আজঃ শনিবার ২৯ জানুয়ারী ২০২২
শিরোনাম

গুলিস্তানে বাসচাপায় দুই পথচারী নিহত

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২২ | ৫১১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর গুলিস্তানে বাসচাপায় দুই পথচারী নিহত হয়েছেন। নিহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। শনিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গুলিস্তান টোল প্লাজার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওয়ারী থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, গুলিস্তানে বাসচাপায় দুই পথচারী নিহত হয়েছেন। তবে বাসটি কোন পরিবহনের তা এখনো আমরা জানতে পারিনি। ঘটনাস্থলে আমাদের কর্মকর্তারা আছেন। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

এদিকে, এ দুর্ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন- ইলিয়াস হোসেন (৪০), ওমর শরীফ (৪৫), আল-আমিন (২৫), সজীব (২৬)। ঢামেকে চিকিৎসাধীনরা জানিয়েছেন, তারা সবাই মেঘলা পরিবহনের যাত্রী ছিলেন।


আরও খবর
রাজধানীতে মাদকসহ গ্রেফতার ৫৯

শুক্রবার ২৮ জানুয়ারী ২০২২




প্রকাশ্যে বিদ্যা সিনহা মিমের বিয়ের ছবি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জানুয়ারী ২০২২ | ৫৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিয়ে করেছেন মডেল ও অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম। দীর্ঘদিনের প্রেমিক সনি পোদ্দারের সঙ্গে আজ মঙ্গলবার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন তিনি। রাজধানী একটি হোটেলে বিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সনাতন ধর্ম রীতি মেনে মিমের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।

গত বছর জন্মদিনে সনি পোদ্দারের সঙ্গে বাগদান সেরেছিলেন মিম। গতকাল রাতে তাদের গায়ে হলুদ সম্পন্ন হয়। মিমের বর সনি পোদ্দারের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায় এবং পেশায় তিনি একজন ব্যাংকার।

৬ বছর আগে এক বান্ধবীর মাধ্যমে সনি ও মিমের পরিচয় হয়। মিম জানিয়েছেন, ছয় বছর ধরে সনির সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক। একটা সময় দুই পরিবারের সদস্যদের তাদের সম্পর্কের কথা জানানো হয়। দুই পরিবারই শুরু থেকে ইতিবাচক ছিল।


আরও খবর
টাকা দিয়ে ভোট কিনছেন জায়েদ খান : নিপুণ

শুক্রবার ২৮ জানুয়ারী ২০২২




রাবি ক্যাম্পাসে লাগাতার ছিনতাই ঠেকাতে ব্যর্থ প্রশাসন

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৩৫জন দেখেছেন

Image

রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে লাগাতার ছিনতাইয়ের ঘটনা ব্যর্থ প্রশাসন এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চত করতে না পারায় প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগ দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা।

বুধবার বেলা ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ বুদ্ধিজীবী চত্বরে এক মানববন্ধনে এ দাবি করেন তারা।

বারবার ছিনতাইয়ের ঘটনাকে প্রক্টরিয়াল বডির দায়িত্বে অবহেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন সম্পর্কে অজ্ঞতা বলে মন্তব্য করে রাবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান বলেন, আপনারা একটি সম্মানিত পদে অধিষ্ঠিত আছেন। আপনাদের দায়িত্ব কী সেটা আগে দেখেন। ১৯৭৩ সালের আইন পড়ে দেখুন। নিজেদেরকে জানুন আসলে একজন প্রক্টর, সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব কী। যদি না জানেন তবে আপনার চেয়ারে থাকার কোনো দরকার নেই। ফের আবার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটলে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলানোর হুশিয়ারি দেন তিনি।

মানববন্ধনে রাকসু আন্দোলন মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ অন্তর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাহীনতার যে পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এর সম্পূর্ণ দায়ভার এই প্রক্টরিয়াল টিমের। তারা বিশ্ববিদ্যালয়কে অরক্ষিত করে তুলেছে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা যখন প্রক্টরিয়াল টিমের কাছে লিখিতভাবে কোন অভিযোগ দিচ্ছে তখন তারা বলে এ বিষয়ে তোমরা থানায় যেয়ে জিডি করো, মামলা করো। থানায় যদি আমাদেরকে যেতে হয় তাহলে প্রক্টরিয়াল টিমের কাজ কি? বলে প্রশ্ন ছুড়ে দেন তিনি। এই ব্যর্থ প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগ দাবি করেন তিনি।

এসময় মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন বিভাগের প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



গোসল না করেও দুর্গন্ধমুক্ত থাকবেন যেভাবে

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঠান্ডা পানির ভয়ে প্রতিদিন গোসল না করাদের তালিকা শীতে বড় হতে থাকে। এই শীতেও যারা প্রতিদিন গোসল করছেন, তাদের কথা ভিন্ন। কিন্তু যারা গোসল করছেন না, তাদের গায়ের দুর্গন্ধ দূর হবে কী দিয়ে?

শরীরের দুর্গন্ধ দূর করতে বেশিরভাগই নির্ভর করেন ডিওডোরেন্ট কিংবা পারফিউমের ওপর। কিন্তু তাতে সাময়িক মুক্তি মিললেও পুরোপুরি দূর হয় না। তাই এসব কেমিক্যালযুক্ত জিনিসপত্রের ওপর নির্ভর না করে কাজে লাগাতে পারেন ঘরোয়া পদ্ধতি। এতে প্রতিদিন গোসল না করেও থাকতে পারবেন দুর্গন্ধমুক্ত। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক-

মৌরি ভেজানো পানি পান:

যারা গায়ে দুর্গন্ধের কারণে অস্বস্তিতে ভোগেন, তারা এখন থেকে মৌরি ভেজানো পানি পান করা শুরু করুন। এতে ঘাম এবং দুর্গন্ধ দুটোই কম হবে। মৌরিতে থাকা নানা উপকারী উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখে। মৌরির পানি তৈরি করার জন্য এক কাপ পানিতে এক চা চামচ মৌড়ি গুঁড়া মিশিয়ে সেই পানিটুকু দুই মিনিটের মতো ফুটিয়ে নেবেন। এরপর তাতে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করবেন।

নারিকেল তেল মেখে গোসল:

শীতে প্রতিদিন গোসল না করলেও মাঝে মাঝে তো করা হয়, তাই না? তখন একটি কাজ করতে হবে। সারা গায়ে নারিকেল তেল মেখে এরপর গোসলে যেতে হবে। এই তেল আপনার গায়ে দুর্গন্ধ তৈরি হতে দেবে না। কীভাবে? আমাদের শরীরে  ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা বাড়তে শুরু করলে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। নারিকেল তেল সেই ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলো মেরে ফেলে। এতে শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হতে পারে না।

ইপসম সল্ট দিয়ে গোসল:

যখন গোসল করবেন তখন পানিতে ইপসম সল্ট মিশিয়ে নিন। এতে শরীরে জমে থাকা ঘামের দুর্গন্ধ দূর হবে। এই লবণে এমন কিছু উপাদান আছে যেগুলো ঘামের মাত্রা কমানোর পাশাপাশি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে। এতে সহজেই ঘামের দুর্গন্ধ দূর হয়। এক বালতি পানিতে আধা কাপ ইপসম সল্ট মিশিয়ে ব্যবহার করতে হবে। এতে উপকার পাবেন।

গ্রিন টি:

নিয়মিত গ্রিন টি খেলে তা আপনার শরীরে দুর্গন্ধ জমতে দেবে না। তবে শুধু পান করলেই হবে না, সেইসঙ্গে করতে হবে আরও একটি কাজ। প্রথমে চিনি ছাড়া এক কাপ গ্রিন টি তৈরি করে নেবেন। এরপর তা একটি তুলোর সাহায্যে শরীরের যেসব স্থানে ঘাম বেশি হয়, সেখানে লাগাবেন। গ্রিন টিতে থাকা ট্যানিক অ্যাসিড ঘামের মাত্রা কমায় এবং ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলতে সাহায্য করে। এতে সহজেই গায়ের দুর্গন্ধ দূর হয়।

নিউজ ট্যাগ: শরীরের দুর্গন্ধ

আরও খবর
আজ আপনার জন্মদিন হলে

শুক্রবার ২৮ জানুয়ারী ২০২২




স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ সোমবার সকালে ধানমণ্ডি-৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মোনাজাতে অংশ নেন তিনি। এ সময় সেখানে বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানাও উপস্থিত ছিলেন।

আজ ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। পাকিস্তানে বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের এদিন তিনি সদ্য-স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপনের বছরে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসটি ভিন্ন মাত্রা ও আবেগের মধ্য দিয়ে উদ্‌যাপন করা হচ্ছে।

 


আরও খবর



ঈমানের পরই নামাজের স্থান

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৬ জানুয়ারী ২০২২ | ১৯০জন দেখেছেন

Image

ইসলামের মূল ভিত্তি পাঁচটি। একজন মানুষ মুসলিম পরিচয় লাভের জন্য সর্ব প্রথম তাকে ইমান আনতে হবে। আর সেই ঈমানটা হলো আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয় তার কোনো শরিক নেই, মুহাম্মাদ সা: তার নবী ও রাসূল। এর পরই নামাজের স্থান। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজকে ঈমানের পর স্থান দিয়েছেন। নামাজ শব্দটিকে আরবিতে বলা হয় সালাত।

নামাজই একমাত্র ইবাদত; যার মাধ্যমে মানুষ দুনিয়ার সব কাজ ছেড়ে শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য নিবেদিত হয়ে যায়। এ নামাজই মানুষকে দুনিয়ার সব পাপ-পংকিলতা থেকে ধুয়ে মুছে পাক-সাফ করে দেয়। দুনিয়ার সব অন্যায়-অনাচার থেকে হেফাজত করে।

সালাত শব্দের আভিধানিক অর্থ দোয়া, তাসবিহ, রহমত তথা দয়া, ইস্তিগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করা। পরিভাষায় বলা হয় নির্দিষ্ট সময়ে, নির্দিষ্ট নিয়মে, নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে ইবাদত করার নামই সালাত।

রাসূলুল্লাহ সা: যখন মিরাজে গমন করেন, মহান আল্লাহ তায়ালা তখন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ করেন রাসূল সা: ও তার উম্মতের ওপর। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা সর্বমোট ৮২ বার নামাজের কথা বলেছেন।

নামাজ একটি ফরজ তথা আবশ্যক ইবাদত, সেই প্রসঙ্গে আল্লাহপাকের বর্ণিত কুরআনের কিছু আয়াত যারা অদৃশ্যের বিষয়গুলোতে ইমান আনে এবং নামাজ কায়েম করে (সূরা বাকারা, আয়াত-৩)। আর তোমরা নামাজ প্রতিষ্ঠা করো; জাকাত প্রদান করো এবং রুকুকারীদের সাথে রুকু করো (সূরা বাকারা, আয়াত-৪৩)। হে নবী! আমার বান্দাদের মধ্যে যারা মুমিন তাদের বলুন, নামাজ কায়েম করতে (সূরা ইবরাহিম, আয়াত-৩১)। তোমরা লোকদের সাথে উত্তমভাবে কথা বলবে এবং নামাজ আদায় করবে (সূরা বাকারা, আয়াত-৮৩)। আল্লাহ ইরশাদ করেন, তুমি বলে দাও, আমার রব ন্যায়বিচারের নির্দেশ দিয়েছেন। তোমরা প্রত্যেক নামাজের সময় তোমাদের মুখমণ্ডল স্থির রেখো (সূরা আরাফ, আয়াত-২৯)। অতএব, আল্লাহকে সিজদা করো এবং তার ইবাদত করো (সূরা নাজম, আয়াত-৬২)।

নামাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক হলো নামাজ অশ্লীল ও মন্দকাজ থেকে বিরত রাখে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ইরশাদ করেন, নিশ্চয় নামাজ অশ্লীল ও মন্দকাজ থেকে বিরত রাখে। (সূরা আনকাবুত, আয়াত-৪৫) যারা কিতাবকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করে এবং নামাজ প্রতিষ্ঠা করে আমি এরূপ সৎকর্মশীলদের কর্মফল নষ্ট করি না (সূরা আরাফ, আয়াত-১৭০)। মুমিনরা নামাজ আদায় করে, জাকাত আদায় করে এবং আল্লাহ ও তার রাসূলের আদেশ মেনে চলে, এসব লোকের প্রতি আল্লাহ অবশ্যই করুণা বর্ষণ করবেন (সূরা তাওবা, আয়াত-৭১)।

মানুষের জীবনে কোনো বিপদ-আপদ এলে একজন প্রকৃত মুমিন বান্দার উচিত ধৈর্য্য ধারণ করা ও আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা এবং অবশ্যই তা নামাজের মাধ্যমে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, হে ঈমানদারগণ! সবর ও নামাজের দ্বারা সাহায্য গ্রহণ করো, আল্লাহ সবরকারীদের সাথে আছেন (সূরা বাকারা, আয়াত-১৫৩)। অশান্তি বা গোলযোগের সময় হলে পায়ে হেঁটে অথবা বাহনে চড়ে যেভাবেই সম্ভব নামাজ পড়ো। আর যখন শান্তি স্থাপিত হয়ে যায় তখন আল্লাহকে সেই পদ্ধতিতে স্মরণ করো, যা তিনি তোমাদের শিখিয়েছেন, যে সম্পর্কে ইতঃপূর্বে তোমরা অনবহিত ছিলে (সূরা বাকারা, আয়াত-২৩৯)। নামাজ কায়েম করো এবং তাঁর নাফরমানি করা থেকে দূরে থাকো। তাঁরই কাছে তোমাদের সমবেত করা হবে (সূরা আল আনয়াম, আয়াত-৭২)।

বলো, আমার নামাজ, আমার ইবাদতের সমস্ত অনুষ্ঠান, আমার জীবন ও মৃত্যু সবকিছু আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের জন্য (সূরা আল আনয়াম, আয়াত-১৬৩)। আমিই আল্লাহ, আমি ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই, কাজেই তুমি আমার ইবাদত করো এবং আমাকে স্মরণ করার জন্য নামাজ কায়েম করো (সূরা ত্বহা, আয়াত-১৪।

নামাজের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে রাসূল সা: বলেছেন নামাজ বেহেশতের চাবি। দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে তার বান্দার সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হয়। আর এ জন্যই একজন মুসলিমের জীবনে নামাজের গুরুত্ব অনেক, কারণ মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রিয় ইবাদত হলো নামাজ।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা: থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সা:কে জিজ্ঞাসা করলাম, (হে আল্লাহর রাসূল) আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় আমল কোনটি? রাসূলুল্লাহ সা: বললেন, নামাজ। (বুখারি ও মুসলিম)

নামাজ এমন একটি ইবাদত যার মাধ্যমে কুফর এবং ইমানের মধ্যে পার্থক্য করা যায়। কোন ব্যক্তি ইমানদার আর কোন ব্যক্তি কাফির তার স্পষ্টত ফারাক হলো নামাজ। কারণ মুমিন ব্যক্তি যেকোনো অবস্থাতেই প্রত্যহ পাঁচবার নামাজ আদায় করবে, আর কাফির ব্যক্তি নামাজ থেকে দূরে থাকে।

এ সম্পর্কে জাবির রা: বলেছেন, আল্লাহর রাসূল সা: নামাজের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে বলেছেন, কুফর ও ইমানের মধ্যে পার্থক্য হলো নামাজ ত্যাগ করা। (সুনানে তিরমিজি-২৬১৮, সহিহ ইবনে মাজাহ-১০৭৮, মুসলিম)

হুসায়ন ইবনে হুরায়স রহ. বুরায়দা রা: থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা: বলেছেন, আমাদের এবং কাফিরদের মধ্যে পার্থক্যকারী আমল হলো সালাত। যে সালাত ছেড়ে দিলো সে কুফরি করল। (সুনানে নাসায়ি-৪৬৪, সহিহ ইবনে মাজাহ-১০৭৯)

ব্যক্তি জীবন, পারিবারিক জীবন, সমাজ জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবন, নামাজ সর্বোপরি সব জীবনের জন্যই একটি কল্যাণকর ইবাদত। মহান আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা সব বান্দাকে সঠিকভাবে নামাজ আদায়ে তৌফিক দান করুক, আমিন।

নিউজ ট্যাগ: নামাজ

আরও খবর
ক্ষমা মহত্ত্বের লক্ষণ

বৃহস্পতিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২২

সূরা ফাতিহার গুরত্ব

মঙ্গলবার ২৫ জানুয়ারী ২০২২