আজঃ শনিবার ২২ জুন ২০২৪
শিরোনাম

গোল্ড মনিকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মার্চ ২০23 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মার্চ ২০23 | অনলাইন সংস্করণ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

Image

ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনের মামলায় পলাতক আসামি শেখ শফিউল্লাহ (৪৭) ওরফে মনিরুল ওরফে গোল্ড মনিকে ধরিতে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করেছে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ।

গোল্ড মনির সাতক্ষীরা সদর থানার দক্ষিণ কাটিয়া গ্রামের শেখ মোশারফ হোসেনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে কলারোয়া থানায় ডাকাতির প্রস্তুতিসহ অস্ত্র আইনে মামলা রয়েছে।

কলারোয়া থানা সূত্রে জানানো হয়, গত ৬ মার্চ কলারোয়া থানার ইলিশপুর গ্রামের কোটার মোড়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন শফিউল্লাহসহ তার সহযোগীরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ঘেরাও করে। এ সময় গোল্ড মনি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ করতে করতে পালিয়ে যায়।

থানা সূত্রে আরও জানানো হয়, শেখ শফিউল্লাহ ওরফে মনিরুল ওরফে গোল্ড মনির বিষয়ে তথ্য বা ধরিয়ে দিতে পারলে উত্তম পুরস্কার প্রদান করা হবে।

যেকোনো প্রয়োজনে- ০১৩২০-১৪২১৪৪, ০১৩২০-১৪২২০৫, ০১৩২০-১৪৩০৯৮ নম্বরে যোগাযোগ জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের বৈঠক

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের বাণিজ্য প্রতিনিধি দল। সোমবার (২৭ মে) সকালে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে চার দিনের সফরে গতকাল রবিবার রাতে ঢাকায় আসে এই প্রতিনিধি দলটি।

প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে আছেন দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে অ্যাডভোকেসি করা বাংলাদেশ-ইউএস বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশাপ। তার সঙ্গে রয়েছেন কাউন্সিলের উচ্চপর্যায়ের নির্বাহীরা।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুসহ অনেকেই।

২০২১ সালে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বিজনেস কাউন্সিল গঠিত হয়। সেই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোক্তাদের কাছে এ দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্ভাবনা তুলে ধরতে কাউন্সিল কাজ করছে।

ইউএস চেম্বার অব কমার্সের অধীন যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের (ইউএসবিবিসি) বর্তমান প্রেসিডেন্ট অতুল কেশাপ ২০২৩ সালের এপ্রিলে দায়িত্ব নেওয়ার পর সেপ্টেম্বরে ঢাকায় এসেছিলেন। তবে তার আগে বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তিনি বহুবার বাংলাদেশ সফর করেছেন।


আরও খবর



মধ্যবিত্তরাও টিসিবির পণ্য পাবে, হবে স্থায়ী দোকান

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, আমরা আর অস্থায়ীভাবে টিসিবির পণ্য দিতে চাই না। আগামী অর্থবছর থেকে স্থায়ী দোকানের মাধ্যমে এই পণ্যগুলো দিতে চাই। সুবিধাভোগীরা যেন সময়মতো পণ্যগুলো নিতে পারে। এই প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। ডিলারদের অনুরোধ করবো, আপনারাও এই ব্যবস্থা করুন।’

চলতি বছরের জুন মাসের টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রবিবার (০২ জুন) তিনি বলেন, আমাদের যদি দোকান স্থায়ী হয়ে যায়, তাহলে প্রায় ১০ হাজারের মতো নেটওয়ার্ক তৈরি হবে। এখন আমরা শুধু নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের ন্যায্যমূল্যে পণ্য দিচ্ছি। মধ্যবিত্তদেরও যেন আমরা ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহ করতে পারি, সেই পরিকল্পনা আছে।’

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‌আগামী অর্থবছরে আমরা টিসিবির একটি বাফার স্টক তৈরি করার চেষ্টা করব। যাতে বিভিন্ন সময়ে বাজারে পণ্যের ঘাটতি দেখা দিলেও আমরা যেন দামটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি। সেই বাফার স্টক থেকে পণ্য সরবরাহ করতে পারি। এজন্য আমরা রাশিয়ার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। আরো কয়েকটি দেশের সঙ্গে চুক্তি করার চেষ্টা করছি।’

তিনি আরো বলেন, প্রতি মাসেই আমাদের চেষ্টা থাকে যত তাড়াতাড়ি টিসিবির পণ্যটি সুবিধাভোগীর হাতে তুলে দিতে পারি। জুন মাসে প্রথম কর্ম দিবসেই টিসিবি এই কার্যক্রমটি শুরু করতে পেরেছে। এজন্য টিসিবির চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানাই। এক কোটি পরিবারকে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস পৌঁছে দেওয়ার এই কর্মযজ্ঞটা অনেক বড়।’

‘সামনে কোরবানির ঈদ। ঈদের আগেই সারা দেশে প্রতিটি সুবিধাভোগীর হাতে টিসিবির এই প্যাকেজটি আমরা তুলে দিতে চাই।’


আরও খবর



নয়াপল্টনে একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে র‌্যাব

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় একটি বাড়িতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জামাদির সন্ধান পেয়েছে র‌্যাব। সোমবার (১০ জুন) সকাল থেকে বাড়িটি ঘিরে রাখে র‌্যাব-৩ এর আভিযানিক একটি দল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. ফিরোজ কবীর।

তিনি জানান, অবৈধভাবে ভিওআইপি ব্যবসা পরিচালনা করছে একটি চক্র। তারা নয়াপল্টনের একটি বাড়িতে (বাড়ি নং-৬৩) এ ব্যবসা করে আসছিলেন বলে গোয়েন্দা তথ্যে জানা গেছে। এতে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে লাখ লাখ টাকা উপার্জন করতেন তারা। বাড়িটি ঘিরে রাখা হয়েছে। কিছু সময়ের মধ্যে অভিযান পরিচালিত হবে।

অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক।


আরও খবর



পাহাড় থেকে ৫ হাজার মানুষকে সরিয়ে নিল চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

চট্টগ্রামে পাহাড়ে ঝুকিপূর্ণভাবে বসবাসরত প্রায় ৫ হাজার মানুষকে সরিয়ে নিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। ভারী বৃষ্টিপাতে পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখায় এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।

সোমবার (২৫ মে) নগরের বিভিন্ন ঝুকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের সরিয়ে আনার কার্যক্রম শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসকারীদের আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়। নগরের আকবরশাহ ঝিল ১, ২ ও ৩ নম্বর এলাকা, বিজয়নগর পাহাড়, শান্তিনগর পাহাড়, বেলতলীঘোনা পাহাড় থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।

শনিবার রাতে জেলা প্রশাসক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শনে করেন। এসময় তিনি আকমল আলী ঘাট, রাসমনি ঘাট, ১ নং ঝিল সংলগ্ন এলাকা ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনের চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন "আমরা এক হাজারের অধিক আশ্রয় কেন্দ্র খুলেছি এবং সেখানে পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা করেছি যেন আশ্রয় নেওয়া জনগণ দুর্ভোগে না পড়েন।"

তিনি বলেন, পাহাড়ে যাতে মানুষকে আর প্রাণ দিতে না হয় সেজন্যে কাজ করছি। মাইকিং থেকে শুরু করে সবাইকে সচেতন করার জন্য জেলা প্রশাসনের টিম কাজ করছে। শনিবার থেকে ঝুকিপূর্ণ পাহাড়গুলো থেকে ৫ হাজার মানুষকে সরিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। তাদের জন্যে শুকনো খাবার থেকে শুরু করে প্রতিবেলার খাবারের ব্যবস্থা করেছি।'

পরে আকমল আলী ঘাট সংলগ্ন ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ দ্রুত মেরামত কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দেন তিনি।

পাহাড়ে বসবাসরত জনগণকে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ জনপ্রতিনিধি, ভলান্টিয়ারদের জোর তাগিদ দেন। এসময় তিনি আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়া জনগণের বাড়ি-ঘরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ, আনসার বাহিনীকে নির্দেশনা দেন।

জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ছয়জন সহকারী কমিশনারের (ভূমি) নেতৃত্বে মানুষের জানমাল রক্ষায় জেলা প্রশাসনের কয়েকটি টিম কাজ করছে। এতে পাহাড়ে বসবাসরত মানুষকে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে সরে যেতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের ৭৮৫ টি আশ্রয় কেন্দ্র ছাড়াও ১১৪০ টি বিদ্যালয় ও নয়টি মুজিব কেল্লা আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ শুকনো খাবার, মোমবাতি, ঔষধ, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও খাবার স্যালাইন মজুদ রয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী আশ্রিত লোকের সংখ্যা ১০৪৬ জন, গঠিত মেডিকেল টিমের সংখ্যা ২২১টি এবং আশ্রিত গবাদি পশুর সংখ্যা ৬৯৬টি।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধু সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি ২১ লাখ টাকার টোল আদায়

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

Image

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে বেড়েই চলছে যানবাহন চলাচলের সংখ্যা। এর পাশাপাশি প্রতিদিনই টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতুতে বাড়ছে টোল আদায়ের পরিমাণ।

গত ২৪ ঘণ্টায় বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে ৩ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৩০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে। এর বিপরীত সেতু দিয়ে ৪০ হাজার ৯০৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।

আজ শুক্রবার সকালে বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত বুধবার রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত ৪০ হাজার ৯০৬টি যানবাহন সেতু পারাপার হয়েছে। এই সময়ে সেতু থেকে ৩ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৩০০ টাকার টোল আদায় হয়েছে। এর মধ্যে টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব অংশে ২২ হাজার ৬৪৫টি যানবাহন পারাপার হয়। এ থেকে টোল আদায় হয় ১ কোটি ৫৮ লাখ ৮১ হাজার ৪০০ টাকা। অন্যদিকে সিরাজগঞ্জ সেতু পশ্চিম অংশে ১৮ হাজার ২৬১টি যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬৩ লাখ ১৫ হাজার ৯০০ টাকা।

তিনি আরও বলেন, মহাসড়কে যানজট নিরসনে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব ও পশ্চিম উভয় অংশে ৯টি করে ১৮টি টোল বুথ স্থাপনসহ মোটরসাইকেলের জন্য ৪টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে।

এদিকে, আজ শুক্রবার ভোর রাত থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করছে। তবে তেমন কোনো যানজট নেই।


আরও খবর