২২ | ৬৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হওয়া পর্যটক ফিরোজ সিকদারের (২৬) সন্ধান পাওয়া গেছে।

নিখোঁজের ৭ দিন পরে শনিবার (০৪ জুন) দুপুরে বড় ভাই মাসুদ সিকদারকে ফোন দেয় ফিরোজ। তিনি ভারতের চেন্নাই প্রদেশে আছেন।

ফিরোজ গলাচিপা উপজেলার অমখোলা ইউনিয়নের মৃত্যু মিলন সিকদারের ছেলে।

ফিরোজের বড় ভাই মাসুদ সিকদার জানান, হঠাৎ করে দুপুরে ভারতের একটি নম্বর দিয়ে তার ফোনে কল দেন ফিরোজ। এ সময় তিনি ভারতের চেন্নাই প্রদেশে থাকার কথা জানান ভাইকে।

ফিরোজের বরাত দিয়ে মাসুদ জানান, সমুদ্রে বন্ধুদের সঙ্গে গোসলে নামলে হঠাৎ একটি ঢেউ এসে ফিরোজকে গভীর সাগরে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। পরে একটি কলাগাছ পেয়ে সেটির সাহায্যে ভেসে থাকে ফিরোজ। প্রায় এক রাত কলাগাছের সঙ্গেই ভেসে ছিলেন। এর পরে ভাসতে ভাসতে ভারতের একটি ট্রলারের কাছে গেলে জেলেরা তাকে উদ্ধার করে চেন্নাইয়ে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি ভারতে প্রশাসনের জিম্মায় আছেন।

এর আগে গত ২৬ মে দুপুরে কুয়াকাটা সৈকতের জিরো পয়েন্টে বন্ধুদের সঙ্গে গোসলে নেমে নিখোঁজ হয় ফিরোজ।

নিউজ ট্যাগ: পটুয়াখালী

আরও খবর



চুয়েটে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ ২১ জুন পর্যন্ত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | ৪২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের জেরে ৫ জুলাই পর্যন্ত স্নাতক পর্যায়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে- ২১ জুন পর্যন্ত চুয়েটের স্নাতক পর্যায়ে একাডেমিক কার্যক্রম ও হল বন্ধ থাকবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চুয়েটের ডেপুটি ডিরেক্টর ফজলুর রহমান। তিনি বলেন, ২২ তারিখ থেকে সব কিছু  চলবে আবার।  স্নাতকের ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকলেও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের সব একাডেমিক কার্যক্রম চলবে।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে গত কয়েক দিন ধরে বিরাজমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্য ড. রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে চুয়েটের সব ডিন, ইনস্টিটিউট পরিচালক, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় প্রধান, প্রভোস্ট ও ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের সমন্বয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্তক্রমে আজ মঙ্গলবার থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পর্যায়ের সব একাডেমিক কার্যক্রম (পরীক্ষাসহ) এবং আবাসিক হলগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হলো। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ৬ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত ঈদুল আযহা উপলক্ষে একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

আজ বিকেল ৫টার মধ্যে ছাত্রদের এবং বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের চলমান সব একাডেমিক কার্যক্রম যথারীতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত শনিবার চট্টগ্রাম শহরে একটি বাস ৩০ মিনিট দাঁড় করিয়ে রাখাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের দুটি পক্ষ নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায়  শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এরই জের ধরে গত দুইদিন ধরে ছাত্রলীগের দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবদমান ওই দুই পক্ষের একটি চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির এবং আরেক পক্ষ শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসানের অনুসারী বলে পরিচিত।

আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা চত্বরে অবস্থান নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শহরে আসার সব বাস আটকে দেয়। সকাল ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিবহনের বাস চট্টগ্রাম শহরের দিকে রওনা দিলে তারা বাসগুলো আটকে দিয়ে গ্যারেজে ফেরত পাঠায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তা ও এক শিক্ষার্থী বলেন, স্বাধীনতা চত্বরের আশপাশে অবস্থানকারী ওই তরুণদের হাতে রামদা ও লাঠি এবং মাথায় হেলমেট ছিল।

নিউজ ট্যাগ: চুয়েট

আরও খবর



৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৯ জুন ২০২২ | ৫৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

এর আগে এরপর মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত বাজেট সংসদে উপস্থাপনের অনুমতি দিয়ে তাতে সম্মতিসূচক স্বাক্ষর করবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি আজ বঙ্গভবনের বদলে জাতীয় সংসদ ভবনের রাষ্ট্রপতির দপ্তরে অফিস করবেন। এর পরই রীতি অনুযায়ী অর্থমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে সংসদের অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন বলে জানা গেছে।

এর আগে দুপুর ১২টা ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার জন্য লাল রঙের ব্রিফকেস হাতে নিয়ে সংসদ ভবনে পৌঁছেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় সংসদ ভবনে পৌঁছান তিনি। অর্থমন্ত্রীর জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম  সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গাজী তৌহিদুল ইসলাম বলেন, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপনের জন্য বেলা সোয়া ১১টায় গুলশানের বাসভবন হতে জাতীয় সংসদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। দুপুর ১২টায় পৌঁছান তিনি। প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। এটি বর্তমান সরকারের ২৩তম, বাংলাদেশের ৫১তম এবং বর্তমান অর্থমন্ত্রীর চতুর্থ বাজেট।

কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তন শিরোনামে জাতীয় সংসদে আজ বৃহস্পতিবার ২০২২-২৩ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন বাজেটের আকার ধরা হয়েছে প্রায় ছয় লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। প্রস্তাবিত এ বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এতে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে।

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার ছয় লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। এতে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭ দশমিক ২ শতাংশ। গত অর্থ বছরের তুলনায় আসন্ন বাজেটের আকার ৭৬ হাজার কোটি টাকা বেশি হতে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, বাজেটের মোট আকার নিয়ে এখনও পর্যালোচনা ও যাচাই-বাচাই চলছে। শেষ মুহূর্তে কিছু কম বেশি হতেও পারে। আগামী বাজেটে ঘাটতি দুই লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার মতো হতে পারে। চলতি অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছিল দুই লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকা। আসন্ন অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৫ শতাংশ ধরা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে যা ধরা হয়েছিল ৫ দশমিক ৩ শতাংশ।

সূত্র আরও জানিয়েছে, আগামী অর্থবছরে মোট আয় ধরা হবে চার লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে আয় ধরা হয়েছিল তিন লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা। সে অনুযায়ী এবারে বাজেটে মোট প্রাক্কলিত আয়ের পরিমাণ বাড়ছে ৪৪ হাজার কোটি টাকা।

মোট আয়ের মধ্যে আগামী অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) তিন লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হতে পারে। চলতি অর্থবছরে এনবিআরকে তিন লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়। আগের অর্থবছরেও এনবিআরকে একই লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছিল।

চলতি ২০২১২২ অর্থবছরে মূল বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ধরা হয়েছিল দুই লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরের জন্য তা দুই লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী অর্থবছরে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হতে পারে বিদ্যুৎ খাতে। এ খাতে ১৮ হাজার কোটি টাকা, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) আমদানিমূল্য পরিশোধ ও প্রণোদনা প্যাকেজের সুদ ভর্তুকি ১৭ হাজার ৩০০ কোটি, খাদ্য ভর্তুকি ৬ হাজার ৭৪৫ কোটি এবং কৃষি প্রণোদনা বাবদ ১৫ হাজার কোটি টাকা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদের চতুর্থ বাজেট এটি। অর্থমন্ত্রী হিসেবে আ হ ম মুস্তফা কামালের এটি চতুর্থ বাজেট। দুপুর ৩টায় বাজেট বক্তৃতা শুরু করবেন তিনি।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন তাজউদ্দীন আহমদ। ১৯৭২ সালের ৩০ জুন ঘোষণা করা সেই বাজেটের আকার ছিল ৭৮৬ কোটি টাকার। স্বাধীনতার ৫০ বছর শেষে এর আকার দাঁড়িয়েছে ছঠয় লাখ কোটি টাকার বেশি।  অর্থাৎ প্রথম বাজেট থেকে ৫১তম বাজেটের আকার বেড়েছে ৮৬৫.১৩ শতাংশ।

এ পর্যন্ত সর্বমোট ৫০টি বাজেট উত্থাপন করেছেন ১৩ জন ব্যক্তি। তাদের মধ্যে একজন রাষ্ট্রপতি, নয় জন অর্থমন্ত্রী ও দুজন অর্থ উপদেষ্টা। ব্যক্তি হিসেবে সবচেয়ে বেশি ১২টি করে বাজেট উত্থাপন করেছেন প্রয়াত সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান এবং আবুল মাল আবদুল মুহিত। এর মধ্যে আবুল মাল আবদুল মুহিত আওয়ামী লীগের হয়ে রেকর্ড টানা ১০টি বাজেট উপস্থাপন করেন।


আরও খবর



‘পদ্মা সেতুর মাধ্যমে অর্থনীতির নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে’

প্রকাশিত:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | ৩৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের সুখের দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। এ সেতুর মাধ্যমে আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল হবে

পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে অর্থনীতির নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

শনিবার (১১ জুন) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে পদ্মা সেতু: দক্ষিণাঞ্চলের স্বপ্ন বুনন শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। বরিশাল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা এ সেমিনার আয়োজন করে।

এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের সুখের দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। এ সেতুর মাধ্যমে আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল হবে। দক্ষিণাঞ্চলে শিল্প গড়ে উঠেবে, শিল্পের সাথে সাথে টাউনশিপ গড়ে উঠেবে। পদ্মা সেতু শুধু সেতু নয়, এটি আমাদের বঞ্চনার পরিসমাপ্তির উপাখ্যান। পদ্মা সেতুর সঙ্গে রেল সংযোগ স্থাপন এ অঞ্চলে রেল যোগাযোগ না থাকার বিদ্রূপের পরিসমাপ্তি।

তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতুর সফল বাস্তবায়নের কারণে আমাদের জিডিপিতে ১ দশমিক ২৩ শতাংশ উত্তরণ ঘটবে। আঞ্চলিক জিডিপির ২ দশমিক ৩ শতাংশ উন্নয়ন ঘটবে। পদ্মার অপর পাড়ে কৃষিজ সামগ্রী তথা পেয়ারা, আমড়া, মাল্টা, শাকসবজি, মাছ এগুলোর প্রক্রিয়াকরণ শিল্প এতদিন গড়ে উঠেনি। যাতায়াত ব্যবস্থার সংকটের কারণে দক্ষিণাঞ্চলে কেউ শিল্প স্থাপনে যেতে চাইত না। অনেক সম্ভাবনা থাকার পরও দক্ষিণাঞ্চলে এতদিন কিছুই গড়ে উঠেনি। এখন পদ্মা সেতুর কারণে দেশের দক্ষিণাঞ্চল ট্রান্স এশিয়ান হাইওয়ে এবং ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের সাথে যুক্ত হবে। এর ফলে ভারত, ভুটান ও নেপালের সঙ্গে আমাদের সরাসরি যোগাযোগ হবে। এসব দেশে রপ্তানির সুযোগ তৈরি হবে। ফরিদপুর, শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও বৃহত্তর বরিশালের অনেক শিল্প স্থাপনের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি আরও যোগ করেন, পদ্মায় একটি ব্রীজের প্রয়োজনীয়তা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর জাপান সফরকালে তাদের বলেছিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের কারণে এটি আর আলোর মুখ দেখেনি। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, তারপর নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এর পূর্বে ও পরে অনেক প্রক্রিয়া রয়েছে। কিন্তু পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ বাস্তবায়নের জন্য বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেয়ার সময় প্রচন্ড ঝড় এসেছে। বিশ্ব ব্যাংক টাকা বরাদ্দ না হওয়া সত্বেও বলেছে এখানে দুর্নীতি হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ওয়াশিংটন টাইমসে আর্টিকেলে দুর্নীতির অভিযোগ সাপোর্ট করে বলেছেন এটা না করাই উত্তম। কানাডার কোর্ট মামলার জাজমেন্ট দিয়ে বলল মুখরোচক কথা শোনা ছাড়া অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই এবং যে অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি, তা গালগল্প মনে হচ্ছে। অথচ এ গালগল্পের ভিত্তিতেই পদ্মা সেতু  প্রকল্পে অর্থায়ন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নিজের টাকায় আমরা পদ্মা সেতু করব। পদ্মা সেতু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়তা, আত্মবিশ্বাস এবং সততার বিজয় গাঁথা।

মন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে নোংরা রাজনীতি, খারাপ চর্চা এখনও চলছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পদ্মা সেতুকে অপ্রয়োজনীয় বলেছেন। তিনি বলেছেন এত টাকা ব্যয়ে এখানে সেতু করার দরকার ছিল না। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি ভিত্তিপ্রস্তর নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন। এটা অসুস্থ রাজনীতির পরিচয়। সরকারের কাজের গঠনমূলক সমালোচনা হতে পারে কিন্তু ভালোকে ভালোই বলবো না, এভাবে সবকিছুর বিরোধিতার প্রবণতা রাজনীতির জন্য সুখকর নয়।

পদ্মা সেতু নিয়ে সমালোচনার জবাবে এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, পদ্মা সেতুর মত ভূপেন হাজারিকা সেতু দোতলা সেতু নয়। পদ্মা সেতু যতটা প্রশস্ত ভূপেন হাজারিকা সেতু ততটা প্রশস্ত নয়। বিশ্বের অন্যতম খরস্রোতা ও অস্থিতিশীল নদী পদ্মার বুকে সেতু নির্মাণের প্রকৌশলগত চ্যালেঞ্জ ভূপেন হাজারিকা সেতুর চেয়ে অনেক বেশি ছিল। পদ্মা সেতুর জমি অধিগ্রহণের জন্য ব্যয়িত তিনগুণ অর্থ ভূপেন হাজারিকা সেতুতে ব্যয় করতে হয় নি। বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের যন্ত্রপাতি পদ্মা সেতুতে ব্যবহার করা হয়েছে। পদ্মা সেতু নিয়ে বিএনপির অবস্থা হয়েছে, যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা। যারা উন্নয়ন পরিপন্থী, যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় তাদের পক্ষে না থেকে পদ্মা সেতুর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের স্বপ্ন বুননের কারিগর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে থাকতে হব।

বরিশাল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তারিকুল ইসলাম মাসুমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব সৈকতের সঞ্চালনায় সেমিনারে সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সৈয়দা রুবিনা আক্তার এমপি, এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এস এম পারভেজ তমাল, বরগুনা পৌরসভার মেয়র কামরুল আহসান মহারাজ ও এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক নিজাম উদ্দিন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু, সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম হাসিব, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি মানিক লাল ঘোষসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সেমিনারে বক্তব্য প্রদান করেন।

সেমিনারে 'পদ্মা সেতু: যা সেতুর চেয়েও বড়' শিরোনামে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক তৌহিদুল হক।


আরও খবর