আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

গৃহবধূ হত্যায় সতিনসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৬৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দিনাজপুরে এক গৃহবধূকে হত্যার দায়ে সতিনসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়াও একজনকে আমৃত্যূ কারাদণ্ড ও একজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১১ মে) বিকেল ৩টার দিকে দিনাজপুর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম রেজাউল বারী এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার দক্ষিণ সুজাপুর গ্রামের সাধনানন্দ চৌধুরীর স্ত্রী প্রতিমা রানী চৌধুরী (৪৫), তার ছেলে আকাশ চৌধুরী (২৭) এবং কাটাবাড়ী গ্রামের কার্তিক চন্দ্র মহন্তের ছেলে কাজল মহন্ত (৩১)

আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন- সাধনানন্দ চৌধুরী (৬৩)। চকচকা গ্রামের রবীন্দ্রনাথ দাশের ছেলে জীবন চন্দ্র দাসকে (৩০) ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুরের ফুলবাড়ি উপজেলার দক্ষিণ সুজাপুর গ্রামের সাধনানন্দ চৌধুরী তার প্রথম স্ত্রী তপতী রানী চৌধুরীর সঙ্গে সংসার করাকালীন তার বিনা অনুমতিতে প্রতিমা রাণী চৌধুরীকে বিয়ে করেন। দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকে প্রথম স্ত্রী তপতী রানীকে সাধনানন্দ চৌধুরী ভরণপোষণ দিতেন না। ফলে পরিবারে প্রতিনিয়িত কলহ লেগেই থাকত।

২০১৭ সালের ৬ এপ্রিল রাত ৯টার পর থেকে স্বামী, সতিন ও সতিনের ছেলেসহ পাঁচজন মিলে তপতী রানীকে নির্যাতন করেন। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তারা। পরে উত্তর কৃষ্ণপুর গ্রামের একটি বাঁশবাগানে নিয়ে মরদেহ আগুন ধরিয়ে দেন।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে শুভনন্দ চৌধুরী বাদী হয়ে ফুলবাড়ী থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ তদন্ত করে অভিযোগ দেন। মামলার চারজন আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালতে মামলাটি চলাকালীন ২২ জন সাক্ষ্য দেন।

মামলার বাদী শুভনন্দ চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ ৫ বছর পর আমার মায়ের হত্যার ন্যায় বিচার পেলাম। আমি আশা করেছিলাম মামলার সব আসামির ফাঁসি হবে। কিন্তু দুজনের হয়নি, তারপরও এ রায়ে আমি খুশি। এই মামলায় যারা আইনি সহযোগিতা করেছেন সকলের প্রতি আমার শ্রদ্ধা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও সহকারী পিপি অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান বলেন, এটি একটি যুগান্তকারী রায়।


আরও খবর



‘কিছু পত্রিকা এক দিন ভালো লিখলে পরের সাত দিন লিখবে খারাপ’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পত্রিকা পড়ে না ঘাবড়ানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কিছু পত্রিকা আছে তারা এক দিন ভালো লিখলে পরের সাত দিন লিখবে খারাপ

মঙ্গলবার (১৭ মে) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) সভার (ভার্চ্যুয়াল) সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি বোধহয় দেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদদের মধ্যে একজন। হাইস্কুল থেকে তো রাজনীতি করি। সবাইকে আমার চেনাই আছে। সব পরিবারকেও চেনা আছে। কাজেই এটা তাদের চরিত্র। কাজেই ওই পত্রিকা দেখে ঘাবড়ানোর কোনো দরকার নেই। আর পত্রিকা পড়েও সিদ্ধান্ত নেওয়ার দরকার নেই।

টানা তিনবারের সরকারপ্রধান বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নেব দেশের মানুষের মুখের দিকে তাকিয়ে, দেশের কথা চিন্তা করে, দেশের উন্নয়নের কথা চিন্তা করে। এই কথাটা সব সময় মনে রাখতে হবে। কারণ আমি সেই ভাবেই চলি। আর সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে চলছি বলেই আজকে দেশটা এগিয়ে যাচ্ছে। আমি যদি ভয়ে ভয়ে থাকতাম ও কী লিখলো, ও কী বললো, ও কী করলো, তাহলে কোনো কাজ করতে পারতাম না। নিজের বিশ্বাস হারাতাম।

কর্মকর্তাদের আত্মবিশ্বাস নিয়ে চলার পরামর্শ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কাজেই সেখানে আমি বলবো, অনেক সময় আপনাদের অনেকের মুখেই শুনিএই পত্রিকা লিখেছে। ওটা নিয়ে কখনো ঘাবড়ানোর কিছু নেই। ওটা নিয়ে চিন্তাও করবেন না। নিজের আত্মবিশ্বাস নিয়ে চলবেন। সেটাই আমি চাই। তাহলে আমাদের দেশ এগিয়ে যাবে।

কারো নাম উল্লেখ না করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারাই বেশি কথা বলেন, তারাই সমালোচনা বেশি করেন, যারা ইমার্জেন্সি সরকারের পদলেহন করেছেন, চাটুকারি করেছেন, তারাই সমালোচনা বেশি করেন। এটা হচ্ছে বাস্তবতা। যাই হোক কে কী বললো, সেটা নিয়ে আমি কখনো ঘাবড়াইও না, চিন্তাও করি না। দেশকে ভালোবেসে দেশের মানুষের জন্য যেটা করা ন্যায়সঙ্গত সেটাই করি।


আরও খবর



পরীমনির মামলায় নাসিরসহ তিনজনের বিচার শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকার বোট ক্লাবে পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

আজ বুধবার (১৮ মে) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯-এর বিচারক হেমায়েত উদ্দিনের আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে এ আদেশ দেন। 

এর আগে গত ১৯ এপ্রিল নাসির ও অমির পক্ষে তাদের আইনজীবী এ মামলার দায় থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন।

অন্যদিকে বাদীপক্ষ অব্যাহতির আবেদনের বিরোধিতা করেন। এছাড়া রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এ বিষয়ে আদেশের জন্য ১৮ মে দিন ধার্য করেন

গত বছরের ১৪ জুন ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে নাসির উদ্দিন ও তার বন্ধু অমির নাম উল্লেখ করে এবং আরো চারজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে পরীমনি ঢাকার সাভার থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন আদালতে নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অপর দুই আসামি হলেন- তুহিন সিদ্দিকী অমি ও শহীদুল আলম। এরপর গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯-এর বিচারক হেমায়েত উদ্দিন এ মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।


আরও খবর



ঝিনাইদহে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঝিনাইদহের ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মসজিদের ইমাম ও কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। বুধবার (১১ মে) বিকেলে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের আসান্নগর এলাকায় পৃথক এ দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।

নিহতরা হলেন, শৈলকুপা উপজেলার ব্রাহিমপুর আফছার উদ্দীনের ছেলে গোলাম রহমান (৫৫) ও একই উপজেলার মহেশপুর গ্রামের ডাবলু জোয়ারদারের ছেলে অংকোন জোয়ারদারের (১৯)।

স্থানীয়রা জানায়, দুপুরে আসান্নগর গ্রাম থেকে ইমাম গোলাম রহমান বাইসাইকেলে মহাসড়কে উঠছিলেন। তখন কুষ্টিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

সংবাদকর্মী সজিবুল ইসলাম জানান, একই উপজেলার মহেশপুর গ্রাম থেকে মোটরসাইকেলে অঙ্কন নামে এক কলেজছাত্র ঝিনাইদহ শহরে আসছিলেন। তখন কুষ্টিয়াগামী একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ফরিদপুর নেওয়ার পথে মাগুরায় তিনি মারা যান।

ঝিনাইদহ হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, বাস ও ট্রাকটি আটক করা যায়নি।


আরও খবর



বিবাহবিচ্ছেদে আপত্তির কোনও কারণ নেই : অনিল কপূর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ | ৩১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এই বিয়ের সানাই বাজে বলিউডে, এই বিচ্ছেদের সুর। কদিন আগেই রণবীর-আলিয়ার বিয়ে নিয়ে হইচই। তার পরেই শোরগোল সোহেল খান এবং সীমা সচদেবের বিয়ে ভাঙার খবরে। বিবাহ এবং বিচ্ছেদ যেন লেগেই আছে! টিনসেলনগরীতে মাঝেমধ্যেই দাম্পত্যে ভাঙন ধরার খবর কেমন চোখে দেখেন অনিল কপূর? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মিস্টার ইন্ডিয়া বলেছেন, বিবাহবিচ্ছেদে আপত্তির কিছু দেখি না আমি।

৩৮ বছরের সুখী সংসার অনিলের। তিন ছেলেমেয়ের গর্বিত বাবা এখনও স্ত্রী সুনীতাকে চোখে হারান। সদ্য বিবাহবার্ষিকীর দিনে সুনীতার থেকে প্রথম বার দূরে কাটিয়েছেন অভিনেতা। ইনস্টাগ্রামে স্ত্রী-র নামে তাঁর আবেগ ভরা খোলা চিঠি চোখ ভিজিয়ে দিয়েছে অনুরাগীদেরও। সেই অনিলের মুখে এমন কথা কেন!

আসলে সম্প্রতি যুগ যুগ জিয়ো ছবিতে কাজ করেছেন অনিল। বিবাহবিচ্ছেদের বিষয় ঘিরেই এগিয়েছে তার কাহিনি। সেই সূত্রেই যখন তখন বলিউড দম্পতিদের বিচ্ছেদ নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হন অভিনেতা। অনিল বলেন, নিজের জীবনে প্রত্যেকেরই খুশি থাকা জরুরি। যদি সম্পর্কে বা দাম্পত্যে কেউ ভাল না থাকে, তা হলে বন্ধুত্বপূর্ণ ভাবেই তা থেকে বেরিয়ে পথ আলাদা করে নেওয়া যায়। তাতে ভুল কিছু নেই। আর সে জন্যই বিবাহবিচ্ছেদের আপত্তির কোনও কারণ দেখি না আমি।

শুধু তা-ই নয়। অনিলের মতে, কেউ আজীবন অবিবাহিত হিসেবে ভাল থাকতে চাইতেই পারে। ছেলে হোক বা মেয়ে, নিজের জীবন কে কী ভাবে কাটাবেন, সে সিদ্ধান্ত তাঁর নিজের। প্রত্যেকের এই নিজস্ব মতামতকে সম্মান করা জরুরি বলেও মনে করেন অভিনেতা।

আগামী ২৪ জুন মুক্তি পাবে অনিলের নতুন ছবি যুগ যুগ জিয়ো। রাজ মেহতার পরিচালনায়, ধর্ম প্রোডাকশন্স এবং ভায়াকম ১৮ স্টুডিয়ো প্রযোজিত ছবিটিতে রয়েছেন বরুণ ধবন, কিয়ারা আডবাণী এবং নীতু কপূর।

নিউজ ট্যাগ: অনিল কপূর

আরও খবর



ইসরাইলি বিমান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল রাশিয়া

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ২৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইহুদিবাদী ইসরাইলের জঙ্গিবিমান লক্ষ্য করে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী অত্যাধুনিক এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে প্রথমবারের মতো ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এ ঘটনাকে ইসরাইলের দখলদার সরকারের প্রতি মস্কোর দৃষ্টিভঙ্গির বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।খবর সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানার।

ইসরাইলের চ্যানেল থার্টিন টেলিভিশন জানিয়েছে, গত শুক্রবার রাতে নজিরবিহীন এ ঘটনা ঘটেছে যখন ইসরাইলি সামরিক বিমান হামা প্রদেশের মাসিয়াফ শহরের কাছে বেশ কয়েকটি জায়গায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।

একটি সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে সানা জানিয়েছে, ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিমান থেকে মধ্যাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জায়গায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয় এবং সিরিয়ার সেনাবাহিনী বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করে। হামা প্রদেশের ওই এলাকা থেকে ইসরাইলি বিমান চলে যাওয়ার সময় রাশিয়ার এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হয়।

সিরিয়ায় এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাশিয়ার সামরিক বাহিনী পরিচালনা করে এবং তাদের অনুমোদন ছাড়া সিরিয়ায় সামরিক বাহিনী এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে পারে না।

চ্যানেল থার্টিন বলছে, এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র একবারের জন্যই ব্যবহার করা হয়েছে নাকি ইসরাইলের প্রতি রাশিয়ার নীতি পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে এই ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে তা পরিষ্কার নয়। এ বিষয়ে ইসরাইলের কর্মকর্তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বিভিন্ন সূত্র বলছে, ইউক্রেনকে ইসরাইল সমর্থন দেয়ার কারণে রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে পাল্টা ব্যবস্থা নেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর সাবেক জেনারেল আমোস গিলাদ বলেন, এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে রাশিয়া হয়তো এই হুশিয়ারি বার্তা দেয়ার চেষ্টা করেছে যে, সিরিয়ায় ইজরাইলি আগ্রাসনের ব্যাপারে মস্কো মোটেই খুশি নয়।

পর্যবেক্ষকরা এরইমধ্যে বলেছেন, এতদিন ধরে ইউক্রেন এবং রাশিয়া দুই দেশের সঙ্গেই ইসরাইলের ভালো সম্পর্ক থাকলেও ইউক্রেনের চলমান সংকট ইসরাইলকে জটিল অবস্থার মধ্যে ফেলতে পারে।


আরও খবর