আজঃ বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪
শিরোনাম

ঘূর্ণিঝড় রেমালে ৮ হাজার মোবাইল টাওয়ারের নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে দেশের বিভিন্ন জেলা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে। যার প্রভাব গিয়ে পড়েছে মোবাইলফোন সেবায়। ৪৫ জেলায় মোবাইলফোন অপারেটরদের ৮ হাজার ৪১০টি টাওয়ার নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জরুরি ভিত্তিতে এসব টাওয়ারে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় স্থাপনে সোমবার (২৭ মে) পিডিবি, ডিপিডিসি ও বিআরইবিকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

বিটিআরসির সোমবার বিকেলের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী-রোববার (২৬ মে) রাত ১০টার দিকে ৪৫ জেলায় ৩২ শতাংশ মোবাইল টাওয়ার অচল হয়ে পড়েছিল। পরে এ নিয়ে কাজ শুরু করে কর্তৃপক্ষ। সোমবার দুপুর নাগাদ ৪ শতাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করে পুনরায় কিছু টাওয়ার সচল করা হয়। বর্তমানে ৮ হাজার ৪১০টি টাওয়ার নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন।

রেমালের তাণ্ডবে সবচেয়ে বেশি মোবাইল টাওয়ার নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়েছে বরগুনায়। সেখানে থাকা ৩২৬টির মধ্যে ২৬৬টিই বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া বাগেরহাট ও পিরোজপুরের ৭৮ শতাংশ, ভোলা, সাতক্ষীরা ও ঝালকাঠীতে ৭৭ শতাংশ, পটুয়াখালীতে ৭৬ শতাংশ, বরিশালে ৭১ শতাংশ, গোপালগঞ্জের ৬৬ শতাংশ, নড়াইলে ৬৪ শতাংশ, যশোরে ৫৬ শতাংশ, খুলনায় ৫০ শতাংশ টাওয়ার বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

এদিকে উপকূলীয় এলাকায় ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (আইএসপি) অপারেটরদের ৩২০টি পপের (পয়েন্ট অব প্রেজেন্স) মধ্যে ২২৫টি অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোলা জেলার ৮৫ শতাংশ পপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ওই অঞ্চলের তিন লাখের বেশি গ্রাহক সেবাবঞ্চিত হচ্ছেন। সেবা সচল রাখতে তারা পোর্টেবল জেনারেটর ব্যবহার করছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।

ন্যাশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন) অপারটেররা জানিয়েছে, বিদ্যুৎ না থাকায় ১৫ জেলায় তাদের ১ হাজার ৯০৮টি পপ বন্ধ হয়ে গেছে। ফাইবার অ্যাট হোমের খুলনা, বারিশাল ও চট্টগ্রামের ১ হাজার ৬৯০টি পপের ব্যাটারি ব্যাকআপ শেষ হওয়ায় ৬টি লোকেশন বন্ধ রয়েছে। তবে বাহন লিমিটেডের কোনো পপ বন্ধ হয়নি বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে সংযোগ সচল রাখতে সম্ভব সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে অপারেটরদে তৎপর থাকার নির্দেশনা দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। ঘূর্ণিঝড়ে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক কেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা পরে জানাবে অপারেটরটি। আর মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলো জানিয়েছে দ্রুত তারা সংযোগ ফেরাতে চেষ্টা করছে।

গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশনস শারফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি এবং সম্মিলিতভাবে কাজ করছি। একটি ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম ও কন্ট্রোল রুম গঠন করা হয়েছে। সংযোগ বিচ্ছিন্ন এলাকা দ্রুত সংযোগের আওতায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

রবির কমিউনিকেশন বিভাগ থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয়, তারা ঘূর্ণিঝড় রেমালের সময়ে গ্রাহকদের জন্য ফ্রি মিনিট এমার্জেন্সি ব্যালান্স এবং অ্যাপে ঘূর্ণিঝড়ের আপডেট দিচ্ছে। ঝড় চলমান থাকায় নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্নতা এবং ক্ষতির বিষয়টি এখনই বলা সম্ভব হচ্ছে না।

ক্যাবল কাটা পড়া ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় উপকূলীয় এলাকার মধ্যে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর এলাকা পুরোপুরি ব্রডব্যান্ড সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক।

তিনি বলেন, দুর্যোগের কারণে ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চলের ৯০ শতাংশ ব্রডব্যান্ড সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে ৬-৭ লাখ গ্রাহক ভোগান্তিতে পড়েছেন। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী জোয়ার ও ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের কারণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আগ পর্যন্ত সংযোগ পুনঃস্থাপন সম্ভব নয়।

মোবাইলফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেন, বিটিএসসমূহের পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য বিকল্প জেনারেটর চালু করা জরুরি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীর কাছ আত্মীয় এবং সরকারি সহায়তাকারী সংস্থাসমূহের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে না। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সভা চলছে

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাজনীতি ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভা শুরু হয়েছে। শনিবার (২৯ জুন) বিকেল ৩টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আলোচনা সভা শুরু হয়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন। সভার শুরুতেই ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মান্নাফীর স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত আছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফ, বাহাউদ্দিন নাসিম, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী পান্না, সাঈদ খোকন এমপি, ঢাকা দক্ষিন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মুরাদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসিম কুমার উকিল।

বেলা তিনটায় আলোচনা সভা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বেলা দুইটা থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে পৃথক মিছিল নিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর, আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পৃথক মিছিল নিয়ে সভায় এসেছেন।

সবশেষ জাতীয় নির্বাচনের পর এই প্রথম রাজধানীতে বড় ধরনের কর্মসূচি পালন করছে আওয়ামী লীগ। একই দিনে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করছে বিএনপি।


আরও খবর
ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিএসসিতে সাউন্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঢাবি প্রতিনিধি

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেডের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটের দিকে শিক্ষার্থীরা টিএসসিতে জড়ো হতে চাইলে পুলিশ দুটি সাউন্ড গ্রেনেডের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় দুজন শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

পরে বিকেল ৩টার দিকে আরও তিনটি সাউন্ড গ্রেনেডের বিস্ফোরণ ঘটায় পুলিশ। এদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সংঘর্ষে ছয়জন নিহত ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধসহ হল ছাড়ার ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিকেল ৩টার দিকেও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চলছিল।

বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত, মানি না মানবো না; হল আমার বাড়িঘর, হল আমি ছাড়ব কেন; আমার ভাই মরলো কেন, জবাব চাই দিতে হবে; পুলিশ দিয়ে আন্দোলন, বন্ধ করা যাবে না; হল ছাড়ার সিদ্ধান্ত, মানি না মানবো না; ক্যাম্পাসে রক্ত ঝরে, ভিসি কী করে; ছাত্রলীগ হামলা করে, ভিসি কী করে; সাঈদ ভাই মরলো কেন, পুলিশ তুই জবাব দে; হলে হলে দুর্গ গড়, ছাত্রলীগ প্রতিহত কর স্লোগান দিতে থাকেন।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা গেছে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ হল ছাড়ছেন, কেউ কেউ হলেই অবস্থান করছেন। কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের বেশিরভাগই হলগুলোতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। এদিন টিএসসি-ভিসি চত্বর এলাকায় পুলিশ, বিজিবি ও র‍্যাবের বিপুল সংখ্যক সদস্যকে সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




আলু-পেঁয়াজের দামে নাভিশ্বাস, চড়া চালের বাজার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

রাজধানীর বাজারে আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেশ চড়া। এছাড়াও প্রায় প্রতিটি পণ্যের দামই ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি ও খুচরা বাজারে সব ধরনের চালের দামও বেড়েছে। বাজার খরচ বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যম-আয়ের মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে। বাজারে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ।

আজ শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন ঢাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

খুচরা পর্যায়ে ক্রেতাকে ডিমের ডজনে গুনতে হচ্ছে ১৫০ টাকা। পাইকারিতে ডিমের পিস প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১১ টাকা ৫০ পয়সা। পাড়া-মহল্লায় ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ টাকা।

রামপুরা, মালিবাগ ও মগবাজার এলাকার বাজার ঘুরে দেখা গেছে গত সপ্তাহে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৯০ টাকায়। যা এক সপ্তাহ ব্যবধানে ৫-১০ টাকা বেড়েছে। খুচরা দোকানে বাছায় করা পেঁয়াজ এখন ১০০ টাকা কেজি দরেও বিক্রি হচ্ছে। এগুলো আকারে একটু বড়। সাধারণ মানের পেঁয়াজ ৯৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

এছাড়া আলুর দাম উঠেছে ৬৫ টাকা প্রতিকেজি, যা গত সপ্তাহের চেয়ে ৫ টাকা বেশি। কমেনি কাঁচা মরিচের দামও, বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে।

পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানান, দেশি পেঁয়াজের মৌসুম যত শেষের দিকে যাচ্ছে, দাম তত বাড়ছে। আগামীতে এ দাম কোথায় গিয়ে ঠেকবে সেটা বলা যাচ্ছে না।

বাজারের বেশিরভাগ সবজি চড়া দামে আটকে রয়েছে। প্রতিকেজি ৬০ টাকার নিচে মিলছে না কিছু। ওই দামের মধ্যে আছে পটল, ঢ্যাঁড়স, কাঁচা পেঁপে। তবে কচুর লতি, বরবটি, কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে আরও ২০ টাকা বেশি দরে, অর্থাৎ ৮০ টাকার আশপাশে প্রতি কেজি। এছাড়া করলা ও বড় তালবেগুনের দাম ১০০ টাকা বা তার চেয়েও বেশি চাচ্ছেন বিক্রেতারা।

এদিকে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও পাইকারি ও খুচরা বাজারে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে।

ভিন্ন অজুহাতে চালের দাম বস্তায় ৫০ টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন বিক্রেতারা। বাজার স্থিতিশীল রাখতে মিলমালিকদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ তাদের।

রাজধানীর কয়েকটি খুচরা ও পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে দাম বেড়ে যাওয়ার তথ্য মিলেছে।

জানা গেছে, খুচরা বাজারে জাত ও মানভেদে প্রতি কেজি দেশি বাসমতি ৮৫ থেকে ৯০ টাকা, মিনিকেট ৬২ থেকে ৬৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নাজিরশাইল ৬৫ থেকে ৭৮ টাকা, মাঝারি মানের বিআর ২৮ ও ২৯ চাল ৫৪ থেকে ৫৬ টাকা এবং মোটা স্বর্ণা ৫৪ টাকা এবং মোটা হাইব্রিড ৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঈদুল আজহার আগে এসব চালের দাম কেজিতে মানভেদে এক থেকে দুই টাকা পর্যন্ত কম ছিল।

বাবুবাজারের পাইকারি চাল বিক্রেতা মেসার্স রশিদ রাইস এজেন্সির স্বত্বাধিকারী আবদুর রশিদ জানান, চালের বাজার গত এক দেড় মাস ধরে স্থিতিশীল ছিল। কারণ এ বছর ফলন ভালো হয়েছে। বাজারে সরবরাহও ভালো ছিল। ঈদের পর হঠাৎ চালের দাম বস্তায় ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছেন কিছু মিলমালিক। এতে বাজারে চালের সরবরাহ কিছুটা স্থবির।


আরও খবর



যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে এই কিয়ার স্টারমার?

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

একজন মানবাধিকার বিষয়ক আইনজীবী থেকে রাষ্ট্রীয় কৌঁসুলিতে পরিণত হওয়া ব্যক্তি কীভাবে তার জীবনের লক্ষ্য অর্জনে ‍দুর্দান্ত কাজের মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত হতে পারেন, তার অনন্য উদাহরণ গড়েছেন কিয়ার স্টারমার। যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও শ্রমজীবী শ্রেণির অন্যতম নেতা কিয়ার হার্ডির নামের সঙ্গে মিল রয়েছে ৬১ বছর বয়সী বর্তমান শীর্ষ নেতা কিয়ার স্টারমারের।

নির্বাচনি প্রচারণায় তার বিরোধী পক্ষের অভিযোগ ছিল স্টারমার লন্ডনে বেড়ে ওঠা এক অভিজাত ঘরের সন্তান। তবে স্টারমার এই কথার বিরোধিতা করে প্রায়ই বলতেন, আমার বাবা একজন যন্ত্রকার, আমার মা একজন নার্স।

বিরোধী পক্ষ স্টারমারকে অনুপ্রেরণাহীনসুযোগসন্ধানী হিসেবে আখ্যায়িত করলেও তার সমর্থকদের কাছে তিনি বাস্তববাদী ব্যবস্থাপক হিসেবে বেশি পরিচিত। সমর্থকদের আশা, তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েও ক্লান্তিহীনভাবে তার আইন পেশায় যেভাবে কাজ করেছেন, সেভাবে কাজ করে যাবেন।

কপালের ওপর থেকে নেমে আসা চুলের গোছা ও কালো ফ্রেমের চশমা পরিহিত স্টারমার অনেক সমর্থকদের কাছে বেশ রহস্যময় মানুষ হিসেবেও পরিচিত। রাজনীতি হওয়া উচিত সেবার জন্য-এই কথাটি স্টারমার তার বিভিন্ন নির্বাচনি সমাবেশে বেশি বলে এসেছেন। এ ছাড়া দেশ আগে, পরে দল এই কথাগুলোও সাম্প্রতিক প্রচারণায় বলে এসেছেন তিনি। পাঁচজন আলাদা প্রধানমন্ত্রীর অধীনে কনজারভেটিভ পার্টির ১৪ বছরের শাসন অবসানে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছিলেন তিনিই।

আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে অনিচ্ছুক আর্সেনাল ফুটবল ক্লাবের গোড়া সমর্থক স্টারমার রাজনীতিতে আসেন বেশ দেরিতে। নেতা হিসেবে তার বিরক্তিকর ভাবমূর্তিকে আড়াল করতেই তিনি বেশি চেষ্টা করেন। তবে তার স্ত্রী ভিক্টোরিয়া জানান, ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বেশ হাসি-খুশি ও বিনয়ী।

ভিক্টোরিয়া একজন পেশাদার থেরাপিস্ট হিসেবে যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য বিভাগে কাজ করেন। স্টারমার ও ভিক্টোরিয়া দম্পতির রয়েছে এক ছেলে ও এক মেয়ে, যাদের দুজনই কিশোর-কিশোরী। স্টারমার আগেই জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হলেও তিনি শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার পর কোনো কাজ করবেন না। কেননা, তার এই সময়টা বরাদ্দ থাকে পরিবারকে দেওয়ার জন্য।

স্টারমারের জন্ম ১৯৬২ সালে ২ সেপ্টেম্বর লন্ডনের বাইরে। একজন খুবই অসুস্থ মা ও আবেগের বশবর্তী হয়ে দূরত্ব বজায় রেখে চলা বাবার ঘরে জন্ম নেওয়া স্টারমারের রয়েছে তিন ভাইবোন, যাদের মধ্যে একজনের শ্রবণ সমস্যা ছিল। তার বাবা-মা পশু পছন্দ করতেন। বিশেষ করে, তারা গাধা উদ্ধারের কাজ করতেন। এ ব্যাপারে স্টারমার মজা করে বলতেন, যখনই আমরা কেউ বাড়ি ছাড়তাম, তখন তারা গাধা দিয়ে সেই শূন্যস্থান পূরণ করতেন।

স্টারমার একজন ভালো সংগীতশিল্পী এবং স্কুল থেকেই তিনি ভায়োলিন বাজাতে পারদর্শী। লিডস ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন পড়া শেষে তিনি বাম রাজনীতিতে ঝুঁকে পড়েন। ২০০৩ সালে তিনি বন্ধু ও সহকর্মীদের হতবাক করে দিয়ে নর্দার্ন আয়ারর‌্যান্ডে পুলিশ যাতে মানবাধিকার মেনে চলে, তা নিশ্চিত করতে একটি চাকরিতে যোগ দেন। পাঁচ বছর পর সে সময়কার লেবার পার্টির প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউনের আমলে তিনি ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের প্রসিকিউশন বিভাগের পরিচালক হিসেবে নিযুক্ত হন।

রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ স্টারমারকে নাইট উপাধি দেন। তবে, তিনি স্যার হিসেবে নিজের পরিচয় দিতেন খুব কম সময়েই। ২০১৫ সালে কিয়ার স্টারমার নর্থ লন্ডন থেকে পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হন। এই নির্বাচনে জয়ের কয়েকদিন আগে তার শয্যাশায়ী মা বিরল এক রোগে মারা যান।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




বরগুনায় সনদ জালিয়াতি করে পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরে চাকরি

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অলিউল্লাহ্ ইমরান, বরগুনা

Image

অন্যের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের সকল তথ্য সঠিক রেখে শুধুমাত্র পরীক্ষার্থীর নাম ও পিতার নাম পরিবর্তন করে জাল সনদ বানিয়ে ১০ বছর ধরে সরকারি চাকুরি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্তের নাম শিপ্রা সরকার। তিনি বরগুনার বামনা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা হিসাবে ডৌয়াতলা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন।

এঘটনায় সনদের প্রকৃত মালিক মঠবাড়িয়া উপজেলার বাশবুনিয়া রাশিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সমাপ্তি বিশ্বাস তার এসএসসি সনদ জাল করে বামনা উপজেলায় শিপ্রা সরকার নামে এক নারী পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা পদে চাকরি করছেন দাবী করে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে জানাগেছে, পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার গৌরাঙ্গলাল বিশ্বাসের মেয়ে সমাপ্তি বিশ্বাস ২০১৯ সালে এনটিআরসির মাধ্যমে বাশবুনিয়া রাশিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন। গত বছর ২রা অক্টোবর রাতে ওই শিক্ষিকাকে নাজিরপুর থানার ডিএসবি থেকে ফোন করে জানায় তার এসএসসি পরীক্ষা সনদের সকল তথ্য সঠিক রেখে শুধু নাম এবং পিতার নাম পরিবর্তন করে বরগুনায় শিপ্রা সরকার নামে একজন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা পদে চাকরি করছেন।

অভিযোগে সমাপ্তি বিশ্বাস জানায়, তার এসএসসি পরীক্ষার সনদে রোল নম্বর ১১৩৬৭৮ রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ২৪৮৯৬৩ শিক্ষাবর্ষ ১৯৯৯-২০০০, পাশের সন ২০০১ এবং শিক্ষা বোর্ড বরিশাল। এদিকে সমাপ্তি বিশ্বাসের সনদ জাল করে চাকরি পাওয়া শিপ্রা সরকারের জাল সনদটি উদ্ধার করে কালেরকন্ঠ টিম। ওই জাল এসএসসি পরীক্ষার সনদে দেখাগেছে সমাপ্তি বিশ্বাসের নামের স্থানে হুবুহু ফন্টে টাইপ করে লেখা রয়েছে শিপ্রা সরকার এবং পিতার নাম নকুল চন্দ্র সরকার। এছারা বাকি সকল তথ্য রয়েছে প্রকৃত সনদ মালিক সমাপ্তি বিশ্বাস এর। চাকুরী প্রাপ্তির সময় ওই জাল সনদে বরগুনা সরকারি কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সমরজিৎ হাওলাদারের সত্যায়িত করা স্বাক্ষর রয়েছে যেখানে তারিখ লেখা রয়েছে ২৫ অক্টোবর ২০১৪।

তবে বরগুনা সরকারি কলেজের সাবেক ওই অধ্যাপক সরমজিৎ হাওলাদার জানায়, তিনি ২০০৯ সালে বরগুনা থেকে বদলী হয়েছেন। ২০১৪ সালে তিনি কিভাবে ওই সনদে সত্যায়িত করবেন। এটা জাল করে তৈরী করা হয়েছে। তবে অবাক লাগে চাকরী প্রদানের সময় গোয়েন্দা বিভাগের তদন্তে  কিভাবে তিনি পার পেয়েছেন?

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে রেজাল্ট দেখতে গিয়ে বেরিয়ে আসে শিপ্রা সরকারের জালিয়াতির প্রকৃত রহস্য। সেখানে জাল করা শিপ্রা সরকারের সনদের রোল নম্বর ও রেজিষ্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সার্চ করলে সমাপ্তি বিশ্বাসের নাম দেখা যায়।

এদিকে সমাপ্তি বিশ্বাসের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্তের জন্য বরগুনা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাহমুদুল হক আজাদকে দ্বায়িত্ব দেওয়া হয় মহাপরিচালকের দপ্তর থেকে। তবে অভিযোগ পাওয়াগেছে গত মাসের ২ জুন বরগুনা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাহমুদুল হক আজাদ দায়সারা ভাবে একটি তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন ডিজির বরাবরে পাঠিয়েছেন।

এব্যপারে জানতে চাইলে উপপরিচালক মাহমুদুল হক আজাদ বলেন, তদন্তের দিন অভিযোগকারীকে বরগুনায় আসতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি তদন্তের দিন উপস্থিত হয়নি। পরে ডিএসবি রিপোর্ট অনুযায়ী আমি তদন্ত প্রতিবেদন মহাপরিচালকের দপ্তরে পাঠিয়ে দিয়েছি।

এদিকে শিপ্রা সরকারের সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা পদে চাকরী পাওয়ার বিষয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা তথ্য পেলে অভিযুক্তকে ফোন করে বিষয়টি জানতে চায়। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে ওই পরিদর্শিকার স্বামী স্থানীয় এক সাংবাদিককে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের মাধ্যমে মানহানী মামলা করা হুমকী প্রদান করেন।

স্থানীয় ওই সাংবাদিক জানান, শিপ্রা রানীর জালিয়াতির অভিযোগ পেয়ে তার ফোন নম্বরে ফোন করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। পরে তার স্বামীকে তথ্যের জন্য ফোন দিলে তিনি তার ওপর ক্ষীপ্ত হয়ে যায়। একপর্যায়ে তাকে হুমকি প্রদান করেন বলেন যদি আপনারা বারাবারি করেন তাহলে স্থানীয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে আপনাদের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ দিবো। 

এদিকে অনুসন্ধানে আরো জানাগেছে, অভিযুক্ত শিপ্রা সরকারের স্বামী তপন কুমার রায় ডৌয়াতলা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রের নৈশ প্রহরীর হিসাবে চাকরী করেন।

ওই অফিসের একজন কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে  জানান, তপন কুমার রায় নৈশ প্রহরী হিসাবে কর্মরত থাকলেও একদিনও তিনি অফিস করেন নাই। শুধু তাই নয় শিপ্রা সরকার সার্বক্ষনিক ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে থাকার বিধান থাকলেও তিনি দুপুরের পরে বাড়ি চলে যায়।  সনদ জালিয়াতি করে চাকরি পাওয়া অভিযুক্ত শিপ্রা সরকারের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার মোবাইল ফোনে কল করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। গত শনিবার বেলা সারে এগারোটার সময় তার কর্মস্থলে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। সকালে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে তিনি চলে গেছেন।

পরে অভিযুক্ত শিপ্রা সরকারের স্বামী তপন কুমার রায়কে ফোন করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগের জন্য একটি তদন্ত টীম গঠন করা হয়েছে। তারা তদন্ত করে প্রতিবেদন ঢাকায় পাঠিয়ে দিয়েছে। তবে মহাপরিচালকের কাছে যিনি অভিযোগ দিয়েছেন তিনি অনেকের কাছে ওই অভিযোগের কথা অস্বীকার করেছেন। তার পরেও তদন্তে আমি অভিযুক্ত হলে আপনারা সংবাদ প্রকাশ করবেন তার আগে আমাদের কাছে কেন আপনারা ফোন করেন।

এদিকে অভিযোগকারী সমাপ্তি বিশ্বাস এর স্বামী শ্যামল সাহা বলেন, আমরা ডিএসবির মাধ্যমে জালিয়াতির বিষয়টি অবহিত হওয়ার পরে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বরাবরে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আবেদন করেছি। বরগুনা উপপরিচালকের কার্যালয় থেকে আমাদের জানিয়েছেন তবে তদন্তের দিন আমরা যেতে পারিনি। কিন্তু তদন্ত টীম শিক্ষাবোর্ডের ওয়েব সাইটে প্রবেশ করলে তো জানতে পারে শিপ্রা সরকার জালিয়াতি করেছে কিনা।

এব্যাপারে বরিশাল বিভাগীয় উপ পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, এতো বড় জালিয়াতির বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। অনুগ্রহ করে সকল তথ্য আমাকে দিন আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।


আরও খবর