আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

ঘূর্ণিঝড় অশনি'র প্রভাবে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে উপকূলীয় এলাকা

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৫১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মোংলা প্রতিনিধি:

ঘূর্ণিঝড় অশনি'র প্রভাবে মোংলা সমুদ্র বন্দরসহ সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। বুধবার (১১ মে) ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত প্রখর রৌদ্রজ্বল আবহাওয়া বিরাজ করলেও ৯টার পর মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে মেঘে ঢাকা পড়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে এ এলাকা।সেই সাথে শুরু হয়েছে মেঘের গর্জন,বৃষ্টি ও বাতাস। ফলে অশনির প্রভাব পরিলক্ষিত হতে শুরু করেছে উপকূলে।

বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ার সাথে সাথে বন্ধ হয়ে গেছে মোংলার বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা। তাই অফিস, হোটেল-দোকানপাটেও ভুতুড়ে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।এর আগে মঙ্গলবার সকালে বৃষ্টি ও বাতাস হলেও প্রায় দিনভর ছিলো প্রায় রৌদ্রজ্জল আবহাওয়া।

বুধবারও মোংলা বন্দরে ২ নম্বর দূরবর্তী হুশিয়ারী সংকেত বলবৎ রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: ঘূর্ণিঝড় অশনি

আরও খবর



সাপাহারে আমের কেজি ২ টাকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৬০০জন দেখেছেন

Image

সাপাহা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

আমের বাণিজ্যিক এলাকা নওগাঁর জেলার সাপাহারে ২-৩ টাকা কেজি দরে আম বিক্রি হচ্ছে। সাপাহার উপজেলায় বৃহস্পতিবার (১৯ মে) রাতে হওয়া ঝড়-বৃষ্টিতে অনেক বাগানের আম ঝরে পড়েছে। এসব আম কম দামে কিনে পাঠানো হচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

শুক্রবার সকালে দেখা গেছে, বিভিন্ন গ্রাম থেকে সাপাহার সদরে ভ্যানে করে বাগান মালিকগন আম বিক্রি করতে এসেছে। আড়তদারগন সেই আম কম দামে কিনে বস্তাভর্তি করে আড়তে নিচ্ছে। তারপর সেগুলোকে পাঠানো হবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বলে জানা যায়।

ঝড়ে পড়া আমের সিংহভাগই অপরিপক্ব। ছোট ও মাঝারি সাইজের এসব অপরিপক্ব আম বিক্রি হচ্ছে ১৫০টাকা বস্তা টাকা দরে। অর্থাৎ এক বস্তায় প্রায় ৬০-৬৫ কেজি আম ধরে বলে জানা যায়। গ্রামের নারী-পুরুষ ও কিশোর-কিশোরীর কুড়ানো এসব আম পাইকারি ব্যবসায়ীরা কিনে আড়তে নিচ্ছেন। পরে আড়ত থেকে ট্রাকযোগে এসব আম যাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। 

সদর উপজেলার আম বাজারে গ্রাম থেকে আসা আম কিনে জড়ো করা হয়েছে।

আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টি হয়। এ সময় গাছ থেকে অনেক অপরিপক্ব আম ঝরে পড়ে। এসব আম গ্রামের মানুষজন কুড়িয়ে ২-৩ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে।

উপজেলার কুচিন্দা গ্রামের আমচাষি হৃদয় বাবু বলেন, প্রায় ১০ বিঘা জমিতে আম চাষ করেছেন। এসব গাছে ঝুলছে ল্যাংড়া, আম্রপালি, বারি-৪, ক্ষিরসাপাতসহ বিভিন্ন জাতের আম। হঠাৎ বৃহস্পতিবার রাতে ব্যাপক বৃষ্টির সঙ্গে ঝড় হয়। এতে অনেক আম পড়ে নষ্ট হয়। এসব আম গ্রামের অনেকেই কুড়িয়ে ২-৩ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছে।

পাইকারী ব্যবসায়ী খায়রুল ইসলাম বলেন, ঝড়ে পড়া আম তেমন কাজে লাগে না। তাছাড়া আমগুলো পরিপক্ব নয়। তাই আচার করেন অনেকেই। তবে অনেক বেশি আম হওয়ার কারণে বাধ্য হয়েই বিক্রি করতে হয়। আমরাও কম দামে এসব আম পাই। পরে এগুলো দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ট্রাকে করে পাঠিয়ে দেই। ঢাকায় এসব আমের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। 

আরেক পাইকারি ব্যবসায়ী মোদাচ্ছের বলেন, ঝড়ে পড়া আমে দাগ পড়ে নষ্ট হয়ে যায়। তাই বেশির ভাগ সময় আম পরিপক্ব থাকলে তা জুস ফ্যাক্টরিতে চলে যায়। আবার এইসব আম দিয়ে আচারও করা হয়। তাই কম দামে কিনে ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠিয়ে দেই।

সাপাহার কৃষি অফিসার মনিরুজ্জামান বলেন, সোমবার রাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। তবে আমের ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। ঝড়ে আম ও লিচুর অনেক ক্ষতি হয়েছে। অনেক অপরিপক্ব আম গাছ থেকে ঝরে পড়েছে। এসব আম তেমন কোনো কাজে না আসায় কম দামে বিক্রি হয়।

নিউজ ট্যাগ: আম নওগাঁ

আরও খবর



সঠিক উপায়ে ইনডোর প্লান্টের যত্ন নিন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ | ১৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শহুরে জীবনে একটু সবুজের ছোঁয়া পেতে ঘরের কোণে অনেকেই ইনডোর প্লান্ট লাগান। জায়গার স্বল্পতায় শহরের সবুজপ্রেমীরা বাগান করার স্বাদ ইনডোর প্লান্টের মাধ্যমেই মিটিয়ে থাকেন। এতে ঘরের ভেতর বা বেলকনিই একমাত্র জাগয়া হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের ইনডোর প্লান্ট পাওয়া যায়। তাই ঘর সাজাতে ইনডোর প্লান্টের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সঠিক যত্নের অভাবে সেগুলো বেড়ে উঠতে পারছে না।

ইনডোর প্লান্ট ভালো রাখার জন্য সঠিক পরিচর্যা প্রয়োজন। যেহেতু ইনডোর প্লান্ট ঘরের ভেতরে থাকে, তাই বাগানে বেড়ে ওঠা গাছের পরিচর্যার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। এসব বিষয় জানা থাকলে আপনার ঘর বা বেলকনিই হয়ে উঠতে পারে এক টুকরো সবুজ বাগান। যা আপনার মনে আনন্দ এনে দেবে। ইনডোর প্লান্ট ভালো রাখতে প্রথমে পানি দেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। নিয়ম মেনে গাছে নির্দিষ্ট পরিমাণে পানি দিতে হবে। বেশি পানি গাছের ক্ষতি করে। খেয়াল রাখতে হবে, অনেক সময় ধরে গাছের গোড়ায় যেন পানি জমে না থাকে। এতে গোড়ায় পচন ধরতে পারে। প্রতিদিন পানি না দিলেও চলবে। বিশেষ করে বর্ষাকালে পানি দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সতর্ক থাকতে হবে।

প্লান্টের টবের মাটি দেখে বুঝতে হবে গাছে পানির আদৌ প্রয়োজন আছে কিনা। গাছে পানি দেওয়ার আগে হাত দিয়ে মাটি চেপে চেপে দেখুন। ভেজা ভাব থাকলে পানি দেওয়ার দরকার নেই। আরও একটি সহজ উপায় আছে, একটা লম্বা সুচ টবের মাটিতে ঢুকিয়ে তুলে আনুন। যদি সুচের গায়ে ভেজা মাটি লেগে থাকে তাহলে বুঝবেন আর পানি দেওয়ার দরকার নেই। ইনডোর প্লান্টে পানি দেওয়ার সঠিক সময় সকাল ও বিকেল বেলা। এই সময় রোদের তেজ কম থাকে। গ্রীষ্মকালে গাছে বেশি পানি দিতে হয়। তবে পানি খুবই ধীর গতিতে দিতে হবে। সবসময় খেয়াল রাখতে হবে টবের মাটি যেন কখোনোই শুকিয়ে না যায়।

ঘরের যেখানে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস রয়েছে, তেমন জায়গায় গাছ রাখুন। খুব অন্ধকার ঘর কিংবা যেখানে বেশি রোদ আসে, তেমন জায়গায় না রাখাই ভালো। গাছের নতুন চারা অবশ্যই বারান্দায় বা যেখানে আলো-বাতাস আসে, সেখানে রাখুন। এতে চারা ঠিকমতো বাড়বে। গাছে ফাঙ্গাসও হবে না। যেখানে এসি চলে এমন ঘরে গাছ না রাখাই ভালো। এতে সহজে গাছের পাতা ঝরে পড়ে। গাছ অতিরিক্ত রোদ পেলে অনেক সময় পাতার সামনের অংশ শুকিয়ে কুঁকড়ে যায়।

এছাড়া গাছের ফুল বা পাতার রং হালকা হয়ে যেতে পারে। এ রকম হলে গাছ সরাসরি রোদে না রেখে অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা জায়গায় সরিয়ে রাখুন। অনেক সময় বেশি সার দেওয়ার ফলে গাছের চারা খুব তাড়াতাড়ি বাড়লেও কাণ্ড হলুদ হয়ে যায়। হঠাৎ করে গাছ নেতিয়ে পড়ে। এ রকম ক্ষেত্রে দিনে কয়েকবার গাছের গোড়ায় পানি দিন। সার ধুয়ে বেরিয়ে গেলে সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে। ঝরে পড়া ফুল, শুকনো পাতা টবের মধ্যে যেন জমে না থাকে। টব সব সময় পরিষ্কার রাখুন। এতে গাছ ভালো থাকবে। গাছের পাতায় ধুলো বা ঝুল জমলে শুকনো সুতির নরম কাপড় বা স্পঞ্জ দিয়ে হালকা হাতে পাতাগুলো মুছে দিন। গাছে ছোটছোট অনেক পাতা থাকলে স্প্রে বোতলে পানি দিয়ে পরিষ্কার করে দিতে হবে। এসব নিয়ম মেনে চললে ইনডোর প্লান্ট অনেক দিন ভালো থাকবে।

নিউজ ট্যাগ: ইনডোর প্লান্ট

আরও খবর



শিমুলিয়া ঘাটে অতিরিক্ত টাকার নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | ৪৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শিমুলিয়া ঘাটে সিরিয়ালের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ফেরি সঙ্কটে যাত্রী ও যনবাহন পারাপার ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে স্পিডবোটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে ঈদে ঘরমুখো দক্ষিণ বঙ্গের ২১ জেলার যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ার অভিযোগ করেছেন।

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে এসব অনিয়মের অভিযোগের মধ্যেই ঈদ উদযাপন করতে বাড়ি ফিরছে লাখ লাখ মানুষ। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার-মাঝিরকান্দি নৌরুটে অতিরিক্ত যাত্রী ও যানবাহনের চাপে দেখা দিয়েছে। আর সেই চাপের সুযোগ কাজে লাগিয়ে যানবাহন চালকদের জিম্মি করে অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে সিরিয়াল ভেঙে পরের গাড়ি আগে পার করার অভিযোগ উঠেছে ফেরি কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসানের বিরুদ্ধে। এছাড়াও লঞ্চ গুলোতেও নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত যাত্রী।

বর্তমানে এই নৌরুটটিতে ১০ টি ফেরি, ৮৩ টি লঞ্চ ও ১৫৫ টি স্পিডবোর্ডে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।

স্পিডবোট ঘাটে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে ঘাট ইজারাদারের লোকজন যাত্রীদের কাছ থেকে জোর করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন। কেউ প্রতিবাদ করলে টিকিট না দিয়ে বকাঝকা করারও অভিযোগ রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্পিডবোট ঘাট ইজারাদার আশ্রাফ হোসেনের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়, তবে তিনি ফোন ধরেননি। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন, মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ মোঃ আবু তাহের মিয়া।

টাকার বিনিময়ে সিরিয়াল ভাঙার বিষয়টি মিথ্যা দাবি করে বিআইডাব্লিউটিসির ব্যবস্থাপক (মাওয়া জোন) শফিকুল ইসলাম বলেন, যাত্রী ও যানবাহন ঘাটে এসেই পার হতে চায় ফলে বিশৃঙ্খলা দেখা দিচ্ছে। 

নিউজ ট্যাগ: শিমুলিয়া ঘাট

আরও খবর



চিকিৎসার নামে প্রতারণা, ভুয়া এমবিবিএস ডাক্তার গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৭০৫জন দেখেছেন

Image

বাগেরহাট প্রতিনিধি:

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় এম এম মনির নামে এক ভুয়া চিকিৎসককে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে, দুই মাসের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুরে কচুয়া উপজেলার জিরো পয়েন্ট এলাকায় ওই ভুয়া চিকিৎসকের চেম্বারে অভিযান চালিয়ে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার রোহান সরকার ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক হিসেবে এই আদেশ দেন। এ সময় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মেহেদি হাসান উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডপ্রাপ্ত এম এম মনির বাগেরহাট পৌর শহরের হরিণখানা এলাকার সোহরাব হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, চার বছর ধরে চক্ষু, নাক, কান, গলা, মাথা ব্যথা রোগে অভিজ্ঞ এমন সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে স্থানীয়দের সাথে চিকিৎসার নামে প্রতারণা করছিলেন তিনি। তার প্রতারণা ধরা পড়ায় অনেক মানুষ ভুয়া ডাক্তারের হাত থেকে বাঁচলেন।

সহকারী কমিশনার রোহান সরকার বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসার একটি প্রশিক্ষণ নিয়েই তিনি নিজেকে এমবিবিএস পাশ দাবি করে মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলেন। তিনি সাইনবোর্ডে যে রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি লিখেছেন সেটিও ভুয়া। তার অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে, দুই মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



নোয়াখালীতে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাই নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ২২ মে 20২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২২ মে 20২২ | ২৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আপন ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাই নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।নিহত দেলোয়ার হোসেন (৪৫) কবিরহাট উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের নবাবপুর গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে এবং তাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন তার ছোট ভাই আবদুল হাই মাষ্টার।

শনিবার বিকেলে কবিরহাট উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের নবাবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।  এরপর গা ঢাকা দিয়েছেন ছোট ভাই আবদুল হাই মাষ্টার। জানা যায়, জায়গা জমি সংক্রান্ত বিষয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এমন সময় বড় ভাই দেলোয়ার হোসেনের  মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করেন ছোট ভাই আবদুল হাই মাষ্টার।

এসময় মাথা ফেটে অচেতন হয়ে পড়েন দেলোয়াড়। পরিবারের লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাইজদী গুডহিল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রফিকুল ইসলাম মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। নিহতের লাশ হাসপাতাল থেকে বাড়িতে আনা হয়েছে।  এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজ ট্যাগ: জমি নিয়ে বিবাদ

আরও খবর